তারিখ লোড হচ্ছে...

বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ’র ড্রেজিং প্রকল্পের নামে হচ্ছে লুটপাট চবির সব ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচারে কঠোর অবস্থানে সরকার ২০২৫ সালে দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ এফডিআই প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশের: আঙ্কটাড ঢাকা মেডিকেল পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি জলবায়ু পরিবর্তনে চাপে কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তায় বাড়ছে শঙ্কা প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ বৃহস্পতিবার ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিল সৌদি আরব বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বরগুনায় টানা বৃষ্টিতে গৃহবন্দী শ্রমজীবী মানুষ সিরাজগঞ্জে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন কেশবপুরে পুলিশের অভিযানে নারীসহ ১১ ওয়ারেন্টভূক্ত আসামি গ্রেফতার জনগণের ম্যান্ডেটে ক্ষমতায় এসেছে সরকার: রিজভী পলির অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন শিবা শানু শিশু মাহফুজ হত্যায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ২ জনের যাবজ্জীবন পাঁচ বছরে ১ কোটি বৈদেশিক কর্মসংস্থানের লক্ষ্য সরকারের বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল গ্যাস ও তেলের দাম আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচে কে জিতবে, জানাল এআই স্বাস্থ্যখাতে জনবল সংকট বড় চ্যালেঞ্জ, তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান দুর্নীতির অপ্রতিরোধ্য রথ চালাচ্ছেন রাজউক জোন ৬/১- এর ইমারত পরিদর্শক সুমন আহমেদ নৌ পরিবহন অধিদপ্তরকে দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে করেছে মহাপরিচালক ও গিয়াস সিন্ডিকেট দীর্ঘদিনের পলাতক, ৯ ওয়ারেন্টের বোঝা কাঁধে-শেষ রক্ষা হলো না ফখরুলের ৩৩ বছরের রেকর্ড বৃষ্টির মধ্যেই অর্ধবার্ষিকী পরীক্ষা কেশবপুরে ভারী বৃষ্টিতে সরকারি দপ্তরের প্রবেশপথ তলিয়ে, দুর্ভোগে সেবাগ্রহীতা রিটায়ার্ড জাজেস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সাধারণ সভা ও ঈদ পুনর্মিলনী ঢাকায় অনুষ্ঠিত মোংলা বন্দরে ১৫৩৮ কোটি টাকার ম্যান্টেন্যান্স ড্রেজিং প্রকল্প: নাব্যতা ধরে রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ জুলাই আন্দোলনের নেতৃত্ব দাবি করলে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন: নাহিদ ইসলাম গলাচিপায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত কেশবপুরে হতদরিদ্রদের মাঝে সেলাই মেশিনসহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ মাদকের পক্ষে তদবির করলে দলের নেতাদেরও গ্রেফতার করা হবে: খোকন পানছড়িতে ব্রাশফায়ারে ৩ জেএসএস সদস্যকে হত্যা বাঁশখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু খাগড়াছড়িতে ৭ বছরের মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ, একজনের মৃত্যুদণ্ড কিন্ডারগার্টেন সহ স্কুল কলেজের নামে চলছে নিজেদের আখের গোছানো রাঙ্গুনিয়ায় গাছ পড়ে ছাত্রদল নেতার ১৮ দিন পর মৃত্যু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক স্মার্ট প্রশাসন গড়তে তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রীর সহযোগিতার আশ্বাস রাঙামাটিতে বৃষ্টিপাত অব্যাহত, পাহাড়ধস মোকাবিলায় প্রশাসনের সতর্কতা জারি, খালেদা জিয়া বেতনের ১ টাকা রেখে বাকিটা এতিমখানায় দান করতেন ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত বেড়ে ৩ হাজার ৫৩৫, গৃহহীন ১৮ হাজার বিশ্বকাপ শেষ রোনালদোর, পর্তুগালকে কাঁদিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেন ৬ দিনের বিরতি শেষে আজ বসছে সংসদ অধিবেশন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই থেকেই বিশ্বজুড়ে তাণ্ডব চালাবে শক্তিশালী ‘এল নিনো’ বটিয়াঘাটায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপিত রাজনগরে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে আটক স্বামী, মরদেহ উদ্ধার রামগড়ে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে আসামীর মৃত্যুদণ্ড নোয়াখালীতে ধর্ষণ মামলার আসামির মৃত্যুদণ্ড রহিমের আর্থিক দুর্নীতিতে মুখ থুবড়ে পড়েছে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অতিথি ডটকমের ফাঁদে ফেলতে তরুণদের অভিনব প্রলোভন

জলবায়ু পরিবর্তনে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

জলবায়ু পরিবর্তনে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি
পাঠক সংখ্যা
638

শাহরিয়ার হাসান ফহিম, ঢাকাঃ

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। সে কারণে আবহাওয়ায় পরিবর্তন আসার সঙ্গে সঙ্গে রোগ-শোকেরও পরিবর্তন হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ।

শারীরিক নানা ধরনের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনে সব বয়সী মানুষের মধ্যে বাড়ছে নানা ধরনের মানসিক রোগ। শারীরিক রোগগুলো নজরে আসলেও মানুষের মধ্যে বছরের পর বছর গড়ে ওঠা মানসিক রোগগুলো আড়ালেই থেকে যাচ্ছে যথাযথ গুরুত্ব না দেওয়ার কারণে। মানসিক রোগগুলো জটিল আকার ধারণ করলেই, পাগল আখ্যায়িত করে শেকলবন্দি করে রাখা হয়। আবার শেকলবন্দি করা হলে সমাজের মূল স্রোত থেকে তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে যান। পরিবারের বোঝা হয়ে পড়েন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে তারা অংশগ্রহণ করতে পারেন না। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বাংলাদেশে দুই কোটির বেশি মানুষ কোনো না কোনোভাবে মানসিক রোগে ভুগছেন।

দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগের কারণ জলবায়ু পরিবর্তন: জলবায়ু পরিবর্তনের বেশি প্রভাব পড়ছে দক্ষিণাঞ্চলে। বিশেষ করে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের লোকজনের মধ্যে। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি দেশের অন্য এলাকার মানুষের তুলনায় বেশি। গত এক দশকে দক্ষিণের জেলাগুলোয় ক্যান্সারসহ বিভিন্ন ঘাতক রোগে মৃত্যুর সংখ্যা কমে এলেও, উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। উচ্চ রক্তচাপজনিত হৃদরোগ, স্ট্রোক ও কিডনি রোগীর জটিলতাও বাড়ছে দিন দিন। এছাড়া জলবায়ুর কারণে মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণে নষ্ট হচ্ছে চোখের রেটিনা। ফলে বাড়ছে অন্ধত্বের পরিমাণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ুর পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় উপকূলীয় এলাকার পানিতে লবণাক্ততার পরিমাণ বেড়ে মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। নিরাপদ পানির অভাব ও সচেতনতার অভাবে সেখানকার বেশিরভাগ মানুষ বাধ্য হচ্ছেন কাছাকাছি উৎস থেকে প্রাপ্ত লবণাক্ত পানি পান করতে। বাংলাদেশের নদীগুলোর উজানে ভারতীয় এলাকায় বাঁধ দেওয়ায় শুষ্ক মৌসুমে উজান থেকে আসা মিঠা পানির প্রবাহ কমে গেছে। নদীতে মিঠা পানির প্রবাহ কমে গেলে সাগরের সঙ্গে যুক্ত নদীগুলোতে চলে আসে লবণাক্ত পানি। নদীতে লবণাক্ত পানি চলে এলে মাটির নিচের পানির স্তরে মিঠা পানির পরিবর্তে ঢুকে পড়ে লবণাক্ত পানি। এভাবে মিঠা পানি উৎস পরিণত হচ্ছে লবণাক্ত পানিতে। আর ঝড়-জলোচ্ছ্বাস দেখা দিলে পানীয় জলের অন্যতম উৎস পুকুর ও বিলে লবণ পানিতে ভরে যায়। লবণযুক্ত পানি নলকূপ অথবা গভীর নলকূপের মাধ্যমে মানুষ পান করতে বাধ্য হচ্ছেন। শরীরে লবণের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াতে ছোট-বড় সবাই ভুগছে উচ্চ রক্তচাপে। দীর্ঘদিন উচ্চ রক্তচাপে ভুগলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে- হার্ট, কিডনি, চোখের মতো প্রধান অঙ্গগুলো। এছাড়া উচ্চ রক্তচাপ অব্যাহত থাকলে স্ট্রোকের ঝুঁকিও বাড়ে। শুধু দক্ষিণাঞ্চলেই নয়, সারাদেশেই উচ্চ রক্তচাপের রোগী বাড়ছে। শুধু যে পানীয় জলের সঙ্গে লবণ যাচ্ছে এমন নয়, বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ প্রয়োজনের অতিরিক্ত লবণও খেয়ে থাকেন।

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, দেশে উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্তের সংখ্যা দুই কোটিরও বেশি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মনে করে, রোগটি এ দেশের জন্য ‘নীরব ঘাতক’। দ্রুতগতিতে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও বেশিরভাগ মানুষই বিপদ সম্পর্কে অবহিত নয়। কিছু কিছু মানুষ খাবারে অতিরিক্ত লবণ খেতে না পারলে খাবার খেয়ে তৃপ্তি পায় না। জলবায়ু পরিবর্তনে পানিতে লবণাক্ততা বাড়ছে। ফলে নিরাপদ পানি কিনতে গিয়ে অনেকে আয়ের প্রায় ১০ শতাংশ খরচ করে ফেলছেন। অবশ্য ডায়াবেটিসের কারণেও রক্তনালিতে চর্বি জমে রক্ত চলাচলের পথ সরু হয়ে যায়। রক্ত স্বাভাবিক পথে চলাচল করতে না পারায় অভ্যন্তরীণ চাপ বেড়ে যায়। উচ্চ রক্তচাপের কারণে ধমনি ফুলে ফেটে যাওয়া ও রোগীর অঙ্গহানিও হতে পারে। অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ হঠাৎ মৃত্যুর কারণও হয়ে থাকে। উচ্চ রক্তচাপের কারণে কিডনি অকেজো হয়ে যাওয়ার শঙ্কা থাকে। যে তিনটি রোগ থেকে দূরে থাকতে পারলে কিডনি সুস্থ থাকে, সেগুলোর মধ্যে উচ্চ রক্তচাপ অন্যতম। দেশে দুই কোটির বেশি দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগী রয়েছে। উপরিউক্ত রোগগুলো ছাড়াও দেখা দিচ্ছে ডায়রিয়া, চর্মরোগ, চোখের ছানিপড়া, অন্ধত্ব তো আছেই। খুলনা বিভাগের কিছু সচেতন মানুষ লবণ ছাড়া পানি সংগ্রহ করতে দুই থেকে তিন কিলোমিটার পথ পাড়ি দেন। অন্যরা পানি সংগ্রহের এ কষ্ট সহ্য করতে না পেরে কাছের পানির উৎসের লবণাক্ত পানিই পানি করছেন। শুধু কি তাই মাটির নিচে লবণ পৌঁছে যাওয়ার কারণে ডাব পর্যন্ত লবণাক্ত হয়ে গেছে। ওইসব এলাকার ফসলের মধ্যে লবণ ঢুকে পড়েছে। বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ হিসেব মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশে বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে উপকূলীয় বাসিন্দারা। খুলনার পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের মতে, ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত এ অঞ্চলের নদ-নদীতে লবণের মাত্রা ৩ থেকে ৫ পিপিটি (পার্টস পার ট্রিলিয়ন) পর্যন্ত বেড়েছে। এই বৃদ্ধিটা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছে, ২০৫০ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশে নদী ও ভূগর্ভস্থ পানির লবণাক্ততা আরও বাড়বে। এতে অনেক মানুষের স্বাস্থ্যসহ জীবিকা হুমকির মুখে পড়বে। যুক্তরাজ্যের প্রতিষ্ঠান ম্যাপলক্র্যাফট এক জরিপে বলেছে, পৃথিবীর ১৬টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে আছে।

বাড়ছে সংক্রামক ও মানসিক রোগ: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশে বেড়েছে তাপমাত্রা ও তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে বাড়ছে সংক্রামক ও মানসিক রোগ। যে ম্যালেরিয়া বাংলাদেশ থেকে দূর হওয়ার পথে, সেই ম্যালেরিয়া জীবাণুযুক্ত অ্যানোফিলিস স্ত্রী মশাও ফিরে আসবে খুব শিগগিরই বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আবহমানকাল ধরে চলা বাংলাদেশের ঋতুতেও এসেছে পরিবর্তন। গ্রীষ্মকাল আগের তুলনায় দীর্ঘ ও গরম হচ্ছে এবং শীতকালে তেমন শীত পড়ছে না, তুলনামূলক উষ্ণ হয়ে যাচ্ছে। ১৯০০ সালের প্রথম থেকে প্রায় প্রতি বছরই বিশ্বের অন্যান্য অংশের সঙ্গে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বেড়েছে। আগের তুলনায় বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা বেড়েছে ফেব্রুয়ারি, নভেম্বর ও ডিসেম্বরে। সম্প্রতি বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশের তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক একটি গবেষণার ফল প্রকাশ করেছে। এই গবেষণাটি করা হয় ১৯৭৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধিজনিত জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে। বিশ্বব্যাংকের গবেষণায় বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মৌসুমি বায়ুর ব্যাপ্তি জুন থেকে অক্টোবরের পরিবর্তে এখন ফেব্রুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বিরাজমান। গড় বৃষ্টিপাত বেশি হচ্ছে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে জুন থেকে আগস্ট মাসের পরিবর্তে। এ সময়ে সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা বেড়েছে ফেব্রুয়ারি মাসে ১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস; এরপরই নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে যথাক্রমে ১.৮ থেকে ১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের মধ্যে সংক্রামক রোগগুলোর সম্পর্ক রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- ডেঙ্গু জীবাণুবাহী এডিস মশার অস্তিত্ব বাংলাদেশে সারা বছরই পাওয়া যাচ্ছে। ১৯০১ থেকে ২০১৯ সময়ের মধ্যে গত ১২০ বছরে সবেচেয়ে বৃষ্টিপাত বেশি বেড়েছে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে যথাক্রমে ৪৩.৮ মিলিমিটার ও ৪২.২ মিলিমিটার। অন্য দিকে মৌসুমি বায়ুর ভরা সময় জুনে গড় বৃষ্টিপাত কমেছে মাইনাস ৬৩.২ মিলিমিটার। আগস্টেও কমেছে মাইনাস ৪৯.৯ মিলিমিটার।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই ২০১৯ সালে ঢাকায় গত ৪৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভারী বর্ষণ হয়েছে প্রতিকূল তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার কারণে। ২০১৯ সালে ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাবের সময় ৫১ শতাংশ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এবং জীবাণুবাহী এই জ্বরে ৭৭ শতাংশ মানুষের মৃত্যু হয়েছে ঢাকায়। জলবায়ু পরিবর্তনের এই প্রভাবে ২০১৯ ও ২০২০ সালে সমীক্ষায় বাংলাদেশের মানুষের ৬ শতাংশের মধ্যে উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তার জন্ম হয়েছে এবং ১৬ শতাংশের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে বিষণ্ণতা। এ ধরনের মানসিক রোগে যারা ভুগছেন তাদের বেশির ভাগই বয়স্ক, দরিদ্র ও নানা ধরনের প্রতিবন্ধী মানুষ। গ্রামীণ মানুষের চেয়ে শহুরে মানুষের মধ্যে মানসিক রোগের সংখ্যা বেশি। বিষণ্ণতা সবচেয়ে বেশি ৬৫ ঊর্ধ্ব বয়সী মানুষের মধ্যে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রামের ৩৪ শতাংশ মানুষের মধ্যে জীবাণুবাহী রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে, যেখানে এর জাতীয় গড় ২৫ শতাংশ। শুষ্ক মৌসুমের চেয়ে মৌসুমি বায়ুপ্রবাহের সময় জীবাণুবাহী রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি। ২০০০ সালের আগে বাংলাদেশের মানুষ ডেঙ্গুজ্বর নামে কোনো রোগের নামই শুনেনি। তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে অনুকূল পরিবেশে বাইরে থেকে ডেঙ্গু জীবাণুবাহী এডিস মশা চলে আসে বাংলাদেশে এবং এ মশাগুলো বাংলাদেশে বংশবৃদ্ধি করে নিজেদের মানিয়ে নেয়। ফলে ২০১৯ ও ২০০০ সালে ডেঙ্গুর মহামারি দেখা দেয়।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

নারায়ণগঞ্জ জেলায় ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় সার্ভেয়ার ফ্যাসিস্ট মামুনের দূর্নীতিতে অতিষ্ঠ সাধারণ গ্রাহকরা

স্টাফ রিপোর্টার: সার্ভেয়ার মামুন নারায়ণগঞ্জ জেলার ভুমি অধিগ্রহণ শাখায় ২০১৯ সার্ভেয়ার পদে পোষ্টিং পায় তৎকালীন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের ক্ষমতাধর এমপির তদবিরে নারায়ণগঞ্জ ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় বদলি হয়ে আসেন। গত ৫ আগষ্ট এর পরে বাংলাদেশের ভূমি প্রশাসনের সকল স্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী বদলি হয়। কিন্তু নারায়ণগঞ্জ ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় সার্ভেয়ার মামুন,আনোয়ার, কানুণগো হাবিবুর রহমান তাদের কোনো ধরনের বদলি হয়নি। বিভিন্ন অনুসন্ধানে জানা যায়, ততকালীন আওয়ামীলীগ সরকার আমলে নিয়োগ প্রাপ্ত সার্ভেয়ার মামুন,আনোয়ার কানুনগো হাবিবুর রহমান বিভিন্ন উপায়ে ঢাকা সিলেট মহাসড়কের জমি অধিগ্রহণ ক্ষেত্রে জমির মূল্য বেশী করে দেখানোর কথা বলে সাধারণ মানুষ এর কাছ থেকে নাল শ্রেণির জমিকে ভিটি এবং বাণিজ্যিক শ্রেণির জমি দেখিয়ে মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা উত্তোলন করছেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব এর মাধ্যমে জেলা প্রশাসক এবং বিভাগীয় কমিশনার

আরও পড়ুন
language Change