তারিখ লোড হচ্ছে...

সোনার কিরণের ক্ষমতার ১৮০ দিন অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ফারিয়াকে চুরির অপবাদ দিয়ে শ্লীলতাহানি নোয়াখালীতে বেদেপল্লীতে মাদক ব্যবসার প্রতিবাদে বিক্ষোভ-সমাবেশ নাটোরের অশ্লীলতার কবলে হালতিবিল শ্রীমঙ্গল বিএনপির অব্যাহতিপ্রাপ্ত নেতা তাজ উদ্দিন তাজুর সংবাদ সম্মেলন দলের দুঃসময়ের সারথি দুদু, তবু কেন আড়ালে? চুয়া সেলিম গ্রেফতার গোপন আস্তানা থেকে কেশবপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা পিতার রুহের মাগফিরাত কামনায় চারা বিতরণ সুনামগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ আব্দুস সাত্তার নামে এক মাদক কারবারি আটক সাতক্ষীরা সার্জিক্যাল ক্লিনিকে র‌্যাবের অভিযানে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, ক্লিনিক বন্ধের নির্দেশ নতুন সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কবে, যা জানা গেল ‎সুন্দরবনে অবমুক্ত করা বাঘিনীর ৪০টি ক্যামেরায় মিলছে না অস্তিত্ব পারস্পরিক আস্থা অর্জনের পর প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর : উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: জিয়া ও খালেদা জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা  তালতলীতে অবৈধ পিস্তল ও গুলিসহ আটক-০৫  বিএনপির অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ও সাধারণ জনগণের সমর্থন প্রত্যাশী চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ ফরাস উদ্দিন নাটোরে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কী হলো রাজস্ব সম্মেলনে, যেসব নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উত্তরা প্রেসক্লাব নির্বাচন ২০২৬, সভাপতি হলেন মাসুদ পারভেজ - সম্পাদক মাহতাব ফারাহী ড্রামে ফেলে নবজাতককে হত্যা, মায়ের বিরুদ্ধে মামলা সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর প্রাণহানি ৫ বছরের শিশুকে হত্যার পর ধর্ষণ করেন রবিউল কাশিয়ানীতে সরকারি পুকুরের গাছ বিক্রির অভিযোগ, সোহেলের বিরুদ্ধে যুবদল নেতা হত্যা মামলায় খালাসপ্রাপ্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে স্বজনদের সংবাদ সম্মেলন লালবাগে কিল্লারমোড় বাজারের পেছনে ময়লার ভাগাড়, মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ভূমি অফিস জেলা প্রশাসকদের ১৪ নির্দেশনা কেশবপুরে বায়সা কালী মন্দিরে গ্রিল কেটে দুঃসাহসিক চুরি ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর চিন্তা টিকটকে টাকা পাঠানোর সুবিধা আসছে সময়ের সঙ্গে অনেক কিছু পরিবর্তন হয় হান্নান মাসউদের এমপি পদ বাতিল চেয়ে রিট ইসলাম গ্রহণ করেছেন ব্রাজিল খেলয়ার রবার্তো কার্লোস বিশ্ববাজারে সোনার দাম বাড়ল আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কর্মকর্তাদের উপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সাতক্ষীরার পুলিশ লাইন্স, হাসপাতাল ও আবাসিক এলাকা থেকে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের দাবি খুলনা প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য রফিকুল ইসলাম এর আম্মার মৃত্যুতে সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে যে প্রক্রিয়ায় ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরা নারী যাত্রীদের প্রশ্ন: কিসের গোলাপি বাস, কখন আসে, কোথায় যায় প্রধানমন্ত্রীর শক্তিশালী রাজস্ব ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান বাংলাদেশ শিল্প উদ্যোক্তা এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিশেষ অভিযানে ৮ গ্রাম হেরোইন ও ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ নারায়ণগঞ্জে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ‎ ৮ লাখের সরকারি বিল পেতেই ৩ লাখ টাকা দাবি! বানারীপাড়ায় শিক্ষক সমিতির নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযো... ভুয়া ওষুধের তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিককে পুঁতে ফেলার হুমকি স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দেশব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিতের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন: আগামীকাল দেশব্যাপী স্বেচ্ছাসেবক দলের মিলাদ ও দোয়া মাহফিল সিন্ডিকেটের নেপথ্যে ‘মিস্টার ৫%’: গণপূর্তের আবুল খায়েরের দুর্নীতি ও সম্পদের পাহাড় একটি প্ল্যাটফর্ম, একাধিক সেবা-রংপুর ডায়েরির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: মির্জা ফখরুলেই আস্থা বিএনপি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল

মুখে ভারতীয় পণ্য বয়কট, অথচ ভারতেই বাংলাদেশি পর্যটকের হিড়িক

পাঠক সংখ্যা
638

মোঃ হাসানুজ্জামান:

বলা হয়ে থাকে, ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষ কিছুটা গাদ্দার। বিশেষ করে বাংলাদেশ সহ আশেপাশের বাঙালিদের এই তালিকাটা বেশ দীর্ঘ। পলাশীর যুদ্ধই আমাদের সে-কথা মনে করিয়ে দেয়।
আচ্ছা আমরা বাংলাদেশের বাঙালি হিসেবে কতোটা উচ্চ শ্রেণির ? সম্প্রতি ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাকের বিষয়েই তা বিবেচনা করা যাক। কারণ কথিত দেশপ্রেমীদের ফেইসবুকে ভারত বিরোধী প্রচারণার আচঁ কি আদৌ ভারতে স্পর্শ করেছে ? না, মোটেই তা ভারতকে প্রভাবিত করেনি। বরং পবিত্র ঈদ উল ফিতর ও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ভারতীয় পণ্য কেনায় রীতিমতো ধুম পড়ে গিয়েছিল। এমনকি লম্বা ছুটিতে ভারতের দর্শনীয় স্থানে ছিলো বাংলাদেশের পর্যটকদের হিড়িক। আর রমজানেও বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে বিএসএফ চালিয়েছে গুলি। তাহলে বলুন- বাংলাদেশী হিসেবে আমরা গর্বিত নাকি লজ্জিত ?

পর্যবেক্ষণ কি বলছে ?
সম্প্রতি পবিত্র ঈদ উল ফিতর, বৈশাখ ও শপিং নিয়ে খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করা হয়। ঈদ ও বৈশাখের কেনা-কাটা চলেছে পুরোদমে। যদি সহজ বাংলায় বলি তাহলে সরকার বিরোধী পক্ষগুলো ‘ভারতীয় পণ্য বর্জনের’ আহ্বানের কতটুকু প্রভাব পড়েছে তা দেখতে রাজধানীর শপিংমল, সুপার শপ গুলোতে ঘুরে ঘুরে দেখার ইচ্ছা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশকে উদ্ধার করে ফেলা এই জাতির কেনাকাটার যে গতি দৃষ্টিগোচর হয়েছে, তাতে মনে হয়েছে জনগন এই ‘বর্জন’ আন্দোলনে মোটেই সাড়া দেয়নি। শুধু পোষাকপরিচ্ছদেই নয়, নিত্যপণ্যের বেলায়ও চিত্র একই। বিশেষ করে কোনো প্রসাধনী সামগ্রী ক্রয়ে বাঙালি ভারতীয় পণ্যকেই ব্রান্ড হিসেবে গ্রহণ করতে চেয়েছে বেশি। অথচ দেশি পণ্যের প্রতি এখনো অনীহা।

দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন ও পরবর্তী…
বাজারের চিত্র বলছে- জাতীয় নির্বাচন বর্জনের পর ‘ভারতীয়পণ্য বর্জনে’র ডাক স্পষ্টত:ই খুব বেশি হালে পানি পায়নি। নির্বাচনে অংশ না নেয়া সিদ্ধান্ত সঠিক ছিলো কিনা সেটা ইতিহাসের সমীক্ষা ও বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকেরা সিদ্ধান্ত নিবেন। ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক বাস্তব সম্মত ছিলো কিনা সেটা ক্ষমতাসীনদের বিরোধী পক্ষ এখন হারে হারে টের পাচ্ছে। দিনকে দিন এ জাতিকে সবাই আরো ভালভাবে চিনবে ও জানবে। কারণ গাদ্দার শব্দটা ভুলে গেলে চলবে না।

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কঃ
ভারত বাংলাদেশের বন্ধু না শত্রু এ নিয়ে অহেতুক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে এদেশের জনগণই। সীমান্ত হত্যা, আমদানি, রপ্তানি নীতি, ক্রিকেট খেলার সময় বৈরিতা সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে মতানৈক্য, বাড়ছে অন্তর্দ্বন্দ্ব। তবে সে প্রভাব কি সরকারি ও বিরোধী দলগুলোকে প্রভাবিত করে ? মোটেই না। কারণ রাজনৈতিক দলগুলো সবসময় তাদের সুবিধা নিয়ে ব্যস্ত।

ইতিহাস সত্য-মিথ্যা, পক্ষ-বিপক্ষ, আপাতদৃষ্টিতে সত্য, মনের বৈরিতা সবকিছুই পরম যত্নে আগলে রাখে। তবে আবহাওয়ার কারণে তা চাইলেও অনেক সময় প্রকাশ করা যায় না। আবার দেশের স্বার্থে অনেক কিছুই এড়িয়ে চলতে হয়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধসহ নানা সংকটে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারত পাশে দাড়িয়েছে। জাতীয় নির্বাচনে ভারত সরকার আওয়ামী লীগের প্রতি দুর্বল ছিলো অথবা বিরোধী-দলের প্রতি বৈরী ছিলো এ নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে। কিন্তু ভারতীয়পণ্য বর্জনের আহ্বানের মধ্য দিয়ে সরকার বিরোধী শিবির কি বার্তা দিতে চেয়েছে? এই বর্জন কর্মসূচী কতটুকু জনস্বার্থে, কতটুকু নিছক ভারত বিরোধিতা- সে বিষয়টি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে বিবেচিত হয়েছে বলে মনে হয়নি। অবশ্য এবিষয়ে রয়েছে ভিন্নমতও।

বাজার বাস্তবতাঃ
উপরে ফিটফাট ভেতরে সদরঘাট এই জাতির জন্য ভারতীয় পণ্য বাংলাদেশের বাজারে না পাওয়া গেলে কোন দেশের পণ্য আমদানি করলে দেশবাসি সংকটাপন্ন হবে না সেটি বিরোধী পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়নি। ‘পণ্য বর্জনের’এই ঘোষণার পর সংগতকারণেই এই আশংকা তৈরী হয়েছিলো যে বাজার অস্থিতিশীল হবে। সুযোগ বুঝে কালোবাজারি বা অসাধূ ব্যবসায়ীরা কৃত্তিম সংকট সৃষ্টি করে সাধারন মানুষের পকেট কাটবে। বাজারে কোনসংকট ছিলো না, একথা বললে ভুল হবে। তবে একশ্রেণির অসাধু চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছিলো, কথাও অস্বীকার করার উপায় নেই। আর যদি বাস্তবতার কথা বলি, তাহলে দারিদ্র্যে জর্জরিত সাধারণ মানুষ এই “বর্জন” কর্মসূচীকে পুরোপুরি সমর্থন করতে পারেনি, কেউবা সমর্থন করতে চায়নি। তবে হ্যা, নিত্য পণ্যের বাজারে জনভোগান্তি ছিলো চরমে।

একটা বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন। বাংলাদেশের বাজারে যেসব ভারতীয় পণ্য বিক্রি হয় সেগুলো ভারত সরকার উৎপাদন করে না। ভারতের কৃষকদের একটা বড় অংশ নিত্য পণ্য উৎপাদন করে। ‘বর্জন’ কর্মসূচী ভারতের ক্ষমতাসীন সরকারের বিরুদ্ধে নাকি পণ্য উৎপাদনকারী কৃষক কুল বা শ্রমিক শ্রেণীর বিরুদ্ধে সেটা ভেবে দেখার অবকাশ অবশ্যই ছিলো।

নতুন বিতর্কের জন্মঃ
মূলত ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক ভারত বিরোধীতারই বহিঃপ্রকাশ। মুক্তিযুদ্ধ পূর্ববর্তী পাকিস্তান আমলে ভারত নামক জুজুর ভয় দেখিয়ে পাকিস্তানীরা এই অঞ্চলের মানুষকে ভারত বিরোধী করার সকল প্রয়াস চালিয়েছে। পাকিস্তানীদের আস্ফালন চূর্ণ করে বাংলাদেশের মানুষ মাতৃভূমিকে স্বাধীন করেছে। তাছাড়া ভারতীয় হিন্দুদেরকে মোক্ষম ঢাল বানাতে চাইলেও তা সম্ভব হয়নি। কারণ এ অঞ্চলের মানুষ ছিলো হুজুগে বাঙালি, আবেগী মুসলমান। আর নামে মুসলিম হলেও ক’জনই বা ইসলামকে আকঁড়ে ধরেছে ?

মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে এদেশের সাধারণ মানুষ পক্ষে-বিপক্ষে তর্ক করলেও স্মরণ অবশ্যই করে। বাংলাদেশকে শত্রু মুক্ত করতে হাজার হাজার ভারতীয় সৈন্য এ দেশের মাটিতে যুদ্ধ করে। মুক্তি বাহিনী আর মিত্র বাহিনীর সদস্যদের সর্বাত্নক চেষ্টায় দেখা মেলে লাল সবুজের পতাকা। অবশ্য মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে ভারতের নানা কর্মকান্ড নিয়ে রয়েছে নানা বিতর্ক। তবে সে বিতর্ক পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণের দাবি রাখে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

যেদিন কোনো আর্তনাদ কাজে আসবে না

দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ ডেস্ক: কিয়ামত দিবসের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে মুমিনগণ যখন জান্নাত লাভ করবে এবং অপরাধীরা জাহান্নামে পৌঁছাবে তখন সব জাহান্নামি একত্র হয়ে শয়তানকে অভিশাপ দিতে থাকবে। অভিশপ্ত শয়তান তখন আগুনের মধ্যে দাঁড়িয়ে বলবে, আমার প্রতি অভিসম্পাতকারী হে দুর্ভাগারা! আল্লাহ তাআলা তোমাদের সাথে ওয়াদা করেছিলেন যে, কিয়ামত, মৃত্যুর পর পুনরুত্থান, হিসাব ও কর্মফল প্রদান সত্য, আর যে এগুলো অস্বীকার করবে সে ধ্বংস হবে এবং যে বিশ্বাস করে সৎকর্ম করবে সে সফল হবে, আল্লাহর এ সত্য প্রতিশ্রুতি তোমরা সচক্ষে প্রত্যক্ষ করেছ। আর আমি তোমাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে, এই জীবনের পর আর কোনো জীবন নেই এবং এ জীবনের কোনো হিসাব-কিতাব হবে না। আমার প্রতিশ্রুতি আজ পুরোপুরি মিথ্যা প্রমাণিত হলো। তোমরা আমাকে আজ ভর্ৎসনা করছ কেন? তোমাদের উপর তো আমার কোনো আধিপত্য ছিল

আরও পড়ুন
language Change