তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
বিক্রিত জমিতে ঘর নির্মাণ, জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দুর্নীতিমুক্ত শেরপুর জেলা পরিষদ গঠন করতে চাই ঝিনাইগাতীতে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে থানায় জিডি হাজার মাসের চেয়েও সেরা রাত: আজ পবিত্র লাইলাতুল কদর মৌলভীবাজারের কাটাগাং খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন মোংলার চিলা বৈদ্যমারীতে যুবকের আত্মহনন দারিদ্র্য বিমোচনে যাকাতের ভূমিকা অপরিসীম খুলনায় যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা পুলিশ সুপারের ছবি ব্যবহার করে ঈদের চাঁদা আদায় র‍্যাবের ডিজি হলেন হাবীব, এসবিপ্রধান নুরুল আমিন, সিআইডিপ্রধান মোসলেহ খুলনা মফস্বল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ কুয়াকাটায় সরকারি খাস জমির গাছ কেটে বিক্রি বরগুনায় বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের দোয়া ও ইফতার পার্টি হামলার পর দুবাই বিমানবন্দরে ফ্লাইট বন্ধ ৫০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় কঠোর নির্দেশনা খেপুপাড়া বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অশ্লীল ছবি ভাইরাল খুলনায় অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ রাজউকে ঘুষ-দুর্নীতি-অনিয়ম সিরিজ জয়ের পর বড় সুখবর পেল বাংলাদেশ সুন্দরবন অগ্নিনির্বাপণ রোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা শুটিংয়ে জেরিনকে অন্তর্বাস পরতে বাধ্য করা হয়েছিল এবার চীনের দ্বারস্থ হলেন ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রীর পিএস পরিচয় দেওয়া প্রতারক আটক খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে দিনাজপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস পালিত শ্রীমঙ্গলে জমি দখলের চেষ্টা, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি অসহায় সাহেরা বানুর পাশে মেয়রপ্রার্থী বাচ্চু ‎কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদ সহ কুখ্যাত সন্ত্রাসী আটক অনিক ও সোহেলের ভুয়া “প্রাচীন পিলার ও কয়েন” চক্রে নিঃস্ব হচ্ছে অনেকে শেরপুর-৩ আসনের প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ মসজিদের উন্নয়নে সাউথ লন্ডন ফাউন্ডেশনের আর্থিক অনুদান আবাম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদ উপহার শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে শিলাবৃষ্টিতে ভুট্টার ব্যাপক ক্ষতি জামায়াত-এনসিপির এমপিদের শপথ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্য মোংলার চিলা ইউনিয়ন পরিষদে সরকার কর্তৃক বিনামূল্যে চাল বিতরণ শাহজাদপুরে বিএনপির প্রভাব খাঁটিয়ে জব্বারের বেপরোয়া চাঁদাবাজি ও দখল বানিজ্য ঈদের সাজে রঙিন বাজার ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইর্টস্ ক্রাইম রিপোর্টাস সোসাইটি ও সাপ্তাহিক পল্লীদূত পত্রিকার উদ্যোগে ইফতার মাহ... কেরানীগঞ্জে নিষিদ্ধ পলিথিন সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য ইসরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় শতাধিক মানুষ আহত দেড় বছরের সন্তানকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল খুলনায় ভৈরব নদ থেকে নিখোঁজ রিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার শেরপুরের নকলায় নবনির্বাচিত এমপি ফাহিম চৌধুরীকে সংবর্ধনা লোকালয় থেকে অজগর উদ্ধার সিরাজগঞ্জে ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে সচেতনতা অভিযান সংবিধান অনুযায়ী সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিঙ্গাপুরের পথে মির্জা আব্বাস সংসদে প্রশ্নোত্তর ও রাষ্ট্রপতির ভাষণ নিয়ে আলোচনা ময়মনসিংহ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদক কার্যালয় অভিযোগ

ঢামেকে প্রতিদিন আসছে ১০ হাজার রোগী, সামাল দিতে হিমশিম

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার ॥

মহাখালী ডিএনসিসি হাসপাতালকে ঢাকা মেডিক্যালের অধীনে দেওয়ার প্রস্তাব দেশের সর্ববৃহত্ সরকারি চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠান ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল। সারা দেশ থেকে এখানে রোগী আসে চিকিৎসা নিতে। সুচিকিৎসার জন্য সুনাম থাকায় প্রাচীন এই হাসপাতালটির বারান্দা, মেঝে ও সিঁড়িতে রাত কাটিয়ে হলেও সেবা নিতে চায় রোগীরা। দূরদূরান্ত থেকে আসা রোগীদের শেষ ভরসা স্থল এই হাসপাতাল। রোগীরা প্রত্যাশা কওে সরকারি দেশসেরা এই হাসপাতালে তারা সব ধরনের চিকিৎসাসেবা পাবে। প্রতিদিন জরুরি বিভাগ ও বহির্বিভাগ মিলে ১০ সহস্রাধিক রোগী চিকিৎসা সেবা নিতে আসে।
প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক রোগীর চাপ সামলাতে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সব সময় হিমশিম খেতে হয়। চিকিৎসা সেবা সামাল দিতে গিয়ে ডাক্তার, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেশির ভাগই ছুটি পান না। এমনকি হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ও উপপরিচালক আশরাফুল আলমকেও প্রতিদিনই ১৮ ঘণ্টা হাসপাতালে থাকতে হয়। মাঝেমধ্যে রাতেও হাসপাতালে থাকতে হয় তাদের।
এই হাসপাতালে রয়েছে তীব্র শয্যাসংকট। নেই পর্যাপ্ত জনবল। এত সীমাবদ্ধতার মধ্যেও হাসপাতালটি সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে। কারণ, দুর্ঘটনায় আহত, আগুনে দগ্ধ, জটিল ও দুরারোগ্যসহ নানা রোগে আক্রান্ত রোগী এই হাসপাতালে পৌঁছাতে পারলে চিকিৎসাসেবা পাবেন এমনটাই মনে করে সবাই। আর তাই সারা দেশের প্রত্তন্ত এলাকা থেকে প্রতিদিন বহু রোগী ছুটে আসে এই হাসপাতালে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও চিকিৎসকরা জানান, ঢাকার বাইরে প্রতিটি জেলা সদরে রয়েছে সরকারি হাসপাতাল, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে রয়েছে চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র। জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলায় সিজার ও অন্যান্য জেনারেল সার্জারিরও ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু বেশির ভাগ সরকারি হাসপাতালে দুপুরের পর কোনো অপারেশন হয় না। বেশির ভাগ রোগীকেই ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। এসব রোগীর ৮০ ভাগই আসেন ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে। তারা আরো জানান, প্রতিদিনই রোগীর চাপ বাড়ছে। বর্তমানে চলছে ডেঙ্গুর মৌসুম। এছাড়াও পরিবেশগত ও ভেজাল খাদ্যের কারণ ছাড়াও বিভিন্ন কারণে বাংলাদেশে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এর মধ্যে ক্যানসার, কিডনি, লিভারসহ জটিল সব রোগীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। সাধারণ ও জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য আলাদা বিশেষায়িত ইউনিট রয়েছে ঢাকা মেডিকেল হাসাপাতালে। এছাড়াও দেশের যে কোনো দুর্যোগের সময় কিংবা দুর্ঘটনায় হতাহতদের এই হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়ে থাকে। রোগীদের ধারণা, এখানে চিকিৎসা নিতে এলে শয্যা না থাকলেও করিডোরে থেকে হলেও চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনেও এই হাসপাতালে অনেক হতাহতের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এখনো অনেকে এখানে ভর্তি রয়েছেন। করোনার সময়েও এই হাসপাতালের ভূমিকা ছিল সবার ঊর্ধ্বে। প্রচণ্ড রোগীর চাপ সামলাতে মহাখালীতে করোনার সময় আলাদাভাবে প্রতিষ্ঠিত ১ হাজার ৫৪ শয্যার বিশেষায়িত করোনা (ডিএনসিসি) হাসপাতালটি ঢাকা মেডিকেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অধীনে দেওয়ার জন্য প্রস্তাব করেছে।
ঢাকা মেডিকেল হাসপাতাল থেকে ডাক্তার, নার্স, ও কর্মচারীদের সেখানে ৩ শিফটে দায়িত্ব পালনের জন্য পদায়ন করা হবে। বিষয়টি নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও আলোচনা করেছে। সেটি বাস্তবায়নের জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রস্তাব পাঠাচ্ছে বলে জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৯৪৬ সালের ১০ জুলাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ চালু হয়। এই ভবনটি বহু পুরোনো এবং জরুরি সংস্কার করা আবশ্যক। ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আমাদের জনবলের তীব্র সংকট রয়েছে। তারপরেও বিরামহীনভাবে চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন ডাক্তার-নার্সসহ স্বাস্থ্যসেবা কর্মীরা। দেশের সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার শেষ ভরসাস্থল এটি। সেই আস্থা ধরে রাখা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা এই জনবল দিয়ে সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি আরো বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ক্যাম্পাসে আরো ৫ হাজার বেডের একটি হাসপাতাল তৈরি করার কার্যক্রম চলছে। এই হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠিত হলে জনবলসহ অবকাঠামো বৃদ্ধি পাবে। রোগীদের শয্যা পেতে কোনো সমস্যা থাকবে না। রোগীরা বিনা মূল্যে একই ছাতার নিচে অত্যাধুনিক চিকিৎসা পাবে।

সবা:স:সু-০৬/১১/২৪

 

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

তুলসি পাতার যত গুণ!

স্টাফ রিপোর্টার: তুলসি গাছের গুণাগুণ বলে শেষ করা যাবে না। এর পাতা থেকে শুরু করে বীজ সবই বিভিন্ন রোগের জাদুকরী সমাধান দিতে পারে। তাই নিয়মিত খেতে পারেন তুলসি পাতার রস। আসুন এক নজরে জেনে নিই, তুলসি পাতার কিছু উপকারিতা সম্পর্কে- তুলসি পাতার উপকারিতা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘তুলসিতে ফ্ল্যাভোনয়েড, পলিফেনল এবং অপরিহার্য তেলের মতো যৌগ রয়েছে যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো শরীরের ক্ষতিকারক ফ্রি র‌্যাডিকেলগুলোকে নিরপেক্ষ করতে সহায়তা করে, যার ফলে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস হ্রাস পায় এবং কোষগুলোকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি তুলসির ইমিউনোমোডুলেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে বলে জানা যায়। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। আপনি যদি নিয়মিত তুলসি পানি পান করেন, তাহলে আপনার ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী হয়ে উঠবে। হজমশক্তির উন্নতি

আরও পড়ুন
language Change