তারিখ লোড হচ্ছে...

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ ভোলাহাট সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি গড়ে তুলতে স্মার্ট প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াচ্ছে সরকার উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড় ধসে ৫ শিক্ষার্থীর মৃত্যু তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ বরিশাল বিআরটিসিতে জুলফিকারকে ঘিরে অভিযোগের ঝড় জেলা-উপজেলায় নতুন কমিটি গঠন করা হবে: যুবদল ভালো কাজের স্বীকৃতি: কেএমপিতে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের বিশেষ সম্মাননা দীঘিনালায় বন্যার্তদের সহায়তায় সেনাবাহিনী, কোবাখালীতে ত্রাণ বিতরণ সুরের জাদুতে মিশরে মঞ্চ মাতাবেন শাকিরা আর্জেন্টিনার ফুটবল ম্যাচ জয়ের পর অতিরিক্ত উল্লাসে জর্দা খেয়ে ভ্যানচালকের মৃত্যু ঢাকায় নামছে ৪০০ ইলেকট্রিক বাস মিরসরাইয়ে পানিবন্দি শতাধিক পরিবার, ফসলের ব্যাপক ক্ষতির শঙ্কা এল নিনোর নতুন চক্রে কৃষিতে বড় ঝুঁকি, সবচেয়ে বেশি ক্ষতির আশঙ্কায় যেসব অঞ্চল জলবায়ু পরিবর্তনে নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য বেশি ঝুঁকিতে: গবেষণা চার দিনের টানা বৃষ্টিতে রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের শঙ্কা, প্রস্তুত ২০৪ আশ্রয়কেন্দ্র ঝিনাইগাতীর গারো পাহাড় ধ্বংসের পথে: প্রশাসনের অভিযানেও থামছে না অবৈধ বালু উত্তোলন বাহরাইন ও কুয়েতে ৮৫ মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি ইরানের রাজনীতিতে ব্যক্তি-বন্দনার অসুস্থ সংস্কৃতি হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক এমপি ওমর ফারুক সুমন গ্রেফতার জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি হচ্ছেন ওয়াহিদুজ্জামান নোয়াখালীতে দুই হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ, ৬০ হাজার টাকা জরিমানা শাহ আমানতে বিমান চলাচল স্বাভাবিক ভোলাহাটে ১৪'শ জন ও ৬৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফলজ ও বনজ চারা, সার-বীজসহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণের  উদ্বোধন  ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচে বিতর্কিত সেই আর্জেন্টাইন রেফারি মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে জেলের মৃত্যু ১৯ জেলায় বজ্রসহ ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা চবির সব ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচারে কঠোর অবস্থানে সরকার ২০২৫ সালে দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ এফডিআই প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশের: আঙ্কটাড ঢাকা মেডিকেল পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি জলবায়ু পরিবর্তনে চাপে কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তায় বাড়ছে শঙ্কা প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ বৃহস্পতিবার ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিল সৌদি আরব বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বরগুনায় টানা বৃষ্টিতে গৃহবন্দী শ্রমজীবী মানুষ সিরাজগঞ্জে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন কেশবপুরে পুলিশের অভিযানে নারীসহ ১১ ওয়ারেন্টভূক্ত আসামি গ্রেফতার জনগণের ম্যান্ডেটে ক্ষমতায় এসেছে সরকার: রিজভী পলির অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন শিবা শানু শিশু মাহফুজ হত্যায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ২ জনের যাবজ্জীবন পাঁচ বছরে ১ কোটি বৈদেশিক কর্মসংস্থানের লক্ষ্য সরকারের বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল গ্যাস ও তেলের দাম আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচে কে জিতবে, জানাল এআই স্বাস্থ্যখাতে জনবল সংকট বড় চ্যালেঞ্জ, তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান দুর্নীতির অপ্রতিরোধ্য রথ চালাচ্ছেন রাজউক জোন ৬/১- এর ইমারত পরিদর্শক সুমন আহমেদ নৌ পরিবহন অধিদপ্তরকে দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে করেছে মহাপরিচালক ও গিয়াস সিন্ডিকেট দীর্ঘদিনের পলাতক, ৯ ওয়ারেন্টের বোঝা কাঁধে-শেষ রক্ষা হলো না ফখরুলের ৩৩ বছরের রেকর্ড বৃষ্টির মধ্যেই অর্ধবার্ষিকী পরীক্ষা

ধসে পড়ছে সেতু, দুর্ভোগে ৩০ গ্রামের মানুষ

ধসে পড়ছে সেতু, দুর্ভোগে ৩০ গ্রামের মানুষ
পাঠক সংখ্যা
638

সাতক্ষীরা সংবাদদাতাঃ সেতু আছে, কিন্তু চলাচলের উপযোগী নয়। কোথাও ভেঙে নদীতে পড়ে আছে, কোথাও আবার বাঁশ বেঁধে তৈরি করা হয়েছে অস্থায়ী সাঁকো। এমন দুর্বিষহ অবস্থার মধ্য দিয়েই চলাফেরা করতে হচ্ছে সাতক্ষীরা সদর, দেবহাটা ও আশাশুনি উপজেলার অন্তত ৩০টি গ্রামের হাজারো মানুষকে। কারণ মরিচ্চাপ নদীর ওপর নির্মিত সাতটি সেতু একের পর এক ধসে পড়েছে। নির্মাণকালীন সময়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) মতামত না নেওয়া ও সিএস রেকর্ড অনুসরণ না করার ফলে কয়েক বছরের ব্যবধানে এসব সেতু পরিণত হয়েছে মরণ ফাঁদে। ভেঙে পড়া সেতুগুলো হলো বাকড়া, টিকেট, হিজলডাঙ্গা, চরগোবিন্দপুর, শিমুলবাড়িয়া, ডাড়ার খাল এবং এল্লারচর ব্রিজ। এসব ব্রিজ ২০১৪ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে নির্মিত হয়, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১০ থেকে ১৫ মিটারের মধ্যে। ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে এসব ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছিল এমন সময়ে, যখন মরিচ্চাপ ছিল মৃতপ্রায় সরু খাল। পরবর্তীতে ২০২১-২২ এবং ২০২২-২৩ অর্থবছরে পানি উন্নয়ন বোর্ড নদী পুনঃখনন করে। ফলে নদী ফিরে পায় তার পুরোনো চেহারা-প্রস্থ বেড়ে দাঁড়ায় ৫০-৭০ মিটার পর্যন্ত, সাথে বাড়ে পানির গতি ও চাপ। ফলে নদীর দুই পাশের পাড় সরে গিয়ে জোয়ারের তোড়ে ভেঙে পড়ে ব্রিজগুলো। কোথাও সেতুর একপাশ ঝুলে আছে নদীর ওপরে, আবার কোথাও পুরোপুরি ধসে পড়েছে।

চরগোবিন্দপুর এলাকার বাসিন্দা শুকুর আলী সরদার বলেন, ব্রিজগুলো যখন বানানো হয়, তখন নদী ছিল একেবারে শুকনো। এখন জোয়ারভাটায় পানির তোড়ে সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়ক ভেঙে পড়েছে।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার এল্লারচর এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, এই সেতু দিয়ে আগে অসংখ্য মানুষ সাতক্ষীরা মেডিকেলে যেত, বিশেষ করে অসুস্থ রোগীদের নিয়ে যাওয়া হতো দ্রুত। কিন্তু এখন সেতু ভেঙে যাওয়ায় এই পাশ দিয়ে আর যাওয়ার উপায় নেই। বিকল্প পথে ঘুরে যেতে হচ্ছে অনেক দূর, এতে রোগীদের সময়মতো হাসপাতালে নেওয়া যাচ্ছে না। অনেক সময় বিপদের শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

ডাড়ার খাল এলাকার মিজানুর রহমান বলেন, আমাদের মাছ ঘেরে উৎপাদিত হয়, কিন্তু এখন বাজারে নিতে পারি না। স্কুল-কলেজে সময়মতো পৌঁছাতে পারছে না ছেলেমেয়েরা।

দুর্ভোগ এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে জেলা সদরে যেতে যেখানে ৪ থেকে ১০ কিলোমিটার পথ ছিল, এখন সেই দূরত্ব বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ কিলোমিটারেও বেশি। এতে সময় ও অর্থ ব্যয় দুই-ই বাড়ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান বলেন, এতো বড় নদীর ওপর মাত্র ১৫-২০ মিটারের সেতু বানানো হয়েছিল। তখন আমাদের মতামত নেওয়া হয়নি, এনওসিও নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এখন নদী খননের পর প্রাকৃতিক স্রোতের বিপরীতে ছোট সেতুগুলো টিকতে পারছে না।

তিনি আরও বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন নদীতে কোনো স্থাপনা নির্মাণ করতে হলে অবশ্যই আমাদের অনুমতি নিতে হয়।

তবে এই একই নদীর ওপর তৈরি এলজিইডির আরেকটি সেতু এখনো অটুট। ২০২২ সালে বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে নির্মিত এই সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬০ মিটার। নদী খননের পরও এ সেতু রয়ে গেছে অক্ষত, যা প্রকৌশলগত পরিকল্পনার যথার্থতার দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহিনুল ইসলাম জানান, সেতু ধসের ঘটনাগুলো আমরা পরিদর্শন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোয়েব আহমেদ বলেন, ধসে পড়া সাতটি সেতুর মধ্যে চারটি নতুনভাবে এলজিইডির মাধ্যমে নির্মাণের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নতুন পরীক্ষা কাঠামো প্রকাশ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নতুন পরীক্ষা কাঠামো প্রকাশ

ডেস্ক রিপোর্ট: স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা পদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। সংশোধিত রেগুলেশন অনুযায়ী ৪, ৩ ও ২ ক্রেডিট কোর্সের জন্য ভিন্ন ভিন্ন সময়, নম্বর বণ্টন ও প্রশ্নপত্রের কাঠামো নির্ধারণ করে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এই নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়। নতুন এই পদ্ধতিতে ধারাবাহিক মূল্যায়ন ও চূড়ান্ত পরীক্ষার সমন্বয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, ৪ ক্রেডিট কোর্সে মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এর মধ্যে ধারাবাহিক মূল্যায়ন ২০ নম্বর এবং চূড়ান্ত পরীক্ষা হবে ৮০ নম্বরের। এই পরীক্ষার জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ ঘণ্টা। প্রশ্নপত্রে পাঠ্যসূচির সব অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত করে বিশ্লেষণধর্মী, ধারণাভিত্তিক, সংখ্যাগত ও সমালোচনামূলক বিস্তৃত প্রশ্ন থাকবে। মোট ১২টি প্রশ্নের মধ্যে শিক্ষার্থীদের ৮টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রতিটি প্রশ্ন সর্বোচ্চ

আরও পড়ুন
language Change