তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
জিয়া শিশু কিশোর মেলা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের ভিত্তি ঢাকার প্রথম নারী পুলিশ সুপার হলেন শামীমা পারভীন লিবিয়ার উপকূলে নৌকা ভেঙে ১৭ অভিবাসনপ্রত্যাশী নিহত নবজাতকসহ নারীর মরদেহ কানাডায় ফুটবল সম্মেলনে নেই ইরান ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চায় না সরকার ‘নূরানি’ চেহারার আড়ালে ভয়ংকর আফজাল শ্রমিক দিবসে নয়াপল্টনে সমাবেশ বিএনপি ফসল রক্ষার প্রাণপণ চেষ্টা কৃষকদের বাংলাদেশে ডেনিশ বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্সে চলছে মেট্রোনেট চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক আনোয়ারের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড় দাদিকে কুপিয়ে হত্যা আটক নাতি রাজনৈতিক কারণে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার: আইনমন্ত্রী টিটন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন সংরক্ষিত নারী আসনে বৈধ গেজেট প্রকাশ আজ আবারও একসঙ্গে নাগার্জুন-টাবু ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট চালু নলডাঙ্গায় মেয়র প্রার্থীর উদ্যোগে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কালার প্রিন্টার প্রদান শনির আখড়ায় সাংবাদিক এস. এম. কামাল পারভেজ ও তার পরিবারকে হত্যার হুমকি রাজনীতি শেখার পরামর্শ দিলেন সেতুমন্ত্রীর পুলিশের লুট হওয়া পিস্তল মিলল ঝোপে ঝিনাইগাতীতে কাঁকরোল চাষে বাম্পার ফলনের আশাবাদী কৃষক সিরিজ নির্ধারণ ম্যাচে কেমন হবে বাংলাদেশের একাদশ মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনায় বন্যা শুরু মৌলিক সুবিধা দেশের সব অংশেই গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের হামলা নিহত ৮ বিনিয়োগকারীদের নগদ লভ্যাংশ দেবে ঢাকা ব্যাংক বজ্রপাতে প্রাণ গেল যুবকের মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণে উদ্যোগ নিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেরপুর সীমান্তে বন্যহাতির আতঙ্কে আধাপাকা ধান কাটছে কৃষক দুই স্কুলে বজ্রপাতে শিক্ষকসহ আহত ১৬ চিলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিবের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার ভোলাহাট ফিলিং স্টেশনকে ঘিরে অপপ্রচার চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী সভা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ১৭ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত ক্লিন সিটি গাড়ার নতুন পদক্ষেপ জানালেন প্রধানমন্ত্রী ছোট ভাইয়ের ছুরিআঘাতে আহত বড় ভাইয়ের মৃত্যু ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা পিএসএলের প্লে অফ শুরু আজ অশালীন দৃশ্য থাকায় গান নিয়ে বিতর্ক পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু শ্রীলঙ্কায় ১১০ কেজি গাঁজাসহ ২২ বৌদ্ধ গ্রেফতার ঈদে টানা ৭ দিন সরকারি ছুটি বর্ণাঢ্য উৎসবমুখর পরিবেশে মির্জাগঞ্জে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত মোংলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিত্র বদলে দিলেন ডাঃ মো: শাহিন বৃষ্টিতে ভিজছেন পরীমনি, ভিডিও ভাইরাল মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্টসহ আটক ১৪

পূর্ব তিমুরের মতো খ্রিষ্টান দেশ বানানোর চক্রান্ত চলছে!

পাঠক সংখ্যা
638

মাওঃ মুফতি আব্দুল মাজিদ:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত শিরোনামে বাংলা ট্রিবিউন একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে ২৩ মে ২০২৪, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের একটি অংশ নিয়ে পূর্ব তিমুরের মতো খ্রিষ্টান দেশ বানানোর চক্রান্ত চলছে বলে অভিযোগ করেছেন খোদ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া বাংলাদেশে এয়ার বেজ বানানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। তবে কোন দেশ এই প্রস্তাব দিয়েছে, সেটি উল্লেখ করেননি প্রধানমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার (২৩ মে) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ১৪ দলীয় জোটের এক বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা তিনি বলেন, আমার যুদ্ধ ঘরে-বাইরে সব জায়গায়। ওই অবস্থায় আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে ছেড়ে দিলাম। চক্রান্ত এখনও আছে। পূর্ব তিমুরের মতো বাংলাদেশের একটি অংশ নিয়ে… তারপরে চট্টগ্রাম, মিয়ানমার এখানে একটা খ্রিষ্টান দেশ বানাবে, বঙ্গোপসাগরে একটা ঘাঁটি করবে। তার কারণ বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরে প্রাচীনকাল থেকে ব্যবসা-বাণিজ্য চলে। এ জায়গাটার ওপর অনেকেরই নজর। সেটা আমি হতে দিচ্ছি না। এটাও আমার একটা অপরাধ। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ চেয়ার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর থেকে যে আশঙ্কা ও বিপদের কথা শোনানো হচ্ছে সে বিষয়ে ১২ বছর আগে এই আশঙ্কা ও ব্যথা অন্তরে লালন করে হজরত মাওঃ মুফতী আব্দুল মাজিদ (দাঃ বাঃ) তিনি একটা কলাম লিখেছিলেন মাসিক আল কাউসারে। তার একটি ক্ষুদ্র অংশ প্রয়াস দেশবাসীর সতর্কতায় তুলে ধরেন এই বিজ্ঞ ইসলামী চিন্তাবিদ। তিনি মাসিক আল কাউসারে দেশের মানচিত্রের অখন্ডতা রক্ষা বিষয়ে চমকপ্রদ তথ্য দেন। এছারা মাসিক আল কাউসার
বর্ষ: ০৮, সংখ্যা: ০৫ মে-২০১২
তুলে ধরেন পার্বত্য চট্টগ্রাম ষড়যন্ত্রের অন্যরুপ, দানবীয় খ্রিস্টানদের আগ্রাসী মিশন ও কাদিয়ানীদের মধ্যে আছে পিতা-পুত্রের গভীর সম্বন্ধ বলে উল্লেখ করেন। ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব তিমুর এবং দক্ষিণ সুদানের ন্যায় প্ল্যান করে স্বাধীনতা আন্দোলনের ডাক দিয়ে তারপর পশ্চিমা দুনিয়ার মাধ্যমে গণভোট চাপিয়ে দুইটি পৃথক খ্রিস্টান রাষ্ট্র বানানোর ঘটনা তো আমাদের চোখের সামনেই ঘটল। আফসোস করা ছাড়া ঐসব অঞ্চলের জনগণ আর কী করতে পেরেছে? আমরাও কি এমন একটি অসাড় আফসোসের দিকে যাচ্ছি? বাংলাদেশের পার্বত্য জেলাগুলোকে নিয়ে এমন একটি ষড়যন্ত্রের হুঁশিয়ারি কিছুদিন পূর্বে সেনাদপ্তর থেকে দেওয়া হয়েছিল। (সাপ্তাহিক সোনার বাংলা, ১৫ এপ্রিল ২০১১) গত বছরের আগস্ট মাসের বিভিন্ন তারিখে বেশ কয়েকটি দৈনিক পত্রিকাতে এ বিষয়ক প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে। উপজাতিদের সাথে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী ছাড়া আর কেউ থাকে না। তাদের অভিজ্ঞতাই বাস্তব অভিজ্ঞতা। এরই সাথে দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা খ্রিস্টানদেরকে পার্বত্য জেলাগুলোতে নিয়ে সংখ্যাগুরু বানানো হচ্ছে, যা পূর্ব তিমুরে হয়েছিল। এভাবে গণভোটে বিজয়ের ক্ষেত্রও তৈরি করা হচ্ছে। মাওঃ মুফতি আব্দুল মাজিদ এখানে তাদের ওয়েবসাইটের একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরেন-১৮৮১ সালে বাংলাদেশে খ্রিস্টানদের অনুপাত ছিল প্রতি ৬০০০ জনে ১ জন। ২০০০ সালে তা দাঁড়ায় ১১ জনে ১ জন। ২০১৫ সাল নাগাদ এই অনুপাত ৩/১ নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে তারা কাজ করছে। সময় খুব দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। এরপর হয়তো সচেতন হওয়ারও সময় থাকবে না। প্রিয় দেশবাসী দ্বীনদরদী ভাই বোন ও বন্ধুরা। মাঃ মুফতি আব্দুল মাজিদ বলেন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আপনাদের শেয়ার করতে চাই, এবং যারা আমাকে ভালবাসেন আসুন একটি ভাল কাজে অংশগ্রহন করি। আপনাদের সহযোগিতা কামনা করি। আপনাদের ক্ষুদ্র সহযোগিতা ইসলামের জন্য অনেক গুরুত্ব বয়ে আনবে। সেই সাতে হাজার হাজার শিশু পাবে ইসলামের দ্বীনি শিক্ষা, পাশাপাশি তারা পাবে সঠিক জীবন ব্যবস্থা। প্রকৃত মানুষ হিসাবে নিজেকে গড়ে তোলার একটি মোক্ষম রাস্তা তারা খুজে পাবে। বিষয়টি একান্তভাবে গুরুত্ব দিয়ে প্রখ্যত আলেমে দ্বীন হজরত মাওঃ মুফতি আব্দুল মাজিদ (দাঃ মাঃ) খতীব লৈহেরটেক জামে মসজিদ হাতে নেন মহৎ উদ্যোগ তিনি সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি ইলমে দ্বীন শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছেন। দেশবাসী আপনাদের কাছে বিনীত অনুরোধ করছি আপনার একটু সামান্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে সদকায়ে জারিয়ায় অংশ গ্রহন করুন। আপনার সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতায় এসব শিশুরা সু শিক্ষায় শিক্ষিত হবে। বাংলাদেশের ছিন্নমূল মানুষের জন্য সহজ একটি ঠিকানা হচ্ছে বস্তি । বস্তি গুলো এক করুণ পরিস্থিতির শিকার । দুটো ভয়াবহ সমস্যা এখানে কাজ করছে একটা হচ্ছে খ্রিস্টান মিশনারিরা এ বস্তির বাচ্চাদের ঈমান হরণ করে খ্রিস্টান বানানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত । দ্বিতীয় হচ্ছে মাদক সহ সমাজ ধ্বংসের বিভিন্ন উপকরণের সহজলভ্যতা। যে কারণে তাদের ঈমানের হেফাজত ও সামাজের সুরক্ষার জন্য বস্তির বাচ্চাদেরকে নিয়ে ঈমানী মেহনতের কোন বিকল্প নেই । তাই আমরা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড়বস্তি মহাখালী কড়াইল টিএনটি বস্তি। এখানে ৫০ হাজার বাচ্চা দীন ও ঈমানের আলো থেকে বঞ্চিত । আল্লাহর মেহেরবানীতে আমরা ছিন্নমূল বস্তির শিশুদের কে নিয়ে কোরআন শিক্ষা ও ঈমানী মেহনতের কাজ শুরু করেছি । গাইবান্ধা জেলায় কুড়িগ্রাম এর সীমান্তে ২৬ টা ফ্যামিলি খ্রিস্টান হয়ে যায়। সেখানে আল্লাহর রহমতে আমাদের ধারাবাহিক দাওয়াতি মেহনতের মাধ্যমে ওরা আবার ইসলামে ফিরে এসেছে । সেখানে আমাদের দিনব্যাপী ফ্রী চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম চলেছে। যাতে মুসলমানরা খ্রিস্টানদের থেকে চিকিৎসা না নেয়। আপনাদের কাছে দোয়া চাই, আল্লাহতাআলা এ যাত্রা অব্যাহত রাখেন, কবুল করেন ওদের ঈমানের হেফাজত করেন ইতিমধ্যে বস্তির মধ্যে তেরটি প্রাইভেট স্কুলে আমরা কোরআনী বক্তব্য চালু করেছি আল্লাহর মেহেরবানীতে এর বাইরে দশটি মক্তব চালু আছে এ ব্যাপারে আপনাদের কাছে দোয়া ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করি । যাতে করে বস্তির বাচ্চাগুলোকে সমাজ ধ্বংসকারীর জায়গায় সমাজ বিনির্মাণকারী বলে আমরা তৈরি করতে পারি । আর মুসলমানের সন্তান মুসলমানিত্ব নিয়ে যাতে কবরে যেতে পারে। সেই প্রচেষ্টা…
লেখকঃ
বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ
মাওঃ মুফতি আব্দুল মাজিদ
(দাঃ বাঃ) খতীব লৈহেরট্যাক জামে মসজিদ। ঢাকা

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

সাবেক উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীমের স্বেচ্ছাচারীতা

আজিজুর রহমান বাবু। শরীয়তপুর প্রতিনিধি : ২০১৪ থেকে ২০২৪ এর ৫ ই আগষ্টের পূর্ব মূহুর্ত পর্যন্ত ক্ষমতাধর স্বৈরাচারী আওয়ামী রাজনীতির অন্যতম ধারক এবং বাহক বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির তুখোড় বক্তা,সুযোগ সন্ধানী নেতা শরীয়তপুর – ২ আসনের এমপি সাবেক উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম। বিশিষ্ট এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ব্যর্থতার চিত্র গুলোর রয়েছে অসংখ্য তথ্য উপাত্ত ছড়িয়ে রয়েছে এই জনপদে। এনামুল হক শামীম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিত্ব করলেও মাঠ পর্যায়ে নড়িয়া- সখিপুরে আসনের সকল ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে ” শামীম লীগ ” এর উত্থান ঘটে। মাঠ পর্যায়ে সত্যিকার সাংগঠনিক পরিচর্যা গড়ে উঠেনি। যার কারণে অজস্র নির্যাতিত সগোত্রীয় কর্মী এবং বিরোধী পক্ষের কাছে আতংকের বিষয়বস্তু হ’য়ে দাঁড়িয়ে ছিলো কথিত এই শামীম লীগ । বাদ যায়নি – আওয়ামী লীগের নিবেদিত কর্মীরাও। কারণ পুলিশ প্রশাসন ও

আরও পড়ুন
language Change