তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
কেশবপুরে বাড়েছে ডায়রিয়া রোগী সংখ্যা ফ্যাসিবাদের দোসর সংসদ ভবনে কি করে? গণপূর্তের প্রকৌশলী নাহিদ এর খুঁটির জোর কোথায়? এনজিও কর্মীর আপত্তিকর ভিডিও ধারণ পর্নোগ্রাফি মামলায় আটক ২ চ্যানেল ওয়ান ও মাইটিভির সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসীদের হামলায় ভোলাহাটে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত নিজস্ব অর্থায়নে নৌ অ্যাম্বুলেন্স উদ্বোধন করলেন এমপি নূরুল ইসলাম বুলবুল কলেজ ছাত্রীকে নিয়ে শিক্ষক উধাও টাঙ্গাইলের ৩০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার শীর্ষ নেতার সম্পদের উৎস নিয়ে ছাত্রদল নেতার প্রশ্ন নানক-তাপসের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ আজ আবারও গভর্নরের মুখোমুখি বিজয় থালাপতি প্রথম ধাপে পে স্কেলর সুখবর পাচ্ছেন যারা রাষ্ট্রের বড় সম্পদ জনগণের বিশ্বাস: প্রধানমন্ত্রী ট্রাকের ধাক্কায় সড়কে ব্যবসায়ীর মৃত্যু আজ থেকে উৎপাদনে ফিরছে ইস্টার্ন রিফাইনারি শেরপুর হাতির ভয়ে কাঁচা ধান কাটছেন কৃষকেরা সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সভা বটিয়াঘাটায় বিদ্যালয় সংস্কারে শুভঙ্করের ফাঁকি গ্রামের সঙ্গে কেউ বিয়ের সম্পর্ক করতে চায় না বলে অভিযোগ এলজিআইডি অফিসে কর্মকর্তা অনুপস্থিত, সেবায় স্থবিরতা জেলা প্রশাসনের অনুমতিতে বাজারে এলো সুমিষ্ট আম বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পরে প্রাণ হারালেন স্কুল শিক্ষিকা, আহত ২ ৮ দিনেও মেলেনি খোঁজ, নিখোঁজ মাসুমকে ফিরিয়ে দিতে আহ্বান পরিবারের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট, দুর্ভোগে যাত্রীরা কুরবানির পশুর হাটে চাঁদাবাজি চলবে না: প্রতিমন্ত্রীর যমুনা অয়েলের বাঘাবাড়ি ডিপো ইনচার্জ সাদেকীনের নেতৃত্বে অনিয়মই যেখানে নিয়ম কালিহাতীতে এমপির নাম ভাঙ্গিয়ে চলছে বালুখেকোদের দৌরাত্ম্য শেরপুরে কৃষ্ণচূড়া ফুলে সেজেছে গ্রীষ্মের প্রকৃতি নারায়ণগঞ্জে অভিযানে হামলা, র‍্যাবের ৩ সদস্যকে কুপিয়ে জখম কেশবপুরে পুলিশের অভিযানে ১৭ আসামি গ্রেফতার টি-টোয়েন্টিতে শ্রীলঙ্কাকে পেছনে ফেলে অষ্টম স্থানে বাংলাদেশ শেরপুরে সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবিতে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় গুলিবিদ্ধ যুবক, ঢাকায় নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সেও গুলি বিদ্যুৎ নিয়ে যে সুখবর দিল পিডিবি সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা বকেয়া পরিশোধ ছাড়াই ঋণ পারবেন চামড়া ব্যবসায়ীরা বুধবার দেশে ফিরতে পারে বৃষ্টির মরদেহ আবারও ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছের রিমান্ডে চীনা নাগরিক পরিচয়ে বিয়ে করতে টাঙ্গাইলে ২ যুবক পরিচালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, অন্তঃসত্ত্বা ১২ বছরের শিশু পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় যেই আসুক বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে প্রভাব পড়বে না বৃষ্টির দিনে মন ভালো করার উপায় নারী ফুটবলারদের যৌন হয়রানি দায়ে, পাঁচ বছর নিষিদ্ধ ফুটবল কর্মকর্তা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে, আসামি ছিনতাই ট্রাম্পের প্রস্তাবে সাড়া দিলে কী ঘটবে, খতিয়ে দেখছে দক্ষিণ কোরিয়া নাটোরে পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে মৃত্যুকালীন ভাতা বিতরণ চলতি বছরের শেষ দিকে শুরু স্থানীয় নির্বাচন সুন্দরবনে পর্যটকদের ওপর হামলা ও ডাকাতির চেষ্টা, আটক ২ হাদি হত্যা মামলা, পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ফের পিছিয়েছে অর্থবছরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসানিক সার বিতরণ শ্যামনগরে অপহরণের ৩ দিন পর পশু চিকিৎসক উদ্ধার : আটক ৩

বেগম জিয়াকে নিয়ে জাইমা রহমানের আবেগঘন স্ট্যাটাস

পাঠক সংখ্যা
638

বহু বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কন্যা জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন। দেশে ফেরার প্রাক্কালে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ঘিরে নিজের শৈশবের স্মৃতি তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন জাইমা রহমান।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে নিজের ফেসবুক পেজে দাদির সঙ্গে তোলা শৈশবের একটি ছবি শেয়ার করেন তিনি। পরে বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকেও সেই পোস্টটি পুনরায় প্রকাশ করা হয়।

স্ট্যাটাসে জাইমা রহমান লেখেন, দাদুকে নিয়ে তার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় স্মৃতিগুলোর একটি হলো—পরিবারের অভিভাবক হিসেবে তার অগাধ মমতা। তখন তার বয়স ছিল মাত্র এগারো বছর। স্কুল ফুটবল টিম একটি টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল এবং তিনি নিজেও একটি মেডেল পেয়েছিলেন। সেই আনন্দ ভাগ করে নিতে মা তাকে সরাসরি দাদুর অফিসে নিয়ে যান, যেন নিজের মুখেই দাদুকে বিজয়ের গল্প বলতে পারেন। গোলকিপার হিসেবে কীভাবে খেলেছেন, তা উচ্ছ্বাসের সঙ্গে বলতে বলতে তিনি অনুভব করেছিলেন—দাদু গভীর মনোযোগ দিয়ে তার কথা শুনছেন। সেই সাফল্যে দাদু এতটাই গর্বিত হয়েছিলেন যে, পরবর্তীতে অন্যদের কাছেও সেই গল্প বারবার বলতেন।

তিনি আরও বলেন, তিনি সবসময়ই জানতেন, দাদুর কাঁধে একটি দেশের বিশাল দায়িত্ব। তবুও পরিবারের কাছে দাদু ছিলেন একজন স্নেহশীল অভিভাবক। দেশবাসীর কাছে তিনি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী, আর তাদের কাছে ছিলেন শুধু ‘দাদু’। তিনি নাতি-নাতনিদের সময় দিতেন, খোঁজখবর রাখতেন এবং জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোতে সাহস ও অনুপ্রেরণা জোগাতেন। এসব ছোট ছোট অভিজ্ঞতা থেকেই নেতৃত্বের প্রথম পাঠ তিনি পেয়েছেন—নম্রতা, আন্তরিকতা এবং মনোযোগ দিয়ে শোনার গুণ।

জাইমা রহমান লেখেন, দেশের বাইরে কাটানো সতেরোটি বছর তার জীবনকে নানা দিক থেকে বদলে দিয়েছে। কিন্তু নিজের শিকড় তিনি কখনো ভুলে যাননি। সংস্কৃতি, মূল্যবোধ আর পরিচয়ই একজন মানুষকে গড়ে তোলে। প্রবাসে থাকা অনেক বাংলাদেশির মতো তিনিও দীর্ঘ সময় ভিন্ন দেশে কাটিয়েছেন। লন্ডনের জীবন তাকে বাস্তববাদী ও বিশ্বমুখী করেছে, যদিও তার হৃদয় বরাবরই বাংলাদেশে থেকেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা তাকে শৃঙ্খলা ও জ্ঞান দিয়েছে, আর মানুষের সঙ্গে কাজ করা শিখিয়েছে দায়িত্ববোধ ও মানবিকতা। আইন পেশায় কাজ করার সময় মানুষের জীবনের বাস্তব গল্পগুলো তাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। প্রতিটি মামলা, প্রতিটি ক্লায়েন্ট কারও না কারও জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে। অবিচার ও অবহেলার শিকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের কথা শোনা এবং সমাধানের চেষ্টা করাই ছিল তার কাজ। জীবনের কঠিন সময়ে কারও পাশে থাকার যে শিক্ষা, তা কোনো শ্রেণিকক্ষ দিতে পারে না।

তিনি আরও লেখেন, তিনি কখনো নিজের দাদাকে দেখেননি, তবে তার সততা ও দেশপ্রেমের গল্প শুনেই বড় হয়েছেন। সেই আদর্শই দাদু ও বাবার মাধ্যমে বহমান রয়েছে। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান ও ৫ আগস্টের আগে-পরে তিনি নেপথ্যে থেকে যতটুকু পেরেছেন, দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করেছেন। অধিকাংশ সময় কথা বলার চেয়ে শুনেছেন বেশি এবং ছোট ছোট কাজে পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছেন।

স্ট্যাটাসে জাইমা রহমান জানান, দীর্ঘ বিরতির পর দেশে ফেরা তার জন্য আবেগ ও অনুভূতির এক বিশেষ মুহূর্ত। দেশে ফিরে তিনি দাদুর পাশে থাকতে চান এবং বাবাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে চান। একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে দেশের জন্য নিজের সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখতে চান। মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে বাংলাদেশকে নতুনভাবে জানতে চান এবং দেশকে আবার এগিয়ে যেতে দেখতে চান।

তিনি বলেন, তার পরিবারকে ঘিরে মানুষের কৌতূহল ও প্রত্যাশা রয়েছে—কখনো তা আশার, কখনো প্রশ্নের। সেই প্রত্যাশা পূরণের দায়িত্বও তারা অনুভব করেন। সবশেষে তিনি লেখেন, নিজের ভাষায় এটাই তার গল্প। প্রত্যেক মানুষেরই আলাদা গল্প রয়েছে। সেই গল্পগুলোকে সম্মান জানিয়ে, হয়তো সবাই একসঙ্গে সামনে এগিয়ে যেতে পারে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

সরকারি চাকরিজীবীদের গ্রেফতারে পূর্বানুমতি কেন রুল জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ অভিযোগপত্র দাখিলের আগে সরকারি কর্মচারীদের গ্রেফতারে সরকারের পূর্ব অনুমতি নেওয়ার বিধান কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রোববার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। কুড়িগ্রামের তৎকালীন জেলা প্রশাসক (ডিসি) সুলতানা পারভীনসহ চারজনের পদায়ন ও বদলির বৈধতা নিয়ে করা এক রিটের শুনানি নিয়ে আদালত এই রুল জারি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আজিজুর রহমান দুলু ও আইনজীবী ইশরাত হাসান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। একইসঙ্গে আরও কয়েকটি বিষয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। ফৌজদারি মামলার আসামি হওয়ার পরও কুড়িগ্রামের তৎকালীন জেলা প্রশাসক (ডিসি) সুলতানা পারভীনকে পদায়ন করা থেকে বিরত থাকতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং সিনিয়র সহকারী

আরও পড়ুন
language Change