জসিম উদ্দিঃ
দেশ আজ ভয়ংকর নিরাপত্তাহীনতার জনপদে পরিণত হয়েছে। একের পর এক শিশু ধর্ষণ/ বল্লাৎকার, নারী নির্যাতন ও নির্মম হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করছে যে, রাষ্ট্র নারী ও শিশুদের জীবন রক্ষায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ। মনে হয় দেশে ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতন এখন উৎসবে রূপ নিয়েছে। কিন্তু সরকার ও প্রশাসনের উদাসীনতা, রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়া এবং দুর্বল বিচার ব্যবস্থার কারণে অপরাধীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ফলে ধর্ষকচক্র দিন দিন আরও বেপরোয়া ও সংঘবদ্ধ হয়ে উঠছে। কোনো নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের আইন থাকলেও কার্যকর নয় বলে মন্তব্য অনেকের?
আওয়ামীলীগের আমলে একের পর এক ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় যখন ছাত্র, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন বিক্ষোভ-সমাবেশ করছিল তখন ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে, একটি সংশোধনী আইন,আইনের ৯/১ ধারায় ধর্ষণের জন্য সাজা ছিল যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, সেটি সংশোধন করে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন করেছিল বাংলাদেশের সরকার। কিন্তু সেটা ছিল মন্ত্রীসভার মধ্যেই সীমাবদ্ধ!
যে রাষ্ট্র শিশুদের নিরাপত্তা দিতে পারে না, সে রাষ্ট্রের উন্নয়নের সকল গল্পই জনগণের সঙ্গে নির্মম প্রতারণা ও বটে । আজ দেশের মানুষ প্রশ্ন করতে বাধ্য হচ্ছে, আর কত শিশু ধর্ষিত ও হত্যার শিকার হলে প্রশাসন ও সরকারের টনক নড়বে? নাকি এখনো প্রশাসনের হাত পা বাঁধা? অবিলম্বে রামিসাসহ সংঘটিত সকল নারী ও শিশু ধর্ষণ, নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত ও দ্রুত বিচার এবং দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি সাধারণ জনগণের।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: কে এম মাসুদুর রহমান, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ মাসুদ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২১/১ নয়াপল্টন (মসজিদ গলি),ঢাকা - ১০০০।
✆ ০১৫১১৯৬৩২৯৪, ০১৬১১৯৬৩২৯৪ 📧dailysobujbangladesh@gmail.com.
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত