তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
স্থানীয় নির্বাচনে থাকছে না দলীয় প্রতীক মুশফিকের রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে বাংলাদেশ খাগড়াছড়ি প্রথমবারের মতো গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী বলী খেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির অভিযান ১৪টি ভারতীয় গরু ও ৩৫ বোতল মদ জব্দ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট গলাচিপায়ার প্রধানমন্ত্রীর বরাবরের স্মরক লিপি সংবাদ সম্মেলন রাজস্ব না বাড়লে বাণিজ্য চুক্তিই হবে অর্থনীতির বোঝা টোল ফ্রি করার দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে সড়ক ভবন ঘেরাও পুলিশের এলিট ফোর্স হিসেবে থাকবে র‌্যাব যুক্তরাষ্ট্রের পতাকায় মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র ঢেকে দিলেন ট্রাম্প নতুন ভিসিকে ক্যাম্পাসে ঢুকতে বাধা, চলছে ব্লকেড কর্মসূচি ৯৫ বারের মতো পেছালো বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলার প্রতিবেদন রামগড়ে পৃথক পৃথক দুর্ঘটনায় দুই ব্যক্তির মৃত্যু সন্ধ্যার মধ্যে যে সকল জেলায় ঝড়ের আভাস ২৫ মে থেকে ৭ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা বিএনপির সিলেট টেস্টে ২৪৯ রানের লিড নিয়ে লাঞ্চে বাংলাদেশ চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি ‎সুন্দরবনের সুমন বাহিনীর প্রধান অস্ত্র সহ আত্মসমর্পণ করেছেন ‎রামগড়ের কৃতি সন্তান ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ মুকাররমকে বাসায় ডেকে সাত টুকরা করলেন প্রেমিকা রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী‎ রাজশাহীতে সব রুটের বাস চলাচল বন্ধ আমির হামজাকে গ্রেফতারে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ চট্টগ্রাম নগরের প্রধান সড়কে আন্দোলনে নিষেধাজ্ঞা চাঁদ দেখার পর মিলবে ঈদের বিশেষ ট্রেনের টিকিট প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে এনইসি’র সভা  সাতক্ষীরায় অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার, পলাতক স্বামী বাংলাদেশ টি এস্টেট স্টাফ এসোসিয়েশনের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ঝিনাইগাতীতে বিজিবির অভিযানে ৩৯৩ বোতল ভারতীয় অবৈধ মদ জব্দ সুনামগঞ্জের নদীর তীর কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন খুলনা প্রেসক্লাবের নব-নির্বাচিত নেতৃবৃন্দের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত নতুন করের প্রস্তাব এনবিআরের সামনে বাইকারদের বিক্ষোভ হাদি হত্যা: সিআইডির অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন ৭ জুন মেঘনার ভাঙন রোধে আগামী অর্থবছরেই স্থায়ী ব্যবস্থা সুন্দরবনের কুখ্যাত বনদস্যু করিম শরিফ বাহিনীর ২ সদস্য অস্ত্র সহ আটক লডাঙ্গায় জমি নিয়ে বিরোধ- চাচাতো ভাইয়ের লাঠির আঘাতে ১ জন নিহত বিলভাতিয়া বিজিবির অভিযান ১৯৮ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ আটক কেশবপুরে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে প্রশাসনের অভিযান দীঘিনালায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চাকমার বসতঘর পুড়ে ছাই ময়মনসিংহে সরকারি কর্মচারীদের ‘বেগম পাড়া’ শরণখোলায় আওয়ামিলীগ বাড়িতে চুরির চেষ্টা রামগড়ের বিসিবির সাধারন পরিষদের কাউন্সিলর মনোনীত মন্দিরের দেয়াল ভাঙাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ সেনাবাহিনীর অভিযানে ইউপিডিএফ’র ৩ সন্ত্রাসী আটক নাটোরে ঘুমন্ত স্বামীকে হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে হত্যা, স্ত্রী আটক ঘরে বসেই নিতে পারবেন ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ কো-অর্ডিনেটর শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়া এক নিবেদিতপ্রাণ - মুশফিকুর সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার জানাজা সম্পন্ন, প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ঢাকাসহ চার বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস ড. ইউনূসসহ ২৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

এনসিটিবিতে চলছে ই- টেন্ডার বাণিজ্য; ঝুঁকিতে মুদ্রণ শিল্প

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার:

শিক্ষা খাতের দুর্নীতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রাক্কলন, টেন্ডারের তথ্য ফাঁস, সমঝোতার নামে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে সাপোর্টিং বা এজেন্ড ঠিকাদার নিয়োগের কথা, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কর্তৃক বেনামে বা ঘনিষ্ঠ আত্মীয়-স্বজনদের মাধ্যমে ঠিকাদারি কাজ পরিচালনা করাসহ বহু অভিযোগ। বিশেষ করে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহে হয় মহাচুরি। মূলত এনসিটিবিতে দুর্নীতির মূল জায়গায় হলো পাঠ্যবই ও কাগজ কেনার দরপত্র প্রক্রিয়া এবং বিভিন্ন কাজের কমিটি গঠনে দাবি করেছে দুনীতি দমন কমিশন। ২০২২ সালের জুলাইয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ইইডিকে পাঠানো সুপারিশপত্রে এসব তথ্য জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। সেই সুপারিশে বোর্ডে কর্মরত কর্মকর্তাদের কেউ কেউ স্বনামে ও বেনামে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের মালিক বনে গেছেন বলেও উল্লেখ করেছে দুদক।

২০২২ সালের সুপারিশ আমলে না নিয়ে একই কায়দায় এখনো এনসিটিবিতে চলছে ই- টেন্ডার বাণিজ্য। ফলে  ঝুঁকিতে পড়েছে  মুদ্রণ শিল্প। মানবেতর জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন এ শিল্পের সাথে জড়িত হাজারো ব্যবসায়ি এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু এনসিটিবি কর্মকর্তাদের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই।

মুদ্রণ শিল্পের সাথে জড়িত একাধিক ব্যবসায়ি জানিয়েছেন, আমরা বিগত দশ (১০) বছর যাবৎ জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহের কাজ দরপত্র প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে সফলতার সাথে করে আসছি। এ শিল্পের সাথে জড়িত প্রায় ছোট-বড় ৪০০টি প্রতিষ্ঠান সরকারের সুনাম অক্ষুন্ন রেখে কাজ করে যাচ্ছি, ফলে বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী মুদ্রণ শিল্প তৈরি হয়েছে। কিন্তু ২০২০-২০২৪ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত দরপত্রে অংশগ্রহণের পূর্বশর্ত হিসেবে কোয়ালিফিকেশন ক্রাইটেরিয়ায় পূর্ববর্তী বছরের কাজের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয় কাজের মূল্যের ৩০-৪০ শতাংশ। বিগত ৫ বছরের দরপত্রে যেসব অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছিলো তা সব মুদ্রণ ব্যবসায়িদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিলো। ফলে দরপত্রে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে সকলেই। দরপত্রের সুসম প্রতিযোগিতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত হয়েছে।

অথচ ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ১ম ও ৬ষ্ঠ শ্রেণির দরপত্রে পূর্ববর্তী কাজের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছে লটের মূল্যের প্রায় ৭০-৮০ শতাংশ অধিক, যা অধিকাংশ মুদ্রণ ব্যবসায়ির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এতে, হাতে গোনা ৫-১০ টি প্রতিষ্ঠান ছাড়া বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান অংশ নিতে পারবে।  ফলে এইসব মুদ্রণ ব্যবসায়িরা মনে করছেন, হাতে গোনা ৫-১০টি প্রতিষ্ঠানের কাছে এনসিটিবি জিম্মি হয়ে যাবে, যথাসময়ে কাজ উঠানো চ্যালেঞ্জিং হবে এবং বাকি ব্যবসায়িরা কাজ না পাওয়ার ফলে এ মুদ্রণ শিল্প মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। পাশাপাশি সিন্ডিকেট করে দরপত্রের দর বিগত সময়ের চেয়ে প্রায় ২০-৩০% বেশি অর্থাৎ, প্রায় ২ শত কোটি হতে ৩ শত কোটি টাকা লুটপাটের নীল নকশা আঁকা হয়েছে বলেও মনে করছেন মুদ্রণ শিল্পের সাথে জড়িত ব্যবসায়িরা।  ব্যবসায়িদের দাবি, এটি  অবাধ, সুষ্ঠু ও সকলের সাথে সমআচরণের পরিপন্থী।

ব্যবসায়িরা বলছেন, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ এর উদ্দেশ্য হলো সরকারী তহবিলের অর্থদ্বারা কোন পণ্য, কার্য বা সেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং উক্তরূপ ক্রয়কার্যে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক সব ব্যবসায়ির প্রতি সম-আচরণ ও অবাধ প্রতিযোগিতা নিশ্চত করা। কিন্তু এনসিটিবির উর্ধতন কমকর্তা বর্তমান নির্দেশে দরপত্র দলিল প্রস্তুত কমিটি, উৎপাদন নিয়ন্ত্রক ও আইসিটি সেলের সহকারী মেইনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়ার (ভারপ্রাপ্ত প্রোগ্রামার) নির্দিষ্ট সংখ্যক ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য যোগসাজসে এ ধরনের শর্ত আরোপ করেছে। সহকারি মেইনট্যানেন্স ইঞ্জিনিয়ার মো: সালাউদ্দিন লেনদেনের বিনিময়ে এ শর্ত দেওয়ার বিষয়ে সকলকে প্ররোচিত করেছে বলে অভিযোগ করছেন ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, দুর্নীতির মাধ্যমে গত বছর এ সিন্ডিকেটটি অনেককে কাজ পাইয়ে দিয়েছে এবং এ থেকে কোটি কোটি টাকা আয় করেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারি মেইনট্যানেন্স ইঞ্জিনিয়ার মো: সালাউদ্দিন প্রতিবেদককে বলেন, প্রথমত আমার কথা বলা নিষেধ। উর্ধতন কর্মকর্তার নির্দেশ ছাড়া আমি কথা বলতে পারবো না। আপনি আমার উর্ধতন কর্মকর্তার সাথে কথা বলুন। দ্বিতীয়ত. আমি যা করেছি, তার অফিসের নির্দেশেই করেছি। ব্যক্তিগতভাবে কোন উদ্যোগ নেই নাই।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোডের সদস্য (অতিরিক্ত দায়িত্ব, চেয়ারম্যান) প্রফেসর মশিউজ্জামান প্রতিবেদককে জানান, নির্দেশিকা মোতাবেক টেন্ডার ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা সচেতনভাবেই সকলেই যাতে সমানভাবে বিড করতে পারে সে ব্যবস্থা রেখেছি। আর পক্ষপাতিত্বের কোন সুযোগ এখনো তৈরি হয় নি। আগামী ২৫ জুনের পর আমরা জানবো কতজন টেন্ডারে অংশ নিয়েছেন। পক্ষপাতিত্বে অভিযোগ তাই অমূলক বলে প্রতিবেদককে তিনি জানান।

এদিকে, ক্রয়কার্যে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক সকল ব্যক্তির প্রতি সম-আচরণ ও অবাধ প্রতিযোগিতা নিশ্চত করতে এবং এ দুর্নীতির সাথে যারা জড়িত তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরূদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়িরা।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

বিয়ের পিঁড়িতে হানিয়া আমির

বিয়ের পিঁড়িতে হানিয়া আমির

ডেস্ক রিপোর্টঃ পাকিস্তানের শোবিজ অঙ্গনের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ হানিয়া আমির। সৌন্দর্য আর অভিনয় দক্ষতা দিয়ে তিনি যেমন ভক্তদের হৃদয় জয় করেছেন, তেমনি ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও প্রায়ই থাকেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক ইস্যুতে সংবাদের শিরোনাম হওয়া এই অভিনেত্রীকে ঘিরে এবার ডালপালা মেলছে বিয়ের গুঞ্জন। শোনা যাচ্ছে, আগামী বছরই নাকি বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে রহস্যময় জবাব বিয়ের এই জল্পনা উসকে দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে অভিনেত্রীর একটি মন্তব্য। সম্প্রতি হানিয়ার একটি পোস্টে এক অনুরাগী সরাসরি মন্তব্য করেন, “তোমার বিয়ের গুঞ্জন শুনছি।” ভক্তের এমন মন্তব্যে চুপ থাকেননি অভিনেত্রী। জবাবে তিনি মজা করে লেখেন, “আমিও শুনছি।” হানিয়ার এই ছোট অথচ রহস্যময় উত্তরটিই নেটিজেনদের মাঝে কৌতূহল বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণ। অনেকেই মনে করছেন, ‘যা রটে তা কিছু তো বটে’। পাত্র কি প্রাক্তন

আরও পড়ুন
language Change