তারিখ লোড হচ্ছে...

নিজেকে কেন গুটিয়ে নিয়েছেন শাকিব খান? জানালেন কারণ বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ চীনের পর পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালালো ভারত ঝিনাইগাতীতে ৬০০ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ, মূল্য প্রায় ১৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা লংগদুতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে চক্ষু ক্যাম্প, ৭০০ রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা একটি চক্র জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় চৌফলদণ্ডী ইউপিতে নাগরিক সেবা অব্যাহত রাখায় আলোচনায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মনজুর আলম রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ৪৮৫ গ্রেফতার মামলা ৫০ সুন্দরবনে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞায় প্রথমবার খাদ্য সহায়তা পেতে যাচ্ছে জেলেরা রেলের টেন্ডারে শত কোটি টাকার কারসাজির অভিযোগের কেন্দ্রে আফসার সিন্ডিকেট শ্রীমঙ্গলে ইতিহাসের আয়নায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান : প্রত্যাশা-প্রাপ্তি শীর্ষক আলোচনা সভা কাশিয়ানীর মাহমুদপুর স্কুলের সভাপতি হলেন গোবিন্দ কির্ত্তনীয়া দোয়ারাবাজারে এক ভূমিহীনের দখলে থাকা সরকারী জায়গা প্রভাবশালীচক্র স্টাম্পের মাধ্যমে জোরপূর্বক দখল সংবাদ প্রকাশের জেরে রামুতে সাংবাদিক আবুল কাশেমের ওপর হামলা; নিন্দা ও হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে পাওয়া নতুন বাংলাদেশকে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে গড়ে তুলতে হবে: আফরোজা... অপ-সাংবাদিকতা  আজ পেশাদারিত্ব ও জনআস্থাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করছে তাহিরপুরের এক ব্যবসায়ীর মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে মোটা অংকের চাদা দাবি নবাবগঞ্জ পার্ক ও খেলার মাঠ সংস্কারের দাবিতে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা প্রায় ৩ যুগেও পাকা হয়নি উত্তর দাড়িয়ারপাড়ের প্রধান সড়ক, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ গলায় দড়ি প্যাঁচানো যুবদল নেতার মরদেহ ডোবায়, দুই চাচাতো ভাই পলাতক মুক্তিযুদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি শাহজাদপুরে সংবাদ সংগ্রহকালে ‘সবুজ বাংলাদেশ পত্রিকার সাংবাদিকের মোবাইল ছিনতাই ও প্রাণনাশের হুমকি জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে কাশিয়ানীতে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত উত্তরায় বেনামি ক্লাবের রফিকের জমজমাট জুয়ার আসর, যথারীতি নিরব প্রশাসন উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে কবির কে পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর খুরুশকুল ইউনিয়নের অকুতোভয় সৈনিক মরহুম আমির হামজার ১৬তম মৃত্যু... খুলনায় ৭১ পরিবারের জমি দখল, চাঁদাবাজি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন: ৫ বসতবাড়িতে তালা নোয়াখালীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে পিপ্তল ঠেকিয়ে চাঁদাবাজি, গ্রেফতার -১ পাঁচ আগস্টের দুই বছর: অর্জনের স্বীকৃতি, অপূর্ণতার প্রশ্ন পূবাইলে সাংবাদিকের পৈত্রিক জমি আওয়ামীলীগ নেতার দখলে নেয়ার অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানের অস্বাভাবিক সম্পদের পাহাড় পপুলার লাইফের গ্রাহকরা দাবির টাকা পাচ্ছে না ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের ফের সংঘর্ষ, পুলিশ মোতায়েন ‎ঢাকা জেলা সিএনজি মেট্রো করার মিথ‍্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রায় ১০ কোটি টাকা দুর্নীতি সিলেট রেঞ্জের মধ্যে শ্রেষ্ট অফিসার হিসেবে সম্মাননাপত্র গ্রহন করেন দিরাই থানার ওসি মোঃ আমিনুল ইসলাম বাড়ির পাশেই পৌরসভার ময়লার স্তূপ, মানবেতর জীবন ব্র্যাক আবাসনের বাসিন্দাদের আইনি ব্যবস্থার হুশিয়ারিতে উল্টো গণক্ষোভ মুন্সিগঞ্জে উপ-সহকারী প্রকৌশলীর সহযোগিতায় কাজ শেষ না করেই বিল উত্তোলনের অভিযোগ রাজউকের মোবাইল কোর্ট নিয়ে প্রশ্ন: অথরাইজড অফিসার সাইদা ইসলামের বিরুদ্ধে দায়সারা অভিযান ও অনিয়মের ... কেশবপুরে প্রধান শিক্ষকের বদলির দাবিতে মানববন্ধন রামগড়ে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর আটক দুপুরে প্রথম বৈঠকে বসছে সংবিধান সংশোধন কমিটি গলাচিপায় র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উদযাপন নদী খননের নামে ১৩৪ কোটি আত্মসাৎ, তবুও বহাল তবিয়তে বিআইডব্লিউটিএ’র সাইদুর রহমান রাশিয়া-ইউক্রেনে ভয়াবহ পাল্টাপাল্টি হামলা, প্রাণ গেল ২২ জনের সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্সে আগুন মাইক্রোপ্লাস্টিক শরীরে প্রবেশ করলে কী হয়? বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম সেপ্টেম্বরে ১০ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লাইফ সাপোর্টে এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প

বন অধিদপ্তরে দুর্নীতির শাস্তির বদলে পদোন্নতি

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার॥

দেশে সুফল (টেকসই বন ও জীবিকা) প্রকল্পে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বাগান সৃজন না করে বরাদ্দের দেড় কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে বন বিভাগের একটি চক্রের বিরুদ্ধে। প্রকল্পের এই অর্থ আত্মসাতের ঘটনা গত এক বছর ধরে ‘ওপেন সিক্রেট’ হলেও এ নিয়ে কোনো দৃশ্যমান তদন্ত করেনি বন বিভাগ।

অভিযোগ রয়েছে, এই চক্রের মূলহোতা সাদেকুর রহমানকে শাস্তির মুখোমুখি না করে বরং সম্প্রতি ডেপুটি রেঞ্জার পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। শুধু পদোন্নতি নয়, তাকে বন বিভাগের লোভনীয় ‘পোস্টিং’ হিসেবে পরিচিত কক্সবাজার ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে।

বন বিভাগের কর্তাব্যক্তিরা বছরের পর বছর ধরে মাঠ পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নানা ধরনের দুর্নীতিতে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে আসছেন। ফলে বন অধিদপ্তর পরিণত হয়েছে জবাবদিহিহীন এক হরিলুটের আখড়ায়। বনায়ন প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন—ডেপুটি রেঞ্জার সাদেকুর রহমান, উপবন সংরক্ষক (ডিসিএফ) এস এম কায়সার এবং সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) জয়নাল আবেদীন। বনায়নের এই অনিয়ম ও হরিলুটের ঘটনা ধামাচাপা দিতে বরাদ্দের সব অর্থ উত্তোলনের পরই এই তিন কর্মকর্তাকে বদলি করে ‘প্রাইজ পোস্টিং’ দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, বরাদ্দ পাওয়ার পরও বনায়ন না করার ঘটনায় দায়িত্ব এড়ানোর সুযোগ নেই নতুন যোগ দেওয়া চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. সফিকুল ইসলামের। তিনি চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক (সিএফ) মোল্যা রেজাউল করিমের ভয়ে আত্মসাৎকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেননি। এ ছাড়া বাগান সৃজন না করা বা নিম্নমানের বাগান সৃজনের জন্য দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে যাচ্ছেন।

জানা গেছে, ২০২৩–২০২৪ অর্থবছরে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের কুমিরা রেঞ্জে ১৮০ হেক্টর বনে নামমাত্র বনায়ন করা হয়। বনায়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ ব্যয় দেখানো হয় ১ কোটি ৭৯ লাখ ৫০ হাজার ৮৮২ টাকা। নার্সারিতে চারা উত্তোলন ও রক্ষণাবেক্ষণের নামে ব্যয় দেখানো হয় ৫৬ লাখ ১১ হাজার ৮০৬ টাকা। বিধি অনুযায়ী বনায়নের পূর্বে নির্ধারিত প্রজাতির চারাগাছ নার্সারিতে বীজ থেকে উত্তোলন করতে হয় এবং নার্সারি সৃজনের জার্নাল সংরক্ষণসহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠাতে হয়। কিন্তু কুমিরা রেঞ্জে ১৮০ হেক্টরে প্রকৃত বাগান সৃজন না করেও রক্ষণাবেক্ষণের নামে ২৩ লাখ ১০ হাজার টাকা খরচ দেখানো হয়েছে।

বনায়নের বিধি অনুযায়ী, ২০২৩–২০২৪ অর্থবছরে সৃজিত ১৮০ হেক্টর বাগানে চারাগাছ রোপণের পর সর্বোচ্চ ২০% শূন্যস্থান পূরণের সুযোগ রয়েছে। অর্থাৎ ৮০% চারাগাছ জীবিত থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু কুমিরা রেঞ্জে ৮০% জীবিত চারাগাছ না থাকলেও শূন্যস্থান পূরণের খরচ দেখিয়ে ২০ লাখ টাকার বেশি আত্মসাত করা হয়। নার্সারিতে বীজ থেকে চারা উত্তোলন এবং সংশ্লিষ্ট জার্নাল তৈরির বিধান থাকলেও সেটিও করা হয়নি। পলিব্যাগ, সার, বাঁশের খুঁটি ইত্যাদি কেনাকাটার খাতে আরও ১০ লাখ টাকা খরচ দেখিয়ে আত্মসাত করা হয়।

বন অধিদপ্তরের পরিদর্শন ও মূল্যায়ন ইউনিটের তথ্য অনুযায়ী, উপবন সংরক্ষক উম্মে হাবিবা গত ২২ এপ্রিল চট্টগ্রাম উত্তর বিভাগীয় বন কর্মকর্তাকে চিঠি দেন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সুফল প্রকল্পের আওতায় ২০২৩–২০২৪ অর্থবছরে কুমিরা রেঞ্জের কুমিরা বিটে ১৭০ হেক্টর দ্রুতবর্ধনশীল বাগানের প্রথম জরিপ হয় গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর। জরিপে ১৭০ হেক্টর বাগানে জীবিত চারাগাছের হার পাওয়া যায় মাত্র ৬০.২০%, যেখানে থাকা উচিত ছিল কমপক্ষে ৮০%। একই রেঞ্জের অন্য ১০ হেক্টরের দ্রুতবর্ধনশীল বাগানে জীবিত চারার হার মাত্র ৫০.৪০%। জবরদখল হওয়া বনের মধ্যে জবরদখলকারীরা যে বিভিন্ন গাছ লাগিয়েছে, তার ফাঁকে ফাঁকে বাগান সৃজন করা হয়েছে—চিঠিতে এমনটাও উল্লেখ রয়েছে। বাগানে জীবিত চারার হার সন্তোষজনক নয় বলে উল্লেখ করে শতভাগ চারাগাছ নিশ্চিত করে মূল্যায়ন ইউনিটকে জানাতে বলা হয়।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, প্রথম জরিপের পর পরিদর্শন ও মূল্যায়ন ইউনিট ১৮০ হেক্টর বাগানে শতভাগ জীবিত চারাগাছ রাখার নির্দেশ দেয়। কিন্তু এই নির্দেশনার পরও ২০% শূন্যস্থান পূরণ ও রক্ষণাবেক্ষণের নামে অর্ধকোটি টাকার বেশি দেখিয়ে চারাগাছ রোপণ না করেই টাকা আত্মসাৎ করা হয়। এর পর চলতি বছরের ১৯ আগস্ট ১৮০ হেক্টরের দ্বিতীয় জরিপ করা হয়। পুনঃজরিপ প্রতিবেদনে দেখা যায়, ১৮০ হেক্টরের মধ্যে ৭০ হেক্টরে জীবিত চারার হার মাত্র ৩১.৬৫% এবং অপর ১০ হেক্টরে মাত্র ২১.৬০%। আত্মসাতের ঘটনা আড়াল করতে সম্প্রতি কুমিরা রেঞ্জের কিছু জায়গায় নামমাত্র চারা রোপণ করা হয়েছে। তবে চারা এত ছোট যে শুষ্ক মৌসুমে এগুলোর বেঁচে থাকা প্রায় অসম্ভব বলে মন্তব্য করেছে ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা বিভাগ।

এ বিষয়ে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. সফিকুল ইসলাম জানান, কুমিরা রেঞ্জে ১৮০ হেক্টর সুফল প্রকল্পের বাগান সৃজনের সময় তিনি দায়িত্বে ছিলেন না। শূন্যস্থান পূরণের সময়ও তিনি দায়িত্বে ছিলেন না। তবে তিনি জানেন যে বাগান নির্দেশনা অনুযায়ী সৃজিত হয়নি। বাগান সৃজনে অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসাইন বলেন, বাগান সৃজনে অনিয়ম হলে জরিপে তা উঠে আসবে। জরিপ দলের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যদিকে বনায়নে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ জানতে অভিযুক্ত ডেপুটি রেঞ্জার সাদেকুর রহমানের মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

সৌদি পৌঁছেছেন ৫১২৭৮ হজযাত্রী, মোট মৃত্যু ৯ বাংলাদেশির

স্টাফ রিপোর্টার: হজে গিয়ে আরও এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর মোট নয়জন বাংলাদেশি হজযাত্রী মৃত্যুবরণ করেছেন। সর্বশেষ সোমবার (১৯ মে) আ. হান্নান মোল্লা (৬৩) নামের এক হজযাত্রী সৌদি আরবের মক্কায় মৃত্যুবরণ করেন। তার বাড়ি চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ। তিনি সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে গিয়েছিলেন। মঙ্গলবার (২০ মে) হজ পোর্টালে ‘পবিত্র হজ-২০২৫ প্রতিদিনের বুলেটিন’ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। অন্যদিকে গত শনিবার দিনগত মধ্যরাত পর্যন্ত তিনটি এয়ারলাইন্সের মোট ১৩০টি হজ ফ্লাইটে ৫১ হাজার ২৭৮ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এবার বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৭ হাজার ১০০ জন হজযাত্রী হজ পালনের জন্য সৌদি আরব যাবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫ হাজার ২০০ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮১ হাজার ৯০০ জন হজ পালন করবেন। হজযাত্রীদের সৌদি আরবে পরিবহনে এরই মধ্যে বিমান বাংলাদেশ

আরও পড়ুন
language Change