তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
ময়মনসিংহে মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল এলাকাবাসী রাঙামাটিতে বিশেষ অভিযানে ৫৮ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি আটক দুই বছর পর আবারও তৈলারদ্বীপ সেতুতে টোল আদায়ের উদ্যোগ সরকারি চাকরিতে ১১-২০তম গ্রেডে বাড়ছে ১৩৫% বেতন সিরাজগঞ্জে দুদকের মামলায় মাছ ব্যবসায়ী ছালাম কারাগারে বড়ছড়ায় ব্যবসায়িদের হয়রানি ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন এয়ারপোর্ট থেকে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেফতার করেছে চাটখিল পুলিশ টাইব্রেকারে কবাখালীকে হারিয়ে দীঘিনালা জোন কাপ জিতল বোয়ালখালী চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি অতিরিক্ত আইজিপি হওয়ায় খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপারের ফুলের শুভেচ্ছা কালিগঞ্জে বোরো চাষির তালিকা জালিয়াতির অভিযোগ বার কাউন্সিলের অ্যাডহক কমিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট বাঁশখালীর আ. লীগ নেতা রিয়াজ উদ্দিন সুমনের মোবাইলে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাকিস্তানে হামলা চালাল আফগানিস্তান পূর্বাচলে হবে ৪ থানা, ৬ তদন্ত কেন্দ্র: আইজিপি কর্ণফুলী নদীতে লাইটার জাহাজ ডুবি, ১২ জন উদ্ধার দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে ঢাবির শিক্ষার্থীরা: প্রধানমন্ত্রী আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের ডিএমডির বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা,ও অধিকার বাস্তবায়ন জরুরি শ্রীমঙ্গলে উদযাপিত হচ্ছে ১৭১তম সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস ‎চাটখিলে পুলিশের অভিযানে জুয়া চক্রের মূল হোতাসহ গ্রেফতার ১০ রাজউক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নারী সাংবাদিকদের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ নলডাঙ্গায় দুর্বৃত্তের হামলায় আহত আওয়ামী লীগ নেতা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ নলডাঙ্গা পৌরসভার কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা বৃষ্টি হলেই হাঁটু সমান কাদা, চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী চাঁদপাই স্কুলে জলবায়ু ও পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতামূলক কর্মসুচি পালন রাজবাড়ীতে গৃহবধূ নির্যাতন অভিযোগের নতুন মোড় দেশের ১১ ভাগ মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে: মির্জা ফখরুল প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বিবিএ ওরিয়েন্টেশন ও বার্ষিক পিকনিক অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বন্দরে ১৯৮ কোটি টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স পেল চসিক ম্যাচ শেষে স্টেডিয়াম পরিষ্কার করলেন জাপানি সমর্থকরা সিন্ধু নদীর পানিবণ্টন ইস্যুতে ভারতের প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি পাকিস্তান কাতারে নিহত পাঁচ প্রবাসীর মরদেহ পৌঁছাল সিলেটে শপথ নিতে পারবেন না আসলাম চৌধুরী: আপিল বিভাগ পরিবেশ রক্ষায় লংগদুতে ৩ হাজার ৫০০ গাছের চারা বিতরণ সুনামগঞ্জ পৌরসভার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাজেট ঘোষণা ব্র্যাকের মতামতের অপেক্ষায় জমি বিরোধ সিরাজগঞ্জে ২০১২ সালের মাদক মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন কালীগঞ্জে তিন কর্মসূচি: ভিক্ষুক পুনর্বাসন, কৃষি প্রণোদনা বিতরণ ও শিশুশ্রমবিরোধী র‍্যালি সাতক্ষীরা দিবা নৈশ ডিগ্রী কলেজের সামনে অবৈধ স্থাপনার দাবিতে মানববন্ধন ভুজপুরে ভুল বোঝাবুঝির জেরে মাদ্রাসায় অতর্কিত হামলা ভুয়া তথ্য ও অপপ্রচার রোধে রাঙামাটিতে জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা রাঙ্গামাটিতে জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত বর্ষার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ সড়কে সওজের সংস্কার অভিযান ফরিদপুর ভাঙ্গা ব্লেড দিয়ে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে দিলেন স্ত্রী রাউজানে জেঠাতো ভাইয়ের গাছের টুকরোর আঘাতে চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যু চরপাড়া মোহাম্মাদিয়া দাখিল মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি মাছ ধরার জালে ধরা পড়ল ৮ ফুটের বার্মিজ অজগর আর্জেন্টিনা ভক্ত আজাদ মেম্বারের শেষ ঠিকানা কারাগার সাতক্ষীরায় ৭৩ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করলো বিজিবি

ব্যাংক খাতে বিশৃঙ্খলা বাড়ার আশংকা

ব্যাংক খাতে বিশৃঙ্খলা বাড়ার আশংকা
পাঠক সংখ্যা
638


স্টাফ রিপোর্টার॥
পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নামে-বেনামে ঋণ নিয়ে প্রায় এক ডজনের বেশি ব্যাংকে লুটপাট চালানো হয়। বিদেশে পাচার করা হয় লাখ লাখ কোটি টাকা। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার গণ অভ্যুত্থানে হাসিনা সরকার পালানোর পর বেড়িয়ে আসে ব্যাংক খাতের প্রকৃত চিত্র। তখনকার প্রভাবশালীদের নেওয়া এসব ঋণের প্রায় বেশিরভাগই এখন খেলাপিতে পরিণত হয়েছ। এসব অর্থ উদ্ধারে ব্যাংকগুলোকে খেতে হচ্ছে হিমশিম। দিন দিন ভারি হচ্ছে প্রতিষ্ঠানগুলোর খেলাপির খাতা।

সম্প্রতি ব্যাংকগুলোর খেলাপির খাতা হালকা করতে বিশাল ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অর্থাৎ ঋণ পুনঃতফসিলের মাধ্যমে খেলাপি ঋণ কমানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে। যার ফলে কাগজে কলমে খেলাপির ভার কমলেও ভবিষৎতে এটি ব্যাংক খাতে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি কারণ হতে পারে বলে আশংকা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সর্বশেষ গত ২২ ফেব্রুয়ারি ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণ কমাতে ছাড় দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে ব্যাংকগুলোতে চিঠি দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে এখন থেকে ডাউন পেমেন্ট বা এককালীন জমার মাত্র ১ শতাংশ পরিমাণ অর্থ জমা দিয়েই ঋণ পুনঃ তফসিলকরণ সুবিধা নেওয়া যাবে। পাশাপাশি পুনঃ তফসিল বাস্তবায়নে আরও তিন মাস পর্যন্ত সময় বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়েছে। যাঁরা এককালীন অর্থ জমা দিতে না পেরে ঋণ নবায়ন করতে পারছিলেন না, তাঁরা ঋণ নিয়মিত করার সুযোগ পাবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠিতে বলা হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা ও আর্থিক কাঠামো পুনর্গঠনের লক্ষ্যে নীতি সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন তফসিলি ব্যাংক ও খাতসংশ্লিষ্টদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঋণ পুনঃ তফসিল ও এককালীন পরিশোধের ক্ষেত্রে যে এককালীন অর্থ (২ শতাংশ) জমা দিতে হয়, তার অর্ধেক আবেদনের সঙ্গে এবং বাকি অর্ধেক ছয় মাসের মধ্যে পরিশোধ করা যাবে। ইতিমধ্যে নীতি সহায়তা দেওয়া হলেও তা যৌক্তিক কোনো কারণে বাস্তবায়ন সম্ভব না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক পূর্বনির্ধারিত সময়সীমার অতিরিক্ত আরও তিন মাস সময় বাড়াতে পারবে।

সুদ মওকুফের বিষয় বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ বিদ্যমান নীতিমালার আওতায় ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তা শীর্ষনিউজ ডটকমকে বলেন, আর্থিক শৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রকৃত খেলাপি ঋণের চিত্র তুলে ধরার পরিবর্তে বারবার পুনঃতফসিলের সুযোগ দেওয়ায় অনেক ঋণগ্রহীতা দায় এড়ানোর সুযোগ পাচ্ছেন। এতে করে ব্যাংকিং খাতের স্বচ্ছতা যেমন প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে, তেমনি প্রকৃত অর্থনৈতিক অবস্থার প্রতিফলনও আড়াল হয়ে যাচ্ছে।

পুনঃতফসিল একটি স্বাভাবিক ব্যাংকিং প্রক্রিয়া হলেও এর অপব্যবহারও বাড়ার আশংকাও রয়েছে। প্রকৃত ব্যবসায়িক সমস্যায় পড়া গ্রাহকদের সহায়তা করার বদলে অনেক ক্ষেত্রেই প্রভাবশালী ঋণগ্রহীতাদের সুবিধা দিতে এটি ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে বছরের পর বছর ধরে একই ঋণ বারবার পুনঃতফসিল হয়ে খেলাপির খাতা থেকে সাময়িকভাবে বাদ পড়ছে, কিন্তু বাস্তবে আদায় হচ্ছে না। এ ধরনের চর্চার ফলে ব্যাংকগুলোর আর্থিক ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। কারণ, কাগজে-কলমে খেলাপি ঋণ কম দেখানো হলেও বাস্তবে সেই অর্থ ফেরত আসছে না। এতে করে ব্যাংকের মুনাফা কমে যাচ্ছে। মুনাফা কমে গেলে ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতিও বেড়ে যায়। এর ফলে আমানতকারীদের অর্থ ঝুঁকির মুখে পড়ে। একই সঙ্গে নতুন ঋণ বিতরণেও সতর্কতা কমে যাচ্ছে, কারণ প্রকৃত ঝুঁকির হিসাব সঠিকভাবে নিরূপণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে দীর্ঘমেয়াদে পুরো আর্থিক খাতই বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে। ব্যাংকগুলো যদি প্রকৃত অবস্থা আড়াল করে চলতে থাকে, তাহলে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে দেশের ব্যাংকিং খাতের গ্রহণযোগ্যতা কমে যাবে। পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থাও ক্ষুণ্ন হতে পারে।

এছাড়া, নিয়মিত ঋণ পরিশোধকারী গ্রাহকদের মধ্যেও এতে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে। তারা মনে করছেন, সময়মতো ঋণ পরিশোধ না করলেও পুনঃতফসিলের সুযোগ পাওয়া যায় এমন একটি বার্তা বাজারে ছড়িয়ে পড়ছে। এতে করে আর্থিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ব্যাংকগুলো যত টাকা ঋণ দিয়েছে, তার এক-তৃতীয়াংশের বেশিই এখন খেলাপি। মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ কোটি টাকা।

গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক খাতের বিতরণ করা মোট ঋণের পরিমাণ ১৮ লাখ ৩ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৩৬ দশমিক ৩ শতাংশ ঋণই খেলাপি। যদিও ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ দেওয়ার ফলে এর পরিমাণ বর্তমানে কিছুটা কমেছে।

খেলাপির দিক থেকে যেসব ব্যাংক শীর্ষে রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো ইউনিয়ন, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, গ্লোবাল, পদ্মা ও আইসিবি ইসলামী ব্যাংক। ইউনিয়ন ব্যাংকের খেলাপির হার ৯৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ৯৬ দশমিক ২০ শতাংশ, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের ৯৫ দশমিক ৭০ শতাংশ, পদ্মা ব্যাংকের ৯৪ দশমিক ১৭ শতাংশ এবং আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের ৯১ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

ব্যাংকারদের মতে, আওয়ামী লীগ সরকারের সাড়ে ১৫ বছরে ব্যাংক খাতে অনিয়ম, জালিয়াতি, প্রতারণা ও দুর্নীতির উচ্চমাত্রার প্রভাবই খেলাপি ঋণের এ চিত্রে প্রতিফলিত হয়েছে। এস আলম গ্রুপ, বেক্সিমকো গ্রুপ, নাসা গ্রুপ, বিসমিল্লাহ গ্রুপ, হল-মার্ক গ্রুপসহ আরও কয়েকটি গ্রুপ এবং বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির ঘটনায় খেলাপি ঋণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ইসলামি ধারার ব্যাংকগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি প্রচলিত ধারার কিছু ব্যাংকেও বড় ধরনের ঋণ অনিয়ম ঘটে। এতে এসব ব্যাংকের অধিকাংশ ঋণই খেলাপিতে পরিণত হয়েছে।

খাত বিশ্লেষকদের মতে, নিয়ন্ত্রক সংস্থার দুর্বল নজরদারি এবং নীতিগত শিথিলতাও এই সমস্যাকে বাড়িয়ে তুলছে। কঠোর মনিটরিং এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে পুনঃতফসিলের অপব্যবহার বন্ধ করা সম্ভব নয়। পাশাপাশি বড় ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ না করাও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
সব মিলিয়ে, ঋণ পুনঃতফসিলের নামে খেলাপির খাতা হালকা করার এই প্রবণতা দেশের ব্যাংকিং খাতের জন্য একটি বড় ঝুঁকি হিসেবে দেখা দিয়েছে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে এর নেতিবাচক প্রভাব আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এসব বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খানকে মুঠোফোনে কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

১০ দশমিক ৩ ডিগ্রিতে কাঁপছে দিনাজপুর

সবুজ বাংলাদেশ ডেস্ক:  দিনাজপুরে ক্রমশ তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় বেড়েছে শীতের প্রকোপ। এতে বিপাকে পড়েছেন ছিন্নমূল, খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষ। সকাল ৬টায় দিনাজপুরে ১০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। যা চলতি বছরে এখন পর্যন্ত এই জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। সকালে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, প্রায় সর্বত্রই কুয়াশাচ্ছন্ন প্রকৃতি। সেই সঙ্গে বইছে হিমবাতাস। আগুন জ্বালিয়ে শীত থেকে বাঁচার চেষ্টা করছেন কেউ কেউ। এমন অবস্থার মধ্যেও জীবিকার তাগিদে খেটে খাওয়া মানুষ কাজের সন্ধানে বের হচ্ছেন। স্থানীয়রা বলছেন, প্রয়োজন ছাড়া তারা কেউ বের হচ্ছেন না। আবার সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গেই ফিরছেন বাড়িতে। রাতে সাধ্য অনুযায়ী শীত নিবারণে ব্যবহার করছেন লেপ, কম্বল ও কাঁথা। তারা আরও বলছেন, এমন আবহাওয়ার কারণে প্রায় ঘরে ঘরে মানুষ জ্বর-সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। এ

আরও পড়ুন
language Change