তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
পাহাড়ের পরিবেশ রক্ষার্থে প্রতিবাদ সমাবেশ হোটেলে তরুণ-তরুণীকে হত্যা: সিনেমাকেও হার মানানো ঘটনা তারেক রহমানকে ঝুলিয়ে নির্যাতন: অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর তথ্য শিশু ধর্ষণ মামলায় সেই মাদরাসা শিক্ষক রিমান্ডে ​চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৯ বিজিবির অভিযান ৭টি ভারতীয় মোবাইল ফোন জব্দ ঝালকাঠির হারানো ঐতিহ্য ফেরাতে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের মহাপরিকল্পনা নলডাঙ্গায় ছড়িয়ে পড়ছে বিষাক্ত উদ্ভিদ পার্থেনিয়াম নাটোরে বজ্রপাতে ১ জনের মৃত্যু কেশবপুর নারী খামারীদের দক্ষতা ও উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত কেশবপুরে বাড়েছে ডায়রিয়া রোগী সংখ্যা ফ্যাসিবাদের দোসর সংসদ ভবনে কি করে? গণপূর্তের প্রকৌশলী নাহিদ এর খুঁটির জোর কোথায়? এনজিও কর্মীর আপত্তিকর ভিডিও ধারণ পর্নোগ্রাফি মামলায় আটক ২ চ্যানেল ওয়ান ও মাইটিভির সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসীদের হামলায় ভোলাহাটে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত নিজস্ব অর্থায়নে নৌ অ্যাম্বুলেন্স উদ্বোধন করলেন এমপি নূরুল ইসলাম বুলবুল কলেজ ছাত্রীকে নিয়ে শিক্ষক উধাও টাঙ্গাইলের ৩০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার শীর্ষ নেতার সম্পদের উৎস নিয়ে ছাত্রদল নেতার প্রশ্ন নানক-তাপসের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ আজ আবারও গভর্নরের মুখোমুখি বিজয় থালাপতি প্রথম ধাপে পে স্কেলর সুখবর পাচ্ছেন যারা রাষ্ট্রের বড় সম্পদ জনগণের বিশ্বাস: প্রধানমন্ত্রী ট্রাকের ধাক্কায় সড়কে ব্যবসায়ীর মৃত্যু আজ থেকে উৎপাদনে ফিরছে ইস্টার্ন রিফাইনারি শেরপুর হাতির ভয়ে কাঁচা ধান কাটছেন কৃষকেরা সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সভা বটিয়াঘাটায় বিদ্যালয় সংস্কারে শুভঙ্করের ফাঁকি গ্রামের সঙ্গে কেউ বিয়ের সম্পর্ক করতে চায় না বলে অভিযোগ এলজিআইডি অফিসে কর্মকর্তা অনুপস্থিত, সেবায় স্থবিরতা জেলা প্রশাসনের অনুমতিতে বাজারে এলো সুমিষ্ট আম বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পরে প্রাণ হারালেন স্কুল শিক্ষিকা, আহত ২ ৮ দিনেও মেলেনি খোঁজ, নিখোঁজ মাসুমকে ফিরিয়ে দিতে আহ্বান পরিবারের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট, দুর্ভোগে যাত্রীরা কুরবানির পশুর হাটে চাঁদাবাজি চলবে না: প্রতিমন্ত্রীর যমুনা অয়েলের বাঘাবাড়ি ডিপো ইনচার্জ সাদেকীনের নেতৃত্বে অনিয়মই যেখানে নিয়ম কালিহাতীতে এমপির নাম ভাঙ্গিয়ে চলছে বালুখেকোদের দৌরাত্ম্য শেরপুরে কৃষ্ণচূড়া ফুলে সেজেছে গ্রীষ্মের প্রকৃতি নারায়ণগঞ্জে অভিযানে হামলা, র‍্যাবের ৩ সদস্যকে কুপিয়ে জখম কেশবপুরে পুলিশের অভিযানে ১৭ আসামি গ্রেফতার টি-টোয়েন্টিতে শ্রীলঙ্কাকে পেছনে ফেলে অষ্টম স্থানে বাংলাদেশ শেরপুরে সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবিতে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় গুলিবিদ্ধ যুবক, ঢাকায় নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সেও গুলি বিদ্যুৎ নিয়ে যে সুখবর দিল পিডিবি সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা বকেয়া পরিশোধ ছাড়াই ঋণ পারবেন চামড়া ব্যবসায়ীরা বুধবার দেশে ফিরতে পারে বৃষ্টির মরদেহ আবারও ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছের রিমান্ডে চীনা নাগরিক পরিচয়ে বিয়ে করতে টাঙ্গাইলে ২ যুবক পরিচালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, অন্তঃসত্ত্বা ১২ বছরের শিশু পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় যেই আসুক বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে প্রভাব পড়বে না বৃষ্টির দিনে মন ভালো করার উপায়

যুক্তরাষ্ট্র ৬৬ সংস্থা থেকে সরে যাওয়ায় কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশ?

যুক্তরাষ্ট্র ৬৬ সংস্থা থেকে সরে যাওয়ায় কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশ
পাঠক সংখ্যা
638

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘের বেশ কিছু সংস্থাসহ মোট ৬৬টি আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে তার দেশকে প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। বাংলাদেশের মতো দেশগুলোতে এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে এক ধরনের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। যেসব সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ জলবায়ু চুক্তি ছাড়াও মানবাধিকার, গণতন্ত্র, লিঙ্গসমতা ও নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করে এমন বৈশ্বিক সহযোগিতা সংস্থাও রয়েছে।

বুধবার একটি প্রেসিডেন্সিয়াল স্মারকের মাধ্যমে এসব সংস্থার নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এই তালিকায় বৈশ্বিকভাবে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন চুক্তিসহ (ইউএনএফসিসিসি) জাতিসংঘেরই ৩১টি সংস্থার নাম আছে।

ট্রাম্প এরই মধ্যে জাতিসংঘের সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেসকো থেকে বেরিয়ে গেছেন এবং জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ বন্ধ করে দিয়েছেন। এর আগে তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এবং প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছিলেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র সরে যাওয়ার কারণে বহুপাক্ষিক এসব প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়বে এবং এর ফলে বাণিজ্য, মানবিক, শিক্ষা ও জলবায়ুর মতো বৈশ্বিক ইস্যুগুলোতে বাংলাদেশের মতো দেশগুলো যে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মাধ্যমে যে সুরক্ষা পেত, তা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র সরে যাওয়ার কারণে অন্য ধনী ও প্রভাবশালী দেশগুলোও এ ধরনের বহুপাক্ষিক সংস্থাগুলোতে অর্থায়ন বন্ধ বা কমিয়ে দিতে পারে বলে আশংকা তৈরি হয়েছে।

এর আগে গত বছরের জানুয়ারিতে বিদেশে মার্কিন সহায়তা স্থগিত করতে ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেন। পরে এর ধারাবাহিকতায় জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থা ইউএসএআইডি বন্ধ ঘোষণা করেন তিনি। ফলে বাংলাদেশে সংস্থাটির অর্থায়নে পরিচালিত অনেক প্রকল্পের কাজ বন্ধ হয়ে যায়।

কোন সংস্থাগুলো থেকে সরে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?

ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক ৬৬ সংস্থা থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণার পর হোয়াইট হাউজ বলেছে, এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হলো ‘এসব সংস্থা আর আমেরিকান স্বার্থ রক্ষা করছে না’ এবং ‘অকার্যকর ও বৈরি এজেন্ডা প্রচার করছে’। এসব সংস্থাগুলোর মধ্যে কয়েকটি জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কাজ করে আসছিল। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বিপর্যয়ের মুখে থাকা দেশগুলোর একটি হলো বাংলাদেশ।

এছাড়া আরও কিছু সংস্থা রয়েছে যারা শিক্ষা, মানবাধিকার, লিঙ্গ সমতা ও নারীর ক্ষমতায়নের মতো বৈশ্বিক ইস্যুতে কাজ করছে। বাংলাদেশেরও বিভিন্ন সংস্থা এসব ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহায়তায় তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল।

তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণার পর হোয়াইট হাউজ এসব সংস্থার কাজকে ‘করদাতাদের অর্থের অপচয়’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী, জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন চুক্তি (ইউএনএফসিসিসি) ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র ইন্টারগভার্নমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ বা আইপিসিসি থেকেও সরে যাচ্ছে। এটি বিশ্বের জলবায়ু বিজ্ঞান বিষয়ে অন্যতম প্রধান কর্তৃপক্ষ, যারা বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির বৈজ্ঞানিক তথ্য নিয়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য প্রতিবেদনগুলোর সংকলন করে। এখন আইপিসিসি থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরে গেলে দেশটির জলবায়ু বিজ্ঞানীরা এতে জড়িত থাকবেন কি না তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।

এর বাইরেও জাতিসংঘের যে ৩১টি সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরে যাচ্ছে, তার মধ্যে আছে ইন্টারন্যাশনাল ল’ কমিশন, ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সেন্টার, পিসিবিল্ডিং কমিশন, জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল, জাতিসংঘ গণতন্ত্র তহবিল এবং ইউএন ইউনিভার্সিটির মতো প্রতিষ্ঠান।

জাতিসংঘের বাইরে যে ৩৫টি আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরে যাচ্ছে তার মধ্যে আছে- ২৪/৭ কার্বন ফ্রি এনার্জি কমপ্যাক্ট, কমিশন ফর এনভায়রনমেন্টাল কোঅপারেশন, গ্লোবাল কাউন্টারটেররিজম ফোরাম, ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি ফোরাম এবং আন্তর্জাতিক সৌর জোটের মতো সংস্থা।

বাংলাদেশে কতটা প্রভাব পড়বে

ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক নির্বাহী আদেশের কারণে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ইউএসএইডের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার উল্লেখযোগ্য অংশ আসত এই ইউএসএইডের মাধ্যমে। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বৈদেশিক সহায়তা সংক্রান্ত ওয়েবসাইটের তথ্য বলছে, ২০১৮সাল থেকে বাংলাদেশকে প্রতিবছর দেওয়া সহায়তার পরিমাণ ৫০০মিলিয়ন বা ৫০কোটি ডলারের কাছাকাছি। এর আগের বছরগুলোতে আড়াইশো থেকে তিনশো মিলিয়ন ডলারের মার্কিন সহায়তা পেয়েছে বাংলাদেশ।

এই অর্থ যেসব খাতে ব্যবহৃত হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, গণতন্ত্র ও শাসনব্যবস্থা, পরিবেশ ও জ্বালানি এবং মানবিক সহায়তা। এছাড়া, রোহিঙ্গাদের জরুরি সহায়তার জন্যও বরাদ্দ ছিল এতে। এখন রোহিঙ্গাদের জন্য বরাদ্দ থাকলেও বাকী সব ক্ষেত্রেই যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়ন বন্ধ হওয়ায় অনেক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বাংলাদেশে বন্ধই হয়ে গেছে। এখন নতুন করে যে ৬৬টি সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরে যাচ্ছে তাতে বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তন জনিত সংকট মোকাবেলায় নেওয়া নানা কার্যক্রম ব্যাহত হবে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বহুপাক্ষিক এসব সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশ সরে দাঁড়ালে প্রতিষ্ঠানগুলো মারাত্মকভাবে দুর্বল হবে কারণ যুক্তরাষ্ট্রই এসব সংস্থার প্রধান অর্থায়নকারী দেশ। বাংলাদেশের ওপর এর বড় রকমের আঘাত আসবে। বাংলাদেশ যদিও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সহায়তা গ্রহণকারী দেশ না। কিন্তু বাণিজ্য ও মানবিক ইস্যুতে আন্তর্জাতিক আইনে অনেক কিছুতে সুরক্ষা পায় বাংলাদেশ এসব সংস্থাগুলোর কারণে। এখন আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হলে এক ধরনের বিশৃঙ্খলা বা নৈরাজ্য তৈরি হতে পারে।

অনেকে মনে করেন, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হলে আবারো বিশ্বে বিভিন্ন ‘ব্লক বা অ্যালায়েন্স পলিটিকস’ সামনে আসবে, যাতে করে অপেক্ষাকৃত দুর্বল রাষ্ট্রগুলোর জন্য সমস্যার বিষয় হয়ে দাঁড়াতে পারে।

তাছাড়া বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতো প্রতিষ্ঠানগুলো সামগ্রিক খাদ্য ও স্বাস্থ্য খাতে বৈশ্বিক যে সুরক্ষা দিয়ে আসছিলো সেটি দ্বিপাক্ষিকভাবে সমাধান অনেকটাই অসম্ভব বলে মনে করা হয়। আবার ফান্ড ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ বা জলবায়ু বিষয়ক অন্য সংস্থাগুলোর কারণে বাংলাদেশের জলবায়ু কেন্দ্রিক নিরাপত্তা ও নৈতিক অবস্থান বিশ্বের কাছে তুলে ধরা যাচ্ছিলো। এখন এই সংস্থাগুলো দুর্বল হলে তাতে বাংলাদেশের এই কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশংকা তৈরি হবে।

বাংলাদেশ করোনার সময় ভ্যাকসিন পেয়েছিল বৈশ্বিক ব্যবস্থাপনাতেই। এসব ফোরামগুলো সে কারণে গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো থেকে সরে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হয়তো অনুকূল সিদ্ধান্ত কিন্তু যে কাঠামোতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক জোরদার হয় তাতে ঝুঁকি তৈরি হলো।

বিশ্বব্যাংকের সাবেক অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলছেন, আমেরিকার সরে দাঁড়ানোর প্রতীকী মূল্যই অনেক কারণ আমেরিকা সরে দাঁড়ালে অন্য ধনী দেশগুলোও এসব কর্মসূচি থেকে সরে দাঁড়ানোর অজুহাত পেতে পারে। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন, অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তায় বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতি অনেক দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্র উন্নত বিশ্বের নেতৃস্থানীয় দেশ হিসেবে দারিদ্রতা, বৈষম্য, জলবায়ু পরিবর্তনসহ গ্লোবাল ইস্যু বা গ্লোবাল পাবলিক গুডস-এর ক্ষেত্রে অর্থায়নে এগিয়ে আসবে এটাই সবাই আশা করে।

গ্লোবাল কমিউনিটির এজেন্ডার সঙ্গে আমেরিকার বর্তমান প্রশাসন একটি সামাজিক দূরত্ব তৈরি করছে এবং এর ফলে বৈশ্বিক স্বার্থের বদলে যারা একা চলতে চায় তারাই উৎসাহিত হবে। এসব প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়েছে বৈশ্বিক স্বার্থ রক্ষার জন্য। এখানে আমেরিকার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তারা না থাকলে দুটি সংকট হবে- এর একটি হলো অর্থায়নের সংকট, অন্যটি হলো গ্লোবাল কমিউনিটি ঐক্যবদ্ধ থাকা চ্যালেঞ্জে পড়বে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের এই ঘোষণার মাধ্যমে বৈশ্বিকভাবে বড় বিভক্তিরও সূচনা হলো।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

দিঘলিয়ায় ডাকাতির সময় নিজেদের গুলিতে ডাকাত নিহত

দিঘলিয়ায় ডাকাতির সময় নিজেদের গুলিতে ডাকাত নিহত

মো: মাসুম বিল্লাহ, খুলনাঃ খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার দেয়াড়া খেয়াঘাট এলাকায় গভীর রাতে ডাকাতির সময় নিজেদের গুলিতে এক ডাকাত সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গত ২৭ মার্চ (বৃহস্পতিবার) রাত আনুমানিক ২টার দিকে স্টিমার ঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভির রাতে ৫/৬ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল ফ্লেক্সিলোড ও বিকাশ ব্যবসায়ী জাবেদ আলী শেখের ছেলে তৌহিদুল ইসলামের পথরোধ করে। তিনি দোকান বন্ধ করে নগদ টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় ডাকাতরা তাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। আহত তৌহিদুল ইসলামের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ডাকাতরা তার কাছ থেকে জোরপূর্বক টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এ সময় ডাকাত দলের এক সদস্য তৌহিদুল কে গুলি করতে

আরও পড়ুন
language Change