তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
শিক্ষার আলো ছড়াতে দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগ ১০ লিটার দুধে গোসল করে আর্জেন্টিনা ছেড়ে ব্রাজিলে শেরপুরের শিবু ঝিনাইগাতী আইনশৃঙ্খলা কমিটিসহ ৪ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ঈদে বাড়ি ফেরার আনন্দ কেড়ে নিচ্ছে দ্বিগুণ বাস ভাড়া তরুণ উদ্যোক্তাদের বিনা জামানতে ১০ লাখ টাকার ঋণ সুবিধা বিতর্কের মুখে ‘পেদ্দি’ থেকে মুছল জাহ্নবীর আবেদনময়ী দৃশ্য একনেক সভায় ১০ প্রকল্প অনুমোদন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা হত্যার ঘটনায় আটক ২ শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগ ড. ইউনূসের বিচার চাইলেন ৬১ আইনজীবী কেশবপুরে প্রশাসনের উদ্যোগে অবৈধ বাঁধ উচ্ছেদ অভিযান বদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের নতুন বাজেট ঘোষণা! শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপলো কিউবা-যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো ইসলামী ফাউন্ডেশন আয়োজিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পোশাক কারখানা বন্ধের প্রতিবাদে শ্রমিকদের অবরোধ সাংবাদিক মাসুম বিল্লাহর মায়ের আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত মহানন্দা ব্যাটেলিয়ন  বিজিবির মাদকও চোরাচালান বিরোধী অভিযানে নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ বটিয়াঘাটায় পুলিশের অভিযান: ওয়ারেন্টভুক্ত ৬ আসামি গ্রেফতার রংপুরে উপজেলায় পাগলাপীরে পাবলিক লাইব্রেরির উদ্বোধন ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে : মাহদী আমিন শেরপুর সরকারি মেডিকেল কলেজের জায়গা পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা দাকোপে নিষিদ্ধ নেটজালে রেণু পোনা নিধন: নৌ পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজের ৬ দফা দাবিতে বিক্ষোভ ভূমি অধিগ্রহণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে জেলা প্রশাসনের অঙ্গীকার বরগুনায় মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ ঢাকা-মস্কো সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ ও সম্প্রসারণের অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক বৈঠক চলছে মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা-২০২৫ এর বাস্তবায়ন স্থগিতের দাবি পঞ্চগড় সীমান্ত থেকে ১০ জনকে ফেরত নিলো বিএসএফ প্রবাসে থাকার সুযোগে পৈত্রিক সম্পত্তিতে মাটিদস্যুতা ভারতগামী কার্গো জাহাজে সশস্ত্র ডাকাতি ও গুলিবর্ষণ নিরাপত্তা নিয়ে চরম শঙ্কা টাঙ্গাইলে মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবাসহ মুদি দোকানদার গ্রফতার ড. ইউনূসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন মাদকবিরোধী অভিযানে স ইয়াবাসহ একাধিক মামলার আসামি গ্রেফতার সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন শাহিন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ বেস ক্যাম্পের শহরে গোলাগুলি, আহত ৯ মস্কোয় বাংলাদেশ-রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক বিজিবি-বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলন আজ মোংলা বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফার যোগদান নালিতাবাড়ী মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি নির্বাচন সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও শাকিলের জামিন স্থগিত মারা যাওয়া প্রত্যেক শিশুর পরিবার পাবে ৮০ লাখ টাকা : শিশির মনির যৌতুকের টাকা না পেয়ে নির্যাতন, গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু কেশবপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‍্যালি ও লিফলেট বিতরণ বাহরাইন-কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান বাংলাদেশকে এবার ঘুরে দাঁড়ানোর পালা : প্রধানমন্ত্রী চলছে বিসিবি নির্বাচন, ভোট দিলেন তামিম

আগামী বছর ২৩ কোটি মানুষের জন্য ৫১.৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন

পাঠক সংখ্যা
638

আগামী বছর প্রায় ৭০টি দেশে বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ২৩ কোটি মানুষকে সাহায্য করার জন্য রেকর্ড ৫১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানানো হয়

যা এই বছরের তুলনায় ২৫ শতাংশ বেশি। এই সত্যটি প্রতিফলিত করে যে, ২০২২ সালের তুলনায় মোট প্রয়োজনের সংখ্যা ৬৫ মিলিয়ন বেশি। জাতিসংঘ এবং অংশীদার সংস্থাগুলো উল্লেখ করেছে যা ‘আশঙ্কাজনকভাবে উচ্চ’।

জাতিসংঘের শীর্ষ জরুরি ত্রাণ কর্মকর্তা মার্টিন গ্রিফিথস বলেছেন, প্রয়োজনগুলো ‘আশঙ্কাজনকভাবে বেশি’। তিনি সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে, খুব সম্ভবত এই বছরের জরুরী পরিস্থিতি ২০২৩ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

গ্রিফিথ বলেন, ‘প্রয়োজন বাড়ছে কারণ আমরা ইউক্রেনের যুদ্ধে, কোভিড এবং জলবায়ু দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।’ তিনি বলেছিলেন, ‘আমি ভয় করি যে ২০২৩ এই সমস্ত প্রবণতার কারণ হতে চলেছে এবং সেই কারণেই আমরা আশা করি ২০২৩ সংহতির বছর হবে, ঠিক যেমন ২০২২ দুঃখের বছর ছিল।’

জেনেভায় গ্লোবাল হিউম্যানিটারিয়ান ওভারভিউ রিপোর্ট ২০২৩ প্রকাশ করার সময় গ্রিফিথস এই আবেদনটিকে প্রান্তে থাকা মানুষের জন্য একটি ‘লাইফলাইন’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন যে পাকিস্তান থেকে আফ্রিকার হর্ন পর্যন্ত অসংখ্য দেশ প্রাণঘাতী খরা এবং বন্যার শিকার হয়েছে। উপরন্তু, ইউক্রেনের যুদ্ধ’ ইউরোপের একটি অংশকে যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করেছিল। বিশ্বব্যাপী এখন ১০০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত। এই সবই বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্রদের মধ্যে মহামারীর প্রভাবে ধ্বংসযজ্ঞের শীর্ষে।’

যদি ২০২৩-এর জন্য মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি এতটাই ভয়াবহ হয়, তবে এটি বড় অংশে কারণ ত্রাণের চাহিদা ইতিমধ্যেই অনেক বেশি।

 

গ্রিফিথস ব্যাখ্যা করেছেন কমপক্ষে ‘২২২ মিলিয়ন মানুষ এই বছরের শেষ নাগাদ ৫৩টি দেশে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার সম্মুখীন হবে

 

দুর্ভিক্ষের হুমকির দিকে ফিরে তিনি বলেছিলেন, পাঁচটি দেশ ‘ইতোমধ্যেই দুর্ভিক্ষের মতো পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে। যেখানে আমরা আত্মবিশ্বাসের সাথে বলতে পারি যে, এর ফলে মানুষ মারা যাচ্ছে – এবং এটি শিশুদের হতে পারে-বাস্তচ্যুতি, খাদ্য, নিরাপত্তাহীনতা, খাদ্যের অভাব, অনাহার।’

ইউক্রেনের বিষয়ে জাতিসংঘের কর্মকর্তা ব্যাখ্যা করেছেন যে ১৩ দশমিক ৬ মিলিয়ন মানুষ সহায়তা পেয়েছে এবং পরের বছর দেশ ও বিস্তৃত অঞ্চলের জন্য মোট ৫ দশমিক ৭ বিলিয়ন চাওয়া হয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকি এবং দুর্বলতাও বাড়িয়ে তুলছে, মিঃ গ্রিফিথস বলেন, উদ্বেগের সাথে সামঞ্জস্য রেখে যে শতাব্দীর শেষ নাগাদ প্রচন্ড তাপ ক্যান্সারের মতো অনেক মানুষের জীবন হানি করতে পারে।

জলবায়ু জরুরী অবস্থার সামনের সারিতে থাকা সম্প্রদায় গুলোকে সাহায্য করার জন্য জাতিসংঘের জরুরি ত্রাণ প্রধান বলেছিলেন, মানবতাবাদীদের আন্তর্জাতিক জলবায়ু আলোচনায় একটি বড় ভূমিকা পালন করা উচিত যাতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদের জন্য স্থিতিস্থাপকতা তহবিল সুরক্ষিত করতে।

তিনি বলেন, আমি মনে করি যে ‘২০২৩ সালে মানবতাবাদী সম্প্রদায়কে অনেক বেশি সংগঠিত হতে হবে এবং প্রকৃতপক্ষে জলবায়ু প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে কীভাবে আরও স্বচ্ছ হতে হবে, অর্থ বিতরণ করার সিদ্ধান্তের বিষয়ে আরও দ্রুত হতে হবে এবং যাদের জন্য এটির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে সেই অর্থ পেতে হবে।’

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

রোহিঙ্গাদের নতুন ঠিকানা হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ওপর দমন অভিযানের ৫ বছর পূর্তিতে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের যুক্তরাষ্ট্র নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটি। তবে কবে থেকে কত সংখ্যক রোহিঙ্গাকে যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া হবে সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় বুধবার (২৪ আগস্ট) রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ওপর দমন অভিযানের ৫ বছর পূর্তিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে একথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। ২০১৭ সালে আগস্টে রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দমন–পীড়নের মুখে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আসে। কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে তাঁদের আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। এই রোহিঙ্গাদের স্বভূমিতে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের চুক্তি হলেও এখনো তা কার্যকর হয়নি। আগে থেকে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে আছে চার লাখের বেশি রোহিঙ্গা। সব মিলিয়ে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গার ভার বহন করছে বাংলাদেশ। কক্সবাজারের জনাকীর্ণ পরিবেশ থেকে সরিয়ে রোহিঙ্গাদের একটি অংশকে নোয়াখালীর ভাসানচরে

আরও পড়ুন
language Change