তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪: অনিয়মের ‘হর্তাকর্তা’ ইকবাল ও নুরুল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মেয়েকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট, সাবেক ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার কেশবপুর প্রেসক্লাবে ক্রীড়া প্রতিযোগিদের পুরস্কার বিতরণ ধর্ষণ-হত্যার প্রতিবাদে ফুঁসে উঠল চাটখিল বরগুনা জেলায় পরিষদ প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি নিষিদ্ধ সংগঠন জাতীয় শ্রমিক লীগ নেতা মুহাম্মদ এয়াকুবের দাম্ভিকতা আদালতের হাজতখানায় স্ত্রীসহ আসামি সোহেল রামিসা হত্যার বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন বিস্ফোরক ও ভাঙচুর মামলায় আওয়ামী লীগের ২ নেতা কারাগারে রামগড়ে ওপেন হাউজ ডে পালিত শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী উপজেলাবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা মেজর মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান ঈদ উপলক্ষে রাজধানী ছাড়ছে ঘরমুখো মানুষ দেশের উৎপাদিত গরু দিয়েই কোরবানির চাহিদা মেটানোর লক্ষ্য: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ফরিদপুরে বাস-অ্যাম্বুলেন্সের সংঘর্ষে নিহত ৫ চায়না বিএনপিতে হাইব্রিড অনুপ্রবেশ আতঙ্ক ‎ইউপি চেয়ারম‍্যান যেনো দুর্নীতির কারখানা দেশের রিজার্ভ নিয়ে বড় সুখবর দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট ঈদ শান্তিপূর্ণ উদযাপনে মাঠে র‌্যাব-পুলিশ-বিজিবি ৮ ঘণ্টার বেশি গণপরিবহন চালালেই লাইসেন্স বাতিল শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে ঝড়ে গাছচাপায় বৃদ্ধার মৃত্যু কালীগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা: ঈদে যানজট নিয়ন্ত্রণ ঠেকাতে কড়া নির্দেশ বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মী শিক্ষাশিবির অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের সেরা কৃষি উদ্যোক্তা পুরস্কার পেলেন আব্দুল কাদির গুলিস্তানে হাতাহাতি করা ২ কনস্টেবল সাময়িক বরখাস্ত হামের রোগীদের দায়িত্বরত ডাক্তার ও নার্সদের ঈদের ছুটি বাতিল আজ থেকে প্রাথমিকে টানা ১৫ দিনের ছুটি ২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে যাচ্ছেন যিনি ডিপিডিসির প্রকৌশলী মোহাম্মদ আতাউর কবির কাজে দুই লাখ টাকা ‘ঘুষ’ দাবী! না বুঝেই ব্রাজিল সাপোর্ট করি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ বাবার খনন করা খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১০ নজরুল আমাদের সকল মানুষের কবি: আব্দুস সালাম মার্টিনেজকে নিয়ে বড় দুঃসংবাদ পেল আর্জেন্টিনা চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিজিবির অভিযান বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ৩ দ্রুত বিচার না হলে অপরাধ বাড়বে : ব্যারিস্টার খোকন পশুর হাটে দুম্বা, দাম হাঁকা হচ্ছে ৪-৫ লাখ এমডির সেল্টারে জিইএমকোতে ১৫ কোটি টাকার স্ক্র্যাপ ৩ কোটিতে বিক্রি রামিসা হত্যা: ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পাওয়া যাবে আজ নিজ মাঠে হারলো সদ্যপুস্করিনী যুব স্পোর্টিং ক্লাব সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে সংবাদ সম্মেলন নদীবন্দর এলাকায় বজ্রসহ ঝড়ের আভাস শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল সিরাজগঞ্জ সুন্দরবনে অভিযানে জলদস্যুদের কাছে জিম্মি থাকা ২১ জেলে এবং অস্ত্র উদ্ধার ভিসা ছাড়াই যেসব দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা চীনে কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৮ ঈদযাত্রায় ট্রেনে সিডিউল বিপর্যয়ের শঙ্কা নেই ইলেকট্রিক গাড়ি প্রদর্শনী ঘুরে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

এনসিটিবিতে চলছে ই- টেন্ডার বাণিজ্য; ঝুঁকিতে মুদ্রণ শিল্প

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার:

শিক্ষা খাতের দুর্নীতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রাক্কলন, টেন্ডারের তথ্য ফাঁস, সমঝোতার নামে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে সাপোর্টিং বা এজেন্ড ঠিকাদার নিয়োগের কথা, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কর্তৃক বেনামে বা ঘনিষ্ঠ আত্মীয়-স্বজনদের মাধ্যমে ঠিকাদারি কাজ পরিচালনা করাসহ বহু অভিযোগ। বিশেষ করে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহে হয় মহাচুরি। মূলত এনসিটিবিতে দুর্নীতির মূল জায়গায় হলো পাঠ্যবই ও কাগজ কেনার দরপত্র প্রক্রিয়া এবং বিভিন্ন কাজের কমিটি গঠনে দাবি করেছে দুনীতি দমন কমিশন। ২০২২ সালের জুলাইয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ইইডিকে পাঠানো সুপারিশপত্রে এসব তথ্য জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। সেই সুপারিশে বোর্ডে কর্মরত কর্মকর্তাদের কেউ কেউ স্বনামে ও বেনামে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের মালিক বনে গেছেন বলেও উল্লেখ করেছে দুদক।

২০২২ সালের সুপারিশ আমলে না নিয়ে একই কায়দায় এখনো এনসিটিবিতে চলছে ই- টেন্ডার বাণিজ্য। ফলে  ঝুঁকিতে পড়েছে  মুদ্রণ শিল্প। মানবেতর জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন এ শিল্পের সাথে জড়িত হাজারো ব্যবসায়ি এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু এনসিটিবি কর্মকর্তাদের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই।

মুদ্রণ শিল্পের সাথে জড়িত একাধিক ব্যবসায়ি জানিয়েছেন, আমরা বিগত দশ (১০) বছর যাবৎ জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহের কাজ দরপত্র প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে সফলতার সাথে করে আসছি। এ শিল্পের সাথে জড়িত প্রায় ছোট-বড় ৪০০টি প্রতিষ্ঠান সরকারের সুনাম অক্ষুন্ন রেখে কাজ করে যাচ্ছি, ফলে বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী মুদ্রণ শিল্প তৈরি হয়েছে। কিন্তু ২০২০-২০২৪ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত দরপত্রে অংশগ্রহণের পূর্বশর্ত হিসেবে কোয়ালিফিকেশন ক্রাইটেরিয়ায় পূর্ববর্তী বছরের কাজের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয় কাজের মূল্যের ৩০-৪০ শতাংশ। বিগত ৫ বছরের দরপত্রে যেসব অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছিলো তা সব মুদ্রণ ব্যবসায়িদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিলো। ফলে দরপত্রে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে সকলেই। দরপত্রের সুসম প্রতিযোগিতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত হয়েছে।

অথচ ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ১ম ও ৬ষ্ঠ শ্রেণির দরপত্রে পূর্ববর্তী কাজের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছে লটের মূল্যের প্রায় ৭০-৮০ শতাংশ অধিক, যা অধিকাংশ মুদ্রণ ব্যবসায়ির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এতে, হাতে গোনা ৫-১০ টি প্রতিষ্ঠান ছাড়া বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান অংশ নিতে পারবে।  ফলে এইসব মুদ্রণ ব্যবসায়িরা মনে করছেন, হাতে গোনা ৫-১০টি প্রতিষ্ঠানের কাছে এনসিটিবি জিম্মি হয়ে যাবে, যথাসময়ে কাজ উঠানো চ্যালেঞ্জিং হবে এবং বাকি ব্যবসায়িরা কাজ না পাওয়ার ফলে এ মুদ্রণ শিল্প মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। পাশাপাশি সিন্ডিকেট করে দরপত্রের দর বিগত সময়ের চেয়ে প্রায় ২০-৩০% বেশি অর্থাৎ, প্রায় ২ শত কোটি হতে ৩ শত কোটি টাকা লুটপাটের নীল নকশা আঁকা হয়েছে বলেও মনে করছেন মুদ্রণ শিল্পের সাথে জড়িত ব্যবসায়িরা।  ব্যবসায়িদের দাবি, এটি  অবাধ, সুষ্ঠু ও সকলের সাথে সমআচরণের পরিপন্থী।

ব্যবসায়িরা বলছেন, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ এর উদ্দেশ্য হলো সরকারী তহবিলের অর্থদ্বারা কোন পণ্য, কার্য বা সেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং উক্তরূপ ক্রয়কার্যে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক সব ব্যবসায়ির প্রতি সম-আচরণ ও অবাধ প্রতিযোগিতা নিশ্চত করা। কিন্তু এনসিটিবির উর্ধতন কমকর্তা বর্তমান নির্দেশে দরপত্র দলিল প্রস্তুত কমিটি, উৎপাদন নিয়ন্ত্রক ও আইসিটি সেলের সহকারী মেইনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়ার (ভারপ্রাপ্ত প্রোগ্রামার) নির্দিষ্ট সংখ্যক ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য যোগসাজসে এ ধরনের শর্ত আরোপ করেছে। সহকারি মেইনট্যানেন্স ইঞ্জিনিয়ার মো: সালাউদ্দিন লেনদেনের বিনিময়ে এ শর্ত দেওয়ার বিষয়ে সকলকে প্ররোচিত করেছে বলে অভিযোগ করছেন ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, দুর্নীতির মাধ্যমে গত বছর এ সিন্ডিকেটটি অনেককে কাজ পাইয়ে দিয়েছে এবং এ থেকে কোটি কোটি টাকা আয় করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারি মেইনট্যানেন্স ইঞ্জিনিয়ার মো: সালাউদ্দিন প্রতিবেদককে বলেন, প্রথমত আমার কথা বলা নিষেধ। উর্ধতন কর্মকর্তার নির্দেশ ছাড়া আমি কথা বলতে পারবো না। আপনি আমার উর্ধতন কর্মকর্তার সাথে কথা বলুন। দ্বিতীয়ত. আমি যা করেছি, তার অফিসের নির্দেশেই করেছি। ব্যক্তিগতভাবে কোন উদ্যোগ নেই নাই।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোডের সদস্য (অতিরিক্ত দায়িত্ব, চেয়ারম্যান) প্রফেসর মশিউজ্জামান প্রতিবেদককে জানান, নির্দেশিকা মোতাবেক টেন্ডার ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা সচেতনভাবেই সকলেই যাতে সমানভাবে বিড করতে পারে সে ব্যবস্থা রেখেছি। আর পক্ষপাতিত্বের কোন সুযোগ এখনো তৈরি হয় নি। আগামী ২৫ জুনের পর আমরা জানবো কতজন টেন্ডারে অংশ নিয়েছেন। পক্ষপাতিত্বে অভিযোগ তাই অমূলক বলে প্রতিবেদককে তিনি জানান।

এদিকে, ক্রয়কার্যে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক সকল ব্যক্তির প্রতি সম-আচরণ ও অবাধ প্রতিযোগিতা নিশ্চত করতে এবং এ দুর্নীতির সাথে যারা জড়িত তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরূদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়িরা।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

সোনার দাম কমছে বিশ্ববাজারে

ডেস্ক রিপোর্ট: এবার বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমতে শুরু করেছে। গতকাল সোমবার বিশ্ববাজারে সোনার দাম ৩ শতাংশের বেশি কমেছে। সেখানেই থেমে নেই। আজ মঙ্গলবার দিনের শুরুতে নিউ ইয়র্কের বাজারে সোনার দাম শূন্য দশমিক ৩৩ শতাংশ কমেছে। দাম ছিল আউন্সপ্রতি ৩ হাজার ৯৯০ ডলার।গোল্ড প্রাইস ডট অর্গের তথ্যানুসারে, সব মিলিয়ে গত এক সপ্তাহে সোনার দাম ৮ শতাংশের বেশি কমেছে। ২০১৩ সালের পর আর কোনো সপ্তাহে সোনার দাম এতটা কমেনি। ফলে দেখা যাচ্ছে, চলতি বছর যেভাবে সোনার দামের ঊর্ধ্বগতি শুরু হয়েছিল, বছরের শেষভাগে এসে সেই ধারায় ছেদ পড়েছে। এ পতনের আগে চলতি বছর বিশ্ববাজারে সোনার দাম ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছিল। মূলত ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, ফেডারেল রিজার্ভের নীতি সুদহার কমানোর সম্ভাবনা ও মার্কিন ডলারের পতনের পরিপ্রেক্ষিতে বিনিয়োগের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে সোনার কদর বেড়ে যায়। এর

আরও পড়ুন
language Change