তারিখ লোড হচ্ছে...

সাবেক নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ’র ঘনিষ্ঠ সহচর দুর্নীতিবাজ সাইদুর কি আইনের উর্ধ্বে? সালমান-শাবনূরের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন প্রয়াত অভিনেতার মা   ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস ইরানের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ পদে বড় রদবদল রাজধানীতে ডিএমপি নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪ গোল্ডেন শু’র মালিক আবারও হ্যারি কেইন দেশের বাজারে আবারও বাড়ল সোনার দাম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন : জাতীয় সংসদে প্রস্তুতিমূলক সভা রামগড়ে মোবাইল কোর্টের অভিযানে বাল্যবিবাহ বন্ধ ও জরিমানা সুনামগঞ্জের নবীনগর এলাকায় পুলিশের অভিযানে ভারতীয় মদসহ ২ জন আটক গোয়েন্দা সংস্থার পদক্ষেপ জরুরী সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে আমলা ও গুপ্ত সিন্ডিকেটের নানামুখি চক্রান্ত: কাশিয়ানীতে একযোগে আওয়ামী লীগের ১০ নেতার পদত্যাগ জামিনে মুক্তি পাওয়াদের বরণ করতে গিয়ে ফুলের মালাসহ আ.লীগের ৪ নেতাকর্মী আটক সৌদিতে আরবে সোফা কারখানায় অগ্নিকান্ডে নাটোরে নলডাঙ্গার ৩ প্রবাসী নিহত  বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম ৩১২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করেনি কক্সবাজার দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশনের নির্বাচন ২৮ আগস্ট সৌদি আরবে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১০ বাংলাদেশি নিহত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়, চুরির অপবাদ দিয়ে শ্লীলতাহানি পাবনায় ব্যাংক হামলার পর সাংবাদিক নির্যাতন, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত লোকমান মেম্বারের বিরুদ্ধে একের পর এক... কপ-৩১: প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নের পথে, তুরস্কে জলবায়ু কূটনীতির নতুন পরীক্ষা ফায়ার সার্ভিস এর অবৈধ নিয়োগ ও বদলী বানিজ্য সহ হত্যা মামলার অভিযুক্ত আসামী এবং ওয়ার হাউস থেকে দূর্নীত... জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেফতার ডন, পানির নিচের গ্যাস পাইপে লিকেজ, নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুরে সরবরাহ বন্ধ সাতক্ষীরা ছাত্রদলের উপর হামলা,জেলা সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের কঠোর হুশিয়ারি ‎সুশৃঙ্খল সড়ক ও মোটরযান ব্যবস্থাপনায় ন্যায্যতার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমে সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ সুনামগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ৮১ সদস্য বিশিষ্ঠ পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন সাতক্ষীরায় রাস্তা উদ্বোধন ও বৃক্ষরোপণ করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব খাগড়াছড়িতে প্রমিলা কাপ ফুটবল ও ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন যে জাল থেকে রেহাই পাচ্ছে না জল জীবনের কেউ-নলডাঙ্গায় প্রসাশনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে পোনা মাছ নিধনের মহো... বৃষ্টির মৌসুম এলেই রাজধানী ঢাকা যেন এক পরিচিত দুর্ভোগের নগরী সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নে সরকারকে ৩ মাসের আল্টিমেটাম শ্রীমঙ্গলে দলীয় নেতা তাজ উদ্দিনকে পাশে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন প্রক্ষাঘাতগ্রস্থ বিএনপি কর্মী  উত্তরাঞ্চলের বঞ্চনা দূর করে ন্যায্য উন্নয়নের অঙ্গীকার তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর গোল করে মেসির বাবাকে শ্রদ্ধা জানালেন ডি পল টক্সিক ট্রেলারে যশের তাণ্ডব, ১৫ ঘণ্টায় দেড় কোটি ভিউ ডিএমপির বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫০৪ যুক্তরাষ্ট্রে দাবানল নিয়ন্ত্রণে গিয়ে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত সোমবার এসএসসি-সমমানের ফল, জানা যাবে যেভাবে? মহেশখালীর মাতারবাড়িতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে কেন গুটিয়ে নিয়েছেন শাকিব খান? জানালেন কারণ বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ চীনের পর পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালালো ভারত ঝিনাইগাতীতে ৬০০ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ, মূল্য প্রায় ১৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা লংগদুতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে চক্ষু ক্যাম্প, ৭০০ রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা একটি চক্র জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় চৌফলদণ্ডী ইউপিতে নাগরিক সেবা অব্যাহত রাখায় আলোচনায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মনজুর আলম রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ৪৮৫ গ্রেফতার মামলা ৫০

তারেক রহমান: দূরদৃষ্টি সম্পন্ন রাজনীতিক

পাঠক সংখ্যা
638

কাদের গনি চৌধুরী:

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এ সময়ের সবচেয়ে যোগ্য, মেধাবী ও দূরদৃষ্টি সম্পন্ন রাজনীতিক তারেক রহমান। দেশের কোটি তরুণ ও যুবসমাজের কাছে তিনি আইডল। বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের চিন্তায় তিনি আগামীর রাষ্ট্রনায়ক।

স্বাধীনতার ঘোষক ও আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, মাদার অব ডেমোক্রেসি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর পরে বাংলাদেশের আগামীর রাজনীতিতে তারেক রহমানের নামটিই এখন উচ্চারিত হচ্ছে সগৌরবে। শুধু তাই নয়, সারা বিশ্বের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ক্যারিশম্যাটিক ভবিষ্যৎ নেতাদের সাথে বাংলাদেশের তারেক রহমানের নামও আলোচিত হচ্ছে। তাঁর তৃণমূলের রাজনীতি নিয়ে এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গবেষণা হচ্ছে।

ক্যামব্রিজের রিজেন্ট স্ট্রিটে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি আর্মস-এর চার্চিল অডিটোরিয়ামে তারেক রহমানের রাজনৈতিক চিন্তা ও ভাবনা নিয়ে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় বছর কয়েক আগে। সেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজনীতিক ও গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা হয় তারেক রহমানের রাজনীতি নিয়ে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এসময়ে বহুল আলোচিত ও সসমাদৃত তারেক রহমানকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে তুলে ধরেছেন তারা। এতে বলা হয়েছে, ‘তারেক রহমান বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করেন। তিনি পরনির্ভরশীলতার জাল ছিন্ন করে দেশের মানুষকে উন্নত জাতির মর্যাদায় উন্নীত করতে চান।’

তারেক রহমানের রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে সেমিনারে বক্তব্য দেন ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ডের সাবেক ডিরেক্টর ফ্রান্সিস ডেভিস, ইয়ং ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর ডেভিড এগলার ও ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের প্রাক্তন সদস্য জন ক্লেটন। ফ্রান্সিস ডেভিস বলেন, তারেক রহমানের রাজনৈতিক দর্শন মানুষের মাঝে, বিশেষ করে বাংলাদেশিদের মনে একটি স্বপ্নের বীজ বুনতে পারে। একটি উন্নত ও মানবিক রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেন তারেক। তার স্বপ্ন মানুষের উন্নয়ন ও দেশের সমৃদ্ধি নিয়ে। তিনি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করছেন। এটা খুব সুন্দর উদ্যোগ ‘

ডেভিড এডগার বলেন, ‘তারেক রহমান ডিজিটাল বাংলাদেশের একজন রাজনৈতিক-প্রকৌশলী। এ মুহূর্তে বাংলাদেশে তার নেতৃত্ব প্রয়োজন।’

জন ক্লেটন তারেক রহমানকে একজন ব্যতিক্রমী রাজনীতিবিদ উল্লেখ করে বলেন, ‘তিনি (তারেক রহমান) বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মনের ভাষা বুঝতে পারেন। একটি দেশের উন্নয়নের জন্যে রাজনীতিবিদদের এই গুণ থাকা খুব বেশি প্রয়োজন।’

তারেক রহমানকে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের নেতা হিসেবে উল্লেখ করে ওই বিশিষ্টজনেরা বলেন, ১৯৯০ সাল থেকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তারেক রহমানের যে যাত্রা শুরু হয়েছে, তা আজ অনেকের কাছে রীতিমতো ঈর্ষণীয়। তিনি মাটি ও মানুষের নেতা- স্বপ্ন দেখেন একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশের।

একজন প্রকৃত দেশপ্রেমী ও জাতিপ্রেমী ডায়নামিক লিডার হিসেবে উল্লেখ করে আরো বলেন, ‘তারেক রহমান বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের মানুষের এক প্রোজ্জ্বল নেতা।’

এটা সত্য যে, তারেক রহমান তার মেধা, প্রজ্ঞা, কর্মবীরত্ব, ত্যাগ, ভিশনারি বক্তব্য, রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সমাজে ব্যাপক সাড়া জাগাতে পেরেছেন, যা এর আগে একমাত্র শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানই পেরেছিলেন।

তারেক রহমান প্রচলিত রাজনীতি বদলাতে চেয়েছিলেন। রাজধানীর শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ড্রয়িংরুমের রাজনীতিকে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন তৃণমূলে। তিনি ১৮ কোটি মানুষকে উন্নয়নের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করতে চেয়েছিলেন। তিনি মনে-প্রাণে বিশ্বাস করেন ৬৮ হাজার গ্রাম বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে। তাই তিনি রাজধানী ছেড়ে ছুটে গেছেন তৃণমূলে। দীর্ঘদিন দিন তিনি দেশের বাইরে, তারপরও তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের সাথে তার যোগাযোগ কমেনি।

মাটি ও মানুষকে জাগিয়ে বাংলাদেশকে আপন সম্পদে স্বয়ম্ভর করা, আধুনিক ও শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে দাঁড় করানো, প্রান্তিক মানুষকে সামনে রেখে রাজনীতিকে বিকাশিত করা, গণতন্ত্রের আত্মাকে সজীব-সচল করা— সবই তার ঘোষিত স্বপ্ন যা শহীদ জিয়ার স্বপ্নেরই এক সময়োচিত সম্প্রসারণ। বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব এবং এর সুঠাম-স্বনির্ভর অভিযাত্রার সঙ্গে জিয়া পরিবারের যে আত্মিক বন্ধন, তার ধারাবাহিকতায় তারেক রহমান আজ অজেয় উত্তরাধিকারে স্থিত হয়েছেন।

কৃষির উন্নয়ন এবং একে ভিত্তি করে শিল্পের বিকাশ, সঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থা, প্রযুক্তির উন্নয়ন, কৃষকের জন্য ভালো বীজ দেওয়া, গরিবের সঙ্গে হাঁস-মুরগির প্রতিপালনসহ অসংখ্য কাজে তারেক রহমান হাত বাড়িয়েছেন আগ্রহ ভরে। গ্রামে গ্রামে জরিপ চালিয়েছেন কত মাছ, ফল, ধান হয় প্রতি গ্রামে। সাগরে ও নদীতে জেগে ওঠা পলিকে সোনা বানানোর রূপকল্পও তাঁর ভাবনার বাইরে নয়। ‘একটু উদ্যোগ, একটু চেষ্টা, এনে দেবে সফলতা’— এই কর্তব্যতন্ত্রকে ছড়িয়ে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন প্রতিটি জনপদে মানবিকতার বিকাশ হোক, সবাই হয়ে উঠুক সবার জন্য।

তলাবিহীন একটি ঝুড়িকে, দুর্ভিক্ষ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে পীড়িত একটি দেশকে প্রেসিডেন্ট জিয়া যেভাবে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন, ভিক্ষুকের হাতকে যেভাবে কর্মীর হাতে পরিণত করার জন্য প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের খপ্পর থেকে রাজনীতিকে উদ্ধার করে নিয়ে গিয়েছিলেন মুক্ত মাঠে; নিজে শক্ত হাতে কোদাল চালিয়ে অনাবাদি মাঠে এনেছিলেন ফসলের সমারোহ, ভরিয়ে দিয়েছিলেন ফসলের সুষমায়, তারেক রহমানও আজ একইভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

তাঁর কর্মপ্রবাহের মধ্যে কৃষি ও শিক্ষা পাচ্ছে সর্বাধিক মনোযোগ। জাতীয়তাবাদী রাজনীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য যে দেশপ্রেম, উন্নয়ন, অগ্রগতি, সময়ের চাইতে এগিয়ে চলা, প্রাগ্রসর পৃথিবীর পায়ের সাথে পা মিলিয়ে চলা, আত্মপরিচয়ের পতাকাকে সমুন্নত রাখা, সম্মান ও মর্যাদার শৌর্য ও আভিজাত্যের সৌরভ সর্বত্র সম্প্রসারিত করা, রাষ্ট্রের পরিচালনা কাঠামোর সঙ্গে তারুণ্যকে দেশের ভবিষ্যত নাগরিক সংযুক্ত করার বাসনা এই তারুণ্যে দীপ্ত জননেতার মধ্যে মূর্ত হয়ে উঠেছে। আবার শীর্ষ পর্যায় থেকে তৃণমূল পর্যায় সর্বস্তরের মানুষকে সংহতি, ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে একত্রিত করার ভিতর দিয়ে তিনি জাতীয় শক্তি মজবুত করেছেন।

ফলে এ কথা অবলীলায় বলা যায়, সান-ইয়াং সেনের পর মাও-সে-তুঙ এবং মাও-সে-তুঙের পর দেং শিয়াও পিং যেমন চীনের জন্য অনিবার্য ছিল, জওহরলাল নেহেরুর পর ইন্দিরা গান্ধী, ইন্দিরা গান্ধীর পর রাজীব গান্ধী এবং রাজীব গান্ধীর পর সোনিয়া কিংবা রাহুল গান্ধী যেমন আজকের ভারতের জন্য অপরিহার্য, বাংলাদেশের রাজনীতিতেও শহীদ জিয়ার পর দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান অনিবার্য।

আগেই বলা হয়েছে, শুধু রক্তসম্পর্কের কারণে নয়, যোগ্যতার বলেই দীপ্তিমান হয়ে উঠছেন জননেতা তারেক রহমান। বাংলাদেশের মানুষ এই তরুণ নেতার মধ্যে একদিকে যেমন উন্নয়ন ও অগ্রগতির রাজনীতির চলমান ধারাকে অব্যাহত রাখার প্রত্যয় দেখতে পাচ্ছেন, অন্যদিকে খুঁজে পাচ্ছেন শহীদ জিয়ার প্রতিচ্ছবি।

তারেক রহমানের আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা আওয়ামী লীগের অপরাজনীতির জন্য আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তাই শেখ হাসিনা ও তার দল তারেক রহমানকে আগামী দিনের প্রধান প্রতিপক্ষ ভেবে রাজনীতি থেকে মাইনাস করার ফন্দি এঁটেছিল। তাঁকে রুখতে সরকার আইন-আদালত শুরু করে সব শক্তি ব্যবহার করেছে। ইতিহাসের সব রেকর্ড ভঙ্গ করে আদালতের আদেশের মাধ্যমে মিডিয়ায় তাঁর বক্তব্য প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা পর্যন্ত জারি করেছিল। একের পর এক মিথ্যা সাজা দিয়ে গিয়েছিল। মিথ্যা সাজা দিতে সম্মত না হওয়ায় একজন বিচারককে দেশান্তরি হতে হয়েছিল।

তবে এটিও সত্য অব্যাহত ফ্যাসিবাদী নিপীড়ন তারেক রহমানকে আরো বেশি জনপ্রিয় করে তোলে। তারেক রহমানই এখন ১৮ কোটি মানুষের ভরসাস্থল।

তারেক রহমান প্রমাণ করেছেন রাজনীতি যদি কল্যাণমুখী হয়, জনগণ পাশে থাকে। আর জনগণ পাশে থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রে কাজ হয় না। হ্যাঁ, এটিই সত্যি, বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া দীর্ঘ ১৭ বছরের কলঙ্কময় স্বৈরশাসন থেকে মুক্তির সংগ্রামে তিনি সুদূর লন্ডন থেকে নেতৃত্ব দিয়ে সফল হয়েছেন।

জগদ্দল পাথরের মতো বসে থাকা ফ্যাসিস্ট সরকারকে হঠানোই নয়, আগামীতে কীভাবে দেশ গঠন করবেন, ভিশনারি নেতা হিসেবে সেটিও তিনি চিন্তা করে রেখেছেন।

তারেক রহমানকে আমরা শুরু থেকেই দেখেছি, তিনি একটি মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেন, যেখানে মানুষ শান্তিতে থাকবেন, কোনো নাগরিক তার অধিকার বঞ্চিত হবেন না। তিনি দেখেছেন স্বৈরশাসন, ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্বলতা জনগণের প্রত্যাশাকে বারবার ব্যাহত করেছে। বিশেষত, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, সুষ্ঠু নির্বাচন প্রক্রিয়ার অভাব এবং স্বচ্ছতার সংকট গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি দুর্বল করে দিয়েছে। দেশান্তরি হওয়ার পরও তিনি কীভাবে একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়া যায়, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটানো যায় তা নিয়ে নিমগ্ন ছিলেন। বিএনপির ৩১ দফা মূলত তাঁর সেই চিন্তারই ফসল। তাঁর এই চিন্তায় কেবল সমস্যাগুলোর সমাধানই নয়, বরং একটি টেকসই গণতান্ত্রিক কাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনারও প্রস্তাব রয়েছে।

তাঁর মস্তিস্কপ্রসূত এই ৩১ দফা কর্মসূচি বাংলাদেশের গণতন্ত্র, সুশাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় একটি সুসংহত ও সময়োপযোগী নীতিমালা হিসেবে পরিগণিত হতে পারে। ভালোভাবে খেয়াল করলে দেখবেন- এই প্রস্তাবনায় গণতন্ত্রের বর্তমান সংকট নিরসন এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাগুলো নিয়ে একটি সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হয়েছে। তাই বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ৩১ দফা জাতির জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা হিসেবে উঠে এসেছে। গণতন্ত্র, সুশাসন এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রতি অঙ্গীকারের ভিত্তিতে প্রণীত এই দফাগুলো দেশকে নতুন এক যুগের পথে নিয়ে যাবে।

এটা সত্যি যে, গণতন্ত্রের সংকট বাংলাদেশে নতুন কিছু নয়। দীর্ঘদিনের অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং দুর্নীতির কারণে রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরে নানান সংকট সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপির ৩১ দফায় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও শক্তিশালীকরণের জন্য স্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষা এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ করার মতো বিষয়গুলো বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

তারেক রহমান প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের রাজনীতির বিপক্ষে, বরং জনগণের ঐক্য ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বাসী। তিনি সব মত ও পথের সমন্বয়ে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদভিত্তিক একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, বৈষম্যহীন ও সম্প্রীতিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেছেন ৩১ দফায়।

তারেক রহমান বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশের জনগণ মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তাই তিনি ঘোষণা করেছেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সব মত ও পথের মানুষের সঙ্গে আলোচনা, মতবিনিময় ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে এমন একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করবেন, যেখানে সামাজিক বৈষম্য দূর করা হবে এবং জ্ঞানবিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ে ভবিষ্যৎমুখী মানবিক কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়ে তোলা হবে।

তিনি এও প্রতিশ্রুতি দেন, প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের রাজনীতির বিপরীতে জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও অভিপ্রায় অনুযায়ী, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদভিত্তিক একটি সম্মিলিত, বৈষম্যহীন ও সম্প্রীতির রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করবেন। এর মাধ্যমে এই রাষ্ট্র ধর্ম-বর্ণ, শ্রেণি-গোত্র, পেশানির্বিশেষে সবাইকে স্নেহ ও ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করে একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে এগিয়ে যাবে।

তারেক রহমানের ৩১ দফা সংস্কার রূপরেখাকে রাজনৈতিক মহল আখ্যা দিয়েছে “Blueprint for Democratic Bangladesh” বা গণতন্ত্রের ব্লুপ্রিন্ট বলে। এটি আজ সবাই স্বীকার করবেন, তারেক রহমান দল ও দেশের জন্য অনন্য সম্পদ।

তার বিরুদ্ধে বিগত সরকারের মিথ্যা মামলায় সাজা, গণমাধ্যমে বক্তব্য প্রদানে নিষেধাজ্ঞা জারি, মিথ্যাচার ও প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার সর্বোচ্চ চেষ্টা পুরোপুরি বিফলে গিয়েছে। শেষ বিচারে তারেক রহমানেরই জয় হয়েছে। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনাকে পরিবার ও সদলবলে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে। আর তারেক রহমান জনগণের হৃদয়ে আসন করে নিয়েছেন।

গোটা জাতি এখন তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে। তাদের বিশ্বাস- তারেক রহমানই পারেন ফ্যাসিবাদী সরকারের দুঃশাসনে ক্ষত-বিক্ষত এ জাতিকে রক্ষা করতে। দেশের ১৮ কোটি মানুষ এখন তাঁর আগমনের প্রতীক্ষায়।

তারেক রহমান ইনশাআল্লাহ শিগগিরই দেশে ফিরে আসবেন গণতন্ত্রের এক বিজয়ী সেনাপতি হিসেবে।

লেখক: সিনিয়র সাংবাদিক

মহাসচিব- বিএফইউজে

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

নারায়ণগন্জের ফতুল্লায় স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করলেন স্বামী, নেপথ্যে পরকীয়ার অভিসাপ

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।। আমাদের সমাজের অনেক বড় এক ব্যাধির নাম পরকীয়া।নারী-পুরুষ নির্বিশেষে জড়িয়ে পড়ছেন এই অনৈতিক সম্পর্কে।যাঁর মাশুল গুনতে হয় কখনো বিচ্ছেদ,কখনও এমনকি সন্তান হন্তারক হওয়া,খুনী হিসেবে আজীবনের জন্য জীবনের সাথে দাগ লাগিয়ে বন্দীশালা বা মুক্ত পৃথিবীতে জীবন্ত লাশ হয়ে জীবনকে টেনে নেওয়া সহ আরও করুণ পরিণতির শিকার হচ্ছেন ভয়ানক ঐ ব্যাধি পরকীয়ায় আক্রান্ত মানুষ। প্রায় প্রতিদিনই দেশের কোথাও না কোথাও পরকীয়ার বলি হচ্ছেন কেউ না কেউ।এবার পরকীয়ার বলি হলেন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন ফাজিলপুর এলাকার এক নারী।নিজের স্বামীর ছুরির আঘাতে খুন হলেন তিনি।হত্যার শিকার নারীর নাম নাজমা(৪০)।হত্যাকারী স্বামীর নাম কাউসার আলম তুহিন(৪৫) বলে জানিয়েছেন তাঁদের বড় ছেলে নাজমুল।কাউসার নামেই পরিচিত সে।নাজমুল গণমাধ্যমকে জানায়,বাবা-মা আজ ২৮ সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে নিত্যদিনের মতো ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন।বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে তাঁর বাবা কাউসার মায়ের বুকের

আরও পড়ুন
language Change