তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
৪৪৪ বর্গকিলোমিটারের কুরাসাও বনাম ২০ কোটির বাংলাদেশ: ফুটবলের আয়নায় এক কঠিন বাস্তবতা এবি ব্যাংক শ্রীমঙ্গল শাখার কৃষিঋণ বিতরণ মোংলায় বিএনপি নেতার নামে ফেসবুকে অপপ্রচার থানায় জিডি চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির অভিযানে ১৬২ বোতল ভারতীয় সিরাপ জব্দ জিয়া শিশু কিশোর মেলা, জয়পুরহাট জেলা কমিটি ঘোষণা দীঘিনালায় ইয়াবা সেবনের দায়ে যুবকের ৩ মাসের কারাদণ্ড আমরা হাসপাতাল বন্ধ করেছি কিন্তু মেডিকেল কলেজ বন্ধ করিনি ১১ বছরের শিশুকে বিয়ে, লক্ষ্য জমি দখল! আর্জেন্টিনা নিয়ে পারশার উচ্ছ্বাস নাটোরের নলডাঙ্গায় বিপুল পরিমাণ ভেজাল মেয়াদোত্তীর্ণ ও যৌন উত্তেজক ওষুধ জব্দ সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসকের সাথে সাক্ষাত করেছেন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট জেলা শাখার নেতৃব... ‎পুষ্পধারা হাউজিংয়ের মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে এবার দুদকে অভিযোগ সুনামগঞ্জ জেলায়,মদ,জুয়া,ধর্ষণসহ সকল অপরাধ দমনে আইন শৃংখলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত আদ্-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত হাই কোর্টে চ্যালেঞ্জ মৌলভীবাজারের তরুণ উদ্ভাবক সাজ্জাদুলের পণ্য দেখলেন প্রধানমন্ত্রী বিআইডাব্লিউটিএর প্রকল্প পরিচালকের নেতুত্বে লুটপাট ও দূর্নীতির মহাযজ্ঞ মানহানির দুই মামলায় মুফতি আমির হামজার জামিন কেরানীগঞ্জে গ্যাস সিন্ডিকেটের রফিক-শাহআলম চক্রের বিরুদ্ধে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ সীমান্ত হত্যা ও পুশইন বন্ধে বিএসএফের প্রতি বিজিবির আহ্বান তালতলীতে চিরকুট লিখে পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা প্রতারণার মামলায় গ্রেফতার তৌহিদ আফ্রিদি বিশ্ব রক্তদাতা দিবসে সিরাজগঞ্জে রক্তদান ও গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি ২০ জুলাইয়ের মধ্যে এসএসসি ফল প্রকাশ, নতুন কারিকুলামে কমবে কোচিং নির্ভরতা ৮৯ মিনিটের গোলে নেদারল্যান্ডসের স্বপ্ন ভাঙল করলো জাপান ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে ইউরোপের ৪ দেশ গণপরিবহনে বাধ্যতামূলক চালু হচ্ছে জিপিএস প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে প্রবেশে বাধা নতুন নিয়োগে নতুন অভিযোগ, ফায়ার সার্ভিসে কি সক্রিয় সেই পুরনো চক্র? দুদক-মন্ত্রণালয়ে অভিযোগের মুখে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের ৫ কর্মকর্তা সাতক্ষীরা তালতলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটিতে বিতর্কিত ব্যক্তির নাম, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্... সরকারি স্বাস্থ্যসেবায় অবহেলা অনিয়ম গ্রহণযোগ্য নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী কাস্টমস কর্মকর্তা আলতাফের অ’বৈধ সম্পদের পাহাড় সাবেক আইজিপি বেনজীর গ্রেফতার ইসলামী ব্যাংককে আড়াই হাজার কোটি টাকা ঋণ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ঝালকাঠিতে বসত বাড়িতে দেয়াল নির্মাণে বাধা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ মেক্সিকোতে সশস্ত্র হামলায় মেয়র নিহত মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের ওপর হামলা, আহত ৫ সন্ধ্যার মধ্যে যেসব জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস জাবির বাসে নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্থা, ছাত্র বহিষ্কার এমপি আমির হামজা আত্মসমর্পণ করতে সিরাজগঞ্জে যাচ্ছেন শিক্ষা উন্নয়নে লায়ন সৈয়দ হারুন এমজেএফ-এর মহতী উদ্যোগ, মাদ্রাসায় দুই লক্ষ টাকার চেক প্রদান আবু সাঈদ হত্যা মামলার ৮০৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ সংখ্যালঘুদের অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনী অংশগ্রহণ নিশ্চিতে শ্রীমঙ্গলে রূপসার প্রেসব্রিফিং নজরুল বর্ষ পালনে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা সিরাজগঞ্জ কালেক্টরেট স্কুলে প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি মোংলার জনগণের অভিযোগ নিরসনে সালিশী টিমের নিরলস পরিশ্রম চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন হাইভোল্টেজ ম্যাচে ব্রাজিলকে জিততে দিল না মরক্কো রোববার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ

ইতালির কথা বলে লিবিয়ায় নিয়ে নির্যাতন

ইতালির কথা বলে লিবিয়ায় নিয়ে নির্যাতন, কাঁদছে পরিবার
পাঠক সংখ্যা
638

মাদারীপুর সংবাদদাতা:
উন্নত জীবনের আশায় লিবিয়া হয়ে ইতালি যাওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার বাজিতপুর ইউনিয়নের ১৪ জন যুবক। কিন্তু সেই স্বপ্ন এখন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। পাঁচ মাস ধরে ওই যুবকদের কোনো খোঁজ নেই। তাদের পরিবারের অভিযোগ, দালালচক্রের মাধ্যমে তারা লিবিয়ায় পৌঁছানোর পর বন্দি অবস্থায় অমানবিক নির্যাতনের শিকার হন। তাদের মুক্তির জন্য পরিবার থেকে ভিটেমাটি বিক্রি করে ও চড়া সুদে ঋণ নিয়ে লাখ লাখ টাকা দিলেও এখন পর্যন্ত সন্তানের কোনো খোঁজ না পেয়ে দিশেহারা পরিবারগুলো।

জানা গেছে, এক বছরের বেশি সময় আগে ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় ইতালির উদ্দেশ্যে বাড়ি ছেড়েছিলেন এই ১৪ যুবক। লিবিয়ায় পৌঁছানোর পর একপর্যায়ে দালালদের মাধ্যমে তারা মাফিয়া গোষ্ঠীর হাতে বন্দি হন। শুরু হয় নির্যাতন। তারপর তাদের মুক্তির জন্য দাবি করা হয় মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ। অনেকেই কয়েক দফায় মুক্তিপণ দেয়ার পরও ছেলের খোঁজ পাননি। নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছেন, রাজৈর উপজেলার পাখুল্লা গ্রামের জাহাঙ্গীর বেপারীর ছেলে সালমান বেপারী এবং চৌরাশী গ্রামের মোসলেম শিকদারের ছেলে বাবুল শিকদার। একই গ্রামের মজিবর বয়াতীর ছেলে সাজ্জাদ বয়াতী, জাকির মাতুব্বরের ছেলে বাদল মাতুব্বর, কানাই রায়ের ছেলে লিটন রায় এবং নিরঞ্জন বাড়ৈর ছেলে বাঁধন বাড়ৈও একই দালালচক্রের ফাঁদে পড়েছেন।

এছাড়াও, বাজিতপুর গ্রামের আলম চৌকিদারের ছেলে ইমন চৌকিদার, অহিদুল মাতুব্বরের ছেলে নয়ন মাতুব্বর, আজিজ খালাসীর ছেলে খলিল খালাসী, সোনা মিয়া চৌকিদারের ছেলে সোহেল চৌকিদার, গৌরাঙ্গ বাড়ৈর ছেলে গৌতম বাড়ৈ, সামচু সরদারের ছেলে ইমরান সরদার, জলিল বয়াতীর ছেলে আল-আমিন বয়াতী এবং সিদ্দিকুর রহমান ঘরামীর ছেলে আলী ঘরামী সবাই একই যাত্রায় নিখোঁজ হয়ে পড়েছেন। খলিল খালাসীর বাবা আজিজ খালাসী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘বাবুল হাওলাদার জোর করে ছেলের পাসপোর্ট নিয়ে নেয়। বলে, ‘ইতালি পাঠাব’। এরপর একে একে আমি ৩৬ লাখ টাকা দিয়েছি। প্রথমে ১৬ লাখ, এরপর ৫ লাখ, শেষে মাফিয়াদের কাছে বিক্রি করে আরও ১৫ লাখ টাকা নেয়। এখন আমার ছেলে কোথায় আছে তাও জানি না।

নিখোঁজ সোহেল চৌকিদারের স্ত্রী রুনা বেগম বলেন আমার স্বামী যাওয়ার আগে বাড়িতে তিনটি মেয়ে রেখে যান। জীবনের সব জমানো টাকা, এমনকি বাড়ির জমিজমাও বিক্রি করে দিয়েছি। বাবুল প্রথমে নেয় ১৪ লাখ, পরে ১২ লাখ, শেষে ৫ লাখ। কিন্তু এখন পাঁচ মাস ধরে আমার স্বামীর কোনো খবর নেই। না খেয়ে দিন কাটে, মেয়েগুলোর মুখের দিকে তাকাতে পারি না। নিখোঁজ লিটনের বাবা কানাই রায় বলেন, ‘বাবুল, তার স্ত্রী চুন্নু বেগম, এবং মেয়ে সোনিয়া ও শশী এই চারজন মিলে আমার কাছ থেকে মোট ৫৫ লাখ টাকা নেয়। একবার ২০ লাখ, তারপর ১৫, পরে আবার ২০ লাখ টাকা। লিবিয়ায় আমার ছেলেকে বন্দি করে নির্যাতন করে টাকা আদায় করেছে। এই প্রমাণের ভিডিওও আমার কাছে আছে। এখন নিঃস্ব হয়ে গেছি

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, মানবপাচার চক্রের হোতা হিসেবে পরিচিত বাজিতপুর গ্রামের মৃত আয়নাল হাওলাদারের ছেলে বাবুল হাওলাদার প্রতিটি পরিবারের সঙ্গে প্রথমে ইতালি পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১৫-২০ লাখ টাকা করে নেয়। পরে লিবিয়ায় জিম্মি করে আরও ৩০-৪০ লাখ টাকা আদায় করে। তার স্ত্রী চুন্নু বেগম এবং দুই মেয়ে সোনিয়া ও শশি আক্তারও এই প্রতারণার সঙ্গে সরাসরি জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে তারা বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে।

নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরা এখন পুলিশের সহায়তা চেয়ে দালালচক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চান। এ বিষয়ে মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান বলেন নিখোঁজ স্বজনদের পরিবার থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে এসব পরিবারের কেউই শুরুতে বিষয়টি প্রশাসন বা জনপ্রতিনিধিদের জানাননি। ফলে তাদের সঠিকভাবে সহায়তা করা সম্ভব হয়নি। এ ধরনের বিপজ্জনক পথে পাড়ি না দিতে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি। এই ঘটনার পর পুরো বাজিতপুর ইউনিয়নের বেশ কিছু গ্রামে এখন শোক, আতঙ্ক ও ক্ষোভের ছায়া। পরিবারগুলো দিন কাটাচ্ছে কান্না আর প্রহারের প্রহর গুনে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

এভাবে চলতে থাকলে দেশটা ভারতের অঙ্গরাজ্য হবে”- চাষী মামুন

স্টাফ রিপোর্টার: মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনাকে মুছে ফেলে সরকার এখন নব্য স্বৈরাচারী চেতনায় দেশ চালাচ্ছে। আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতৃত্বের সাম্প্রতিক বক্তব্যে একথা স্পষ্ট যে, সরকার বাংলাদেশ পুরোপুরিভাবে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করেছে এবং এটা বস্তুতই স্বৈরতন্ত্র! স্বাধীনতার পর থেকে এদেশ কখনেই সেই অর্থে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতে পারেনি। জনগণ বারবার গণতন্ত্রের পথে লড়ােই করলেও ক্ষমতা লোভী রাজনৈতিক দলগুলো বারবারই গণতন্ত্রের পথে হোঁচট দিয়েছে। আর সাম্প্রতিক সময়ে গত দেড় যুগে গণতন্ত্র, নির্বাচন, সুশাসন, ন্যায় বিচার ও মানবাধিকার কেড়ে নিয়েছে আওয়ামিলীগ। আওয়ামিলীগ কেড়ে নিয়েছে ভোটের অধিকার, ন্যায় বিচার, মানবাধিকার। একতরফা সেই বাকশালী ধারায় দেশটা আজ সত্যিই জাহান্নাম হয়ে গেছে। এভাবে ন্যায়হীন, ভোটহীন, মানবাধিকারহীন, সম্মানহীনভাবে রাষ্ট্র চলতে থাকলে দেশটা একসময় ভারতের অঙ্গরাজ্য হয়ে যাবে।” আজ ১২ই অক্টোবর জাতীয় প্রেসক্লাব সম্মুখে ন্যাপ ভাসানী আয়োজিত দলীয় সরকারে অধীনে

আরও পড়ুন
language Change