তারিখ লোড হচ্ছে...

সাবেক নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ’র ঘনিষ্ঠ সহচর দুর্নীতিবাজ সাইদুর কি আইনের উর্ধ্বে? সালমান-শাবনূরের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন প্রয়াত অভিনেতার মা   ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস ইরানের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ পদে বড় রদবদল রাজধানীতে ডিএমপি নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪ গোল্ডেন শু’র মালিক আবারও হ্যারি কেইন দেশের বাজারে আবারও বাড়ল সোনার দাম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন : জাতীয় সংসদে প্রস্তুতিমূলক সভা রামগড়ে মোবাইল কোর্টের অভিযানে বাল্যবিবাহ বন্ধ ও জরিমানা সুনামগঞ্জের নবীনগর এলাকায় পুলিশের অভিযানে ভারতীয় মদসহ ২ জন আটক গোয়েন্দা সংস্থার পদক্ষেপ জরুরী সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে আমলা ও গুপ্ত সিন্ডিকেটের নানামুখি চক্রান্ত: কাশিয়ানীতে একযোগে আওয়ামী লীগের ১০ নেতার পদত্যাগ জামিনে মুক্তি পাওয়াদের বরণ করতে গিয়ে ফুলের মালাসহ আ.লীগের ৪ নেতাকর্মী আটক সৌদিতে আরবে সোফা কারখানায় অগ্নিকান্ডে নাটোরে নলডাঙ্গার ৩ প্রবাসী নিহত  বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম ৩১২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করেনি কক্সবাজার দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশনের নির্বাচন ২৮ আগস্ট সৌদি আরবে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১০ বাংলাদেশি নিহত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়, চুরির অপবাদ দিয়ে শ্লীলতাহানি পাবনায় ব্যাংক হামলার পর সাংবাদিক নির্যাতন, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত লোকমান মেম্বারের বিরুদ্ধে একের পর এক... কপ-৩১: প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নের পথে, তুরস্কে জলবায়ু কূটনীতির নতুন পরীক্ষা ফায়ার সার্ভিস এর অবৈধ নিয়োগ ও বদলী বানিজ্য সহ হত্যা মামলার অভিযুক্ত আসামী এবং ওয়ার হাউস থেকে দূর্নীত... জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেফতার ডন, পানির নিচের গ্যাস পাইপে লিকেজ, নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুরে সরবরাহ বন্ধ সাতক্ষীরা ছাত্রদলের উপর হামলা,জেলা সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের কঠোর হুশিয়ারি ‎সুশৃঙ্খল সড়ক ও মোটরযান ব্যবস্থাপনায় ন্যায্যতার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমে সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ সুনামগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ৮১ সদস্য বিশিষ্ঠ পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন সাতক্ষীরায় রাস্তা উদ্বোধন ও বৃক্ষরোপণ করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব খাগড়াছড়িতে প্রমিলা কাপ ফুটবল ও ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন যে জাল থেকে রেহাই পাচ্ছে না জল জীবনের কেউ-নলডাঙ্গায় প্রসাশনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে পোনা মাছ নিধনের মহো... বৃষ্টির মৌসুম এলেই রাজধানী ঢাকা যেন এক পরিচিত দুর্ভোগের নগরী সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নে সরকারকে ৩ মাসের আল্টিমেটাম শ্রীমঙ্গলে দলীয় নেতা তাজ উদ্দিনকে পাশে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন প্রক্ষাঘাতগ্রস্থ বিএনপি কর্মী  উত্তরাঞ্চলের বঞ্চনা দূর করে ন্যায্য উন্নয়নের অঙ্গীকার তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর গোল করে মেসির বাবাকে শ্রদ্ধা জানালেন ডি পল টক্সিক ট্রেলারে যশের তাণ্ডব, ১৫ ঘণ্টায় দেড় কোটি ভিউ ডিএমপির বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫০৪ যুক্তরাষ্ট্রে দাবানল নিয়ন্ত্রণে গিয়ে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত সোমবার এসএসসি-সমমানের ফল, জানা যাবে যেভাবে? মহেশখালীর মাতারবাড়িতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে কেন গুটিয়ে নিয়েছেন শাকিব খান? জানালেন কারণ বিএনপির নারী এমপিকে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ চীনের পর পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালালো ভারত ঝিনাইগাতীতে ৬০০ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ, মূল্য প্রায় ১৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা লংগদুতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে চক্ষু ক্যাম্প, ৭০০ রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা একটি চক্র জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় চৌফলদণ্ডী ইউপিতে নাগরিক সেবা অব্যাহত রাখায় আলোচনায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মনজুর আলম রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ৪৮৫ গ্রেফতার মামলা ৫০

যেসব কারণে বন্ধ্যাত্ব হতে পারে পুরুষেরও

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার: বন্ধ্যাত্ব কেবলমাত্র শারীরিক স্বাস্থ্যগত কারণেই নয়, এর পেছনে অনেক মনোসামাজিক, জীবনধারা, এবং পরিবেশগত উপাদানও কাজ করে থাকে। পুরুষের বন্ধ্যাত্বের বেশ কিছু কারণ রয়েছে, যা তাদের প্রজননক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

পুরুষের বন্ধ্যাত্বের সম্ভাব্য কারণ হতে পারে, চলুন জেনে নেয়া যাক-

অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা

বর্তমান সময়ে, অনেক পুরুষ অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং খাদ্যাভ্যাসের কারণে বন্ধ্যাত্বের শিকার হচ্ছেন। অতিরিক্ত মদ্যপান, ধূমপান, স্থূলতা, এবং অনিয়ন্ত্রিত খাওয়ার অভ্যাস পুরুষের প্রজনন ক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে। বিশেষত, অতিরিক্ত মদ্যপান এবং ধূমপান শুক্রাণুর গুণগত মান এবং পরিমাণে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।

শারীরিক আঘাত বা চিকিৎসা সমস্যা

পুরুষের বন্ধ্যাত্বের আরেকটি বড় কারণ হলো শরীরের উপর শারীরিক আঘাত। উদাহরণস্বরূপ, মূত্রথলির অস্ত্রোপচার, কিংবা যৌনাঙ্গে আঘাত বা সংক্রমণ পুরুষের প্রজননক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। এছাড়া, বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা যেমন কেমোথেরাপি বা রেডিয়েশন থেরাপি থেকেও বন্ধ্যাত্ব হতে পারে।

হরমোনের অস্বাভাবিকতা

পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন এবং অন্যান্য হরমোনের অসম্পূর্ণতা প্রজননক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। বিশেষত, হরমোনজনিত সমস্যা যেমন হাইপোগনাডিজম (টেস্টোস্টেরনের অভাব) পুরুষের শুক্রাণুর উৎপাদন ও গুণমানের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

জেনেটিক কারণ

বংশগত বা জেনেটিক কারণে অনেক পুরুষ বন্ধ্যাত্বে ভোগেন। ক্রোমোজোমাল সমস্যা, যেমন কাইরোপলাজমিক অস্বাভাবিকতা (যেমন কলাইফেল্টার সিনড্রোম), শুক্রাণু উৎপাদনে সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং বন্ধ্যাত্বের কারণ হতে পারে।

পরিবেশগত প্রভাব

পরিবেশগত বিষাক্ত পদার্থ যেমন পেস্টিসাইড, ভারী ধাতু (তামা, সীসা, পারদ), এবং প্লাস্টিকের কিছু রাসায়নিক পুরুষের প্রজননক্ষমতা হ্রাস করতে পারে। এইসব রাসায়নিক পদার্থ শুক্রাণুর গুণগত মান এবং পরিমাণে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

মানসিক চাপ এবং উদ্বেগ

মানসিক চাপ এবং উদ্বেগ পুরুষের শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করে। দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপের ফলে শরীরে কারটিসল হরমোনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, যা শুক্রাণুর উৎপাদনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

বংশগত ইনফেকশন বা রোগ

কিছু পুরুষের ক্ষেত্রে যৌন সংক্রমণ বা অগ্ন্যাশয়ের সমস্যা (যেমন, মেনোনোজাইটিস বা মহিলাদের কাছে দেখা যায় এমন ক্ল্যামিডিয়া সংক্রমণ) বন্ধ্যাত্বের কারণ হতে পারে। এছাড়া, মেনোপজের পর পুরুষদের কিছু বংশগত সমস্যা যেমন অসহনীয় গ্যাসট্রিক রোগ বা শ্বাসকষ্টের সমস্যাও তাদের প্রজনন ক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

বয়সের প্রভাব

পুরুষের বয়সও বন্ধ্যাত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে, যদিও এটি মহিলাদের মতো তীব্র নয়। তবে, পুরুষ বয়স বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে শুক্রাণুর গুণগত মান এবং পরিমাণ কমতে পারে, যা প্রজনন ক্ষমতার উপর প্রভাব ফেলতে পারে।

পুরুষদের বন্ধ্যাত্বের অনেকগুলো কারণ থাকতে পারে, যা শারীরিক, মানসিক এবং পরিবেশগত হতে পারে। যদি পুরুষের প্রজননক্ষমতা নিয়ে কোনো ধরনের উদ্বেগ থাকে, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত। আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি এবং চিকিৎসকের সাহায্যে পুরুষের বন্ধ্যাত্ব অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

এছাড়া, জীবনযাত্রার কিছু পরিবর্তন যেমন স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত ঘুম, ব্যায়াম এবং মানসিক চাপ কমানোর মাধ্যমে পুরুষদের প্রজননক্ষমতা বৃদ্ধি করা সম্ভব।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

দূর্নীতিবাজ জিয়া এখন লাইসেন্স বাণিজ্য শাখায়

বিআরটিএ’র দুর্নীতিবাজ এডি জিয়া বহাল তবিয়তে

মিম আক্তার॥ স্বৈরাচার হাসিনা পালারেও তার দোসররা এখনো বহাল তবিয়তে থেকে অর্থবিত্তের মালিক হচ্ছে এখনো তেমনী একজন মিরপুর থেকে খিলক্ষেত বিআরটিএ’র অলিতে গলিতে এখন একটিই নাম ‘জিয়াউর রহমান’। সাধারণ এক মেকানিক থেকে বিআরটিএ-র সহকারী পরিচালক (লাইসেন্স) বনে যাওয়া এই কর্মকর্তার যেন হাতে লেগেছে ‘আলাদিনের চেরাগ’। সাবেক স্বৈরাচার সরকারের প্রভাবশালী উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের সরাসরি তদবিরে ক্ষমতাধর হওয়া এই কর্মকর্তা বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের আমলেও রয়েছেন বহাল তবিয়তে। বরং অভিযোগ উঠেছে, পটপরিবর্তনের পর তার দুর্নীতির মাত্রা কয়েক গুণ বেড়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, জিয়াউর রহমানের কর্মজীবন শুরু হয়েছিল মিরপুর বিআরটিএ-তে একজন সাধারণ মেকানিক হিসেবে। তবে চাতুর্য আর লবিংয়ের মাধ্যমে দ্রুতই পদোন্নতি পেয়ে হন ইন্সপেক্টর। এরপর নরসিংদীতে পোস্টিং নিয়ে গিয়ে প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন। সেখান থেকেই সহকারী পরিচালক (এডি) হিসেবে পদোন্নতি বাগিয়ে

আরও পড়ুন
language Change