মো: মাসুম বিল্লাহ, খুলনাঃ
খুলনার বটিয়াঘাটায় সরকারি নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পলি ভরাট হওয়া শৈলমারী নদী দখলের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। উপজেলার হোগলবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশে নদীর জায়গা দখল করে প্রভাবশালীরা গড়ে তুলেছেন পাকা-আধাপাকা ইমারত ও মৎস্য ঘের। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভরাট হওয়া শৈলমারী নদীর এখন আর কোনো অস্তিত্ব নেই। নদীর বুকে ভেড়িবাঁধ দিয়ে একের পর এক মৎস্য ঘের ও ঘরবাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে।
নদীটি বর্তমানে সরু নালায় পরিণত হয়ে চরে রূপান্তরিত হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী দখলদারেরা প্রশাসন ও দলীয় হাইকমান্ডের নাম ভাঙিয়ে এই দখলের মহোৎসবে মেতে উঠেছে। ১৯৯৬ সালে এলজিইডি বিভাগ প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে বটিয়াঘাটা শৈলমারী ব্রিজটি নির্মাণ করে। এরপর থেকেই নদীটি নাব্যতা হারাতে শুরু করে। বর্তমানে নদীটি ভরাট হয়ে যাওয়ায় বটিয়াঘাটার বিভিন্ন ইউনিয়নসহ পার্শ্ববর্তী ডুমুরিয়া উপজেলার সাধারণ মানুষের পানি নিষ্কাশনের পথ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে আগামী বর্ষা মৌসুমে এলাকায় ভয়াবহ জলাবদ্ধতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যেই ডুমুরিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়নে বোরো মৌসুমে ধানের চাষ ব্যাহত হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন মাঝেমধ্যে অভিযান পরিচালনা করলেও তার সুফল মিলছে না। গত রোববার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর নির্দেশনায় জলমা ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান এলাকাটি পরিদর্শন করেন। তিনি সরকারি জমিতে নির্মিত ঘর ৩ দিনের মধ্যে সরিয়ে নেয়া এবং খননকৃত মাটি ভরাট করার নির্দেশ দিলেও দখলদারেরা তা অমান্য করে পুনরায় দখল কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান নদীটি খননের মাধ্যমে স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে নদীটি রক্ষা করতে পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সচেতন মহল
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: কে এম মাসুদুর রহমান, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ মাসুদ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২১/১ নয়াপল্টন (মসজিদ গলি),ঢাকা - ১০০০।
✆ ০১৫১১৯৬৩২৯৪, ০১৬১১৯৬৩২৯৪ 📧dailysobujbangladesh@gmail.com.
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত