তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
শত্রুরা চূড়ান্ত পরাজিত না হওয়া পর্যন্ত হামলা চলবে : আইআরজিসি স্ত্রীর আত্মহত্যা নিয়ে যা বললেন জাহের আলভী মাস্টারকার্ড ও প্রাইম ব্যাংকের ‘প্রাইম নাও’ চালু করলো দেশের প্রথম নম্বরবিহীন ডেবিট কার্ড প্রাতিষ্ঠানিক জাকাত ব্যবস্থার আহ্বান-মাওলানা শাহ মোহাম্মদ শফিকুর রহমান দুই কাটা হাত উদ্ধার, আঙুলের ছাপে মিলল পরিচয় বাহরাইন, কুয়েত ও আবুধাবিতে বিস্ফোরণ শেরপুরে আমের মুকুলের স্বর্ণালী শোভা দক্ষিণ এশিয়ার নতুন পরাশক্তি বাংলাদেশ! ইরানের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা ছুটির দিনেও অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী ট্রেনের ধাক্কায় ট্রাক পড়ল বসতবাড়ির ওপর সেহরি কী? সময় ও অর্থ ইরানে হামলা চালাল ইসরায়েল ৬ বলে এক রাতের ভাগ্য নির্ধারণ! যৌতুকের টাকার জন্য স্ত্রীকে অমানুষিক নির্যাতন ইরান ইস্যুতে সন্তুষ্ট নন ট্রাম্প, বেঁধে যেতে পারে যুদ্ধ কুমিল্লায় ওটি এসোসিয়েশনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও ইফতার কালীগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে দুইজনের কারাদণ্ড এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ মারা গেলেন আ.লীগের সাবেক এমপি জোয়াহেরুল ইসলাম ঝালকাঠিতে রিপোর্টার্স ক্লাবের আত্মপ্রকাশ ও ইফতার মাহফিল দেশে কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে আজ ডায়াবেটিস সচেতনতা দিবস আজ জামায়াতের ইফতার মাহফিলে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানের প্রশংসা করলেন ট্রাম্প ডা. জুবাইদা রহমানর উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিতদের ইফতার শিবগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার- ১ ঝিনাইগাতীতে দুই শতাধিক পরিবারের মাঝে  ইফতার সামগ্রী বিতরণ সারগাম সংগীত একাডেমির বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত আমতলীতে মামলা না তুললে এসিড মারার হুমকি শ্রীমঙ্গল ভুরভুরিয়া খাল রক্ষায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান কুয়াকাটায় আগুনে ভূস্মিভূত ৮ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কেশবপুরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাটি কাটায় দন্ড কালীগঞ্জে পৃথক অভিযানে বিপুল মাদকসহ গ্রেফতার-৬ মানবতা ও সমাজ কল্যাণে হতদরিদ্রদের পাশে সিন্দুকছড়ি জোন বরগুনায় ভুল চিকিৎসার অভিযোগে ডাক্তারের বিচার দাবি কেশবপুরে খাদ্যে ভেজালের অভিযোগে বিক্রেতা আটক পাটকেলঘাটায় সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-১ শেরপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শিশু খাদ্য তৈরির দ্বায়ে ২ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা কেরাত প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ স্বীকৃতি পেল হাফেজ আব্দুল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বিজিবি’র অভিযানে নেশাজাতীয় সিরাপসহ আটক-১ বরগুনায় ভুয়া চিকিৎসক বিরোধী অভিযান দেবিদ্বার উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে নবনির্বাচিত এমপিকে সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল শ্রীমঙ্গলে শিশু উদ্যানের সংস্কারে মতবিনিময় সভা কক্সবাজার যাওয়ার পথে ট্রাক চাপায় যুবকের মৃত্যু মৌলভীবাজারে বেঙ্গল সুইট ফুডকে ১৬ লক্ষ টাকা জরিমানা গুণীজনদের হাতে একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শত্রুদের সঙ্গেও মহানবী ছিলেন সর্বোত্তম আচরণের মূর্ত প্রতীক

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার:

বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের সদস্য সচিব ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেছেন, আল্লাহর বিধান প্রতিপালন ও প্রিয় নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাতের অনুসরণই দুনিয়ায় শান্তি ও পরকালে মুক্তির একমাত্র পথ। পবিত্র কুরআনের বর্ণনায়- প্রিয় নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ভালোবাসা মুমিনের ইমান; আর তার রেখে যাওয়া আদর্শ তথা, সুন্নাতের অনুসরণই হচ্ছে তাকে ভালোবাসার প্রমাণ। ঘোরতর শত্রুদের সঙ্গেও সর্বাবস্থায় মহানবী ছিলেন কোমল এবং সর্বোত্তম আচরণের মূর্ত প্রতীক সোমবার সকালে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন। আহলা দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন হয়রত মওলানা শাহসূফি সৈয়দ মুহাম্মদ এমদাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ মাইনুল ইসলাম জুনায়েদ, বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল, আলহাজ্ব শহিদুল ইসলাম, হাজী সেলিম আহমেদ সালেম প্রমুখ। কাদের গনি চৌধুরী বলেন, বিশ্ব জাহানের স্রষ্টা এবং প্রতিপালক মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বিশ্ববাসী সব সৃষ্টির ইহকালীন শান্তি ও পারলৌকিক মুক্তির জন্য মহানবী হযরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে পাঠিয়েছিলেন এই ধরাধামে। প্রথম নবী হযরত আদম আলাইহিস সালাম থেকে শুরু করে নবুয়তের ধারাবাহিকতায় তিনি এ পৃথিবীতে আগত সর্বশেষ নবী এবং রাসূল। তার আগমনে গোটা বিশ্বজাহান আনন্দে উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছিল। আকাশে বাতাসে ধ্বনিত প্রতিধ্বনিত হয়ে উঠেছিল মুক্তির বারতা তার আগমনে স্রষ্টাকে ভুলে যাওয়া মানবজাতি নতুন করে সন্ধান পেয়েছিল মুক্তিপথের।

পেশাজীবীদের এই নেতা বলেন, তাওহিদের অমিয় বাণী কালিমা ‘লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ তথা ‘এক আল্লাহ ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই’ – এই মহাসত্যের বুলন্দ আওয়াজ ছড়িয়ে পড়েছিল জগতময়। সত্যের পথে, শান্তির পথে, মুক্তির পথে ফিরে আসার সুযোগ লাভ করেছিল জগতবাসী। লাত, মানাত, উযযা, হুবলদের মতো মিথ্যে এবং অসার উপাস্যদের বিদায়ের বারতা ঘোষিত হয় বিশ্বময়। মানবসৃজিত অন্ধকার এবং পঙ্কিলতার পথ ছেড়ে বনি আদম পুনরায় মাথা নত করার শিক্ষা লাভ করে এক আল্লাহর সামনে। আজকের বিশ্ববাসীর কল্যাণ ও মুক্তিও তার রেখে যাওয়া সুমহান আদর্শ ধারণ করার মধ্যেই। সেই মহান আদর্শের ছায়াতলেই হোক আমাদের পথচলা।

সাংবাদিকদের এ নেতা বলেন, হযরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন ইনসানে কামিল বা পরিপূর্ণ মানব। মানবীয় অবয়বে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার গুণাবলী যতটুকু ধারণ করা সম্ভব, তার সর্বোচ্চ সমাহার ঘটেছিল মহানবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মধ্যে। আয়শা রাদিআল্লাহু তাআলা আনহার বাচনিকে, প্রিয় নবীজীর জীবন ছিল জীবন্ত কুরআন। তার শুভাগমনে ইসলামের পরিপূর্ণতা ঘটেছে। কাদের গনি চৌধুরী বলেন, হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুমহান আদর্শ ও সর্বোত্তম চরিত্র অনুসরণ করার মধ্যেই সফলতা, স্বার্থকতা, মুক্তি এবং চূড়ান্ত কামিয়াবি। ইহকাল পরকালে সফলতা ও নাজাতের জন্য বিশ্ববাসী প্রত্যেকের জন্য তার অনুসরণই একমাত্র কর্তব্য। তিনি নবী মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইতিহাসের অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব উল্লেখ করে বলেন, অন্য ধর্মাবলম্বীরাও তাকে মানবজাতির সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সংস্কারক ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী বিখ্যাত পণ্ডিত মাইকেল এইচ হার্ট তার বহুল আলোচিত ‘দ্য হান্ড্রেড’ গ্রন্থে হজরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ’ হিসেবে স্থান দিয়েছেন। ব্রিটিশ মনীষী সাহিত্যিক জর্জ বার্নার্ড শ বলেছেন, এই অশান্ত পৃথিবীতে তার মতো একজন মানুষের প্রয়োজন। তিনি বেঁচে থাকলে পৃথিবীজুড়ে সুখের সুবাতাস বইত। তার আগমনে যে বিপ্লবের সূচনা হয়েছিল, দুনিয়াজুড়ে তা বিস্তৃত হয়েছে।ই সলাম প্রতিশোধে বিশ্বাস করে না উল্লেখ করে কাদের গনি চৌধুরী বলেন, পৃথিবীর তাবত আদর্শ এবং মতবাদ খুঁজেও এর দ্বিতীয় একটি নজির পাওয়া যাবে না। ইসলামের শিক্ষা, ‘প্রতিবাদের শ্রেষ্ঠ পন্থা উত্তম আচরণ’। প্রিয় নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সারা জীবনের আদর্শ ছিল এটাই। মন্দের প্রতিবাদ তিনি কোনো দিন মন্দ কাজ দিয়ে করেননি। প্রতিশোধ নেওয়ার ক্ষেত্রে তার সারা জীবনের চরিত্র ছিল উত্তম এবং শ্রেষ্ঠতম আচরণ প্রদর্শন করতেন তিনি। ঘোরতর শত্রুদের সঙ্গেও সর্বাবস্থায় তিনি ছিলেন কোমল এবং সর্বোত্তম আচরণের মূর্ত প্রতীক।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

ক্যানসারের মহৌষধ ভেষজ আঙ্গুর

স্টাফ রিপোর্টার: চিকিৎসকদের ভাষায় ক্যানসার একটি ‘মাল্টি ফ্যাকেটেরিয়াল ডিজিজ’। মূলত তেল-মশলাদার খাবার, অতিরিক্ত বাইরের খাবার, অতিরিক্ত চিনি ও ময়দা খেলে ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। শরীরের কোনও কোষের অস্বাভাবিক ও অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধিই ক্যানসারের অন্যতম কারণ। ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই এবং তা নির্মূল করার উপায় খুঁজতে বিজ্ঞানীরা দিনরাত পরিশ্রম করছেন। রোগীদের কিছুটা রিলিফ কীভাবে দেওয়া যায় তার উপায় খোঁজ করছেন তারা। ২৫ বছর ধরে গবেষণা করছেন ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটি মেডিকেল ফিজিক্স এবং সাইকোলজির সিনিয়র প্রফেসর ডাক্তার হার্ডিন। তিনি ক্যান্সার নিয়ে একটি গবেষণা রিপোর্ট পেশ করেছেন। গবেষণা রিপোর্টে তিনি জানিয়েছেন যে ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য প্রয়োগ করা কেমোথেরাপি রোগীদের যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যুর দিকে ঠেলে নিয়ে যায়। এর বদলে প্রাকৃতিক উপায় যদি আপনি ফল গ্রহণ করেন বা ঘরোয়া ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা যায় ক্যান্সারের ক্ষেত্রে অনেক বেশি কার্যকর

আরও পড়ুন
language Change