তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
আগুনে ১২টি দোকান পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় দেড় কোটি টাকা খুলনার ডুমুরিয়াকে জিরো কমপ্লেইন থানায় রূপান্তরের উদ্যোগ সংসদ অধিবেশনে দর্শকসারিতে ড. ইউনূস ও তারেক পরিবারের সদস্যরা খুলনায় ব্যবসায়ী ও ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে জখম মৌলভীবাজারে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন শেরপুরে পুলিশের অভিযানে ৮৬ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর সিনার উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন: নাহিদ ইসলাম সিরাজগঞ্জে শহীদ পুলিশ পরিবারের মাঝে আইজিপির ঈদ উপহার বিতরণ বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পাবে কোন দেশ ধুনটে ইউপি কার্যালয়েই বাদী ও নারীকে মারধরের অভিযোগ জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে বিপিসির নতুন সিদ্ধান্ত ত্যাগ, নির্যাতন সহ্য করেও বিএনপি'র রাজনৈতিতে হাফেজ আহমেদ ভুঁইয়া মব করে ৭০ হাজারের বেতন ৫ লাখ যুদ্ধ বন্ধে যে তিন শর্ত দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে মির্জা আব্বাস জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল গোয়েন্দা প্রতিবেদন উপেক্ষা বিটিভির প্রধান প্রকৌশলী হওয়ার দৌড়ে মনিরুল! কাজ শেষ না হতেই বিল পরিশোধ গণপূর্তের প্রকৌশলী ফয়জুলের আদালতের রায় না মেনে নদী দখল করে দেশবন্ধু সিমেন্ট ফ্যাক্টরির কার্যক্রম দেশে আবারও সংসদীয় রাজনীতির সূচনা হলো প্রধানমন্ত্রী ফের রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী হতে চান আওয়ামী দোসর উজ্জ্বল মল্লিক স্পিকারের চেয়ার শূন্য রেখেই বসলো সংসদের প্রথম অধিবেশন বিড়াল হত্যায় একজনের জেল মিয়া নুরুদ্দিন অপু মাননীয় হুইপের একান্ত সচিব নির্বাচিত হলেন জয়নাল আবেদীন হাসনাত আবদুল্লাহর লাইভে উন্নয়ন পরিকল্পনা রাষ্ট্রপতির সংসদে ভাষণ দেওয়ার অধিকার নেই সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন দেওয়াল চাপা পড়ে দুই শিশুর মৃত্যু শিবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবি অভিযানে ভারতীয় মাদকসহ আটক ১ ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস পালনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন কমিউনিটি এডুকেশন ওয়াচ গ্ৰুপের সদস্যদের কারিগরি ও কৌশলগত প্রশিক্ষণ যশোর অভিযান চালিয়ে ককটেলসহ আটক ১ খুলনায় ৫ হাজার ২৭৫ উপকারভোগীদের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শহীদ নগরে পথচারীদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে রামগড়ে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীর আর্তনাদে জেগে উঠছে কঠিন প্রশ্ন ইরানের ২ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া নকলায় রমজান উপলক্ষে ফুড প্যাকেট বিতরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা কোটি টাকা ঘুষ দাবি প্রসিকিউটরের, অডিও ফাঁস জুলাই আন্দোলনে ডিসি মাসুদের দায়িত্বশীল ভূমিকা ঈদের দিনে টিভিতে শাকিব খানেরই সাত সিনেমা আইন মানতে গিয়েই মামলার আসামি ব্যাংক ম্যানেজার প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সম্ভাব্য একাদশ সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি’র চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল গৃহবধুকে মুখ বেঁধে খালে ফেলে হত্যা চেষ্টা ফুটপাত দখলে নিয়ে চলছে চাঁদাবাজি খুলনা নগরীতে ধুলোর রাজত্ব: যত্রতত্র বালু-মাটিতে বিপন্ন জনজীবন আগামী মাসের মধ্যে কৃষক কার্ড দিতে সক্ষম হবো ইনশাআল্লাহ: প্রধানমন্ত্রী কে হচ্ছেন নতুন স্পিকার

গ্যাস সংকটে শিল্পাঞ্চল

পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্ট:

আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি, দেশে বেশ কিছুদিন ধরে গ্যাসের তীব্র সংকট বিরাজ করছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়াই গ্যাস সংকটের কারণ। এমন অবস্থায় ভয়াবহ ঝুঁকির মুখে পড়েছে শিল্প খাত।

তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার, রূপগঞ্জ ও ভুলতা শিল্পাঞ্চলে উৎপাদনে ধস নেমেছে। রুগ্ণ হয়ে পড়েছে শতাধিক রপ্তানিমুখী শিল্প-কলকারখানা। অনেক কারখানা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। গত ৬ মাস ধরে চলা এ বিপর্যয়ে স্বাভাবিকভাবেই লোকসানের মুখে পড়েছেন উদ্যোক্তারা।

এমন অবস্থায় পরিস্থিতি সরেজমিন দেখতে শনিবার সকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব ও পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পাঞ্চলের কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

এ সময় শিল্পাঞ্চলে গ্যাস সংকট দ্রুত নিরসনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান। জানিয়েছেন, শিল্পকে বাঁচাতে বিষয়টি দ্রুত সমাধানের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাসাবাড়ি, সিএনজি স্টেশনসহ সর্বত্র এর প্রভাব পড়লেও শিল্পকারখানার পরিস্থিতি সবচেয়ে সঙ্গিন। গ্যাস সংকটের কারণে অধিকাংশ কারখানা ডিজেলচালিত জেনারেটরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে, যা উৎপাদন ব্যয় বহুলাংশে বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে অনেক ছোট ও মাঝারি প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যেই বন্ধ হয়ে গেছে। তবে সরকারের উচ্চপর্যায়ের এই পরিদর্শনে শিল্প-মালিকদের মধ্যে যে আশার সঞ্চার হয়েছে, তা বলাই বাহুল্য। আমরাও আশা করি, দেশের শিল্প খাতের স্বার্থে দ্রুত গ্যাস সংকট সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ভুলে গেলে চলবে না, বাণিজ্যের ক্ষেত্রে চাহিদামাফিক উৎপাদিত পণ্য সময়মতো সরবরাহ করতে না পারলে কিংবা পণ্যের গুণগত মান ঠিক না থাকলে বিদেশি ক্রেতারা অর্ডার কমিয়ে দেওয়া শুধু নয়, বাতিলও করতে পারেন, যা অর্থনীতির জন্য মঙ্গলজনক হবে না। বস্তুত গ্যাসের এ তীব্র সংকট দ্রুত নিরসন করা না গেলে অর্থনীতি ও বাণিজ্যে এর যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, তার অভিঘাত হবে সুদূরপ্রসারী।

কাজেই গ্যাস সমস্যার সমাধান করতে হবে দ্রুত। এ লক্ষ্যে মজুত গ্যাস উত্তোলনে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। গ্যাসক্ষেত্র ও সঞ্চালন লাইনে সমস্যা থাকলে তাও অবিলম্বে দূর করতে হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পাইপলাইন দ্রুত মেরামত করতে হবে। গ্রাহকদের ভোগান্তি হ্রাসে এবং শিল্প রক্ষার স্বার্থে গ্যাস সংকট কাটাতে দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া উচিত বলেও মনে করি আমরা। পাশাপাশি এলএনজি আমদানির পরিমাণও প্রয়োজনমাফিক বাড়াতে হবে। সর্বোপরি জ্বালানি খাতে স্মার্ট ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে হবে। তা না হলে নিকট ভবিষ্যতে এ সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব হবে না। মনে রাখা দরকার, দেশে ডলার আসার যে কয়টি ক্ষেত্র রয়েছে, তার মধ্যে রপ্তানি বাণিজ্য অন্যতম। রপ্তানিমুখী শিল্প-কারখানা যদি গ্যাস সংকটে ভোগে, তাহলে উৎপাদন যেমন ব্যাহত হবে, তেমনি ডলার আয়ের প্রবাহ কমে গেলে এর প্রভাবও দেশের অর্থনীতিতে পড়বে। চাহিদামাফিক উৎপাদিত পণ্য সময়মতো সরবরাহ করতে না পারলে কিংবা পণ্যের গুণগত মান ঠিক না থাকলে বিদেশি ক্রেতারা অর্ডার কমিয়ে দিতে, এমনকি বাতিলও করতে পারেন, যা অর্থনীতির জন্য কোনোভাবেই মঙ্গলজনক হবে না। সব দিক বিবেচনায় সরকার দ্রুত গ্যাস সংকট নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে, এটাই প্রত্যাশা।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

কাস্টমস ও ভ্যাটে নন-ক্যাডার কর্মকর্তাদের বৈষম্যের অবসান

কাস্টমস ও ভ্যাটে নন-ক্যাডার কর্মকর্তাদের বৈষম্যের অবসান

ডেস্ক রিপোর্টঃ দীর্ঘ ৩৩ বছর পর কাস্টমস ও ভ্যাট অনুবিভাগে নন-ক্যাডার কর্মকর্তাদের পদোন্নতির মাধ্যমে কাঠামোগত বৈষম্যের অবসান ঘটেছে। অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নন-ক্যাডার কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে উপ-কমিশনার পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। যা কাস্টমস ও ভ্যাট প্রশাসনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সোমবার অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনে গুরুত্বপূর্ণ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এনবিআরের আওতাধীন কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগ দেশের মোট রাজস্ব আহরণের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ সংগ্রহ করে থাকে। মাঠপর্যায়ে কর্মরত পাঁচ হাজারেরও বেশি সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (ইন্সপেক্টর) ও রাজস্ব কর্মকর্তা (সুপারিনটেনডেন্ট) আইন-বিধি প্রয়োগ, শুল্ক ও কর আদায়ের মতো ঝুঁকিপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে থাকেন। পর্যাপ্ত লজিস্টিক সাপোর্ট, ঝুঁকিভাতা, আবাসন, যানবাহন, প্রশিক্ষণ ও ক্যারিয়ার পরিকল্পনার অভাব সত্ত্বেও তারা দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত কর্মঘণ্টায় নিষ্ঠার সঙ্গে

আরও পড়ুন
language Change