তারিখ লোড হচ্ছে...

খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন: আগামীকাল দেশব্যাপী স্বেচ্ছাসেবক দলের মিলাদ ও দোয়া মাহফিল সিন্ডিকেটের নেপথ্যে ‘মিস্টার ৫%’: গণপূর্তের আবুল খায়েরের দুর্নীতি ও সম্পদের পাহাড় একটি প্ল্যাটফর্ম, একাধিক সেবা-রংপুর ডায়েরির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: মির্জা ফখরুলেই আস্থা বিএনপি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল দুইশর আগেই অস্ট্রেলিয়াকে অলআউট করল বাংলাদেশ অপসাংবাদিকতার ভিড়ে বিবেকের সংকট: আমার অভিজ্ঞতার নির্মম সত্য আরাফাত রহমান কোকোর কবরে স্বেচ্ছাসেবক দলের শ্রদ্ধা ডিসি-এসপি পদায়নের নামে কোটি টাকার প্রতারণা, টার্গেট সরকারি কর্মকর্তারা ফেঁসে গেলেন প্রকৌশলী বদরুল আলম খান বিশেষ অভিযানে ৮ গ্রাম হেরোইন ও ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ নারায়ণগঞ্জে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ‎ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পি এসের কক্ষে বসাকে কেন্দ্র করে পিয়ন সুমনকে শোকজ সুশৃঙ্খল সড়ক ও মোটরযান ব্যবস্থাপনায় ন্যায্যতার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ... পাবনায় প্রতারণা মামলা: যশোরের মামুন হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা কুমিল্লা দাউদকান্দি থানার সাফল্যের মুকুটে নতুন পালক, শ্রেষ্ঠ ওসি পলাশ বাড়ছে বৃষ্টির প্রবণতা, বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বর্ষণের শঙ্কা বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দল ঘোষণা জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে : প্রধানমন্ত্রী সাবেক নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ’র ঘনিষ্ঠ সহচর দুর্নীতিবাজ সাইদুর কি আইনের উর্ধ্বে? সালমান-শাবনূরের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন প্রয়াত অভিনেতার মা   ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস ইরানের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ পদে বড় রদবদল রাজধানীতে ডিএমপি নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪ গোল্ডেন শু’র মালিক আবারও হ্যারি কেইন দেশের বাজারে আবারও বাড়ল সোনার দাম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন : জাতীয় সংসদে প্রস্তুতিমূলক সভা রামগড়ে মোবাইল কোর্টের অভিযানে বাল্যবিবাহ বন্ধ ও জরিমানা সুনামগঞ্জের নবীনগর এলাকায় পুলিশের অভিযানে ভারতীয় মদসহ ২ জন আটক গোয়েন্দা সংস্থার পদক্ষেপ জরুরী সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে আমলা ও গুপ্ত সিন্ডিকেটের নানামুখি চক্রান্ত: কাশিয়ানীতে একযোগে আওয়ামী লীগের ১০ নেতার পদত্যাগ জামিনে মুক্তি পাওয়াদের বরণ করতে গিয়ে ফুলের মালাসহ আ.লীগের ৪ নেতাকর্মী আটক সৌদিতে আরবে সোফা কারখানায় অগ্নিকান্ডে নাটোরে নলডাঙ্গার ৩ প্রবাসী নিহত  বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম ৩১২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করেনি কক্সবাজার দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশনের নির্বাচন ২৮ আগস্ট সৌদি আরবে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১০ বাংলাদেশি নিহত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়, চুরির অপবাদ দিয়ে শ্লীলতাহানি পাবনায় ব্যাংক হামলার পর সাংবাদিক নির্যাতন, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত লোকমান মেম্বারের বিরুদ্ধে একের পর এক... কপ-৩১: প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নের পথে, তুরস্কে জলবায়ু কূটনীতির নতুন পরীক্ষা ফায়ার সার্ভিস এর অবৈধ নিয়োগ ও বদলী বানিজ্য সহ হত্যা মামলার অভিযুক্ত আসামী এবং ওয়ার হাউস থেকে দূর্নীত... জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেফতার ডন, পানির নিচের গ্যাস পাইপে লিকেজ, নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুরে সরবরাহ বন্ধ সাতক্ষীরা ছাত্রদলের উপর হামলা,জেলা সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের কঠোর হুশিয়ারি ‎সুশৃঙ্খল সড়ক ও মোটরযান ব্যবস্থাপনায় ন্যায্যতার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমে সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ সুনামগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ৮১ সদস্য বিশিষ্ঠ পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন সাতক্ষীরায় রাস্তা উদ্বোধন ও বৃক্ষরোপণ করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব খাগড়াছড়িতে প্রমিলা কাপ ফুটবল ও ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন যে জাল থেকে রেহাই পাচ্ছে না জল জীবনের কেউ-নলডাঙ্গায় প্রসাশনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে পোনা মাছ নিধনের মহো...

শেষ সময়ে মন্ত্রী ও পরিচালকের শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট বিদ্যালয় নিয়ে ভাগ বাটোরা

পাঠক সংখ্যা
638

 

স্টাফ রিপোর্টার:
প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট এই শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠানটি প্রথমে পত্রকলি ট্রাস্ট নামে পরিচালিত হয়ে আসিতেছিল ১৯৮৯ সালে শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট নামে পরিচালিত শুরু করেন। এই শিশু কল্যাণ ট্রাস্টের মোট বিদ্যালয় ২০৫টি এর ভিতরে ঢাকা জেলায় ৬৫টি বরিশাল জেলায় ২৫ টি চট্টগ্রাম জেলায় ১১ টি সিলেট জেলায় ০৫টি ময়মনসিংহ জেলায় ১৪ টি রংপুর জেলায় ৪৭ টি রাজশাহী জেলায় ২২ টি খুলনা জেলায় ১৬টি। এই শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট যখন পরিচালনা শুরু করে সেই সময় উল্লেখ থাকে যে হতদরিদ্র সুবিধা বঞ্চিত ঝরে পড়া শিশু শ্রমজীবী অবহেলিত ঘনবসতি নি গোষ্ঠী উপজাতি বন্যা কবলিত নিচু এলাকা ইটভাটা গুচ্ছগ্রাম এইসব জায়গা ছেলে মেয়েদেরকে নিয়ে বিকেলকালীন এই বিদ্যালয় পরিচালনা হওয়ার কথা ছিল এবং হয়ে আসছে। ৬৬তম সভায় নতুন বিদ্যালয় স্থাপনের পর অক্টোবর ২০২৩ ইং তারিখ পর্যন্ত নতুন বিদ্যালয়ের স্থাপন করা হয়নি। বর্তমানে শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট এর পরিচালক মো:আবুল বশার (উপ সচিব) স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন।শিশু কল্যাণ ট্রাস্টি বোর্ডের ৭৫ তম ও ৭৬ তম সবার সিদ্ধান্ত আলোকে জানানো যায় যে চা বাগান সম ঘন এলাকা নি গোষ্ঠী সম্প্রদায় দুর্গম এলাকা আশ্রম প্রকল্প কাছাকাছি যেখানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নাই এমন স্থানে ৫০টি শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। সংশ্লিষ্ট এলাকার আগ্রহী শিক্ষানোর আগেই ব্যক্তিবর্গ ০২/১১/২০২৩ইং হইতে ১২/১১/২০২৩ইং তারিখে মধ্যে আবেদন দাখিল করিতে পারবেন। ০২ তারিখ ছিল বৃহস্পতিবার শুক্র শনি বন্ধ ৫-৯তারিখ অফিস খোলা ছিল ১০-১১বন্ধ ছিল ১২তারিখে মধ্যে আবেদন অফিস চলাকালীন সময়ের মধ্যে আবেদন জমা দিতে হবে।
এতদিন পর শিশু কল্যাণ ট্রাস্টের ৫০ টি বিদ্যালয় অনুমোদনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর শিক্ষা অনুরাগীদের এত কম সময় দিয়ে তাড়াহুড়োর ব্যস্ততা সাধারণ মানুষের দূরের মানুষের ঢাকায় এসে ট্রাস্টি বোর্ডের অফিসে জমা করতে অনেকের হিমশিম খেতে হয়েছে। কিন্তুক এর ভিতরে শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট এর পরিচালকের কে ১৩/১১/২০২৩ইংতারিখে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় তাকে একটি বদলির আদেশ করা হয়। পরিচালক পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ কিন্তু সেই বদলির আদেশ থাকা সত্ত্বেও শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট পরিচালক মোঃআবুল বশার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের বিদ্যালয় গুলো এককভাবে আধিপত্য করার জন্য মন্ত্রীকে ম্যানেজ করে তদবির করে ১৯/১২/২০২৩ইং তারিখে বদলির আদেশ টি বাতিল করে পুনরায় পরিচালক শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট পদে বহাল রাখে। তারপর আবেদন করা বিদ্যালয়ে মাঠে সরোজমিনে তদন্ত করার জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসারের দায়িত্ব পালনের জন্য একটি পত্র দেওয়া হয় সকল জেলায়। উপজেলা শিক্ষা অফিসার কে মাত্র কয়েক দিনের জন্য তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলীর জন্য বলা হয় এবং তদন্ত প্রতিবেদন পরিচালক বরাবর পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু পরিচালক মহোদয় তাদের তদন্ত সন্তোষজনক না হওয়ায় তিনি আবার জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর পত্র পাঠানো হয় সকল জেলায় জেলা শিক্ষা অফিসার কে মাত্র ৫ দিন সময় দেওয়া হয় জেলা শিক্ষা অফিসার কিছু সংখ্যক তদন্তের প্রতিবেদন পাঠায় আর কিছু সংখ্যক আদোপতি তাদের কাছে তদন্ত পড়ে আছে গত ২১ ডিসেম্বর তারিখে মন্ত্রণালয় ট্রাস্টি বোর্ডের একটি সবার নির্ধারণ করা হয় এবং সেই সভা ১২.৩০মিনিটের সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শিশু কল্যাণ ট্রাস্টি বোর্ডের ৮০তম সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও দুপুর ২ টার পর ট্রাস্টি বোর্ডের সভা আরম্ভ হয়। কিন্তু সভায় সকল সদস্য উপস্থিত না হওয়ায় এবং মন্ত্রী মহোদয় এর বিদ্যালয় তালিকা মনোভূত না হওয়ায় গত ২৭শে ডিসেম্বর সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা বলে সভাপতি ঘোষণা করে। আমাদের গোপন সূত্রে জানা যায় যে গত ২৭শে ডিসেম্বর শিশু কল্যাণ ট্রাস্টি বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত না করে মন্ত্রী মহোদয় ও পরিচালক তারা বাসায় বসে নিজেদের মতো করে বিদ্যালয়ের তালিকা চূড়ান্ত করে রেখেছে যা আজ অথবা আগামীকাল সিদ্ধান্ত করবে বলে জানা গেছে। তাদের পাতানো খেলায় সাধারণ মানুষের শিক্ষা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার অবস্থা। আমাদের আরেকটি গোপন সূত্রে জানা গেছে শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট এর আরো একজন দক্ষ প্রবীর কুমার হালদার(প্রশাসন ও অর্থ ) সরকারি পরিচালক তার নেতৃত্বে যে পরিচালক শিশু কল্যাণ ট্রাস্টে যোগদান করুক না কেন সে পরিচালক মহোদয় কে নেতৃত্ব করে আসছে এখানে মন্ত্রী মহোদয় ও তার ভাগিনা কল্লোল তাদের মনের মত লোকের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিদ্যালয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত করেছন। আর সাধারণ মানুষরা মন্ত্রী মহোদয়ের সঙ্গে যোগাযোগ দেখা করতে গেলে তাদের বাসার পাহারাদার কোনভাবেই গেট খুলবে না কে ফোন দিতে হবে মন্ত্রী মহোদাকে ফোন দিতে হবে তারা যদি বলে খুলবো, নাহলে গেট খুলবো না তার কারণ গতমাসে মন্ত্রী মহোদয়ের বাসায় পাওনাদার কে দেখে নিয়ে বেদম মারধর করেন সেটির সোশ্যাল মিডিয়া প্রিন্স মিডিয়া সব জায়গায় দেখা গেছে। মন্ত্রী মহোদয় ও তার ভাগিনা আর পরিচালক তিনজন মিলে তারা বলেন সবাই নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত আমরা এই সুযোগে কাজ শেষ করে নেব। কারণ বর্তমান শিক্ষা মন্ত্রী আসন্ন দ্বাদশ নির্বাচনে এ নৌকার বর্ণিত কোনো প্রার্থী হতে পারেনি তারমাথা এমনি নষ্ট তাই কিভাবে টাকা ইনকাম করবে এই শেষ সময় তাই বলে যে বিদ্যালয়ে গুলি কোনভাবেই পরিচালনা করা সম্ভব নয় সেই বিদ্যালয়গুলি অর্থের বিনিময় চূড়ান্ত তালিকায় করেছেন। এবং আগামী মন্ত্রিপরিষদের আগে সকল বিদ্যালয় এর কাজ সম্পূর্ণ করবেন। আমাদের একটি গোপন সূত্রে জানা গেছে বর্তমান মন্ত্রী জাকির হোসেন ঢাকায় তিনটি উপরে বাড়ি করেছেন সিলেটে বাড়ি করেছেন রৌমারীতে বাড়িতে বিশাল বড় জায়গা কিরে বাড়ি করেছেন। তাহার নামে দুদুকে অভিযোগ রয়েছে। এবিষয়ে পরিচালকের মন্তব্য জানতে উনাকে ফোন করলে তিনি তা রিসিভ করেননী আর এসএমএস এর কোন জবাব দেননী তাই মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

চীনা নাগরিক পরিচয়ে বিয়ে করতে টাঙ্গাইলে ২ যুবক

চীনা নাগরিক পরিচয়ে বিয়ে করতে টাঙ্গাইলে ২ যুবক

ডেস্ক রিপোর্টারঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দুই যুবক নিজেদের চীনা নাগরিক পরিচয় দিয়ে বিয়ে করতে গিয়ে গ্রামবাসীর সন্দেহের মুখে পড়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৩ মে) বিকেলে উপজেলার আনাইতারা ইউনিয়নের চামারি ফতেপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, চীনা নাগরিক পরিচয় দেওয়া ওই দুই যুবকের আচরণ ও কথাবার্তায় অসংগতি দেখে তাদের পরিচয় নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। পরে গ্রামবাসী তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে একপর্যায়ে তারা সেখান থেকে দ্রুত পালিয়ে যান। ওই এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মোমিন বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি প্রতারণার ধরণ দেখা যাচ্ছে, যেখানে কিছু যুবক নিজেদের বিদেশি- বিশেষ করে চীনা নাগরিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন এলাকার কিশোরী বা তরুণীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়ে যায়। মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)

আরও পড়ুন
language Change