তারিখ লোড হচ্ছে...

ইজারা নিয়েও তাহিরপুরের ফাজিলপুর ঘাটের সম্পূর্ণ দখল না পাওয়ার অভিযোগ চুপিসারে বিয়ে সারলেন অভিনেত্রী জেনিফার উইনগেট ফিটনেসহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ সব যানবাহন দ্রুত অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিল নিয়ে উত্তেজনা, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সফিউদ্দিন আহম্মেদ সেন্টু চাঁদাবাজির অভিযোগ ঝিনাইগাতী ক্ষুদ্র বণিক সমবায় লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত অবশেষে জিয়াউর রহমানের পলাতক খুনিকে গ্রেফতার তৃতীয়স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে চায় না ইংল্যান্ড-ফ্রান্স ২০ জুলাই প্রকাশ হচ্ছে না এসএসসি পরীক্ষার ফল ফারুয়ায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে জামায়াতে ইসলামী, দ্রুত পুনর্বাসনের আহ্বান কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা’র সভাপতি সাঈদ, সম্পাদক জসিম কেশবপুরে ভূয়া আয়কর কর্মকর্তা আটক ইরানিদের সড়কপথে ভ্রমণ এড়ানোর আহ্বান, নতুন হামলার আশঙ্কা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন আজ ১৮ জুলাই: রাজপথে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, নতুন মোড় নেয় আন্দোলন সুন্দরবনের অজগর লোকালয় উদ্ধার করে বনে অবমুক্ত করেন বনবিভাগ বিশ্বকাপ ফুটবল, অর্থনীতির মাঠে কে জিতল, কে হারল নলডাঙ্গায় জুলাই শহীদদের স্বরণে আলোচনা সভা ও শ্রমিকদের মাঝে খাবার বিতরণ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে এস্কাফ সিরাপ ও ভারতীয় মোবাইল ফোন জব্দ জনদুর্ভোগ এড়াতে কালভার্টের দাবি ছোট তালতলী গ্রামবাসীর বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় আগুন, দগ্ধ ১০ আমতলীতে মিথ্যা মামলা, ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন জুলাই শহিদ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি মাদক ব্যবসায়ীদের ছাড় নয়, অপরাধী আমার ভাই হলেও ধরবেন: প্রতিমন্ত্রী জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উদযাপনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ‎বাগেরহাটে নিজ ঘর থেকে দম্পতির মরদেহ উদ্ধার গলাচিপায় উৎসবমুখর পরিবেশে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত জিপে লুকিয়ে ৮০ হাজার ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার ভোলাহাটে কৃষক কার্ড বিতরণের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন রামগড়ে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন জলবায়ু পরিবর্তন ও খাদ্যনিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর কৃষির নতুন দিগন্ত বাঁশখালীতে বন্যার্তদের পাশে ছাত্রদল নেতা আফজাল রহমান, ৩০০ পরিবার পেল ত্রাণ ঢাকায় এবার মনোরেল করতে চায় সরকার ৬০ বছর পর বিশ্বকাপে স্পেনের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা গলাচিপায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে যুবদল নেতা ইখতিয়ার রহমান কবির নলডাঙ্গায় সারবোঝাই ট্রাক উল্টে দুর্ঘটনা, চালক-হেলপার অক্ষত প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ উপলক্ষে শেরপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন বরগুনায় কৃষক স্মার্ট কার্ড বিষয়ক প্রশিক্ষণ মির্জা মোরাদুজ্জামানের ৩১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত জলাবদ্ধতায় ঘরেই নবজাতকসহ প্রসূতির মৃত্যু কেশবপুরে অবহেলিত নবজাতক প্রসূতির পাশে ইউএনও ৯ ঘণ্টা আত্মগোপন, অবশেষে গ্রামবাসীর হাতে আটক দুই গরু চোর রাঙামাটি সদর হাসপাতালে প্রথমবার চালু হলো কলপোস্কোপি সেবা বাজেট অধিবেশন শেষ ২৬ কার্যদিবসে, ১০ বিল পাস জুলাই শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান: রাষ্ট্রপতির ধরাছোঁয়ার বাইরে প্রধান বনরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী এনআইবির মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে ক্রয় অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ কেশবপুরে দিন দুপুরে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের মোল্লাপাড়া গ্রাম থেকে ২ শত পিস ইয়াবাসহ ৩ জন আটক বাঘাইছড়িতে সরকারি সহায়তার আশ্বাস এমপি দীপেন দেওয়ান মোংলা বন্দরে কর্মচারী সংঘের নির্বাচনের উদ্যোগ, ৩ সদস্যের কমিটি গঠন

পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মচারীর সম্পদের পাহাড়

পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মচারীর সম্পদের পাহাড়
পাঠক সংখ্যা
638


স্টাফ রিপোর্টার॥

পরিবেশ অধিদপ্তরের সামান্য কর্মচারী তিনি ১৯তম গ্রেডের ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট। তবে অল্প কয়েক বছরের ব্যবধানে বদলে গেছে তার জীবনচিত্র। সরকারি চাকরির আড়ালেই গড়ে তুলেছেন বিলাসবহুল সেলুন ব্যবসা, নির্মাণ করেছেন একাধিক ভবন।

সরকারি চাকরির বিধিমালা লঙ্ঘন করে ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে রয়েছে ঘুষ গ্রহণ, প্রভাব খাটানো এবং নারী কেলেঙ্কারির মতো গুরুতর অভিযোগ। তিনি পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মচারী সেলিম মাহমুদ, যিনি এলাকায় ‘সানি’ নামেই অধিক পরিচিত।

জানা যায়, ১৫-১৬ বছর আগে পরিবেশ অধিদপ্তরের ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট পদে চাকরিতে যোগ দেন মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়ার বালিয়াটি ইউনিয়নের কুষ্টিয়া গ্রামের বাসিন্দা সেলিম মাহমুদ। স্থানীয়দের ভাষ্য, চাকরিতে যোগদানের পর থেকেই বদলে যেতে থাকে তার জীবনযাত্রা। অল্প সময়েই গড়ে তোলেন বিপুল সম্পদের পাহাড়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, মানিকগঞ্জ শহরের কাজল কমপ্লেক্সে দ্য জেন্টলম্যান নামে একটি বিলাসবহুল সেলুন ও একটি কসমেটিকস ব্যবসা যা একই ভবনে পরিচালনা করছেন তিনি। ব্যবসাগুলো কাগজে-কলমে স্ত্রীর নামে থাকলেও নিয়ন্ত্রণ করছেন নিজেই। শুরুতে একাধিক অংশীদার থাকলেও ধীরে ধীরে পুরো ব্যবসার মালিকানা নিজের নিয়ন্ত্রণে নেন। মাত্র কয়েক বছরই সেলিম মাহমুদ প্রায় দুই কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তুলেছে। 

হাতে আসা প্রমাণাদি এবং সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সর্বশেষ প্রায় ১৮ লাখ টাকার বিনিময়ে আরেক অংশীদারের শেয়ার কিনে নেন তিনি। বর্তমানে প্রায় ৪৬ লাখ টাকার বিনিয়োগে পরিচালিত হচ্ছে ওই সেলুন।

ক্রেতা টানতে সেলুনে চালু করা হয়েছে লোভনীয় অফার। ডেস্কে সাজিয়ে রাখা হয়েছে ব্র্যান্ড নিউ আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স। বিভিন্ন সেবার সঙ্গে স্মার্টফোন জয়ের অফার দিয়ে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। অথচ একজন ১৯তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীর এমন বিলাসী ব্যবসা ও বিপুল বিনিয়োগ নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেলিম মাহমুদ গ্রামের বাড়িতেও গড়ে তুলেছেন একাধিক স্থাপনা। সাটুরিয়ার বালিয়াটি ইউনিয়নের কুষ্টিয়া গ্রামে মেইন রাস্তার পাশে ১০ ডিসিমেল জমির ওপর নির্মাণ করেছেন তিনতলা বাড়ি। এছাড়া খলিলাবাদ চরপাড়া এলাকায় রয়েছে আরও একটি আরসিসি ভবন, যা এখনও নির্মাণাধীন। এছাড়াও মানিকগঞ্জ শহরে তার বিলাসবহুল দুইটি ব্যবসার সকল প্রমাণাদি হাতে এসেছে আরটিভির কাছে।

বালিয়াটি ইউনিয়নের কুষ্টিয়া গ্রামের এক দোকানদার বলেন, তার বাবার বাড়ির পাশেই জায়গা কিনে বিল্ডিং করছে। জমিসহ তিনতলা বাড়িটার দাম প্রায় কোটি টাকার মতো হবে। আর খলিলাবাদ চড়পাড়া মসজিদের দক্ষিণ পাশে যে ভবন করছে, সেটার পেছনেও অনেক টাকা খরচ হয়েছে।

সেলিম মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগও রয়েছে তার সাবেক কর্মস্থল কুষ্টিয়ায়। অভিযোগ রয়েছে, পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানের নামে বিভিন্ন ইটভাটা থেকে নিয়মিত উৎকোচ আদায় করতেন তিনি। এ নিয়ে অতিষ্ঠ হয়ে কুষ্টিয়া কয়লা-ভাটা মালিক সমিতি পরিবেশ অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেয়। পরে তাকে সেখান থেকে স্ট্যান্ড রিলিজ করে খাগড়াছড়িতে বদলি করা হয় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

কুষ্টিয়া জেলা কয়লা-ভাটা মালিক সমিতির সভাপতি ও বাংলাদেশ ইটভাটা মালিক সমিতির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হাবলু মোল্লা বলেন, সে বিভিন্ন ভাটা থেকে ৪-৫ লাখ টাকা করে নিয়েছে। খুব ডিস্টার্ব করতো। একজন পিয়ন কীভাবে প্রাইভেটকারে ঘোরে, এত সম্পদ করে, সেটা তদন্ত হওয়া দরকার। তার যন্ত্রণায় ভাটা মালিকরা অতিষ্ঠ ছিল।

সরকারি চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী, সরকারের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সরকারি কর্মচারী ব্যবসায় জড়িত হতে পারেন না। অথচ সেলিম মাহমুদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ উঠলেও এ বিষয়ে কোনো অনুমতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

সেলিম মাহমুদের সাথে এসকল বক্তব্য চাইলে তিনি এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ ব্যাপারে সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি প্রফেসর ইন্তাজ উদ্দিন বলেন, ১৫-১৬ বছর আগে ১৯ তম গ্ৰেডে চাকরি করে ১০-২০ হাজার টাকা বেতনে এত সম্পদ বৈধভাবে করা সম্ভব না। এই বেতনে সচ্ছল ভাবে চলাইতো কষ্ট। সেই সাথে পরিবেশ অধিদপ্তরের ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারী সে।

তিনি আরও বলেন, সে একা এই কাজ করতে পারেনি। তার বস তাকে দিয়ে এই কাজ করিয়েছে। বিভিন্ন জায়গা থেকে সে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়েছে আর সেখান থেকে তার বসদের কিছু দিয়ে বড় অংশ নিজে রেখে দিয়েছে। তার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করা হোক এবং উপযুক্ত বিচারের দাবি জানাই। 

এ বিষয়ে খাগড়াছড়ি পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হাসান আহম্মদ বলেন, তিনি কয়েক মাস আগে এখানে যোগদান করেছেন। তার আগের বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জানি না। সরকারি চাকরিজীবী হয়ে ব্যবসা করতে হলে তো অনুমতি লাগে, তবে এমন কোনো অনুমতির তথ্য আমার জানা নেই।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, ১৯তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর পক্ষে কয়েক বছরে কোটি টাকার সম্পদ, বিলাসবহুল ব্যবসা ও ব্যক্তিগত গাড়ির মালিক হওয়া কীভাবে সম্ভব? সেলিম মাহমুদের সম্পদের উৎস, ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন এলাকাবাসী।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত

তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত

ডেস্ক রিপোর্টঃ নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে সফর স্থগিত করা হয়েছে। শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) রাতে অনুষ্ঠিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। রাতে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকের পর এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে সফর স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ১১ জানুয়ারি থেকে তার এ সফর করার কথা ছিল। তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান আগামীয় ১১ জানুয়ারি থেকে জাতীয় নেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং ২০২৪ সালে ছাত্র গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদসহ অন্য শহীদদের শ্রদ্ধা জানানো, তাদের কবর জিয়ারত ও তাদের পারিবারিক কিছু দায়িত্ব পালনের জন্য দেশের উত্তরাঞ্চলে সফর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এ ব্যাপারে নির্বাচন

আরও পড়ুন
language Change