তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
সিরাজগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘দৈনিক যুগের কথা’র ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপিত সাতক্ষীরায় পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে বাসের চাপায় ছেলে নিহত, আহত শিক্ষক পিতা পাটকেলঘাটা বাজারে ইউএনওর অভিযান: ৩ হোটেলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা সবুজায়নে বাঘাইহাট জোনের উদ্যোগ, পাহাড়ি-বাঙালি পরিবারের হাতে গাছের চারা হাতের টানেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং কালিগঞ্জে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে চেয়ারম্যান প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন দেশের পতাকা বিক্রি করেন রেনু মিয়া রোগাক্রান্ত মৌলভীবাজার জেলার অধিকাংশ কমিউনিটি ক্লিনিক সিরাজগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের জিএমের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন নামাজে পড়াতে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল খতিবের রামগড় পাহাড়াঞ্চল গবেষণা কেন্দ্রে কফি চাষে সফলতা, নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন স্বপ্ন পুঁজি করে এগিয়ে চলা: সংগ্রাম পেরিয়ে স্বাবলম্বিতার দীঘিনালার নারী উদ্যোক্তা হালিমা খাতুন নোয়াখালীতে শিশু আসমা হত্যা মামলার রায় আজ, সর্বোচ্চ শাস্তির প্রত্যাশা পরিবারের পরীক্ষানিরীক্ষা করানো কি চিকিৎসকের অক্ষমতার প্রমাণ মেট্রোরেলের ঢাবি স্টেশন ৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে ইতিহাস বলছে নরওয়ের কাছে হেরে বিদায় নিবে ব্রাজিল ময়মনসিংহে মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল এলাকাবাসী রাঙামাটিতে বিশেষ অভিযানে ৫৮ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি আটক দুই বছর পর আবারও তৈলারদ্বীপ সেতুতে টোল আদায়ের উদ্যোগ সরকারি চাকরিতে ১১-২০তম গ্রেডে বাড়ছে ১৩৫% বেতন সিরাজগঞ্জে দুদকের মামলায় মাছ ব্যবসায়ী ছালাম কারাগারে বড়ছড়ায় ব্যবসায়িদের হয়রানি ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন এয়ারপোর্ট থেকে সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেফতার করেছে চাটখিল পুলিশ টাইব্রেকারে কবাখালীকে হারিয়ে দীঘিনালা জোন কাপ জিতল বোয়ালখালী চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি অতিরিক্ত আইজিপি হওয়ায় খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপারের ফুলের শুভেচ্ছা কালিগঞ্জে বোরো চাষির তালিকা জালিয়াতির অভিযোগ বার কাউন্সিলের অ্যাডহক কমিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট বাঁশখালীর আ. লীগ নেতা রিয়াজ উদ্দিন সুমনের মোবাইলে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাকিস্তানে হামলা চালাল আফগানিস্তান পূর্বাচলে হবে ৪ থানা, ৬ তদন্ত কেন্দ্র: আইজিপি কর্ণফুলী নদীতে লাইটার জাহাজ ডুবি, ১২ জন উদ্ধার দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে ঢাবির শিক্ষার্থীরা: প্রধানমন্ত্রী আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের ডিএমডির বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা,ও অধিকার বাস্তবায়ন জরুরি শ্রীমঙ্গলে উদযাপিত হচ্ছে ১৭১তম সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস ‎চাটখিলে পুলিশের অভিযানে জুয়া চক্রের মূল হোতাসহ গ্রেফতার ১০ রাজউক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নারী সাংবাদিকদের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ নলডাঙ্গায় দুর্বৃত্তের হামলায় আহত আওয়ামী লীগ নেতা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ নলডাঙ্গা পৌরসভার কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা বৃষ্টি হলেই হাঁটু সমান কাদা, চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী চাঁদপাই স্কুলে জলবায়ু ও পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতামূলক কর্মসুচি পালন রাজবাড়ীতে গৃহবধূ নির্যাতন অভিযোগের নতুন মোড় দেশের ১১ ভাগ মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে: মির্জা ফখরুল প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বিবিএ ওরিয়েন্টেশন ও বার্ষিক পিকনিক অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বন্দরে ১৯৮ কোটি টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স পেল চসিক ম্যাচ শেষে স্টেডিয়াম পরিষ্কার করলেন জাপানি সমর্থকরা সিন্ধু নদীর পানিবণ্টন ইস্যুতে ভারতের প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি পাকিস্তান কাতারে নিহত পাঁচ প্রবাসীর মরদেহ পৌঁছাল সিলেটে শপথ নিতে পারবেন না আসলাম চৌধুরী: আপিল বিভাগ

মুখে ভারতীয় পণ্য বয়কট, অথচ ভারতেই বাংলাদেশি পর্যটকের হিড়িক

পাঠক সংখ্যা
638

মোঃ হাসানুজ্জামান:

বলা হয়ে থাকে, ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষ কিছুটা গাদ্দার। বিশেষ করে বাংলাদেশ সহ আশেপাশের বাঙালিদের এই তালিকাটা বেশ দীর্ঘ। পলাশীর যুদ্ধই আমাদের সে-কথা মনে করিয়ে দেয়।
আচ্ছা আমরা বাংলাদেশের বাঙালি হিসেবে কতোটা উচ্চ শ্রেণির ? সম্প্রতি ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাকের বিষয়েই তা বিবেচনা করা যাক। কারণ কথিত দেশপ্রেমীদের ফেইসবুকে ভারত বিরোধী প্রচারণার আচঁ কি আদৌ ভারতে স্পর্শ করেছে ? না, মোটেই তা ভারতকে প্রভাবিত করেনি। বরং পবিত্র ঈদ উল ফিতর ও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ভারতীয় পণ্য কেনায় রীতিমতো ধুম পড়ে গিয়েছিল। এমনকি লম্বা ছুটিতে ভারতের দর্শনীয় স্থানে ছিলো বাংলাদেশের পর্যটকদের হিড়িক। আর রমজানেও বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে বিএসএফ চালিয়েছে গুলি। তাহলে বলুন- বাংলাদেশী হিসেবে আমরা গর্বিত নাকি লজ্জিত ?

পর্যবেক্ষণ কি বলছে ?
সম্প্রতি পবিত্র ঈদ উল ফিতর, বৈশাখ ও শপিং নিয়ে খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করা হয়। ঈদ ও বৈশাখের কেনা-কাটা চলেছে পুরোদমে। যদি সহজ বাংলায় বলি তাহলে সরকার বিরোধী পক্ষগুলো ‘ভারতীয় পণ্য বর্জনের’ আহ্বানের কতটুকু প্রভাব পড়েছে তা দেখতে রাজধানীর শপিংমল, সুপার শপ গুলোতে ঘুরে ঘুরে দেখার ইচ্ছা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশকে উদ্ধার করে ফেলা এই জাতির কেনাকাটার যে গতি দৃষ্টিগোচর হয়েছে, তাতে মনে হয়েছে জনগন এই ‘বর্জন’ আন্দোলনে মোটেই সাড়া দেয়নি। শুধু পোষাকপরিচ্ছদেই নয়, নিত্যপণ্যের বেলায়ও চিত্র একই। বিশেষ করে কোনো প্রসাধনী সামগ্রী ক্রয়ে বাঙালি ভারতীয় পণ্যকেই ব্রান্ড হিসেবে গ্রহণ করতে চেয়েছে বেশি। অথচ দেশি পণ্যের প্রতি এখনো অনীহা।

দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন ও পরবর্তী…
বাজারের চিত্র বলছে- জাতীয় নির্বাচন বর্জনের পর ‘ভারতীয়পণ্য বর্জনে’র ডাক স্পষ্টত:ই খুব বেশি হালে পানি পায়নি। নির্বাচনে অংশ না নেয়া সিদ্ধান্ত সঠিক ছিলো কিনা সেটা ইতিহাসের সমীক্ষা ও বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকেরা সিদ্ধান্ত নিবেন। ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক বাস্তব সম্মত ছিলো কিনা সেটা ক্ষমতাসীনদের বিরোধী পক্ষ এখন হারে হারে টের পাচ্ছে। দিনকে দিন এ জাতিকে সবাই আরো ভালভাবে চিনবে ও জানবে। কারণ গাদ্দার শব্দটা ভুলে গেলে চলবে না।

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কঃ
ভারত বাংলাদেশের বন্ধু না শত্রু এ নিয়ে অহেতুক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে এদেশের জনগণই। সীমান্ত হত্যা, আমদানি, রপ্তানি নীতি, ক্রিকেট খেলার সময় বৈরিতা সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে মতানৈক্য, বাড়ছে অন্তর্দ্বন্দ্ব। তবে সে প্রভাব কি সরকারি ও বিরোধী দলগুলোকে প্রভাবিত করে ? মোটেই না। কারণ রাজনৈতিক দলগুলো সবসময় তাদের সুবিধা নিয়ে ব্যস্ত।

ইতিহাস সত্য-মিথ্যা, পক্ষ-বিপক্ষ, আপাতদৃষ্টিতে সত্য, মনের বৈরিতা সবকিছুই পরম যত্নে আগলে রাখে। তবে আবহাওয়ার কারণে তা চাইলেও অনেক সময় প্রকাশ করা যায় না। আবার দেশের স্বার্থে অনেক কিছুই এড়িয়ে চলতে হয়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধসহ নানা সংকটে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারত পাশে দাড়িয়েছে। জাতীয় নির্বাচনে ভারত সরকার আওয়ামী লীগের প্রতি দুর্বল ছিলো অথবা বিরোধী-দলের প্রতি বৈরী ছিলো এ নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে। কিন্তু ভারতীয়পণ্য বর্জনের আহ্বানের মধ্য দিয়ে সরকার বিরোধী শিবির কি বার্তা দিতে চেয়েছে? এই বর্জন কর্মসূচী কতটুকু জনস্বার্থে, কতটুকু নিছক ভারত বিরোধিতা- সে বিষয়টি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে বিবেচিত হয়েছে বলে মনে হয়নি। অবশ্য এবিষয়ে রয়েছে ভিন্নমতও।

বাজার বাস্তবতাঃ
উপরে ফিটফাট ভেতরে সদরঘাট এই জাতির জন্য ভারতীয় পণ্য বাংলাদেশের বাজারে না পাওয়া গেলে কোন দেশের পণ্য আমদানি করলে দেশবাসি সংকটাপন্ন হবে না সেটি বিরোধী পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়নি। ‘পণ্য বর্জনের’এই ঘোষণার পর সংগতকারণেই এই আশংকা তৈরী হয়েছিলো যে বাজার অস্থিতিশীল হবে। সুযোগ বুঝে কালোবাজারি বা অসাধূ ব্যবসায়ীরা কৃত্তিম সংকট সৃষ্টি করে সাধারন মানুষের পকেট কাটবে। বাজারে কোনসংকট ছিলো না, একথা বললে ভুল হবে। তবে একশ্রেণির অসাধু চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছিলো, কথাও অস্বীকার করার উপায় নেই। আর যদি বাস্তবতার কথা বলি, তাহলে দারিদ্র্যে জর্জরিত সাধারণ মানুষ এই “বর্জন” কর্মসূচীকে পুরোপুরি সমর্থন করতে পারেনি, কেউবা সমর্থন করতে চায়নি। তবে হ্যা, নিত্য পণ্যের বাজারে জনভোগান্তি ছিলো চরমে।

একটা বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন। বাংলাদেশের বাজারে যেসব ভারতীয় পণ্য বিক্রি হয় সেগুলো ভারত সরকার উৎপাদন করে না। ভারতের কৃষকদের একটা বড় অংশ নিত্য পণ্য উৎপাদন করে। ‘বর্জন’ কর্মসূচী ভারতের ক্ষমতাসীন সরকারের বিরুদ্ধে নাকি পণ্য উৎপাদনকারী কৃষক কুল বা শ্রমিক শ্রেণীর বিরুদ্ধে সেটা ভেবে দেখার অবকাশ অবশ্যই ছিলো।

নতুন বিতর্কের জন্মঃ
মূলত ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক ভারত বিরোধীতারই বহিঃপ্রকাশ। মুক্তিযুদ্ধ পূর্ববর্তী পাকিস্তান আমলে ভারত নামক জুজুর ভয় দেখিয়ে পাকিস্তানীরা এই অঞ্চলের মানুষকে ভারত বিরোধী করার সকল প্রয়াস চালিয়েছে। পাকিস্তানীদের আস্ফালন চূর্ণ করে বাংলাদেশের মানুষ মাতৃভূমিকে স্বাধীন করেছে। তাছাড়া ভারতীয় হিন্দুদেরকে মোক্ষম ঢাল বানাতে চাইলেও তা সম্ভব হয়নি। কারণ এ অঞ্চলের মানুষ ছিলো হুজুগে বাঙালি, আবেগী মুসলমান। আর নামে মুসলিম হলেও ক’জনই বা ইসলামকে আকঁড়ে ধরেছে ?

মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে এদেশের সাধারণ মানুষ পক্ষে-বিপক্ষে তর্ক করলেও স্মরণ অবশ্যই করে। বাংলাদেশকে শত্রু মুক্ত করতে হাজার হাজার ভারতীয় সৈন্য এ দেশের মাটিতে যুদ্ধ করে। মুক্তি বাহিনী আর মিত্র বাহিনীর সদস্যদের সর্বাত্নক চেষ্টায় দেখা মেলে লাল সবুজের পতাকা। অবশ্য মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে ভারতের নানা কর্মকান্ড নিয়ে রয়েছে নানা বিতর্ক। তবে সে বিতর্ক পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণের দাবি রাখে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

মালিককে কুপিয়ে হত্যা করেছে চাকরিচ্যুত তারই বাসের চালক

স্টাফ রিপোর্টার:  রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মো. স্বপন নামের এক বাসমালিককে কুপিয়ে হত্যা করেছে তারই বাসের চাকরিচ্যুত এক চালক। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে আদাবর থানার জাপান গার্ডেন সিটির সামনে এ ঘটনা ঘটে। মোহাম্মদপুর থেকে উত্তরা রুটে চলাচল করা ভূঁইয়া পরিবহনের একটি বাসের মালিক স্বপন। তাকে না জানিয়ে বাসের একটি অতিরিক্ত চাকা বিক্রি করে দেয় বাসের চালক সোহেল। এর জেরে ১৫ দিন আগে স্বপন ওই চালককে চাকরিচ্যুত করেন। বুধবার সন্ধ্যার দিকে জাপান গার্ডেন সিটির সামনে চাকা বিক্রির বিষয়টি নিয়ে স্বপন ও তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় সোহেলের। এক পর্যায়ে স্বপনকে ছুরিকাঘাত করে সোহেল । এ সময় স্বপনকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত স্বপনের বাড়ি শরিয়তপুর। পরিবার নিয়ে থাকতেন মোহাম্মদপুরের ঢাকা উদ্যান এলাকায়। সবা:স:জু- ৫২৩/২৪

আরও পড়ুন
language Change