সোহাঈদ খান জিয়া।।চাঁদপুর :
জেলা পরিষদের একজন সার্ভেয়ার হয়ে নাছির নামে বেনামে গড়েছে অবৈধ সম্পদের পাহাড়। নির্মাণ করেন আলিশান বাড়ি। জানাযায়,সার্ভেয়ার নাছির একই জায়গায় এক যুগের উপরে রয়েছেন বহাল তবিয়তে।যার ফলে মানুষের সাথে দিন দিন তার সম্পর্ক গভীর হয়ে উঠে। এসুযোগে সে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়।
পিতার ভুয়া মুক্তিযোদ্বার সার্টিফিকেট দিয়ে সার্ভেয়ারের চাকরি নেন।এমনকি এলাকায় আওয়ামী লীগের দলীয় প্রভাব বিস্তার করে মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করতো।তার ভয়ে কেউ মুখ খুলে কথা বলতে সাহস পেতো না।
ফরিদগঞ্জ উপজেলার ২ নং বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের সরখাল গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে নাছির। নাছিরের পিতার জন্ম একই ইউনিয়নের পাশ্ববর্তী রাজাপুর গ্রামে। কিন্তু শিশু বয়সে দত্তক হিসেবে তাঁর পিতা মুজিবুর রহমানকে সরখাল গ্রামের আহমদ উল্লাহ মৌলবী নিয়ে আসেন।সেখানে তিনি বড় হন।পরে
তাঁর পিতা মুজিবুর রহমানকে কুমিল্লায় একটি লাইব্রেরীতে সামান্য বেতনের কর্মচারী হিসেবে চাকরি দেয়া হয়।
নাছিরের পিতা প্রকৃত মুক্তিযোদ্বা না হলেও ভূয়া মুক্তিযোদ্বার কাগজপত্র তৈরি করে সরকারি সুযোগ সুবিধা ভোগ করেন।সার্ভেয়ার নাছির পিতার ভূয়া মুক্তিযোদ্বার সার্টিফিকেট দিয়ে সার্ভোয়ার হিসেবে চাকরি নেন। এমনকি
নাছিরের পিতার তেমন অর্থ সম্পদ না থাকলেও নাছির জেলা পরিষদের একজন সার্ভেয়ার হয়ে
অঢেল সম্পদের মালিক বনে যান। বাড়িতে নির্মাণ করেন আলিশান বাড়ি।ফরিদগঞ্জের
চান্দ্রা বাজারে কয়েকটি দোকান ক্রয় করে। হাজীগঞ্জ বাজারে ও রয়েছে তাঁর দোকান। চাঁদপুর শহরের মিশন রোড এলাকায় কোটি টাকার উপরে সম্পত্তি ক্রয় করে।
তার সহায় সম্পত্তি দেখে মানুষ হতবাক হয়ে যায়।
ইতোমধ্যে জেলা পরিষদের সকল সদস্য সার্ভেয়ার নাছিরের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রদান করেন।
সরজমিনে সরখাল গ্রামে গিয়ে জানাযায়, সার্ভেয়ার নাছির নামে বেনামে বহু সম্পত্তি ক্রয় করার পাশাপাশি বাড়িতে আলিশান বাড়ি নির্মাণ করেছে।এলাকায় সরকারি জায়গা দখল করে দোকান নির্মাণ করে। সরকারি জায়গায় অন্য মানুষের নির্মাণ কৃত দোকান জোর পূর্বক দখল করে। চান্দ্রা বাজারে কয়েকটি দোকানঘর ভিটিসহ ক্রয় করে।সে জেলা পরিষদের সকল লীজকৃত জায়গা মাপ জরিপ করে মানুষকে বুজিয়ে দিতে গিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। মোটা অংকের টাকা না ফেলে রিপোর্ট দিতে গিয়ে গড়িমসি করে থাকে। উপায়ান্তর না পেয়ে তার দাবিকৃত টাকা দিয়ে রিপোর্ট বুজে নিয়ে থাকে। সে মানুষকে হয়রানি করার পাশাপাশি চাপ প্রয়োগ করে টাকা হাতিয়ে নেয়।
এব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, এলাকার অনেকে বলেন, নাছিরের পিতার তেমন অর্থ সম্পত্তি না থাকলেও নাছির জেলা পরিষদে সার্ভেয়ারের চাকরি করে অবৈধ ভাবে বহু সম্পদের মালিক বনে গেছে। বিলাশ বহুল বাড়ি করেছে।আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দলীয় প্রভাব বিস্তার করে বালিথুবা রাস্তার মাথায় দোকান নির্মাণ করে। সে দলীয় ক্ষমতা দেখিয়ে এলাকার নিরীহ মানুষকে ভয়ভীতি দেখাতো।তার ভয়ে মানুষ মুখ খুলে কথা বলতে সাহস পেতো না। তার পিতা ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে মুক্তিযোদ্বার সার্টিফিকেট নিয়ে সরকারি সুযোগ সুবিধা ভোগ করতো। তার সহায় সম্পত্তিসহ সকল কিছুর বিষয়ে প্রশাসন ও দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: কে এম মাসুদুর রহমান, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ মাসুদ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২১/১ নয়াপল্টন (মসজিদ গলি),ঢাকা - ১০০০।
✆ ০১৫১১৯৬৩২৯৪, ০১৬১১৯৬৩২৯৪ 📧dailysobujbangladesh@gmail.com.
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত