নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
আবারও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চট্টগ্রামের আলোচিত-সমালোচিত এস এম মিজানুল্লাহ সমরকন্দ প্রকাশ বাটপার মিজান। জানা যায় আলোচিত প্রতিদিন পত্রিকার সম্পাদক পরিচয়ে চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন জায়গায় দাপিয়ে বেড়ানো এই এস এম মিজানুল্লাহ রয়েছে হাফ ডজন মামলা।
নগরীর পতেঙ্গা, আকবর শাহ,পাঁচলাইশ, খুলশি থানায় একাধিক চুরি ডাকাতি ও চাঁদাবাজির মামলায় জেল খেটে এসে পুনরায় সে এই সমস্ত অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয়ে থাকেন। তার সঙ্গে রাখেন নারী। চট্টগ্রামে কর্মরৎ অসংখ্য সাংবাদিক নেতারা তার এই সমস্ত জঘন্য কাজে অতিষ্ঠ হয়ে ও চুপ থাকেন শুধু মাত্র সম্মান হারানোর ভয়ে। কেউ প্রতিবাদ করলেই নারী দিয়ে মামলা দিয়ে হয়রানি করার হুমকিও দিয়ে থাকেন। ৫ ই আগস্ট পরবর্তী চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব আন্দোলনে অংশ নেওয়া কয়েকটি ছবি বিক্রি করে সে পুনরায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
এবার প্রতারনা চাঁদাবাজির পাশাপাশি তার অপকর্মের ডায়েরিতে যুক্ত হয়েছে ব্লেকমেইলিং। আওয়ামী লীগের সমর্থীত কাউকে পাইলেই পুলিশ কমিশনার কে কল দিয়ে মামলায় জড়ানোর কথা বলে দাবী করেন মোটা অংকের টাকা। টাকা না দিলেই প্রসাশন কে সাংবাদিক পরিচয়ে হুমকি দিয়ে ওই লোকজনকে গ্রেফতার করতে বাধ্য করেন। তার ব্লেকমেইলিং থেকে রেহাই পায় নাই তার বিবাহিত স্ত্রীও। নারী লোভী এই প্রতারক সবসময় হাতিয়ার হিসেবে একজন নারীকে সঙ্গে নিয়ে চলে। তার মোটরসাইকেলের পিছনে কখনো নারী ছাড়া দেখা যায় নাই। ২০২৪ সালের জানুয়ারী মাসে রেপ সেভেন এর হাতে ডাকাতি মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে গেলে চট্টগ্রামের সকল পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। যা গুগলে সার্চ করলেই ভেসে উঠে। তিন মাস পর দ্বিতীয় স্ত্রীর সাহায্যে জামিনে বেড়িয়ে আসে এবং পুনরায় আধিপত্য বিস্তার শুরু করে। তার এই সমস্ত কর্মকাণ্ড সহ্য করতে না পেরে তার দ্বিতীয় স্ত্রী ও তাকে ছেড়ে চলে যাওয়ার গুঞ্জন শোনা যায়। নগরীর আবাসিক হোটেল মাছের ঘাট গুলোই হলো তার মূল চাঁদাবাজির উৎস। বার প্রশাসনকে ভুল ভাবে প্রভাবিত করে নিরীহ মানুষকে হয়রানি করা এই ব্ল্যাকমেইলিং থেকে রেহাই পেতে চাই অসংখ্য সাধারণ জনগণ।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: কে এম মাসুদুর রহমান, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ মাসুদ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২১/১ নয়াপল্টন (মসজিদ গলি),ঢাকা - ১০০০।
✆ ০১৫১১৯৬৩২৯৪, ০১৬১১৯৬৩২৯৪ 📧dailysobujbangladesh@gmail.com.
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত