তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
প্রসূতির মৃত্যু: অনুমোদনহীন ‘মায়ান জেনারেল হাসপাতাল’ সিলগালা এক মাসে শাহ আমানতে বাতিল ২১২ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ফের পুত্র সন্তানের মা হলেন সোনম কাপুর ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে চাটখিল সাংবাদিকদের পুনর্মিলনী জ্বালানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশাসনের একাধিক নির্দেশনা জারি বাসডুবিতে বিআইডব্লিউটিসির ‘গাফিলতি’ মোংলায় জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম নোয়াখালী মেডিকেল কলেজের ৫০০ শয্যা হাসপাতাল নির্মাণ কাজের টেন্ডার কারসাজি ডায়াবেটিস হাসপাতালে ভুল চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগ প্রিপেইড মিটারে মাসিক চার্জ থাকছে না মির্জাগঞ্জে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন জাতীয়তাবাদী বিপ্লবী দল যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত ১১ পরিবর্তন নিয়ে কলম্বিয়াকে ৩-১ গোলে হারাল ফ্রান্স হাদি হত্যা নিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ফেসবুক পোস্ট হরমুজের পর এবার ওমান উপসাগরও ইরানের নিয়ন্ত্রণে আবারও বিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দাম দেশ ছাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেক্ষাগৃহে দম শিবগঞ্জে হেরোইন-ইয়াবা উদ্ধার ১৩ জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ে শঙ্কা সড়ক যেন মরণ ফাঁদ-দিঘলিয়ার সেনহাটিতে ইটের সড়কের ভয়াবহ অবস্থা জ্বালানি খাতে অনিয়ম রোধে সরকারকে আইনি নোটিশ তালতলীতে কাবিখা প্রকল্পে অনিয়ম ঈদ শেষে রাজধানীমুখী মানুষের ঢল কবে বিয়ে করছেন কৃতি শ্যানন? এলজিইডি’র পিডি এনামুল কবিরের অনিয়ম দুর্নীতি এক-এগারোর নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য, তালিকায় প্রভাবশালী নাম বাহারি রঙের গোলাপ পরামর্শ না পাওয়ায় দিশেহারা কৃষক জ্বালানি তেল সংকটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে অভিযান ১১ জেলায় নতুন ডিসি প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ বাতিল করল সরকার বিমানের প্রশিক্ষণার্থী নারী পাইলটকে নির্যাতনের অভিযোগ সাদিফ হোসেনের বিরুদ্ধে আইপিএলকে না বলে দেশকেই আগে রাখলেন তারা সিটি নির্বাচনে এনসিপির প্রার্থী চূড়ান্ত, ঘোষণা আজ বটিয়াঘাটায় রাস্তার পাইলিং কাজে চরম দুর্নীতির অভিযোগ ইরান যুদ্ধ কত দিন গড়াতে পারে, জানালেন বিশ্লেষক যমুনা সেতুতে ২৪ ঘন্টায় টোল আদায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা সিন্দুকছড়ি জোন কর্তৃক মেডিকেল ক্যাম্পেইন জ্বালানি সংকটে পুরনো ছায়া র‍্যাবের অভিযান ঢাকাগামী বাসে ৮০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার রানা প্লাজার আলোচিত নাসিমা, পদ্মার সলিলে হার মানলেন ফের পদত্যাগের মিছিল এনসিপিতে এবার সুযোগ পাচ্ছে বুমরাহ-পান্ডিয়ারা হঠাৎ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শন ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির আভাস, বাড়বে তাপমাত্রা এসএসসি পরীক্ষা কক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপনসহ ১১ নির্দেশনা ঈদের ছুটি শেষে সংসদের অধিবেশন বসছে আজ যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ সংসদের কার্যক্রমে গতি আনতে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠক দাকোপ ও বটিয়াঘাটায় তরমুজের বাম্পার ফলনের হাতছানি

স্লিপ ফান্ডের টাকা লোপাটের অভিযোগ, নাকি অপপ্রচার?

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার:

সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে স্থানীয় সংবাদকর্মী হক সরকার হোমনা উপজেলা শিক্ষা বিভাগের তিন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে স্লিপ ফান্ডসহ বিভিন্ন খাতের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন করেন। আর এই অভিযোগের প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হলে শিক্ষাব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তবে স্থানীয় শিক্ষক সমাজ এবং শিক্ষা প্রশাসনের বক্তব্য বলছে ভিন্ন কথা। বরং এই প্রতিবেদনটি উদ্দেশ্য প্রণোদিত, বিভ্রান্তিকর এবং ব্যক্তি প্রতিহিংসার অংশ-এমন অভিযোগ উঠেছে প্রতিবাদকারী শিক্ষক মহল থেকে।

গত ২৫ জুলাই প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, উপজেলার ৯২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বরাদ্দকৃত স্লিপ ফান্ড থেকে প্রশ্নপত্র তৈরির নামে অতিরিক্ত ১২ লাখ টাকার বেশি আত্মসাৎ করেছেন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, খাদিজা আক্তার ও আনিসুর রহমান। এমনকি সরকারি বই বিক্রি, ক্ষুদ্র মেরামতের অর্থ নয়-ছয়ের অভিযোগও সেখানে ছিল। অথচ প্রতিবেদনের একাংশেই অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বক্তব্য গ্রহণ করা হলেও প্রতিবেদক ইচ্ছাকৃতভাবে তা গুরুত্বহীন করে উপস্থাপন করেন। প্রশ্ন থেকে যায়, এই প্রতিবেদন তৈরির পেছনে কি প্রকৃত উদ্দেশ্য অনুসন্ধান ছিল, নাকি পূর্বপরিকল্পিত একটি প্রতিশোধ পরায়ণ প্রচেষ্টা?

ঘটনার পর ২৭ জুলাই বিকেলে হোমনা উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এক প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধনের আয়োজন করেন উপজেলার শতাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তারা। সেখানেই উত্থাপিত হয় ভিন্ন এক প্রেক্ষাপট। বক্তারা বলেন, এই প্রতিবেদনের নেপথ্যে রয়েছেন হোমনা-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হুমায়ূন কবির, যিনি নিজেই বর্তমানে একাধিক গুরুতর অভিযোগের তদন্তাধীন। তার বিরুদ্ধে নারী সহকর্মীকে অশোভন আচরণ ও যৌন হয়রানি, বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ, কর্মস্থলে অনুপস্থিতি এবং ভুয়া সনদে চাকরিতে প্রবেশের মতো অপরাধে সরকারি তদন্ত চলছে।

অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা শিক্ষা অফিস যখন তার অনিয়মে সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানায়, তখন তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে শিক্ষা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে হুমকি ও অপপ্রচারে নামেন। এই অপপ্রচারের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয় স্থানীয়ভাবে বিতর্কিত এক সাংবাদিককে, যিনি দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন অফিস থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে পরিচিত। পেশাদার সাংবাদিকতা নয়, বরং ব্যক্তি স্বার্থে পরিচালিত হয় তার তথাকথিত অনুসন্ধান।

প্রতিবাদ সভায় শিক্ষক নেতৃবৃন্দ প্রশ্ন তোলে বলেন, যে প্রতিবেদকের নামে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত, তিনি কি কখনো সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় বা কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন? প্রশ্নপত্রের অতিরিক্ত খরচের অভিযোগ থাকলেও, সেখানে কোন সূত্র, দলিল কিংবা তদন্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়নি। এমনকি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে যে কর্মকর্তারা জবাব দিয়েছেন, তাঁদের ব্যাখ্যা ছিল অসম্পূর্ণভাবে তুলে ধরা। সংবাদপত্রে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন ও পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন কেবল একটি পেশাকে কলঙ্কিত করে না, বরং প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও প্রতিষ্ঠানিক আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাদের প্রশ্ন উঠেছে, সংবাদ প্রকাশের আগে কেন শিক্ষা অধিদপ্তর, উপজেলা প্রশাসন বা জেলা শিক্ষা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত ব্যাখ্যা বা নথিপত্র যাচাই করা হলো না? একজন প্রতিনিধি যিনি স্থানীয়ভাবে একাধিক পেশাদারিত্বহীন কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে শিক্ষক সমাজ দাবি করেছে, তাঁর তথ্য যাচাই না করে প্রতিবেদন প্রকাশ করা কি সাংবাদিকতার ন্যূনতম নীতিমালাও লঙ্ঘন করে না?

হোমনা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাহার সুলতানা বলেছেন, “আমি সদ্য যোগদান করেছি। আগের খরচপত্র নিয়ম অনুযায়ী হয়েছে বলে শুনেছি। তবে কোনো অনিয়ম হলে তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” কুমিল্লা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তাপস কুমার পাল বলেন, “মৌখিক অভিযোগ শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এখন প্রশ্ন হলো প্রকৃত দুর্নীতি কোথায়? শিক্ষা অফিসে, না সাংবাদিকতার আড়ালে? যে প্রতিবেদনের মাধ্যমে তিনজন সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে একতরফাভাবে জনমত গঠন করা হয়েছে, তার পেছনে জবাবদিহির কোনো কাঠামো ছিল কি?

স্থানীয় শিক্ষার্থীদের কয়েকজন অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দরকার। কেবল শিক্ষা কর্মকর্তাদের ভূমিকা যাচাইয়ের জন্য নয়, সাংবাদিকতার নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ কতটা বজায় রাখা হচ্ছে তা বিশ্লেষণের জন্যও। সাংবাদিকতা যদি হয় সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কথা বলার মাধ্যম, তবে প্রতিটি শব্দের পেছনে থাকতে হবে প্রমাণ, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ব। অন্যথায় তা হয়ে দাঁড়ায় উদ্দেশ্য প্রণোদিত অপপ্রচারের অস্ত্র, যা কারও ব্যক্তিগত রোষের বাস্তবায়ন ছাড়া কিছুই নয় বলে জানান তারা।

এ বিষয়ে জানতে হক সাহেবের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

 

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

মুন্সীগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ

মুন্সীগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ

ডেস্ক রিপোর্টঃ মুন্সীগঞ্জ সদরের মোল্লাকান্দি এলাকার এমাকহাটি গুরুচরণ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পর পর কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে তবে কেউ আহত হয়নি। কেন্দ্রটিতে এখন ভোট গ্রহণ স্বাভাবিক রয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার তিতুমির, ককটেল বিস্ফোরণের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সকাল ১টার দিকে কেন্দ্রের বাইরের রাস্তায় একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটতে থাকে। খবর পেয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা গিয়ে অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এখন কেন্দ্রের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

আরও পড়ুন
language Change