তারিখ লোড হচ্ছে...

ঝিনাইগাতী ক্ষুদ্র বণিক সমবায় লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত অবশেষে জিয়াউর রহমানের পলাতক খুনিকে গ্রেফতার তৃতীয়স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলতে চায় না ইংল্যান্ড-ফ্রান্স ২০ জুলাই প্রকাশ হচ্ছে না এসএসসি পরীক্ষার ফল ফারুয়ায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে জামায়াতে ইসলামী, দ্রুত পুনর্বাসনের আহ্বান কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা’র সভাপতি সাঈদ, সম্পাদক জসিম কেশবপুরে ভূয়া আয়কর কর্মকর্তা আটক ইরানিদের সড়কপথে ভ্রমণ এড়ানোর আহ্বান, নতুন হামলার আশঙ্কা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন আজ ১৮ জুলাই: রাজপথে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, নতুন মোড় নেয় আন্দোলন সুন্দরবনের অজগর লোকালয় উদ্ধার করে বনে অবমুক্ত করেন বনবিভাগ বিশ্বকাপ ফুটবল, অর্থনীতির মাঠে কে জিতল, কে হারল নলডাঙ্গায় জুলাই শহীদদের স্বরণে আলোচনা সভা ও শ্রমিকদের মাঝে খাবার বিতরণ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে এস্কাফ সিরাপ ও ভারতীয় মোবাইল ফোন জব্দ জনদুর্ভোগ এড়াতে কালভার্টের দাবি ছোট তালতলী গ্রামবাসীর বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় আগুন, দগ্ধ ১০ আমতলীতে মিথ্যা মামলা, ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন জুলাই শহিদ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি মাদক ব্যবসায়ীদের ছাড় নয়, অপরাধী আমার ভাই হলেও ধরবেন: প্রতিমন্ত্রী জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উদযাপনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ‎বাগেরহাটে নিজ ঘর থেকে দম্পতির মরদেহ উদ্ধার গলাচিপায় উৎসবমুখর পরিবেশে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত জিপে লুকিয়ে ৮০ হাজার ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার ভোলাহাটে কৃষক কার্ড বিতরণের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন রামগড়ে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন জলবায়ু পরিবর্তন ও খাদ্যনিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর কৃষির নতুন দিগন্ত বাঁশখালীতে বন্যার্তদের পাশে ছাত্রদল নেতা আফজাল রহমান, ৩০০ পরিবার পেল ত্রাণ ঢাকায় এবার মনোরেল করতে চায় সরকার ৬০ বছর পর বিশ্বকাপে স্পেনের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা গলাচিপায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে যুবদল নেতা ইখতিয়ার রহমান কবির নলডাঙ্গায় সারবোঝাই ট্রাক উল্টে দুর্ঘটনা, চালক-হেলপার অক্ষত প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ উপলক্ষে শেরপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন বরগুনায় কৃষক স্মার্ট কার্ড বিষয়ক প্রশিক্ষণ মির্জা মোরাদুজ্জামানের ৩১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত জলাবদ্ধতায় ঘরেই নবজাতকসহ প্রসূতির মৃত্যু কেশবপুরে অবহেলিত নবজাতক প্রসূতির পাশে ইউএনও ৯ ঘণ্টা আত্মগোপন, অবশেষে গ্রামবাসীর হাতে আটক দুই গরু চোর রাঙামাটি সদর হাসপাতালে প্রথমবার চালু হলো কলপোস্কোপি সেবা বাজেট অধিবেশন শেষ ২৬ কার্যদিবসে, ১০ বিল পাস জুলাই শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান: রাষ্ট্রপতির ধরাছোঁয়ার বাইরে প্রধান বনরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী এনআইবির মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে ক্রয় অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ কেশবপুরে দিন দুপুরে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের মোল্লাপাড়া গ্রাম থেকে ২ শত পিস ইয়াবাসহ ৩ জন আটক বাঘাইছড়িতে সরকারি সহায়তার আশ্বাস এমপি দীপেন দেওয়ান মোংলা বন্দরে কর্মচারী সংঘের নির্বাচনের উদ্যোগ, ৩ সদস্যের কমিটি গঠন মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় নোবিপ্রবি-ডিপিডিটির সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ও প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত রামগড়ে দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরন ফ্যাসিস্টের দোসর ও হাইব্রিডদের স্থান নেই বিএনপিতে দীঘিনালায় বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে ৭ বিজিবি

৩ মাস জন্য সুন্দরবনে প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা, খোলা থাকবে করমজল

৩ মাস জন্য সুন্দরবনে প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা, খোলা থাকবে করমজল
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্টঃ

আজ ১ (জুন) থেকে টানা তিন মাস সুন্দরবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বন বিভাগ। সুন্দরবনের বনজ সম্পদ, জীববৈচিত্র, বন্যপ্রাণী ও মাছসহ জলজ প্রাণীর প্রজনন সুরক্ষায় এই নিষেধাজ্ঞার জারি করা হয়েছে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন জেলে, বাওয়াল, মৌয়াল, গোলপাতা সংগ্রহকারী ও পর্যটকরা সুন্দরবনের ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে না।

২০২১ সাল থেকে এই সময়ে সুন্দরবন রক্ষা ও প্রাণীদের প্রজনন নিশ্চিত করতে বন বিভাগ প্রতিবছর এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করে চলেছে। এর ফলে সুন্দরবনের প্রাণ প্রকৃতি আরও বেশি সজিবতা লাভ করবে বলে দাবি বন বিভাগের। তবে এ বছর শুধু করমজলকে নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। যার ফলে এই নিষেধাজ্ঞার সময়ও সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র ঘুরে দেখার সুযোগ পাবেন দর্শনার্থীরা। অন্যদিকে নিষেধাজ্ঞার ফলে সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল থাকা বনজীবীরা হয়ে পড়বেন বেকার। নিষেধাজ্ঞার সময় কমানোর দাবি জানিয়েছেন জেলেরা। শরণখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের বগী গ্রামের বাসিন্দা বনজীবি আব্দুর রশীদ বলেন, সুন্দরবন আর আমাদের বাড়ি এক সঙ্গে বললেই চলে, মাঝখানে শুধু একটি ছোট খাল ওপারেই সুন্দরবন। বাপ দাদার সময় থেকে সুন্দরবনের উপর জীবিকা নির্বাহ করে বেঁচে আছি আমরা। বছর যায় অভয়ারণ্যের এলাকা বৃদ্ধি পায় এভাবে বাড়তে থাকলে কিভাবে বাঁচব আমরা। এ সময় সরকার যে সহযোগিতা করে তা আমাদের ঘর পর্যন্ত পৌঁছায় না।

মাসুম হাওলাদার নামে এক জেলে বলেন, আগে তো নিষেধাজ্ঞা ছিল দুই মাস, এখন তিন মাস করেছে। তিন মাস আমরা কিভাবে থাকব। বন থেকে আমাদের জীবিকা চলে। বন্ধ থাকা অবস্থায় সরকার যে সহযোগিতা করে তা আমাদের অব্দি যদি পৌঁছাত তাহলে আমাদের এই কষ্টটা থাকতো না। অন্যদিকে পুরো সুন্দরবন বন্ধ থাকলেও, করমজল খোলা রাখায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। রিয়াদ হোসেন নামে শরণখোলা বলেশ্বর পাড়ের এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, সুন্দরবনের সব এলাকা বন্ধ করে দিয়েছে, কিন্তু করমজল কেন খোলা রেখেছে। তাহলে এটি কি সুন্দরবনের বাইরের অংশ, এখানে কি কোনো গাছ, বন্যপ্রাণী বা মাছ নেই। এক বনে কেন দুই রকম নীতি থাকবে। বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনে রয়েল বেঙ্গল টাইগার, মায়াবি হরিণ, বানর, কুমির, গুইশাপসহ ২৮৯ প্রজাতির স্থলজ প্রাণী, ৪২ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ৩৫ প্রজাতির সরীসৃপ, ৮ প্রজাতির উভচর এবং বিভিন্ন প্রকার মাছসহ ২১৯ প্রজাতির জলজ প্রাণী, ২৯০ প্রজাতির পাখি ও ৩৪৪ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। এর মধ্যে মধ্যে দুই প্রজাতির উভচর, ১৪ প্রজাতির সরীসৃপ, ২৫ প্রজাতির পাখি এবং পাঁচ প্রজাতির স্তন্যপায়ী বর্তমানে হুমকির মুখে রয়েছে।

সুন্দরবনের অভ্যন্তরে দর্শনার্থীদের ভীড়, বনজীবিদের কর্মযজ্ঞ ও চোরা শিকারীদের দাপটে আরও বেশি সংকটে পড়ে এসব প্রাণ-প্রকৃতি।সুন্দরবন পূর্ব ও পশ্চিম বন বিভাগে ১৪টি পযটন কেন্দ্র রয়েছে যেখানে প্রতিবছর কয়েকলক্ষ মানুষ ভ্রমন করেন। এছাড়া বন বিভাগকে নির্দিষ্ট পরিমান ফি দিয়ে বছরের বিভিন্ন সময় অর্ধলক্ষ বনজীবি মাছ, গোলপাতা ও মধু আহরণ করে থাকেন। সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাওলাদার আজাদ কবির বলেন, জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনের বেশিরভাগ বন্যপ্রাণী ও জলজ প্রাণীর প্রজনন মৌসুম। পাশাপাশি প্রচুর চারা গজায় এ সময়। এজন্য তিন মাস সুন্দরবন বন্ধ রাখা হয়েছে। এর ফলে সুন্দরবনের সজিবতা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে। প্রথমবারের মতো এ বছর শুধুমাত্র করমজল দর্শনার্থীদের জন্য খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান এই বন কর্মকর্তা।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

ভারতীয় অর্থনীতিতে মনমোহন সিং-এর অবদান

সবুজ বাংলাদেশ ডেস্ক:  ভারতীয় অর্থনীতিতে মনমোহন সিং-এর অবদান ভোলার নয়। অর্থমন্ত্রী হিসেবে যেসব সংস্কারমূলক কাজ তিনি করে গিয়েছেন, তার সুফল আজ পাচ্ছে বর্তমান ভারত। উদারীকরণের পর ভারতীয় অর্থনীতির যে উত্থান হয়েছে তা কখনওই সম্ভব ছিল না মনমোহনের অবদান না থাকলে। দেশের তেরোতম প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অনেক আগে থেকেই দেশবাসীর জন্য তিনি কাজ শুরু করে দিয়েছিলেন। পিভি নরসিংহ রাও-এর জমানায় ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ছিলেন মনমোহন সিং। সেসময় ভারতীয় অর্থনীতিতে টালমাটাল দশা। নরসিংহ রাও-এর সঙ্গে হাত মিলিয়ে মনমোহনই অর্থনীতিকে উন্নয়নের রাস্তায় নিয়ে এসেছিলেন। ভারতীয় অর্তনীতির উদারীকরণ করেন তি্নি। লাইসেন্স রাজ কমিয়ে সরকারি নিয়ন্ত্রণনীতিতে লাগাম পরান মনমোহন। এর ফলে শিল্পক্ষেত্রে সরকারের নাক গলানো অনেকাংশে কমে যায়। সরকারি চোখ রাঙানি হ্রাস পাওয়ায় কোনও উন্নয়নমূলক কাজের জন্য নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হতে থাকেন

আরও পড়ুন
language Change