তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
বাইক বিক্রি করে সেতু করে দিলেন দিনমজুর ঢাকা শহরের একেক এলাকায় তাপমাত্রা, ৫ ডিগ্রিরও বেশি সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সেই ডা. সেহাব এখনো বেপরোয়া বয়স কমাতে চান এর চিকিৎসা কতটা কার্যকর জেনে নিন বাথরুম থেকে যুবকের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার সত্যকে কখনও আড়াল করে রাখা যায় না হাম পরিস্থিতি ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে আসছে ফায়ার সার্ভিস ডিজির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় হত্যার হুমকি শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ এসএসপি নির্বাচনে দপ্তর সম্পাদক পদে লড়ছেন মিম আক্তার সৌদি পৌঁছালেন ২৭ হাজার ৩২৫ হজযাত্রী রাশিয়া-উত্তর কোরিয়া সংযোগকারী সেতুর উদ্বোধন রাজারহাট-আনন্দবাজার সড়কের বেহাল দশা জনসেবার দোহাই দিয়ে জনগণের টাকায় এমপিদের বিলাসিতা অনৈতিক মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিল তেলের দাম বাড়ানোর পরেও কমেনি পাম্পে গাড়ির লাইন রেল ও লঞ্চের ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি দূরপাল্লা ও আন্তজেলায় ১১ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সচিব বরখাস্ত মাটি চাপায় ২ জন নিহত মেডিকেলে ভাংচুর সরকারের গ্রিন সিগন্যালের অপেক্ষায় সেনাবাহিনী নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: নিহত ১ বিশ্বকাপে ইরানের বদলে ইতালিকে চান ট্রাম্প একাদশে দুই পরিবর্তন নিয়ে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ আমার দেশ প্রতিনিধির উপর বিএনপি নেতার হামলা মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ যায় নাকি আসে, প্রশ্ন আসিফ মাহমুদের হাতকড়াসহ পালিয়ে যাওয়া আ.লীগ নেতা গ্রেফতার বরগুনায় দৈনিক পুনরুত্থান পএিকার ১৩ তম বছরপূর্তি উদযাপন গুপ্ত’ রাজনীতির প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ দুই মাসে কত ধরনের কার্ডের সঙ্গে পরিচিত হলো মানুষ বিলিং সিস্টেম আধুনিকায়ন: নোয়াখালীতে ৪ দিন বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ ব আব্দুল মান্নানকে বিচারিক ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো সংরক্ষিত আসনে বিএনপির সব প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ বিদ্যুৎ সংকটে খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয় ৪ দিন বন্ধ চট্টগ্রামে মাটি চাপায় প্রাণ গেল ২ শ্রমিকের জ্বালানি সংকটে বিকল্প হিসেবে নবায়নযোগ্য জ্বালানীর সমাধানে সংবাদ সম্মেলন দুই জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ সিরাজগঞ্জে শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রিবার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত পরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ আজ বিশ্ব পৃথিবী দিবসে শেরপুরে স্বেচ্ছাসেবীদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জাইমা রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে বিতর্কিত পোস্ট, আটক শিক্ষার্থী বাজারে কমল স্বর্ণের দাম প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী হলেন জিয়াউদ্দিন হায়দার সেচ পাম্পের ৩ ট্রান্সফরমার চুরি অন্তর্বর্তী সরকার হামের টিকা আমদানি করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রী প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ হজযাত্রীদের নিরাপত্তা ও যাতায়াত নির্বিঘ্ন ব্যাপক প্রস্তুতি সৌদির প্রতারিত অভিবাসীদের পাশে ব্র্যাক: চাটখিলে অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শেরপুরের নতুন পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম অতিথি নিয়ে ব্যস্ত পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল শিশুর

জনসেবার দোহাই দিয়ে জনগণের টাকায় এমপিদের বিলাসিতা অনৈতিক

জনসেবার দোহাই দিয়ে জনগণের টাকায় এমপিদের বিলাসিতা অনৈতিক
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্টারঃ

জাতীয় সংসদে সম্প্রতি এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপিদের জন্য ব্যক্তিগত গাড়ির দাবি জানিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। দেশের চলমান অর্থনৈতিক ও জাতীয় সংকটের মধ্যে এ ধরনের দাবি উঠায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বইছে সমালোচনার ঝড়। এ বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সাবেক এনসিপি নেত্রী ডা. তাসনিম জারা।

বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এমপিদের এই ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন। যখন শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স ও সরকারি কর্মচারীরা বেতন বৃদ্ধি ও ন্যায্য দাবির জন্য রাজপথে দিনের পর দিন আন্দোলন করছেন, তখন এমপিরা সংসদে নিজেদের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে ব্যস্ত। জনগণের মৌলিক সমস্যা সমাধানে দীর্ঘসূত্রতা দেখা গেলেও এমপিদের গাড়ি বা অফিসের দাবির প্রশ্নে সরকারি ও বিরোধী দল মুহূর্তের মধ্যে একমত হয়ে যায়।

তাসনিম জারা উল্লেখ করেন, পৃথিবীর কোনো পেশার মানুষ নিজের বেতন বা সুযোগ-সুবিধা নিজে নির্ধারণ করে না। এমপিদের বেতন জনগণের ট্যাক্সের টাকা থেকে আসে, তাই এটি তারা নিজেরা নির্ধারণ করা নীতিগতভাবে ভুল। তার মতে, এমপিরা জনগণের সেবক। কিন্তু বর্তমান ব্যবস্থায় জনগণের সমস্যার চেয়ে এমপিদের নিজস্ব প্রাপ্তির হিসাবই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। এমপিরা সংসদে গিয়েছেন জনগণের সমস্যার সমাধান করতে, নিজেদের প্রাপ্তির হিসাব কষতে না। যখন একজন শিক্ষক ছয় মাস আন্দোলন করেও সাড়া পান না, কিন্তু এমপিদের সুবিধার সিদ্ধান্ত কয়েক দিনেই হয়ে যায়, তখন পরিষ্কার হয়ে যায় এই ব্যবস্থায় আসলে কার স্বার্থ গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি মনে করেন, এমপিদের বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা নির্ধারণের জন্য একটি নিরপেক্ষ কাঠামো থাকা প্রয়োজন। জনসেবার দোহাই দিয়ে জনগণের করের টাকায় নিজেদের বিলাসিতা নিশ্চিত করাকে তিনি অনৈতিক ও অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেছেন। এর সমাধান হিসেবে ডা. তাসনিম জারা বলেন, একটা স্বাধীন কমিটি গঠন করুন, যারা এমপিদের ব্যক্তিগত সুযোগ-সুবিধার বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করবে।

এই কমিটি কী করবে? প্রথমত, অন্যান্য পেশার সঙ্গে তুলনা করে দেখবে। একজন এমপির দায়িত্ব কী, সময় কতটুকু দিতে হয়, ঝুঁকি কেমন, যোগ্যতা কী লাগে। এগুলো বিবেচনা করে দেখবে তার প্রাপ্য আসলে কতটুকু হওয়া উচিত। একজন জেলা জজ, একজন সচিব, একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, একজন হাসপাতালের কনসালট্যান্ট। এদের সঙ্গে তুলনা করে একটা যৌক্তিক অবস্থান বের করা সম্ভব।

তিনি লেখেন, কমিটি দেখবে সুযোগ-সুবিধাগুলো আজকের বাস্তবতায় প্রাসঙ্গিক কিনা। অনেক ভাতা বা সুবিধা হয়তো কোনো এক সময়ে যুক্তিসঙ্গত ছিল, কিন্তু আজকের দিনে তার আর কোনো ভিত্তি নেই। আবার কিছু নতুন চাহিদা হয়তো তৈরি হয়েছে, যেগুলো এখনো স্বীকৃত হয়নি। এই কমিটির কাজ শুধু সুধিবা বাড়ানো বা শুধু সুবিধা কাটছাঁট করা না। হতে পারে কিছু ক্ষেত্রে এমপিদের প্রাপ্যতা আসলেই অপ্রতুল। একজন প্রত্যন্ত এলাকার এমপিকে যে পরিমাণ যাতায়াত করতে হয়, যে পরিমাণ মানুষের সঙ্গে দেখা করতে হয়, সেই হিসেবে তার সহায়তা তহবিল বা অফিস সুবিধা হয়তো বাড়ানো দরকার। আবার কিছু সুবিধা, যেমন শুল্কমুক্ত বিলাসবহুল গাড়ি, হয়তো আজকের দিনে যৌক্তিকতা হারিয়েছে। সেগুলো ছাঁটাই হোক। মোদ্দা কথা, কোনটা বাড়বে কোনটা কমবে, সেটা নিরপেক্ষ বিচারে ঠিক হোক। এমপিরা নিজেরা এই সিদ্ধান্ত নেবেন না। নেবে স্বাধীন কমিটি।

এনসিপির সাবেক এই নেত্রী বলেন, এই কমিটিতে কারা থাকবেন সেটা আলাদা আলোচনার বিষয়, এবং সেই আলোচনাও গুরুত্বপূর্ণ। তবে মূল নীতি হচ্ছে বিচারক, অর্থনীতিবিদ, প্রশাসন বিশেষজ্ঞ, সুশাসন সংস্থার প্রতিনিধিদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও থাকতে হবে। একজন সরকারি স্কুলশিক্ষক, একজন নার্স, একজন ছোট ব্যবসায়ী থাকতে পারেন। কারণ এমপিদের সুযোগ-সুবিধা শেষ পর্যন্ত একটা অনুপাতের প্রশ্ন। সাধারণ বাংলাদেশির জীবনমানের সঙ্গে তাদের প্রাপ্যতার অনুপাত। সেই অনুপাত বোঝার জন্য ঘরে এমন মানুষ দরকার, যারা সেই জীবনটা যাপন করেন।

এমপিদের নিজেদেরই এই প্রস্তাব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, এটা আপনাদের মর্যাদার প্রশ্ন। জাতির সামনে দাঁড়িয়ে নিজের বেতন নিজে ঠিক করা একটা অস্বস্তিকর বিষয়। যেটা থেকে বের হয়ে আসা আপনাদের নিজেদের স্বার্থেই প্রয়োজন।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

মার্চেই কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস, তাপমাত্রা উঠতে পারে ৩৯ ডিগ্রি পর্যন্ত

মার্চেই কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস, তাপমাত্রা উঠতে পারে ৩৯ ডিগ্রি পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চলতি (মার্চ) মাসে দেশে তাপপ্রবাহ ও কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে মার্চ মাসের শেষদিকে দেশের পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ওপর দিয়ে দু-একটি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এ সময় তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। রোববার (১ মার্চ) সংস্থাটির মার্চব্যাপী পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মার্চ মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে বাড়তে পারে এবং তা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকতে পারে। এছাড়া এ মাসে দেশে ২ থেকে ৩ দিন বজ্র ও শিলাবৃষ্টিসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ঝড় হতে পারে। এছাড়া এক থেকে দুদিন তীব্র কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মার্চের শুরু থেকে বাড়বে গরমধুলিকণায় বিষাক্ত খুলনার বাতাসতবে মার্চ মাসে বঙ্গোপসাগরে কোনো

আরও পড়ুন
language Change