তারিখ লোড হচ্ছে...

বিআইডব্লিঊটিএর নিবাহী প্রকৌশলী মামুন আল ফয়সালের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ভিডিও ছড়িয়ে অপপ্রচার: ফেসবুক পোস্টে সত্যতা জানালেন সাতক্ষীরা-৪ এর এমপি মোবাইল দিয়েই শনাক্ত করুন হোটেলকক্ষের গোপন ক্যামেরা চাটখিলে সাংবাদিককে হুমকি, নাম-ছবি বিকৃত করে অপপ্রচার; থানায় অভিযোগ নলডাঙ্গায় মহাসড়কে ভুট্টা শুকানোর দায়ে মোবাইল কোর্ট  ২ জনকে জরিমানা পাসপোর্টধারীর বদলে অন্য নারীকে ইতালি পাচার, ৫৬টি পাসপোর্টসহ ৭ সদস্য আটক দেশে ৪৫ লাখ মামলা বিচারাধীন, বিচার ব্যবস্থার ওপর বড় চাপ: আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান আসছে নতুন রিয়েলিটি শো প্রতিভার সন্ধানে বিমানে আর্জেন্টিনাকে নিয়ে রসিকতা নরকযন্ত্রণায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী, নীরব পৌর কর্তৃপক্ষ মাদক, জুয়া, চোরাচালান ও অবৈধ বালু-পাথর লুট বন্ধ করতে হবে: এমপি রুবেল আবারও তীব্র গ্যাস সংকটে আশঙ্কা মাগুরায় পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু  মাদরাসায় ঝুলছিল ছাত্রীর মরদেহ প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী পদে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন রাশেদ বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে অনিয়ম, লাইসেন্স বাতিল ৪৯ এজেন্সির মোংলায় ওয়াইল্ডটিম ফ্রেন্ডশিপ কতৃক ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম সাতক্ষীরায় জামায়াত এমপির ভিডিও ভাইরাল: এআই বলার পর তরুণীকে স্ত্রী দাবি দিল্লিতে ককরোচ পার্টি-পুলিশ সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ আহত, গ্রেফতার ৭০ চট্টগ্রামে শিশু আয়নী হত্যা মামলায় আসামি রুবেলের মৃত্যুদণ্ড কুয়েত-বাহরাইনে মার্কিন স্থাপনায় আঘাতের দাবি ইরানের বিয়ের দাবিতে ছেলের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন: নেছারাবাদ মডেল সরকারি স্কুলের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলেন: এমপি দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা ভারী যানবাহন চলাচল করার সড়কের বেহাল দশা: ঢালিরঘাট গ্রেফতার মোজাফফরের বিচার হবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ড্রেজারের থাবা থেকে গ্রাম রক্ষায় যাদুকাটা নদীতে বাঁশের বেড়া রাজধানীর ১২০ মোড়ে বসছে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের দুই প্যাকেজ ঘোষণা ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন চূড়ান্তের প্রতিশ্রুতি জিয়া হত্যা: গ্রেফতার মোজাফফরের বিচার হবে সেনা আইনে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কালীগঞ্জে লাইসেন্স জালিয়াতিসহ একাধিক অভিযোগে ৩ লাখ টাকা জরিমানা মঙ্গলবার যেসব এলাকায় ৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না সাতক্ষীরায় মৎস্য ঘের থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার পশ্চিমবঙ্গে সরকারি দাপ্তরিক কাজে বাংলা ভাষা বাধ্যতামূলক : শুভেন্দু ২৪শের জুলাই ১৮, কারফিউ, ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন ও রক্তাক্ত বাংলাদেশ ফুটবল খেলা দেখা নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া, যুবকের আত্মহত্যা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, লোকালয়ে পানি প্রবেশে চরম দুর্ভোগ হাটহাজারীতে চা দোকানের কর্মচারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ঢাকা সিটি কলেজ: ১৯৮ জন শিক্ষকের মধ্যে ১০৫ জনই অবৈধ বিচারকের স্বাক্ষর ও সিল জাল করে ভুয়া হলফনামা, আইনজীবীর বিরুদ্ধে মামলা এবার পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে আবু সাঈদ-মুগ্ধ-ওয়াসিমের ছবি উৎসে কর যাচাইয়ে এনবিআরের ৫ নির্দেশনা বাংলা সিনেমা দেখা না হলেও, কাজের প্রস্তাব পেলে করতে রাজি : কাজল ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে এআই ক্যামেরা নজরদারি কেশবপুরে স্বাস্থ্যবিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত যারা পালিয়ে যায় তারা আর ফেরত আসে না: চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম হামলা হলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে এক ফোঁটা তেল-গ্যাসও যাবে না: ইরান শরিক দলের শীর্ষ নেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোংলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে শিশুর মৃত্য

আন্দোলনকারীদের সড়ক অবরোধের একটি ঘটনা

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার॥

৫ আগস্ট সোমবার। সেদিন ছিল ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি। আগের দিন সন্ধ্যায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কেরা আত্মগোপনে থেকে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন। তখনো রাস্তায় গোলাগুলি ও সংঘর্ষ চলছিল। খবর আসছে শত শত মানুষের মৃত্যুর। কিন্তু পিছু হটছিল না ছাত্রজনতা। রাজধানীর উত্তরা, রামপুরা, যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকা আন্দোলনের ‘হটস্পট’ হয়ে উঠেছে। হঠাৎ করেই ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি এক দিন এগিয়ে আনার ঘোষণা এল। তখন অনেকের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়ল এ কর্মসূচি নিয়ে।

আমার বাসা রাজধানী ঢাকার দক্ষিণখানে। যে এলাকার ছোটবড় সব রাস্তাই কাটা। আমরা প্রতিদিন খানাখন্দ, এবাড়ি-ওবাড়ির কাদাপানিতে ভরা চিপা গলি দিয়ে চলি। সে এক দুর্গম যাত্রা। দক্ষিণখান থেকে উত্তরায় পৌঁছাতে মোটামুটি ঘণ্টাখানেকের পথ।

আন্দোলন যখন তুঙ্গে, অফিস মনে করল, এই সময়ে হটস্পট উত্তরায় দায়িত্ব পালনই আমার জন্য ভালো দুদিক থেকে। সঙ্গে সহকর্মী প্রথম আলোর গাজীপুর সংবাদদাতা আল–আমিন। দুজনে সমন্বয় করে আমরা বিক্ষোভ-সংঘষের সংবাদ সংগ্রহ করি।

উত্তরা ছিল নিরিবিলি এলাকা। অতীতের আন্দোলনে বিএনপি বা জামায়াত কখনো সেভাবে রাস্তায় দাঁড়াতে পারেনি। ১৬ জুলাই প্রথম আজমপুরে মহাসড়ক অবরোধ করে ছাত্ররা উত্তরা দখলের জানান দিলেন। পরদিন ছিল পবিত্র আশুরার ছুটি। ১৮ ও ১৯ জুলাই ছাত্রদের দখল ভাঙতে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা একযোগে হামলা চালান। তুমুল সংঘর্ষে মারা যান অনেক ছাত্র ও সাধারণ মানুষ। মূলত এই দুই দিনে ছাত্রদের অদম্য প্রতিরোধেই উত্তরায় ক্ষমতাসীনদের ভিতে কাঁপুনি ধরে। ১৯ জুলাই দিবাগত রাত থেকে জারি হয় কারফিউ। কারফিউ ভেঙেই প্রতিদিন সকাল থেকে ছাত্ররা বিক্ষোভ করেছেন। এর মধ্যে পুলিশ-এপিবিএনের গুলি, কাঁদানে গ্যাস, ক্ষমতাসীনদের সশস্ত্র হামলায় ছাত্ররা কখনো পিছু হটেছেন, আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। তবে আজমপুরে ‘বিএনএস সেন্টার’ এলাকাটি আগাগোড়াই ছাত্রদের দখলে ছিল।

ঘটনা ১

যে রাতে কারফিউ ঘোষণা করা হয়, অর্থাৎ ১৯ জুলাই দিবাগত রাত সোয়া দুইটার দিকে আমার মুঠোফোনে রিং। অপ্রস্তুত হয়ে আঁতকে উঠলাম। বাবা ক্যানসারে আক্রান্ত, শয্যাশায়ী। নিশ্চয়ই আম্মা বা ভাইবোনদের কারও ফোন। কিন্তু স্ক্রিনে ওঠা নম্বরটি অপরিচিত। পরিচয় দিয়ে জানালেন, একজনকে রাত একটার দিকে ধানমন্ডির বাসা থেকে তুলে নিয়ে গেছেন কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সদস্যরা। তিনি আমার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী, অভিযোগ, আন্দোলনে অর্থের জোগানদাতা। পরে তাঁর কাছ থেকে জেনেছি, আটক হওয়ার আগে ফোনে শেষ কথা হয়েছিল আমার সঙ্গে। অন্য আরও অনেক কিছুর সঙ্গে তাঁর দুটো ফোন পুলিশ জব্দ করে। স্ত্রীকে বলে গেছেন খবরটি, যেন আমাকে জানানো হয়। আন্দোলনের উত্তাল সময়ে তাঁর সঙ্গে আমার কথা হতো, অনেক তথ্য দিতেন। আগের দিন ১৮ জুলাই মধ্যরাতে ফোনে ওই ব্যবসায়ী জানিয়েছিলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে বেশ কিছু লাশ আছে। আমরা যেন খোঁজ নিই। কিছুটা সন্দেহ নিয়েই এত রাতে অফিসকে জানাই। সত্যিই, আমার এক সহকর্মী গিয়ে রক্তাক্ত মরদেহগুলোর সন্ধান পান। ওই ব্যবসায়ী ১৯ জুলাই মধ্যরাতে ফোনে জানান, যাত্রাবাড়ী এলাকার অনাবিল হাসপাতাল, বাড্ডার এমএমজেড হাসপাতাল ও আরেকটি হাসপাতালে বেশ কিছু মরদেহ আছে। তখন পর্যন্ত হাসপাতালের কাগজপত্র ছাড়া লাশের ‘সংখ্যা’ প্রকাশ করা বেশ কঠিন ছিল। সেই রাতে যাচাই করতে যাওয়া সম্ভব হয়নি। কিন্তু পরে হাসপাতাল তিনটির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে মানুষের মৃত্যুর সত্যতা পাওয়া যায়। মুক্তি পাওয়ার পর ওই ব্যবসায়ী আমাকে বলেছেন, জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ তাঁর কাছে শেষ কলের ব্যক্তিকে (আমার) দেওয়া তথ্য এবং আমার সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন।

 

ঘটনা ২
২৩ জুলাই রাত ৯টার দিকে বাসা থেকে আমার বড় ছেলের ফোন। আব্বু, তোমার খোঁজে একজন বাসায় এসেছিলেন। এটা সাংবাদিক সেলিম জাহিদের বাসা? ছেলে ‘হ্যাঁ’ বললে ওই ব্যক্তি জানতে চান, আমি কোথায়। ছেলে বলল, বাসায় নেই। ছেলে মাকে ডাকল। মা এলে ওই ব্যক্তির প্রশ্ন, আমি কখন বাসায় ফিরি, সকালে কখন বের হই। তিনি রাজশাহী থেকে এসেছেন। স্ত্রীর কাছ থেকে আমার মুঠোফোন নম্বরটিও নিলেন। বসতে বললে ভদ্রলোক বসেননি। বলে গেলেন, আবার আসবেন। ছেলে বলল, ‘লোকটির কথাবার্তা কেমন-কেমন লেগেছে। তুমি সাবধানে আইসো।’
ঘটনাটি হেড অব রিপোর্টিং কে জানালাম। এ পরিস্থিতিতে বাসায় যাব কি না, দোটানায়। মনস্থির করলাম যাব। কারণ, আমি তো কোনো অপরাধ করিনি। রাত ১২টার কিছু পরে ভয়ে ভয়ে দক্ষিণখানে ফিরি আমার মোটরসাইকেলে। দূর থেকে দেখি, ঠিক বাসার সামনে হেলমেট পরা এক ব্যক্তি মোটরসাইকেলের ওপর বসা। আমাদের বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী তখন গেটের সামনে দাঁড়িয়ে। সে আমাকে দেখে দ্রুত গেট খুলে দিলে আমি ভেতরে ঢুকি। নেমেই নিরাপত্তাকর্মীকে বললাম, লোকটি কে। বলল, সে চেনে না। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে বসে আছে, মুঠোফোনে কথা বলছে। আরও জানাল, সন্ধ্যার দিকে দুজন লোক এসেছিল। তারা জানতে চেয়েছে, আমি কখন আসি।

ছেলের ফোন, নিরাপত্তাকর্মীর তথ্য জেনে মুহূর্ত দেরি না করে বের হয়ে গেলাম। তখনো লোকটি মোটরসাইকেলেই বসা। আমি যখন বের হচ্ছি, লোকটি ফোনে কথা বলছিলেন আমার দিকে তাকিয়ে। একটু আড়াল হতেই মোটরসাইকেল স্টার্টের (চালু) আওয়াজ। কিছুক্ষনের মধ্যে লোকটিও মূল সড়কের দিকে গেলেন। শুভাকাঙ্ক্ষীদের পরামর্শে আমি আর বাসায় থাকলাম না।

পরদিন বেলা ১১টার দিকে নিরাপত্তাকর্মীর স্ত্রীকে এক ব্যক্তি এসে জিজ্ঞাসা করল, সাংবাদিক বাসায় আছে কি না। এরপর কয়েক দিন আর বাসায় যাওয়ার সাহস করিনি। দু–চারজন ছাড়া কাউকে কিছু না বলে একরকম আতঙ্কের মধ্যেই অফিস করি। ভাবছি আর ঘটনা মেলাচ্ছি, কোত্থেকে কী হচ্ছে। বাইরে আর ভালো লাগছিল না। চার দিন পর বাসায় ফিরলাম। অগ্নিগর্ভ উত্তরায় মারা গেলেন ৫৮ জন, ১৮ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত উত্তরায় যেন রক্তগঙ্গা বয়ে যায়। এর মধ্যে ২৬ জুলাই পর্যন্ত উত্তরার সাত হাসপাতাল ঘুরে আমরা ২৯ জনের মৃত্যুর খবর পাই। ৫ আগস্ট বেলা তিনটার দিকে যখন চারদিকে বিজয়ের মিছিল, উত্তরা পূর্ব থানা ঘিরে তখনো উত্তেজনা। সে সময় পুলিশের গুলিতে মারা যান আরও ২৩ জন। এর রেশে রাতে আবার থানায় হামলা হয়। মারা যান আরও ছয় পুলিশ সদস্য। সব মিলিয়ে মৃত মানুষের সংখ্যা ৫৮।

মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচিতে অংশ নিতে গাজীপুরের মাওনা থেকে এসেছিলেন এক পরিচিতজন। ৫ আগস্ট সকাল ৯টার দিকে যমুনা ফিউচার পার্কের পাশ থেকে ফোনে জানান, ছাত্ররা জড়ো হচ্ছেন। একটু পর জানালেন, গুলি করা হচ্ছে, কয়েকজন মারাও গেছেন।

আমি উত্তরায় গেলাম। ১১টার দিকে শুরু হলো ঢাকামুখী মার্চ। ঘণ্টাখানেক দাঁড়ালাম। সময় গড়াতেই খবর ছড়াল, সেনাপ্রধান টেলিভিশনে বক্তব্য দেবেন। বাঁধভাঙা জোয়ার নামল রাস্তায়। বিমানবন্দর সড়কে তখন ঢাকামুখী মানুষের ঢল। মোটরসাইকেল চালানো দুষ্কর। উল্টো পথের সড়কটি একটু ফাঁকা। বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল পার হয়ে উল্টো পথে রওনা দিলাম কারওয়ান বাজারে অফিসের দিকে। এক ছাত্র এসে বায়না ধরলেন, তাঁকে যেন সঙ্গে নিই।
মোটরসাইকেলের পেছনে বসে ছেলেটির সেকি উচ্ছ্বাস! নাম-পরিচয় বলেছিল, ভুলে গেছি। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল পার হওয়ার পর পথে পথে পানির বোতল, চকলেট, চুইংগাম, আইসক্রিম, কোমল পানীয় হাতে অসংখ্য মানুষ। দুহাতে বিলাচ্ছেন হাসিমুখে। বনানী, মহাখালী, জাহাঙ্গীরগেট হয়ে মোটরসাইকেল যখন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে এল, দেখি কোনো নিরাপত্তা পাহারা নেই। গেট খোলা। পাশেই সেনাবাহিনীর দুটি গাড়ি আছে। উৎসুক দু-চারজন ভেতরে ঢুকছেন, কেউ বাধা দিচ্ছে না।

একটু এগিয়ে বিজয় সরণি মোড়। এখানে এসে দেখা গেল, পেছন থেকে আসা মানুষগুলোর স্রোত সংসদ ভবনের দিকে। বিজয় সরণি হয়ে আমরা ফার্মগেটের দিকে। মোটরসাইকেল আর যেন এগোচ্ছেই না। ফার্মগেটের খামারবাড়ি ট্রাফিক মোড়ে এসে আর পারলাম না। পিঁপড়ার সারির মতো মানুষের স্রোত আর স্রোত। সেই সঙ্গে স্লোগান আর স্লোগান।

‘পালাইছে রে পালাইছে, শেখ হাসিনা পালাইছে’ এই স্লোগানই ছিল মুখে মুখে। ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ মিছিলের ঢলে আটকে পড়লাম। প্রায় ৪৫ মিনিট অপেক্ষার পর ছেলেটি ‘থ্যাংক ইউ’ বলে বিদায় নিল। আমি ঠায় দাঁড়িয়ে থাকলাম আরও ঘণ্টাখানেক।

সবা:স:জু-৫৪/২৪

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

মেঘনায় এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চলছে সার্টিফিকেট বানিজ্য

স্টাফ রিপোর্টারঃ কুমিল্লা মেঘনা উপজেলার মুজাফফর আলী হাই স্কুল এন্ড কলেজের নামে প্রসংশাপত্র, সার্টিফিকেট ও মার্কশীট বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, আমি ২০২১ সালে এসএসসি পাশ করেছি। কিন্তু সাংসারিক জীবনে চলে আসার কারণে আমি পড়াশোনা স্থগিত করে দেই। যার ফলে এতদিন সার্টিফিকেট স্কুল থেকে উঠাইনি। আমি আবার পড়াশোনা করব, তাই আমার সার্টিফিকেট প্রয়োজন। সেজন্য সার্টিফিকেট দুইশত টাকা দিয়ে উঠিয়ে নিয়ে আসি। কিন্তু ভুল করে মার্কশীট উঠাতে মনে না থাকার কারণে পরবর্তীতে আমার মা ও ছোট বোনকে মার্কশীট উঠানোর জন্য ঐ স্কুলে পাঠাই। মার্কশীট উঠাতে গেলে আমার মায়ের কাছে তারা পাঁচশত টাকা চায়। আমার মা কাকুতি মিনতি করে তিনশত টাকা দিয়ে মার্কশীট উঠিয়ে নিয়ে আসে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রিন্সিপাল আব্দুর রউফ মুঠোফোনে অস্বীকার করে বলেন, আমরা

আরও পড়ুন
language Change