তারিখ লোড হচ্ছে...

টসে জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে পরিবর্তন পরিবেশ মেলা ও জাতীয় বৃক্ষমেলার উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশজুড়ে ভারী বর্ষণের আভাস সিলেট-চট্টগ্রামে ১০ পয়েন্টে বিপৎসীমার উপরে পানি: বন্যার শঙ্কা ১৬ আগস্ট কটিয়াদী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মার্কিন রণতরীতে হামলা চালিয়েছে ইসলামিক রিপাবলিক জাপান: ট্রাম্প বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স-মরক্কো সারোয়ার আলমগীর এমপি হিসেবে শপথ নিতে পারবেন: হাইকোর্ট রাজধানীর শীর্ষ সন্ত্রাসী ফারুককে গ্রেফতার করলো পুলিশ প্রাথমিকে বৃত্তির ফল প্রকাশ হচ্ছে না আজ ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থীর ফল পুনঃপ্রকাশের নির্দেশ সংবিধানে ফিরছে গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ ভোলাহাট সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি গড়ে তুলতে স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াচ্ছে সরকার উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ৫ শিক্ষার্থীর মৃত্যু তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ বরিশাল বিআরটিসিতে জুলফিকারকে ঘিরে অভিযোগের ঝড় জেলা-উপজেলায় নতুন কমিটি গঠন করা হবে: যুবদল ভালো কাজের স্বীকৃতি: কেএমপিতে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের বিশেষ সম্মাননা দীঘিনালায় বন্যার্তদের সহায়তায় সেনাবাহিনী, কোবাখালীতে ত্রাণ বিতরণ সুরের জাদুতে মিশরে মঞ্চ মাতাবেন শাকিরা আর্জেন্টিনার ফুটবল ম্যাচ জয়ের পর অতিরিক্ত উল্লাসে জর্দা খেয়ে ভ্যানচালকের মৃত্যু ঢাকায় নামছে ৪০০ ইলেকট্রিক বাস মিরসরাইয়ে পানিবন্দি শতাধিক পরিবার, ফসলের ব্যাপক ক্ষতির শঙ্কা এল নিনোর নতুন চক্রে কৃষিতে বড় ঝুঁকি, সবচেয়ে বেশি ক্ষতির আশঙ্কায় যেসব অঞ্চল জলবায়ু পরিবর্তনে নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য বেশি ঝুঁকিতে: গবেষণা চার দিনের টানা বৃষ্টিতে রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের শঙ্কা, প্রস্তুত ২০৪ আশ্রয়কেন্দ্র ঝিনাইগাতীর গারো পাহাড় ধ্বংসের পথে: প্রশাসনের অভিযানেও থামছে না অবৈধ বালু উত্তোলন বাহরাইন ও কুয়েতে ৮৫ মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি ইরানের রাজনীতিতে ব্যক্তি-বন্দনার অসুস্থ সংস্কৃতি হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক এমপি ওমর ফারুক সুমন গ্রেফতার জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি হচ্ছেন ওয়াহিদুজ্জামান নোয়াখালীতে দুই হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ, ৬০ হাজার টাকা জরিমানা শাহ আমানতে বিমান চলাচল স্বাভাবিক ভোলাহাটে ১৪'শ জন ও ৬৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফলজ ও বনজ চারা, সার-বীজসহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণের  উদ্বোধন  ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচে বিতর্কিত সেই আর্জেন্টাইন রেফারি মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে জেলের মৃত্যু ১৯ জেলায় বজ্রসহ ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা চবির সব ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচারে কঠোর অবস্থানে সরকার ২০২৫ সালে দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ এফডিআই প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশের: আঙ্কটাড ঢাকা মেডিকেল পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি জলবায়ু পরিবর্তনে চাপে কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তায় বাড়ছে শঙ্কা প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ বৃহস্পতিবার ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিল সৌদি আরব বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বরগুনায় টানা বৃষ্টিতে গৃহবন্দী শ্রমজীবী মানুষ সিরাজগঞ্জে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন কেশবপুরে পুলিশের অভিযানে নারীসহ ১১ ওয়ারেন্টভূক্ত আসামি গ্রেফতার

সংবিধানে ফিরছে গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা

সংবিধানে ফিরছে গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্টঃ

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। ফলে সংবিধানে ফিরছে গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। শুনানির পরপরই অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, চার সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ আজ রায় ঘোষণা করেছেন। রায়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে বদিউল আলম মজুমদারসহ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে করা আপিলগুলো খারিজ (ডিসমিস) করে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ হাইকোর্টের রায় বহাল থাকল। এর অর্থ হচ্ছে, হাইকোর্ট বিভাগ পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েমের যে প্রক্রিয়া করা হয়েছিল, তা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের পর চারটি বিষয়ে পর্যবেক্ষণ দিয়েছিলেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে ফিরে আসা। এ ছাড়া গণভোট ফিরে আসা, সংবিধানের ৭ক ও ৭খ অনুচ্ছেদ এবং সুপ্রিম কোর্টের রিট ক্ষমতা সম্পর্কেও হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল থাকল। অর্থাৎ এই রায়ের ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরে এল। আর বাকি বিষয়গুলো, যেগুলো হাইকোর্ট সংসদের বিবেচনার ওপর ছেড়ে দিয়েছিলেন, সেগুলো চূড়ান্তভাবে সংসদ সিদ্ধান্ত নেবে। এর আগে, বুধবার (৮ জুলাই) তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি শেষ হয়। টানা তিন দিন শুনানি শুনানি শেষে রায়ের জন্য ৯ জুলাই দিন ধার্য করা হয়। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। রিটের পক্ষে ছিলেন ড. শরীফ ভূঁইয়া। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।

গত বছরের ১৩ নভেম্বর বহুল আলোচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দেন সর্বোচ্চ আদালত। সাবেক প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক। গত ৩ নভেম্বর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল দায়ের করা হয়। আপিলে পঞ্চদশ সংশোধনীর পুরোটা বাতিল চাওয়া হয়েছে। রিটকারী সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের পক্ষে আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া এ আপিল দায়ের করেন। গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে সংবিধানে গণভোটের বিধান ফিরিয়ে এনেছেন উচ্চ আদালত। তবে পঞ্চদশ সংশোধনী পুরোটা বাতিল করা হয়নি এই রায়ে। আদালত রায়ের পর্যবেক্ষণে বলেছেন, গণতন্ত্র হচ্ছে আমাদের সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর অংশ। এই গণতন্ত্র বিকশিত হয় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ এবং প্রভাবমুক্ত নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। কিন্তু দলীয় সরকারের অধীনে বিগত তিনটি সংসদ নির্বাচনে জনগণের ইচ্ছার কোনো প্রতিফলন হয়নি। দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচনের আত্মবিশ্বাস জনগণের মধ্যে জন্ম নেয়নি। যার ফলশ্রুতিতে হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান। রায়ে হাইকোর্ট বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা জনগণের অভিপ্রায় অনুযায়ী সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল এবং এটি সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর অংশে পরিণত হয়েছে।

বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্তি-সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ২০ ও ২১ অনুচ্ছেদ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করে এ রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে আদালত বলেন, অনুচ্ছেদ দুটি সংবিধানের মৌলিক কাঠামোকে ধ্বংস করেছে, যেটি হচ্ছে গণতন্ত্র। পঞ্চদশ সংশোধনী মাধ্যমে সংবিধানে যুক্ত ৭ক, ৭খ, ৪৪ (২) অনুচ্ছেদ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করেছেন আদালত। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৫৪টি ক্ষেত্রে সংযোজন, পরিমার্জন ও প্রতিস্থাপন আনা হয়েছিল। রায়ে আদালত বলেন, পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পুরোটা বাতিল করা হচ্ছে না। বাকি বিধানগুলোর বিষয়ে আগামী জাতীয় সংসদ আইন অনুসারে জনগণের মতামত নিয়ে সংশোধন, পরিমার্জন ও পরিবর্তন করতে পারবে। এর মধ্যে জাতির পিতার স্বীকৃতির বিষয়, ২৬ মার্চের ভাষণের বিষয়গুলো রয়েছে। গণভোটের বিষয়ে রায়ে হাইকোর্ট বলেন, গণভোটের বিধান বিলুপ্ত করা হয়, যেটি সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের অংশ ছিল। এ বিধান বিলুপ্তি সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ৪৭ ধারা সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায় বাতিল ঘোষণা করা হলো। ফলে দ্বাদশ সংশোধনীর ১৪২ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করা হলো। হাইকোর্টের রায়ে ৭ ক, ৭ খ এবং ৪৪ (২) অনুচ্ছেদও বাতিল করা হয়েছে। ৭ ক অনুচ্ছেদে সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ এবং ৭ খ সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলি সংশোধন অযোগ্য করার কথা বলা ছিল। এদিকে ৪৪ অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ বিষয়ে বলা আছে। এই অনুচ্ছেদের ২ ধারা বলছে, এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীন হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতার হানি না ঘটিয়ে সংসদ আইনের দ্বারা অন্য কোনো আদালতকে তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ওইসব বা এর যে কোনো ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা দান করতে পারবেন। এই অনুচ্ছেদটি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে রায়ে।

গত বছরের ১৯ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী কেন অবৈধ হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেছিলেন। সুজনের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ অন্যদের রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে আদালত এ রুল জারি করেন। পরে রুলে পক্ষভুক্ত হন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। এছাড়া ইনসানিয়াত বিপ্লব, গণফোরাম ও চার আবেদনকারী রুলে ইন্টারভেনর হিসেবে পক্ষভুক্ত হন। ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়। এছাড়া জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়। এছাড়া বেশকিছু বিষয়ে সংশোধনী আনা হয়।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

আজ থেকে আমরণ অনশন, প্রত্যাখ্যান শিক্ষকদের

ডেস্ক রিপোর্ট : গতকাল রোববার সকালে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া চিঠিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবকে বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির তথ্য জানানো হয়। পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয় তা প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করে।রাজধানীতে আমরণ অনশনে বসা বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়া ৫ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন দুই হাজার টাকা হারে বাড়াতে সম্মত হয়েছে সরকার। তবে সরকারের এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে অনশনে থাকা শিক্ষকরা আজ সোমবার থেকে আমরণ অনশনে যাচ্ছেন। চিঠিতে বলা হয়  সরকারের বিদ্যমান বাজেটের সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় নিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়া ভাতা মূল বেতনের ৫ শতাংশ হারে (সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা) করা হলো। এ আদেশ নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে, তবে এ ক্ষেত্রে কিছু শর্ত যুক্ত করে চিঠিতে বলা হয়েছে, এ বাড়ি ভাড়া ভাতা পরবর্তী সময়ে জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী সমন্বয়

আরও পড়ুন
language Change