তারিখ লোড হচ্ছে...

সিলেট বালাগঞ্জ বিএনপি’র নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের অভিযোগ, ক্ষুন্ন হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড পরিকল্প... হারানো ৫৩ মোবাইল ফোন উদ্ধার করে মালিকদের হাতে হস্তান্তর সিরাজগঞ্জে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা খুলনায় স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও জনসভা মোংলায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক আটক এনওসি ছাড়াই বিদেশ সফরে খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডিপিএইচইতে কোটি টাকার দুর্নীতির সিন্ডিকেট প্রধান প্রকৌশলী আবদুল আউয়ালের জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল রক্ষায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু সোনার কিরণের ক্ষমতার ১৮০ দিন অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ফারিয়াকে চুরির অপবাদ দিয়ে শ্লীলতাহানি নোয়াখালীতে বেদেপল্লীতে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদে বিক্ষোভ-সমাবেশ নাটোরের অশ্লীলতার কবলে হালতিবিল শ্রীমঙ্গল বিএনপির অব্যাহতিপ্রাপ্ত নেতা তাজ উদ্দিন তাজুর সংবাদ সম্মেলন দলের দুঃসময়ের সারথি দুদু, তবু কেন আড়ালে? চুয়া সেলিম গ্রেফতার গোপন আস্তানা থেকে কেশবপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা পিতার রুহের মাগফিরাত কামনায় চারা বিতরণ সুনামগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ আব্দুস সাত্তার নামে এক মাদক কারবারি আটক সাতক্ষীরা সার্জিক্যাল ক্লিনিকে র‌্যাবের অভিযানে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, ক্লিনিক বন্ধের নির্দেশ নতুন সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কবে, যা জানা গেল ‎সুন্দরবনে অবমুক্ত করা বাঘিনীর ৪০টি ক্যামেরায় মিলছে না অস্তিত্ব পারস্পরিক আস্থা অর্জনের পর প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর : উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: জিয়া ও খালেদা জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা  তালতলীতে অবৈধ পিস্তল ও গুলিসহ আটক-০৫  বিএনপির অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ও সাধারণ জনগণের সমর্থন প্রত্যাশী চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ ফরাস উদ্দিন নাটোরে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কী হলো রাজস্ব সম্মেলনে, যেসব নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উত্তরা প্রেসক্লাব নির্বাচন ২০২৬, সভাপতি হলেন মাসুদ পারভেজ - সম্পাদক মাহতাব ফারাহী ড্রামে ফেলে নবজাতককে হত্যা, মায়ের বিরুদ্ধে মামলা সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর প্রাণহানি ৫ বছরের শিশুকে হত্যার পর ধর্ষণ করেন রবিউল কাশিয়ানীতে সরকারি পুকুরের গাছ বিক্রির অভিযোগ, সোহেলের বিরুদ্ধে যুবদল নেতা হত্যা মামলায় খালাসপ্রাপ্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে স্বজনদের সংবাদ সম্মেলন লালবাগে কিল্লারমোড় বাজারের পেছনে ময়লার ভাগাড়, মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ভূমি অফিস জেলা প্রশাসকদের ১৪ নির্দেশনা কেশবপুরে বায়সা কালী মন্দিরে গ্রিল কেটে দুঃসাহসিক চুরি ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর চিন্তা টিকটকে টাকা পাঠানোর সুবিধা আসছে সময়ের সঙ্গে অনেক কিছু পরিবর্তন হয় হান্নান মাসউদের এমপি পদ বাতিল চেয়ে রিট ইসলাম গ্রহণ করেছেন ব্রাজিল খেলয়ার রবার্তো কার্লোস বিশ্ববাজারে সোনার দাম বাড়ল আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কর্মকর্তাদের উপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সাতক্ষীরার পুলিশ লাইন্স, হাসপাতাল ও আবাসিক এলাকা থেকে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের দাবি খুলনা প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য রফিকুল ইসলাম এর আম্মার মৃত্যুতে সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে যে প্রক্রিয়ায় ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরা নারী যাত্রীদের প্রশ্ন: কিসের গোলাপি বাস, কখন আসে, কোথায় যায় প্রধানমন্ত্রীর শক্তিশালী রাজস্ব ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান বাংলাদেশ শিল্প উদ্যোক্তা এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিশেষ অভিযানে ৮ গ্রাম হেরোইন ও ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ নারায়ণগঞ্জে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ‎

পাঁচ বছরে ১ কোটি বৈদেশিক কর্মসংস্থানের লক্ষ্য সরকারের

পাঁচ বছরে ১ কোটি বৈদেশিক কর্মসংস্থানের লক্ষ্য সরকারের
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্টঃ

আগামী পাঁচ বছরে ১ কোটি বাংলাদেশির জন্য বৈদেশিক কর্মসংস্থানের উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। শ্রমবাজার বহুমুখীকরণ, ব্যাপক দক্ষতা উন্নয়ন, অভিবাসন ব্যয় কমানো, অভিবাসন সেবার ডিজিটালাইজেশন এবং প্রবাসী কর্মীদের জন্য কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাড়ানোর মাধ্যমে এ লক্ষ্য বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর সরকারি বার্তা সংস্থা বাসসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ রোডম্যাপ তুলে ধরেন। মধ্যপ্রাচ্যের গতানুগতিক শ্রমবাজারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিদেশে অভিবাসনকে আরও স্বচ্ছ, সাশ্রয়ী ও দক্ষতাভিত্তিক করার কথাও বলেন তিনি। তিনি বলেন, আমাদের নির্বাচনি অঙ্গীকার হলো পাঁচ বছরে এক কোটি বৈদেশিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। আমরা এরই মধ্যে সেই লক্ষ্য অর্জনে কাজ শুরু করেছি। প্রতিমন্ত্রী জানান, মন্ত্রণালয় এরই মধ্যে বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলো থেকে চাহিদার পূর্বাভাস সংগ্রহ করেছে। সেখানে প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ বিদেশি কর্মীর চাহিদা চিহ্নিত হয়েছে। এ চাহিদাই লক্ষ্য অর্জনের শক্ত ভিত্তি তৈরি করেছে। তিনি বলেন, এখন আমাদের কাজ দক্ষ জনশক্তি তৈরি করে তাদের বিদেশের ওই সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করা। আমার বিশ্বাস, অভিবাসন প্রক্রিয়া আরও সুশৃঙ্খল করে পাঁচ বছরের মধ্যেই আমরা এ লক্ষ্য অর্জন করতে পারব। নুর জানান, বর্তমানে প্রতিবছর প্রায় ১১ থেকে ১২ লাখ বাংলাদেশি কাজের জন্য বিদেশে যান। আরও দক্ষ কর্মী তৈরি করে সরকার ধীরে ধীরে এ সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, অভিবাসন প্রক্রিয়া সহজ করা, অভিবাসন ব্যয় কমানো, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা এবং প্রবাসী কল্যাণ জোরদার করা; এই চারটি প্রধান অগ্রাধিকারের ওপর সরকারের অভিবাসন সংস্কার কৌশল দাঁড়িয়ে আছে। তিনি জানান, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও দালালের ওপর অপ্রয়োজনীয় নির্ভরতা কমাতে বিদেশগমন প্রক্রিয়াকে ধীরে ধীরে ওয়ান-স্টপ সার্ভিস ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা চাই প্রবাসী কর্মীরা যেন এক জায়গা থেকেই সব সেবা পান। হয়রানি কমানো, প্রক্রিয়া সহজ করা এবং সাধারণ মানুষের জন্য বিদেশ যাওয়া সহজ করাই আমাদের উদ্দেশ্য। নুর বলেন, বিদেশে যাওয়ার আগে কর্মীদের খরচ কমাতে সরকার দেশভিত্তিক অভিবাসন ব্যয় কাঠামো চালুর পরিকল্পনাও করেছে। একই সঙ্গে সরকার এখন অদক্ষ অভিবাসনের বদলে দক্ষতাভিত্তিক বৈদেশিক কর্মসংস্থানের দিকে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে। বিশ্ব শ্রমবাজারের দ্রুত পরিবর্তনশীল চাহিদা মাথায় রেখে দেশের ১১০টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রকে (টিটিসি) আধুনিক করছে মন্ত্রণালয়। এর লক্ষ্য আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতায় সক্ষম কর্মী তৈরি করা। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দক্ষতা ছাড়া বিদেশে চাকরি পাওয়া বা টিকে থাকা এখন কঠিন হয়ে যাচ্ছে। সে কারণেই দক্ষতা উন্নয়ন আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। বাংলাদেশ প্রশিক্ষিত কর্মীদের একটি ডিজিটাল ডাটাবেজও তৈরি করছে। এর মাধ্যমে বিদেশি নিয়োগকর্তারা পেশার চাহিদা অনুযায়ী সরাসরি প্রার্থী বাছাই করতে পারবেন। তিনি বলেন, কোনো দেশের যদি ১০ হাজার জাহাজ নির্মাণ শ্রমিক বা প্রশিক্ষিত নারী কেয়ারগিভার দরকার হয়, নিয়োগকর্তারা আমাদের ডাটাবেজে খুঁজে সঙ্গে সঙ্গেই যোগ্য কর্মী খুঁজে পাবেন। তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের ওপর অতিনির্ভরতা কমাতে সরকার ইউরোপ ও এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে শ্রমবাজার সম্প্রসারণ করছে। ওই অঞ্চলে দক্ষ কর্মীর চাহিদা বাড়বে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ এরই মধ্যে কয়েকটি দেশের সঙ্গে শ্রম চুক্তি করেছে। অন্যদের সঙ্গেও আলোচনা চলছে। নুর বলেন, জনমিতিক পরিবর্তন ও প্রযুক্তিগত রূপান্তরের কারণে দক্ষ জনশক্তির চাহিদা বাড়ায় ইউরোপ ও এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল বাংলাদেশি কর্মীদের বড় গন্তব্য হবে। এখন প্রশিক্ষণ কর্মসূচিগুলো দেশভিত্তিক শ্রম চাহিদার সঙ্গে মিলিয়ে সাজানো হচ্ছে। জাপানের বিষয়ে নুর বলেন, দেশটিতে ১ লাখ কর্মী পাঠানোর বিষয়ে বাংলাদেশের চুক্তিটি এখনো কার্যকর রয়েছে, তবে নিয়োগ প্রক্রিয়া ধীরে ধীরে এগোচ্ছে।

তিনি বলেন, বড় পরিসরে নিয়োগ বাড়ানোর আগে জাপান বাংলাদেশি কর্মীদের কাজের মান, শৃঙ্খলা ও কাজের সংস্কৃতি মূল্যায়ন করছে। আস্থা তৈরি হলেই নিয়োগের গতি বাড়বে। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়ে আশা প্রকাশ করে নুর বলেন, স্বচ্ছ ও প্রায় শূন্য খরচের নিয়োগ ব্যবস্থা চালু করতে দুই দেশ নীতিগত সমঝোতায় পৌঁছেছে। এর লক্ষ্য কর্মী শোষণ ও অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় বন্ধ করা। তিনি জানান, শিগগির মালয়েশিয়ার একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করবে। এরপর দুই দেশের যৌথ ওয়ার্কিং কমিটি বিদ্যমান সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সংশোধনের কাজ করবে। নুর বলেন, ভবিষ্যৎ নিয়োগের ক্ষেত্রে মধ্যস্বত্বভোগী কমানো, ন্যায্যতা নিশ্চিত করা এবং কর্মী শোষণ বন্ধে দুপক্ষই অঙ্গীকারবদ্ধ। এ উদ্যোগ বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার সাম্প্রতিক আলোচনার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। ওই আলোচনায় স্বচ্ছ, প্রযুক্তিনির্ভর নিয়োগ এবং অভিবাসন ব্যয় কমানোর কথা বলা হয়েছিল। শ্রমবাজার সম্প্রসারণের পাশাপাশি সরকার বেশ কিছু কল্যাণমূলক উদ্যোগ নিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যাংকিং সুবিধা এবং কিউআর-কোড-ভিত্তিক যাচাইকরণ সুবিধা সম্বলিত একটি ডিজিটাল ‘প্রবাসী কার্ড’। মন্ত্রণালয় বৈদেশিক কর্মসংস্থান সেবাও ডিজিটাল করছে। ফলে অভিবাসন ছাড়পত্র ও কাগজপত্র জমা দেওয়া অনলাইনে সম্পন্ন করা যাবে। প্রবাসীদের দেশে ফেরার পর বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে সরকার একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল, একটি স্কিল ইনভেস্টমেন্ট পার্ক, আবাসন প্রকল্প এবং একটি ‘প্রবাসী সিটি’র করার কথাও বিবেচনা করছে। নুর বলেন, প্রবাসীদের সন্তানদের জন্য বৃত্তি কর্মসূচি, আহত হয়ে ফেরা কর্মীদের আর্থিক সহায়তা এবং বিপদগ্রস্ত অভিবাসী, বিশেষ করে নারীদের পুনর্বাসন সহায়তা চালু থাকবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য শুধু বেশি কর্মী বিদেশে পাঠানো নয়, বরং তারা যেন নিরাপদে যেতে পারে, মর্যাদার সঙ্গে কাজ করতে পারে এবং পুরো অভিবাসন যাত্রায় সঠিক সহায়তা পায়, সেটা নিশ্চিত করা।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

ইরানকেই জয়ী মনে করছে ইসরায়েলি

ইরানকেই জয়ী মনে করছে ইসরায়েলি

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ এবং এর পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া চুক্তিকে চরম নেতিবাচকভাবে দেখছেন বেশির ভাগ ইসরায়েলি। দেশটিতে চালানো সাম্প্রতিক এক জরিপে অংশ নেওয়া ৯২ দশমিক ১ শতাংশ উত্তরদাতাই মনে করেন, এই লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত ইরানই জয়ী হয়েছে। হিব্রু ইউনিভার্সিটির এক নতুন জরিপের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল। জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ৮২ দশমিক ৯ শতাংশ ইসরায়েলি মনে করেন, এই সামরিক অভিযান ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তাকে উল্টো আরও দুর্বল করে দিয়েছে। এছাড়া যুদ্ধ ও চুক্তির সামগ্রিক ফলাফল নিয়ে ৮৬ শতাংশ মানুষের মধ্যে তীব্র নেতিবাচক মনোভাব দেখা গেছে। অথচ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দাবি ছিল, এই যুদ্ধে ইসরায়েল উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং দেশের একটি বড় অস্তিত্বগত হুমকি দূর করতে সক্ষম হয়েছে। তবে ৭২ দশমিক ৫ শতাংশ ইসরায়েলিই

আরও পড়ুন
language Change