তারিখ লোড হচ্ছে...

শ্রীমঙ্গলে নাহিদ-হাসনাতদের গাড়িবহর আটকে দিলো পুলিশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে ২৮ সদস্যের কমিটি অনুমোদন মাতুয়াইলের পেট কাটা শামীম ও সহযোগীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন ধর্মপাশা থানার ওসি সহিদ উল্ল্যা অর্থের বিনিময়ে নাসিম হত্যা মামলার ৯জনের নাম বাদ দেয়ার সংবাদ সম্মেলন উন্নয়ন ও সুশাসনের রাখতে মাহফুজকে পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী বাঘ রক্ষা করা আমাদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হোয়াটসঅ্যাপে আসছে বড় পরিবর্তন, মিলবে একাধিক নতুন সুবিধা ধর্ষণ মামলায় মাগুরার সাবেক এসপির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা খুব শিগগিরই দেশে ফিরতে চান সাকিব শিক্ষার্থীদের সুখবর: গণিত ও বিজ্ঞানের ভীতি কমাতে চালু হচ্ছে নতুন পদ্ধতি অশ্লীল কনটেন্ট তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার গেজিল ওয়াল এবার দেশের সয়াবিন তেলে মিললো ভয়াবহ মাত্রার মাইক্রোপ্লাস্টিক ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টকে চোর বললেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট চট্টগ্রামের আলোচিত সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমন অনশনের দ্বিতীয় দিনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইল সাংবাদিকের পরিবার কেশবপুরে ইয়াবাসহ যুবক আটক সাতক্ষীরা দেবহাটায় উপজেলা মাসিক আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) আল-আমীনের উদ্যোগে প্রতিবন্ধী হুইলচেয়ার,পেয়ে আনন্দ মুখে ফিরল হাসি স্বামীর পরকীয়ার সন্দেহে গৃহবধূর মৃত্যু, পরিবারের দাবি শ্বাসরোধে হত্যা চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিজিবির অভিযানে মোটরসাইকেলসহ দুই জন আটক নাটোর রাজবাড়ী পরিদর্শনে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত ভারী বর্ষণ ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গরীব ও অসহায়দের মাঝে সাতক্ষীরা  বিজিবি'র ত্রাণ সহায়তা প্রদান কক্সবাজার উপকর কমিশনার নুরুর ইসলামের কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের পাহাড় শিল্পখাতে গ্যাস সংকট কাটাতে সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর রাঙামাটিতে পিসিএনপির প্রতিবেদন: অপহরণ, হত্যা ও চাঁদাবাজি নিয়ে উদ্বেগ খুলনায় চেয়ারম্যান প্রার্থীর প্রচারণায় ভূয়া সাংবাদিক আটক জুলাই নিয়ে আপতৎপরতা বিএনপি রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করবে: যোগাযোগ মন্ত্রী চাঁদপুরে বিদ্যালয় কতৃপক্ষের দায়িত্ব অবহেলা শিক্ষার্থীর মৃত্যু চাঁদপুর নদী বন্দরে বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি শফিউল বারী বাবুর স্মরণে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মিরপুর কলেজের দেয়াল ধস: তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা ও ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার  এমপির ফেরদৌসী আহমেদ  ঝিনাইগাতীর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প পরিদর্শনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হ... পুনর্বাসন ছাড়া আজিমপুর কলোনির ৩১ ভবন ভাঙার উদ্যোগ, তদন্তের মুখে প্রকৌশলী ফিলোন ফিড শরীয়তপুর ডিপোর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত চিতলমারী থানা প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি: সভাপতি টিপু, সম্পাদক অরুণ ৩ ছেলে প্রবাসে, নিঃসঙ্গ চন্দনাইশের আবদুর রহমানের লাশ মিলল ঘরে আদালতে গিয়ে আইভী বললেন নির্দোষ হয়েও আমি অপরাধী মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে চাই: মির্জা ফখরুল কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য দুঃসংবাদ শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী আম্মারসহ ছাত্রশিবিরের মারধরের শিকার দুই শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার পরীমনির কাছে হারলেন সাকিব দুই ধরনের ব্যাংকই বর্তমানে বেশি ঝুঁকির মুখে রয়েছে : বাংলাদেশ ব্যাংক দেশব্যাপী পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৩৯ হাজার, বিপুল পরিমাণ অস্ত্র-মাদক উদ্ধার কারাগারে বসে ভিডিও কলের দাবি ভুয়া অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মেসি, প্রস্তুতি নিচ্ছে এএফএ শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলীর কোটি টাকার সম্পদ: আয়ের উৎস কোথায়? কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, হিসাবরক্ষক মাসুম রেজার বিরুদ্ধে ঘুষ ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ কেশবপুরে প্রশাসনের মাদকবিরোধী অভিযান ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ

বৈশ্বিক তাপমাত্রাবৃদ্ধিতে মরুকরণের ঝুঁকিতে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়া

পাঠক সংখ্যা
638

নিজস্ব প্রতিবেদক:
জলবায়ু পরিবর্তনের ধারাবাহিক অভিঘাতে পৃথিবীর ওপর চাপ বাড়ছে প্রতিনিয়ত। গাছপালা, মাটি, পানি ও মানুষের পরম্পরাগত সহাবস্থানে নেমে এসেছে নৈরাজ্য। দিন দিন গরমকাল দীর্ঘতর হচ্ছে, বৃষ্টির মৌসুমের আচরণ পাল্টে যাচ্ছে, আর এই পরিবর্তনের অনিবার্য পরিণতি হিসেবে দেখা দিচ্ছে মরুকরণ। বিশ্বের শুষ্ক অঞ্চলগুলো ক্রমেই রুক্ষ, অনুর্বর ভূমিতে রূপ নিচ্ছে।

গবেষণা বলছে, বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় সাত ভাগ শুষ্ক ভূমি মরুকরণের শিকার, যার পরিমাণ প্রায় পৃথিবীর এক চতুর্থাংশ ভূমির সমান। অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার, ভূগর্ভস্থ পানি নিঃশেষকরণ, বন উজাড়, অপ্রয়োজনীয় চাষাবাদ এবং অতিরিক্ত খনিজ আহরণের ফলে এসব ভূমি উৎপাদন ক্ষমতা হারাচ্ছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক। একদিকে প্রতিবেশী দেশের একতরফা পানি প্রত্যাহার, অন্যদিকে খরা, অল্প বৃষ্টিপাত ও অপ্রত্যাশিত আবহাওয়ার কারণে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল দ্রুত শুষ্ক এলাকায় রূপ নিচ্ছে। বিশেষ করে পদ্মা ও গঙ্গা অববাহিকার অঞ্চলগুলোতে পানির অভাবে জমি চাষের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। উত্তরাঞ্চলের নদ-নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে এই সব অঞ্চল মরু ভূমিতে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা প্রবল।

বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষকরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বিগত শতকে প্রায় এক ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি বেড়েছে। বর্তমান হারে তাপমাত্রা বাড়তে থাকলে ২০৫০ সালের মধ্যে আরও দেড় ডিগ্রি বাড়তে পারে। এর প্রভাবে হিমবাহ গলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে বাংলাদেশসহ উপকূলীয় দেশগুলো তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে। একই সাথে মরুকরণের ফলে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা ফসলহীন ও পানিশূন্য হয়ে পড়বে।

জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৯২ সালে পরিবেশ রক্ষায় একটি আন্তর্জাতিক সনদ গৃহীত হয়। সেই সনদের আওতায় মরুকরণ প্রতিরোধে বৈশ্বিক কর্মসূচি নেওয়া হলেও, বাস্তবতায় অধিকাংশ উন্নয়নশীল দেশ এখনও প্রয়োজনীয় সহায়তা থেকে বঞ্চিত। ফলে স্থানীয় জনগণ, বিশেষ করে কৃষিজীবীরা টিকে থাকার সংগ্রামে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
বাংলাদেশের পরিবেশবিদরা বলছেন, এখনই পরিকল্পিত ভূমি ব্যবহার, বৃক্ষরোপণ, জলাধার সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সুষম ব্যবহার নিশ্চিত করা না গেলে আগামী এক দশকের মধ্যেই বাংলাদেশে খাদ্য ও পানির সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

বিশ্বে বহু এলাকা ইতোমধ্যেই মরুকরণে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। আফ্রিকার সাহারা অঞ্চল, মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তীর্ণ অঞ্চল, দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অংশ, এমনকি ভারতের রাজস্থান ইতোমধ্যে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। বাংলাদেশও সেই পথেই হাঁটছেÑ যদি না এখনই যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
পরিবেশবিদদের মতে, টেকসই কৃষি, পানিসংরক্ষণ, বিকল্প শক্তি ব্যবহার এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিই হতে পারে এই ভয়াবহ সংকট প্রতিরোধের একমাত্র পথ। মরুকরণের গতিরোধ না করা গেলে পৃথিবীর খাদ্য ভাণ্ডার এক সময় রিক্ত হয়ে পড়বে, যা মানবসভ্যতার জন্য চরম হুমকি।

তাপমাত্রাবৃদ্ধিতে মরুকরণের ঝুঁকিতে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়া

জলবায়ু পরিবর্তনের ধারাবাহিক অভিঘাতে পৃথিবীর ওপর চাপ বাড়ছে প্রতিনিয়ত। গাছপালা, মাটি, পানি ও মানুষের পরম্পরাগত সহাবস্থানে নেমে এসেছে নৈরাজ্য। দিন দিন গরমকাল দীর্ঘতর হচ্ছে, বৃষ্টির মৌসুমের আচরণ পাল্টে যাচ্ছে, আর এই পরিবর্তনের অনিবার্য পরিণতি হিসেবে দেখা দিচ্ছে মরুকরণ। বিশ্বের শুষ্ক অঞ্চলগুলো ক্রমেই রুক্ষ, অনুর্বর ভূমিতে রূপ নিচ্ছে।গবেষণা বলছে, বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় সাত ভাগ শুষ্ক ভূমি মরুকরণের শিকার, যার পরিমাণ প্রায় পৃথিবীর এক চতুর্থাংশ ভূমির সমান। অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার, ভূগর্ভস্থ পানি নিঃশেষকরণ, বন উজাড়, অপ্রয়োজনীয় চাষাবাদ এবং অতিরিক্ত খনিজ আহরণের ফলে এসব ভূমি উৎপাদন ক্ষমতা হারাচ্ছে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক। একদিকে প্রতিবেশী দেশের একতরফা পানি প্রত্যাহার, অন্যদিকে খরা, অল্প বৃষ্টিপাত ও অপ্রত্যাশিত আবহাওয়ার কারণে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল দ্রুত শুষ্ক এলাকায় রূপ নিচ্ছে। বিশেষ করে পদ্মা ও গঙ্গা অববাহিকার অঞ্চলগুলোতে পানির অভাবে জমি চাষের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। উত্তরাঞ্চলের নদ-নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে এই সব অঞ্চল মরু ভূমিতে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা প্রবল।
বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষকরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বিগত শতকে প্রায় এক ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি বেড়েছে। বর্তমান হারে তাপমাত্রা বাড়তে থাকলে ২০৫০ সালের মধ্যে আরও দেড় ডিগ্রি বাড়তে পারে। এর প্রভাবে হিমবাহ গলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে বাংলাদেশসহ উপকূলীয় দেশগুলো তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে। একই সাথে মরুকরণের ফলে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা ফসলহীন ও পানিশূন্য হয়ে পড়বে।

জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৯২ সালে পরিবেশ রক্ষায় একটি আন্তর্জাতিক সনদ গৃহীত হয়। সেই সনদের আওতায় মরুকরণ প্রতিরোধে বৈশ্বিক কর্মসূচি নেওয়া হলেও, বাস্তবতায় অধিকাংশ উন্নয়নশীল দেশ এখনও প্রয়োজনীয় সহায়তা থেকে বঞ্চিত। ফলে স্থানীয় জনগণ, বিশেষ করে কৃষিজীবীরা টিকে থাকার সংগ্রামে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
বাংলাদেশের পরিবেশবিদরা বলছেন, এখনই পরিকল্পিত ভূমি ব্যবহার, বৃক্ষরোপণ, জলাধার সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সুষম ব্যবহার নিশ্চিত করা না গেলে আগামী এক দশকের মধ্যেই বাংলাদেশে খাদ্য ও পানির সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

বিশ্বে বহু এলাকা ইতোমধ্যেই মরুকরণে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। আফ্রিকার সাহারা অঞ্চল, মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তীর্ণ অঞ্চল, দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অংশ, এমনকি ভারতের রাজস্থান ইতোমধ্যে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। বাংলাদেশও সেই পথেই হাঁটছেÑ যদি না এখনই যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।পরিবেশবিদদের মতে, টেকসই কৃষি, পানিসংরক্ষণ, বিকল্প শক্তি ব্যবহার এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিই হতে পারে এই ভয়াবহ সংকট প্রতিরোধের একমাত্র পথ। মরুকরণের গতিরোধ না করা গেলে পৃথিবীর খাদ্য ভাণ্ডার এক সময় রিক্ত হয়ে পড়বে, যা মানবসভ্যতার জন্য চরম হুমকি।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

বাংলাদেশের মানুষ শতভাগ জামাতের দিকে ঝুঁকে গেছে: মতিউর রহমান

ময়মনসিংহ সাংবাদদাতা: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ বলেছেন, যুব সমাজের মতের প্রতিফলনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ শতভাগ জামায়াতের দিকে ঝুঁকে গেছে বা ঝুঁকছে। তাই বর্তমান প্রক্রিয়াতেই আমরা ক্ষমতায় চলে আসবো। রোববার (৫ অক্টোবর) দুপুরে ময়মনসিংহে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, আমাদের পিআর পদ্ধতির প্রয়োজন নেই, কারণ প্রচলিত নির্বাচনী ব্যবস্থার ভিত্তিতেই জামায়াত জনগণের সমর্থনে এগিয়ে আসছে। তবে আমরা চাই একটি স্থায়ী ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে, যেখানে জনগণের শতভাগ প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে। বর্তমানে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। জামায়াতের মিছিলে বাধা দেয়া হচ্ছে, দোকানদারদের ভয় দেখানো হচ্ছে, থানায় গিয়ে নেতাকর্মীদের নামে মামলা দেয়া হচ্ছে এগুলো নির্বাচনী পরিবেশের জন্য

আরও পড়ুন
language Change