তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
সুন্দরবনে নিরাপত্তা নিশ্চিতে কোস্ট গার্ড মহা পরিচালকের কঠোর হুঁশিয়ারি মাদক, জুয়া ও সীমান্তে অপরাধ দমনে রামগড় বিজিবির মাসিক নিরাপত্তা সমন্বয় সভা প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার তীব্র চাপ, সিদ্ধান্তে অনড় স্টারমার মসজিদে এসি চুরির চেষ্টার অভিযোগে দুই যুবক আটক শীর্ষ সন্ত্রাসী ‌‘কাইল্লা পলাশ’ মারা গেছেন শিশুদের শিক্ষা-স্বাস্থ্যে বিনিয়োগই জাতি গঠনের মূল: প্রধানমন্ত্রী দেশে খাদ্যশস্যের মজুত ২০ লাখ ৬০ হাজার টন ছাড়িয়েছে পতেঙ্গায় সী-বার্ড হোটেলের খাবার খেয়ে অসুস্থ ৪ পর্যটক অপহৃত শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, গ্রেফতার ৫ ব্রাজিল দলের অনুশীলনে ফিরলেন নেইমার এসএসএফের ফায়ারিং রেঞ্জে নিশানা পরীক্ষা করলেন প্রধানমন্ত্রী রংপুরে পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার ওপর হামলা প্রশাসনের অভিযানের পরও গভীর রাতে ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার মহোৎসব রংপুর সদরে ফল মেলা ও পাটনার কংগ্রেসের উদ্বোধন সব বোর্ডে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হবে: শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে নকলায় স্কুল ড্রেস ও ব্যাগ বিতরণ ফাইল আটকে কমিশন বাণিজ্য গণপূর্তের প্রকৌশলী শরিফুলের যমুনা রেলওয়ে সেতু প্রকল্পে হাজার কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তে দুদক পানি নিষ্কাশনের জন্য কাটা বাঁধই এখন দুর্ভোগের কারণ জয়মনি গ্রামে মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন দুর্ভোগে বাসিন্দারা সংবাদ প্রকাশের জেরে সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা চাকরিতে প্রক্সি সিন্ডিকেটের নেপথ্যে জনস্বাস্থ্যের আনোয়ার ও কাস্টমসের সিপাহী আজিজ! অভিযোগের পাহাড়, তবুও নীরব রাজউক: ‘অপ্রতিরোধ্য’ দুর্নীতির জালে আবুল কালাম আজাদ উত্তরা ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মাকসুদুর আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানীর অভিযোগ সিরাজগঞ্জে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ কমিটির উদ্যোগে মিছিল ‎ সিরাজগঞ্জে সেতুর নিচ থেকে মরদেহ উদ্ধার নলডাঙ্গার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হলেন-মনিরুল ইসলাম ডাবলু বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরিতে ৬৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান জ্বালানি সিন্ডিকেটের প্রভাবে সচিব সাইফুল ইসলাম বহাল তবিয়তে প্রতিমন্ত্রী শাহে আলমের মানহানী মামলার প্রতিবাদে সাংবাদিকদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ১২০ মোড়ে বসছে এআই ক্যামেরা সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ইরান ও লেবাননের পাশে থাকার ঘোষণা চীনের হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু ওসমান হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ১৬ বার জনগণের টাকা পাচার হতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের শিশু ধর্ষণের আসামি মুনিরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মামলা ও সিন্ডিকেটের ফাঁদে ঢাকার ১২৩ পরিত্যক্ত সরকারি বাড়ি, বেহাত হাজার কোটি টাকা জিয়া শিশু কিশোর মেলা, গাজীপুর মহানগর কমিটি ঘোষণা ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ বিদ্যুৎতের তার চুরি করতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু ​চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির অভিযানে সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ২ কামারখন্দে সাড়ে ৩ হাজার ফুট পতাকা টাঙিয়ে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের চমক বিশ্বম্ভরপুরের ফতেপুরে মাদক থেকে যুবসমাজকে রক্ষায় মানববন্ধন ট্রাকচাপায় ট্রাফিক পুলিশ নিহত বুড়িচংয়ে কিশোর গ্যাংয়ের দুই সদস্য আটক মাদক সেবন ও অশ্লীল কর্মকাণ্ডে জড়িত ৪ জনের কারাদণ্ড ভাগনেকে বিয়ে করলেন মামী, দেশে ফিরে আত্মহত্যা প্রবাসী স্বামী চট্টগ্রাম-জামালপুরের শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে ওপিসিডব্লিউ পরিদর্শক দল

দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন: তাপমাত্রা বৃদ্ধির ভয়াল চিত্র

পাঠক সংখ্যা
638

মুহাম্মদ রুহুল আমীন:
দীর্ঘদিন ধরে যে আশঙ্কার কথা বলছিলেন জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা, আজ তা বাস্তবতায় রূপ নিয়েছে। অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকা উষ্ণতা ও লাগাতার দাবদাহে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে দেশের জনজীবন। শুধু দিনের বেলায় নয়, রাতের আবহাওয়াও এখন আর স্বস্তিদায়ক থাকছে না। গরম যেন ঘুম কেড়ে নিচ্ছে মানুষের চোখ থেকে, আর বাড়িয়ে তুলছে স্বাস্থ্যঝুঁকি।

জলবায়ুবিষয়ক গবেষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশে চরম আবহাওয়ার ঘটনা গত কয়েক দশকে ৪৬ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্যে তীব্র তাপপ্রবাহ, ঘূর্ণিঝড়, অকাল বন্যা ও খরার প্রকোপ সবচেয়ে বেশি দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে বয়স্ক নাগরিকদের ক্ষেত্রে এই উষ্ণতা প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে। ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের মধ্যে তাপজনিত মৃত্যুর হার বেড়েছে ১৪৮ শতাংশ। ২০১৭ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে অতিরিক্ত গরমে মৃত্যু হয়েছে এক হাজার চারশত ত্রিশ জনের।

একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০০ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে বাংলাদেশে মোট একশো পঁচাশিটি চরম আবহাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। প্রতিটি ঘটনায় কোনো না কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের লাখো মানুষ। বিশেষ করে কৃষিকাজ, মাছ চাষ, পশুপালন কিংবা খোলা জায়গায় শ্রমনির্ভর কাজ করা মানুষের জীবন-জীবিকা আজ চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

এই ভয়াল অবস্থার মূল কারণ যে কেবল প্রাকৃতিক নয়, তাও এখন স্পষ্ট। ব্যাপক হারে জ্বালানি পোড়ানো, কারখানার ধোঁয়া, যানবাহনের কালো ধোঁয়া-সব মিলিয়ে পরিবেশে যুক্ত হচ্ছে বিষাক্ত গ্যাস। কার্বন ডাই অক্সাইড, কার্বন মনো অক্সাইড, সালফার ডাই অক্সাইড ইত্যাদি গ্যাস জমে থেকে উষ্ণতা বাড়িয়ে তুলছে। অন্যদিকে, এই গ্যাস শোষণ করে অক্সিজেন উৎপাদনকারী বনায়ন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।

একটি অঞ্চলের মোট আয়তনের কমপক্ষে ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকতে হয় সেখানে বাতাসের ভারসাম্য রক্ষায়। কিন্তু বাংলাদেশে এখন অনেক জেলাতেই এই অনুপাতে বনায়ন নেই। ফসলি জমি কিংবা পাহাড়ি বন কেটে তৈরি হচ্ছে বসতবাড়ি, শিল্প-কারখানা কিংবা অপরিকল্পিত শহর। এইসব কৃত্রিম কাঠামো সূর্যের তাপ শোষণ করে দিনে গরম এবং রাতে গরম বাতাস সৃষ্টি করে চলেছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উষ্ণতা শরীরের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। ডিহাইড্রেশন, হিটস্ট্রোক, ত্বকের রোগ, হৃদযন্ত্রের জটিলতা ও মানসিক অস্থিরতা বাড়ছে গরমের কারণে। গর্ভবতী নারী ও শিশুদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরও বেশি।

পরিবেশবিদদের ভাষায়, “এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে, যদি আমরা এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিই।” তারা মনে করেন, উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে সবুজায়ন, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার, শিল্প বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ ও গণসচেতনতা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই।

এখন সময়, মানুষের জীবনধারা বদলানো। প্রয়োজন প্রকৃতিনির্ভর চিন্তা ও আচরণ। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রকৃতির গুরুত্বকে ফিরিয়ে আনা দরকার। ঘরে-বাইরে গাছ লাগানো, ইট-পাথরের পরিবর্তে খোলা জায়গা সংরক্ষণ, প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে শীতলতা বজায় রাখা এসব ছোট ছোট পরিবর্তন এনে দিতে পারে বড় স্বস্তি।

আমরা যদি এখনই না জাগি, তবে ভবিষ্যতের প্রজন্মকে রেখে যাব এক বিষাক্ত ও অস্বস্তিকর পৃথিবী। তাই জীবন, প্রকৃতি ও ভবিষ্যতের জন্য- আজ থেকেই শুরু হোক আমাদের সচেতনতা, আচরণ ও সিদ্ধান্তের পরিবর্তন।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

সূচক সাড়ে ৩ মাস আগের অবস্থানে লেনদেন ৪ মাসে সর্বনিম্ন

ডেস্ক রিপোর্ট : পুঁজিবাজারে সূচক গত সাড়ে ৩ মাস আগের অবস্থানে লেনদেন হচ্ছে এবং লেনদেনের পরিমাণ ৪ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। এই পরিস্থিতি বাজারের পতন এবং ক্রেতা সংকটের কারণে সৃষ্টি হয়েছে। সূচকের অবস্থান: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক (DSEX) সাড়ে ৩ মাস আগের অবস্থানে ফিরে এসেছে। এটি সর্বশেষ ৫,২০০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। লেনদেনের পরিমাণ: বাজারে লেনদেনের পরিমাণ ৪ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। এটি ৪ মাস আগেকার একটি সর্বনিম্ন পর্যায়ের কাছাকাছি। বাজারের পরিস্থিতি: বাজারে বিক্রির চাপ বেশি থাকলেও ক্রেতার অভাব দেখা যাচ্ছে। এতে বাজারের সার্বিক লেনদেন কমে গেছে। 

আরও পড়ুন
language Change