তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
বিএনপি না হয়ে সাংবাদিক হোন: অর্থমন্ত্রী হাসপাতালের খাবার খেয়ে যাচাই করলেন এমপি রোনালদোর ক্যারিয়ারকে পূর্ণতা দিতে চান ব্রুনো পরীক্ষার হলে ফ্যান খুলে মাথায় পড়ল শিক্ষার্থীর চট্টগ্রাম বন্দরে ৩৪ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে জাহাজ বাবার গ্রেফতার ইস্যুতে পূজা চেরী: আমাকে জড়াবেন না রাজউক ইমারত পরিদর্শক মোঃ আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ চার বিভাগে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড় শিক্ষার্থীরা এখন ভাইরাল হতে চায় সিবিএ নেতার বরখাস্ত প্রত্যাহারে যমুনা অয়েল কর্তৃপক্ষকে আওয়ামিলীগ নেতা আজম নাসিরের বড় ভাইয়ের চাপ ঢাকায় লোডশেডিংয়ের পরিকল্পনা সম্পর্কের পর বিয়ের গুঞ্জনে আনুশকা সোমবার যশোর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের এই মুহূর্তে প্রধান সমস্যা কী সম্পাদক-প্রকাশক পরিষদের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে আয়ান, খায়রুল ও মতিউর শাহবাগে মুখোমুখি শিক্ষক-পুলিশ হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু বাগেরহাটে সরকারিকৃত কলেজ শিক্ষক সমিতি সভা ও কমিটি গঠন তপ্ত রোদে প্রাথমিক সুপারিশপ্রাপ্তদের শাহবাগে অবস্থান বিসিকে শ্রমিক লীগের মুজিব সেনারা এখন জিয়া পরিষদের নেতা! ইমারত পরিদর্শক মোঃ শরীফ হোসেন এর বিরুদ্ধে একাধিক ভবন থেকে অর্থ গ্রহণের অভিযোগ মেসেজে কবুল বললে বিয়ে হয়ে যাবে? ইসলাম কী বলে প্রেসিডেন্টের চেয়ে ভয়ংকর পেশা আর নেই বিএনপির জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ ও প্রস্তুতি সভা সিরাজগঞ্জে সনাতন সম্প্রদায়ের সঙ্গে বিএনপির মতবিনিময় স্বাক্ষর জালিয়াতি মামলার আসামি মেহেদী পুনঃপদায়ন: সরানো হলো সিভিল সার্জনকে স্মার্টফোনের দাম কমিয়ে ২৫০০ টাকা করতে চায় সরকার ঝিনাইগাতীতে কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত ছাত্রলীগের ১২ জন নেতাকর্মী গ্রেফতার শেরপুরের কৃতি সন্তান ডাঃ মহিউদ্দিন কাজল এখন মেডিক্যাল অফিসার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছাত্রদল নেতাদের বৈঠক আজ থেকে গণপরিবহনে ভাড়া বাড়ল সরকারের দ্বিতীয় একনেক বৈঠক আজ তনু হত্যা মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর নির্যাতন বন্ধে আইন নয়, সামাজিক সচেতনতাও জরুরি আ.লীগের মতো বিএনপিও প্রতিপক্ষ মনে করছে নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমেই ক্ষমতায় বিএনপি হাম উপসর্গে ১১ শিশুর মৃত্যু বটিয়াঘাটায় খেয়াঘাট সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য যুদ্ধ থেকে সম্মানজনক প্রস্থানের পথ খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র ধান কাটা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১ দীঘিনালায় বাড়ছে নিবন্ধনবিহীন মোটরসাইকেল বাংলাদেশ-নেপা‌ল ব্যবসায়িক সংযোগের জোরদার নোয়াখালীর চাটখিলে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন টাঙ্গাইল বড় কালীবাড়ীতে শুরু হয়েছে মহানামযজ্ঞ ও লীলা কীর্তন সোবহানার ফিফটিতে দুইশ ছাড়ালো বাংলাদেশ নেট দুনিয়ায় সাড়া ফেলেছে সাবিনার ইয়াসমিনের নতুন গান জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রমাণ করেছে, রাষ্ট্রের মালিক জনগণ এসএসসি পরীক্ষার্থীকে হত্যার ঘটনায় উঠে এলো ফুয়েল পাসে মিলছে বেশি তেল

কাজ শেষ না হতেই বিল পরিশোধ গণপূর্তের প্রকৌশলী ফয়জুলের

কাজ শেষ না হতেই বিল পরিশোধ গণপূর্তের প্রকৌশলী ফয়জুলের
পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার॥

সরকারি উন্নয়ন কাজের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল কি সুপরিকল্পিত অর্থ লুটের এক নীরব মহোৎসব—এমনই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে প্রশাসনিক মহল থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের আলোচনায়। গণপূর্ত অধিদপ্তরের মহাখালী বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এ.এইচ.এম. ফয়জুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা একাধিক অভিযোগ যেন সেই অন্ধকার বাস্তবতার পর্দা সরিয়ে দিয়েছে। তার বিরুদ্ধে ভুয়া বিল তৈরি, অসমাপ্ত কাজের বিপরীতে পূর্ণাঙ্গ বিল উত্তোলন, দরপত্র প্রক্রিয়ায় কারসাজি, কমিশন বাণিজ্য এবং বেনামে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ জমা পড়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এ। অভিযোগের বিবরণে উঠে এসেছে এমন এক চিত্র, যেখানে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প কেবল অবকাঠামো নির্মাণের জন্য নয়, বরং একটি সংগঠিত আর্থিক সুবিধা আদায়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, বিভিন্ন সরকারি ভবনের সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ আংশিক বা অসম্পূর্ণ থাকা সত্ত্বেও পূর্ণাঙ্গ বিল উত্তোলনের ঘটনা ঘটেছে নিয়মিতভাবে। প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি এবং কাগজপত্রে প্রদর্শিত অগ্রগতির মধ্যে ছিল বিস্তর ফারাক। মাঠপর্যায়ে কাজ শেষ না হলেও কাগজে-কলমে তা সম্পন্ন দেখিয়ে বিল ছাড়ের ব্যবস্থা করা হতো বলে অভিযোগকারীদের দাবি। ভুয়া ভাউচার, জাল কাগজপত্র এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতির মিথ্যা প্রতিবেদন তৈরি করে কোটি কোটি টাকার বিল ছাড় করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কিছু ঠিকাদারের সঙ্গে সমন্বয় করে ‘কাজ সম্পন্ন’ দেখানোর একটি অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া গড়ে তোলা হয়েছিল বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন।

অভিযোগের আরও গুরুতর অংশ হলো দরপত্র প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়মের বিষয়টি। বলা হয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক দরপত্র আহ্বানের আগেই কাজ শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হতো। পরে ওভার দ্য কাউন্টার মেথড (ওটিএম) ব্যবহার করে নির্দিষ্ট ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়া হতো। অভিযোগ অনুযায়ী, এটি ছিল একটি পরিকল্পিত কৌশল—প্রথমে কাজ শুরু করে পরে প্রশাসনিক বৈধতা দেওয়া, যাতে প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র প্রক্রিয়া এড়িয়ে পছন্দের ঠিকাদারদের সুযোগ দেওয়া যায়। এতে সরকারের আর্থিক স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি স্বচ্ছতার নীতিও লঙ্ঘিত হয়েছে বলে অভিযোগকারীরা উল্লেখ করেছেন।

অর্থবছরের শেষ প্রান্তে তড়িঘড়ি কাজ দেখিয়ে বিল ছাড়ের প্রবণতাও অভিযোগে উঠে এসেছে। বছরের শেষ সময়ে দ্রুত কাজ সম্পন্ন হয়েছে এমন দেখিয়ে বড় অঙ্কের বিল অনুমোদন নেওয়া হতো বলে দাবি করা হয়েছে। এতে প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করার সুযোগ থাকত না এবং নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগও উঠে এসেছে। একই সঙ্গে অগ্রিম বিল অনুমোদনের ক্ষেত্রেও কমিশনের বিনিময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, বকেয়া বিল ছাড় করতে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত ঘুষ নেওয়া হতো। বরাদ্দ বাড়িয়ে দেওয়া বা কাটছাঁটের ভয় দেখিয়ে নির্দিষ্ট হারে কমিশন আদায়ের একটি অঘোষিত নিয়ম চালু ছিল বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন। এতে দপ্তরের অভ্যন্তরে এক ধরনের ‘সিন্ডিকেট সংস্কৃতি’ গড়ে ওঠে, যেখানে কমিশন ছাড়া কোনো কাজ অগ্রসর হতো না। অর্থাৎ ফাইলের গতিও নির্ভর করত অনানুষ্ঠানিক আর্থিক লেনদেনের ওপর।

জুলাই মাসে সংঘটিত রাজনৈতিক সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি সরকারি স্থাপনার সংস্কার কাজ নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, দরপত্র আহ্বানের আগেই এসব কাজ শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে ওটিএম পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বান করে নির্দিষ্ট ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়া হয়। এর বিনিময়ে মোটা অঙ্কের কমিশন নেওয়ার কথাও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এই প্রক্রিয়াটি নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিকে পাশ কাটিয়ে প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের ইঙ্গিত দেয় বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

স্বাস্থ্যখাতের কিছু প্রকল্পেও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সাধারণত এসব কাজ এলটিএম পদ্ধতিতে সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে ওটিএম পদ্ধতি প্রয়োগ করে নির্দিষ্ট ঠিকাদারদের সুবিধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে প্রতিযোগিতা কমে গিয়ে প্রকল্প ব্যয়ের স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। একই সঙ্গে কাজ অসম্পূর্ণ থাকা সত্ত্বেও অগ্রিম বিল পরিশোধ এবং নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের বিষয়টিও অভিযোগপত্রে তুলে ধরা হয়েছে।

অভিযোগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সম্পদ অর্জনের বিষয়টি। অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তার ও তার স্ত্রীর নামে একাধিক ফ্ল্যাট, বাড়ি ও প্লট রয়েছে। উল্লেখিত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে গুলশান, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, উত্তরা এবং বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা। এছাড়া স্ত্রীর নামে উচ্চমূল্যের এফডিআর এবং বিদেশে অর্থ পাচারের গুঞ্জনের কথাও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা।

এ বিষয়ে ফয়জুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি বলে জানা গেছে। ফলে তার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

দুর্নীতির এ ধরনের অভিযোগের প্রেক্ষাপটে নীতিগত দিক নিয়ে কথা বলেছেন ড. ইফতেখারুজ্জামান, নির্বাহী পরিচালক, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। তিনি বলেছেন, দেশে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজনীয় আইন ও বিধিমালা বিদ্যমান থাকলেও বাস্তবে সেগুলোর যথাযথ প্রয়োগ দেখা যায় না। তার মতে, ব্যতিক্রম হিসেবে ছোটখাটো অনিয়মের ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগের কিছু নজির থাকলেও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার উদাহরণ খুব কম।

তিনি আরও বলেন, আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ করে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। শুধুমাত্র বিভাগীয় পদক্ষেপ দুর্নীতি দমনে যথেষ্ট নয় বলে তিনি মত দেন। কার্যকর তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমে দুর্নীতির সংস্কৃতি ভাঙতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অভিযোগগুলো প্রমাণিত হলে তা কেবল একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনিয়মের ঘটনা নয়, বরং একটি প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে বলে বিশ্লেষকদের মত। সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে এ ধরনের অনিয়ম ভবিষ্যতেও ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এই ঘটনার তদন্তের অগ্রগতি এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ উন্নয়ন ব্যয়ের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের অংশ, এবং সেই দায়িত্বে অবহেলা বা অনিয়মের প্রভাব পড়ে সরাসরি জনস্বার্থে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ নেয়, তা এখন নজর রাখছে সংশ্লিষ্ট মহল।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

২৩ নাবিক সহ বাংলাদেশি জিম্মি জাহাজ

ডেক্স রিপোট॥ বাংলাদেশি মালিকানাধীন জাহাজ এমভি আব্দুল্লাহ। বাংলাদেশের স্থানীয় সময় দুপুর ১টা থেকে ২টার মধ্যে এ সোমালিয়া থেকে প্রায় ৪৫০ নটিক্যাল মাইল দূরে সমুদ্রে অন্তত ১০০ দস্যু জাহাজটি তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। ওই জাহাজে কর্মরত ২৩ জন বাংলাদেশি নাবিক দস্যুদের কাছে জিম্মি অবস্থায় রয়েছে। নৌপরিবহণ অধিদপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা গেছে, সমুদ্রগামী এ জাহাজটি কয়লা নিয়ে মোজাম্বিক থেকে দুবাই যাচ্ছিল। পথিমধ্যে গালফ অব ইডেনে জাহাজটিতে হামলা চালিয়ে নিয়ন্ত্রণ নেয় দস্যুরা। তাদের অনেকের হাতে অস্ত্র রয়েছে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নাবিকেরা নিরাপদে রয়েছেন। নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই পরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি জানিয়েছে। এমভি আব্দুল্লাহ জাহাজটির মালিক চট্টগ্রামের এসআর শিপিং লিমিটেড। এটি মূলত বাল্ক ক্যারিয়ার। জাহাজটি আক্রান্তের তথ্য  নিশ্চিত করেছেন নৌপরিবহণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর মোহাম্মদ মাকসুদ আলম। তিনি বলেন, জাহাজের বিষয়ে খোঁজখবর

আরও পড়ুন
language Change