তারিখ লোড হচ্ছে...

পুর্ব সুন্দরবনে বন বিভাগের অভিযানে শুটকি তৈরির আস্তানা ধংস আটক হয়নি কেউ নিরাপত্তাহীনতায় সিরাজগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও তাঁর পরিবার সাতক্ষীরায় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষ মেলা ২০২৬ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সাংবাদিক নিবন্ধনের আগে সংবাদমাধ্যমের জবাবদিহি নিশ্চিত হোক ১৩ মাসের ডেলিভারি: প্রতিশ্রুতি নয়, প্রমাণ চান সংশ্লিষ্টরা পুলিশ কোনো দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নতুন ডিএজি-এএজিদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস, ৮৬ রানের লক্ষ্য দিয়েও চ্যাম্পিয়ন প্রাথমিক শিক্ষকদের যোগদানের তারিখ জানাল মন্ত্রণালয় পেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ১৩ ডিএমপির বিশেষ অভিযানে, গুলশান ও যাত্রাবাড়ীতে গ্রেফতার ৩৭ গর্ভবতী নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় খাগড়াছড়ি রিজিয়নের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ চতুর্থ পেড়িয়ে পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ করল উদ্যোক্তা জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১-এ অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী সাতক্ষীরায় জনস্বার্থে কথা বলায় চটে গেলেন সদর উপজেলা সমাজসেবা ও সমবায় কর্মকর্তা পানির দাম ৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব চট্টগ্রাম ওয়াসার পূষ্পধারা হাউজিং এর নতুন জালিয়াতির ফাঁদ, পা দিলেই সর্বনাশ জুলাইকে বিতর্কিত করার অপচেস্টা চলছে:জাহাঙ্গীর শিকদার জগন্নাথপুরে ধর্মীয় অনুষ্ঠান থেকে বাড়ি ফেরার পথে হাওরে নৌকা ডুবে ৪জন নিখোঁজ,১ জনের লাশ উদ্ধার রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষনা কেন্দ্রে শ্রমিক আনসারের নিরাপত্তার মাঝেও সেগুনগাছ চুরি কামরাঙ্গীরচরে মাদক, সন্ত্রাস, কিশোরগ্যাং ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা মোংলায় তুষার রায়কে জড়িয়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে মাতৃদুগ্ধদানে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান ১৫৯ গ্যাংয়ে কাঁপছে ঢাকা কিছুতেই দমানো যাচ্ছে না কিশোর গ্যাং কালচার স্বামীর সম্পত্তির অধিকার চান শারিরীক প্রতিবন্ধী বিধবা রহিমা রাঙামাটিতে কৃষকের পেঁপে বাগান ধ্বংসের অভিযোগ, প্রতিবাদে মানববন্ধন  এম এ রশিদের রংপুর ডায়েরি এখন মানুষের কণ্ঠস্বর কদমতলী থানা প্রেসক্লাব ঢাকা নির্বাচন ২০২৬: যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী এইচএম হাকিম তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর হাত থেকে ভিওডি বাংলার ডিএমডির সম্মাননা গ্রহণ সংসদের চেয়ে রাজপথকে প্রাধান্য দেওয়ার প্রবণতা গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয়: তথ্যমন্ত্রী কেরাণীগঞ্জে ইয়াবা তৈরির কারখানায় র‌্যাবের অভিযান, আটক ৪ ফটিকছড়ি ছেঁড়া বিদ্যুতের তারে প্রাণ গেল কৃষি শ্রমিকের পরাজিত শক্তির উত্থান হলে কেউ নিরাপদ থাকতে পারবেন না: রিজভী আহম্মেদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিজিবির অভিযানে ৯৬ বোতল ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ আজ থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক এলজিইডি প্রধান প্রকৌশলীর ক্যাশিয়ারের ভূমিকা পালন করেন ড্রাইভার রফিক জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী বদলি আদেশ স্থগিত করিয়ে ঢাকায় ফিরলেন আওয়ামী চিকিৎসক মোরশেদ আলম প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর Humanity-মানবতার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত  দেশবরেণ্য অনুসন্ধানী সাংবাদিক সাঈদুর রহমান রিমনের ১ম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল মুন্সিগঞ্জে কাজ শেষ না করেই ৪৬ লাখ টাকার বিল উপ সহকারী প্রকৌশলীর সহযোগিতায় উত্তোলনের অভিযোগ কেরানীগঞ্জে কিশোরী তানজিলা হত্যা: ২৪ ঘণ্টায় ঘাতক গ্রেফতার  প্রধান শিক্ষক মনিরা বেগমের অবসরকালীন বিদায় সংবর্ধনা গোপালগঞ্জ নার্সিং কলেজে আসবাব সরবরাহের কাজ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ সামসুল হক খান স্কুল এন্ড কলেজের অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচনে জনপ্রিয়তায় শীর্ষে সারোয়ার আরিফ উদ্দিন মামলা ও ফের বিয়ে করা নিয়ে মুখ খুললেন পরীমনি সাত অঞ্চলের ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত ইউএনও আল-আমীনের উদ্যোগে ঝিনাইগাতীতে দুই প্রতিবন্ধী ব্যক্তির হাতে হুইলচেয়ার ফেসবুকে ফ্রি ভেরিফায়েড ব্যাজ পাবেন না যারা

সামাজিক ‘নেটওয়ার্ক’ হারিয়েছে পুলিশ

পাঠক সংখ্যা
638

সবুজ বাংলাদেশ ডেস্ক 

রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত পুলিশ ফোর্স কখনও ছিল না। সদস্য সংখ্যা কম থাকার কারণে অপরাধ দমন ও প্রতিরোধে নানা পদ্ধতি ও উপায় হাতে নিতে হয়েছে পুলিশকে। বিশেষ করে এলাকাভিত্তিক অপরাধ যেমন- চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতিসহ যে কোনো অপরাধ দমন ও প্রতিরোধে স্থানীয় কমিউনিটির সাহায্য নিত পুলিশ। যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট এলাকার অপরাধী এবং বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে খুব সহজেই খবর পেত পুলিশ প্রশাসন। যা ‘কমিউনিটি পুলিশিং’ ব্যবস্থা হিসেবে পরিচিত।

জানা যায়, কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সঙ্গে স্থানীয় সরকারি দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা জড়িত থাকতেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলটির এলাকাভিত্তিক স্থানীয় নেতাকর্মীরা এখন পলাতক। ফলে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে ‘কমিউনিটি পুলিশিং’ ব্যবস্থা। এখন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় প্রতিনিয়ত ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অপরাধের বিষয়ে আগাম কোনো খবর আসছে না পুলিশের কাছে। এ ছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে নতুন করে কারা অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছেন, সে বিষয়েও কোনো তথ্য পাচ্ছে না পুলিশ। বিষয়টি বুঝতে পেরে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে নানা অপরাধ ঘটাচ্ছেন।

এদিকে, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী সরকারের পতনের পর ডিএমপিতে অনেক রদবদল হয়েছে। থানাগুলোর ওসি থেকে শুরু করে কনস্টেবল পর্যন্ত বদলি করা হয়েছে। বদলি করে যাদের ঢাকায় আনা হয়েছে তাদের মধ্যে অধিকাংশের ডিএমপিতে কাজ করার কোনো অভিজ্ঞতা নেই। ফলে তারা এখনও ঠিক মতো ঢাকার রাস্তাঘাট চেনেন না। এর মধ্যে ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়া। ঢাকার নতুন পুলিশ সদস্যরা স্থানীয়দের কাছ থেকে এখন কোনো তথ্য পাচ্ছেন না।

কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা মূলত পুলিশের সামাজিক নেটওয়ার্ক, এটি খবর ও তথ্য নেওয়ার মাধ্যম। এর মাধ্যমে স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ প্রশাসন।

এ বিষয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগে এলাকায় নিয়মিত পুলিশ আসত। বিশেষ করে রাতে টহল দিত। তারা এসে কমিউনিটি পুলিশিংয়ে যারা নিয়োজিত ছিলেন তাদের কাছ থেকে অপরাধ ও অপরাধীদের তথ্য নিতেন। ফলে স্থানীয় পর্যায়ে চুরি কিংবা ছিনতাইয়ের ঘটনা কম হতো। কিন্তু এখন পুলিশ তেমন আসে না, কারও কাছ থেকে খবরও নেয় না। পুলিশের তৎপরতা না থাকায় এখন চোর ও ছিনতাইকারীরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায়।

রাজধানীর মালিবাগ এলাকার বাসিন্দা কাজল শেখ বলেন, আগে রাত-বিরাতে পুলিশ আসত। এলাকার মুরুব্বিদের সঙ্গে আড্ডা দিত, এলাকার খোঁজখবর নিত। ফলে চোর ও ছিনতাইকারীরা কিছুটা হলেও ভয়ে থাকত। কিন্তু এখন পুলিশ আসে না, এলাকার কারও কাছ থেকে তথ্যও নেয় না। অপরাধীরা এখন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। কেউ কিছু বলার সাহস দেখাচ্ছে না।

যে কারণে দরকার কমিউনিটি পুলিশিং

পুলিশ জানায়, তাদের জনবল সংকটের কারণে এলাকাভিত্তিক অপরাধ দমন ও প্রতিরোধে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের যাত্রা শুরু হয়। দেশের জনসংখ্যার আনুপাতিক হার অনুযায়ী পুলিশের জনবল অনেক কম। দেশে ৮০০ থেকে ৯০০ জনের বিপরীতে রয়েছেন একজন পুলিশ। ইউএন (জাতিসংঘ) স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী ৪০০ জন নাগরিকের বিপরীতে একজন পুলিশ থাকার কথা বলা হয়েছে। বিপুল সংখ্যক পুলিশের ঘাটতি পূরণ এবং অপরাধ দমনে কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থার বিকল্প নেই।

তবে পুলিশ সদরদপ্তর সূত্রে জানা যায়, কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা ব্যাহত হলেও অপরাধ দমনে নাগরিকদের সাহায্য নেওয়ার জন্য পুলিশ ভিন্ন আঙ্গিকে কাজ করা শুরু করেছে। ‘নাগরিক কমিটি’ বা ‘সিটিজেন ফোরাম’ নামে একটি পদ্ধতি নিয়ে কাজ শুরু করেছে পুলিশ। এর মাধ্যমে নাগরিকদের নতুন করে পুলিশিং ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিএমপির এক থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, আগের কমিটিগুলোর বিরুদ্ধে অনেক অনেক অভিযোগ রয়েছে। তাই এসব কমিটি এখন আর সক্রিয় করা সম্ভব নয়। তবে, আমরা স্থানীয় সুশীল সমাজকে সম্পৃক্ত করতে নানা উদ্যোগ নিচ্ছি। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে পুলিশের সঙ্গে কমিউনিটির একটি সেতুবন্ধন তৈরি হবে।

এ বিষয়ে পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) ইনামুল হক সাগর ঢাকা পোস্টকে বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সিটিজেন ফোরাম নিয়ে কাজ চলছে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে পুলিশ। সিটিজেন ফোরামের মাধ্যমে কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।

ডিএমপি সূত্রে জানা যায়, প্রতিটি থানার ওসিকে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে, তারা যেন দ্রুত নাগরিক কমিটি বা সিটিজেন ফোরামের কার্যক্রম চালু করেন। থানাগুলো এ কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছে। তারা দল-মত নির্বিশেষে নানা শ্রেণি ও পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করছেন। স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, খেলোয়াড়, চিকিৎসক, শিক্ষক ও ধর্মীয় নেতাদের কমিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।

থানা পুলিশের প্রত্যাশা, জনগণ আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটবে।

যেভাবে শুরু কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থার

পুলিশ সদরদপ্তর সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশে কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা শুরু হয় ১৯৯৪ সালে থেকে। ওই সময়ে তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ কে এম‍ শহীদুল হক, যিনি পরবর্তীতে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হন; মূলত তিনিই এ ব্যবস্থা চালু করেন। ১৯৯৪ সালে ময়মনসিংহে হঠাৎ করে বেড়ে যায় চুরি-ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা। ওই পরিস্থিতিতে তৎকালীন এসপি আহমাদুল হক গঠন করেন ‘টাউন ডিফেন্স পার্টি’। এটি মূলত কমিউনিটি পুলিশিংয়ের একটি অংশ। ঠিক সে সময়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ কে এম শহীদুল হক কমিউনিটি পুলিশিং নিয়ে কাজ শুরু করেন, যা পরবর্তীতে ডিএমপিসহ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে।

সবা:স:জু-৫৩৭/২৪

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

৮ আগস্ট নতুন বাংলাদেশ দিবস, ১৬ জুলাই শহীদ আবু সাঈদ দিবস

ডেস্ক রিপোর্ট: ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের দিন ৫ আগস্টকে ‘জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস’ ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। আর ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে সরকার পতনের পর নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের দিনটিকে ৮ আগস্ট নতুন বাংলাদেশ দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। এ ছাড়া গণ-আন্দোলন চলাকালে রংপুরে পুলিশের গুলিতে আবু সাঈদের নিহত হওয়ার দিন ১৬ জুলাইকে ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’ ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার (২৫ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ–সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়েছে বলে সরকারের এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়েছে। তথ্য বিবরণীতে বলা হয়েছে, প্রতিবছর যথাযথভাবে এই তিন দিবস প্রতিপালন করতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে অনুরোধ করা হয়েছে। ৫ আগস্ট জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত এবং অপর দুটি দিবস ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে বলে তথ্য বিবরণীতে

আরও পড়ুন
language Change