তারিখ লোড হচ্ছে...

স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি শফিউল বারী বাবুর স্মরণে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মিরপুর কলেজের দেয়াল ধস: তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা ও ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার  এমপির ফেরদৌসী আহমেদ  ঝিনাইগাতীর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প পরিদর্শনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হ... পুনর্বাসন ছাড়া আজিমপুর কলোনির ৩১ ভবন ভাঙার উদ্যোগ, তদন্তের মুখে প্রকৌশলী ফিলোন ফিড শরীয়তপুর ডিপোর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত চিতলমারী থানা প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি: সভাপতি টিপু, সম্পাদক অরুণ ৩ ছেলে প্রবাসে, নিঃসঙ্গ চন্দনাইশের আবদুর রহমানের লাশ মিলল ঘরে আদালতে গিয়ে আইভী বললেন নির্দোষ হয়েও আমি অপরাধী মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে চাই: মির্জা ফখরুল কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য দুঃসংবাদ শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী আম্মারসহ ছাত্রশিবিরের মারধরের শিকার দুই শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার পরীমনির কাছে হারলেন সাকিব দুই ধরনের ব্যাংকই বর্তমানে বেশি ঝুঁকির মুখে রয়েছে : বাংলাদেশ ব্যাংক দেশব্যাপী পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৩৯ হাজার, বিপুল পরিমাণ অস্ত্র-মাদক উদ্ধার কারাগারে বসে ভিডিও কলের দাবি ভুয়া অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মেসি, প্রস্তুতি নিচ্ছে এএফএ শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলীর কোটি টাকার সম্পদ: আয়ের উৎস কোথায়? কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, হিসাবরক্ষক মাসুম রেজার বিরুদ্ধে ঘুষ ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ কেশবপুরে প্রশাসনের মাদকবিরোধী অভিযান ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ ঢামেকে কোটি টাকা অনিয়মের তোলপাড়: ৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ মোংলায় বাংলাদেশ ন্যাজ্যারীণ মিশনের বৃক্ষের চারা বিতরণ দুর্গন্ধের রহস্য খুঁজতে গিয়ে মিলল বৃদ্ধের লাশ ইউরোপে চার বছরে দাবানল ৫৭ শতাংশ বেড়েছে, সতর্কতা ডব্লিউএইচওর পরকীয়ার জেরে স্বামীকে হত্যা: নলডাঙ্গায় স্ত্রী ও প্রেমিকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ফায়ার সার্ভিসে ড্রাইভারের মৃত্যু নিয়ে পরিচালক (প্রশাসন)-এর বিরুদ্ধে প্রচারিত অভিযোগ তদন্তে ভিত্তিহ... সাতক্ষীরায় সপ্তাহব্যাপী মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের ঘোষণা মানুষের মাঝে আশার আলো জ্বালাচ্ছে আমরা বিএনপি পরিবার বরগুনার তালতলীতে ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি কর্মসূচির আওতায় গাছের চারা বিতরণ সাংবাদিকের পা কেটে নেওয়া ও ছেলেকে হত্যার হুমকি স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে ভোলাহাটে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটিসহ বিভিন্ন সভা অনুষ্ঠিত বঙ্গভবনে আজ প্রথম অফিস করবেন রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাজউকের ৬০ কোটি টাকার জমি প্রতিবন্ধী মজিবরের দখলে: অসহায় রাজউক! হাওরাঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে সরকারের পক্ষ থেকে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বাগেরহাটে আইনজীবী হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ ৪ জন আটক রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা ১০ আগস্ট পর্যন্ত বৃদ্ধি জনতা ব্যাংকে ছুটির দিনেও অফিস করানো নিয়ে ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা কর্মচারীরা বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় অভিনেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন মাদক ও চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে লালবাগ ২৪নং ওয়ার্ডে প্রতিবাদী মিছিল মোকামিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ জানাযা শেষে গণপিটুনিতে খুনির মৃত্যু, বাড়িতে আগুন স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে, জানালেন মির্জা ফখরুল সাতক্ষীরায় সরকারি মৎস্য খামারের মাছ হরিলুট, ভাড়ার টাকা গায়েব,বাড়ি ভাড়া উত্তোলনের অভিযোগ  মার্শাল আর্ট ক্লাব কাপে শ্রীমঙ্গলের দুই শিক্ষার্থীর সাফল্য বটিয়াঘাটায় ঘুমন্ত যুবককে হাত-পা বেঁধে বস্তাবন্দি করার অভিযোগ বহিরাগত নয়, নোবিপ্রবির শিক্ষককেই ট্রেজারার চান শিক্ষার্থীরা চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষা পুনরায় শুরু যুক্তরাষ্ট্র হামলা বন্ধ রাখলে আমরাও শান্ত থাকব: ইরান

তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে বিপর্যস্ত জনজীবন

পাঠক সংখ্যা
638

 

মুহাম্মদ রুহুল আমীন:
দীর্ঘদিন ধরে যে আশঙ্কার কথা বলছিলেন জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা, আজ তা বাস্তবতায় রূপ নিয়েছে। অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকা উষ্ণতা ও লাগাতার দাবদাহে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে দেশের জনজীবন। শুধু দিনের বেলায় নয়, রাতের আবহাওয়াও এখন আর স্বস্তিদায়ক থাকছে না। গরম যেন ঘুম কেড়ে নিচ্ছে মানুষের চোখ থেকে, আর বাড়িয়ে তুলছে স্বাস্থ্যঝুঁকি।

জলবায়ুবিষয়ক গবেষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশে চরম আবহাওয়ার ঘটনা গত কয়েক দশকে ৪৬ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্যে তীব্র তাপপ্রবাহ, ঘূর্ণিঝড়, অকাল বন্যা ও খরার প্রকোপ সবচেয়ে বেশি দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে বয়স্ক নাগরিকদের ক্ষেত্রে এই উষ্ণতা প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে। ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের মধ্যে তাপজনিত মৃত্যুর হার বেড়েছে ১৪৮ শতাংশ। ২০১৭ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে অতিরিক্ত গরমে মৃত্যু হয়েছে এক হাজার চারশত ত্রিশ জনের।

একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০০ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে বাংলাদেশে মোট একশো পঁচাশিটি চরম আবহাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। প্রতিটি ঘটনায় কোনো না কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের লাখো মানুষ। বিশেষ করে কৃষিকাজ, মাছ চাষ, পশুপালন কিংবা খোলা জায়গায় শ্রমনির্ভর কাজ করা মানুষের জীবন-জীবিকা আজ চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

এই ভয়াল অবস্থার মূল কারণ যে কেবল প্রাকৃতিক নয়, তাও এখন স্পষ্ট। ব্যাপক হারে জ্বালানি পোড়ানো, কারখানার ধোঁয়া, যানবাহনের কালো ধোঁয়া-সব মিলিয়ে পরিবেশে যুক্ত হচ্ছে বিষাক্ত গ্যাস। কার্বন ডাই অক্সাইড, কার্বন মনো অক্সাইড, সালফার ডাই অক্সাইড ইত্যাদি গ্যাস জমে থেকে উষ্ণতা বাড়িয়ে তুলছে। অন্যদিকে, এই গ্যাস শোষণ করে অক্সিজেন উৎপাদনকারী বনায়ন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।

একটি অঞ্চলের মোট আয়তনের কমপক্ষে ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকতে হয় সেখানে বাতাসের ভারসাম্য রক্ষায়। কিন্তু বাংলাদেশে এখন অনেক জেলাতেই এই অনুপাতে বনায়ন নেই। ফসলি জমি কিংবা পাহাড়ি বন কেটে তৈরি হচ্ছে বসতবাড়ি, শিল্প-কারখানা কিংবা অপরিকল্পিত শহর। এইসব কৃত্রিম কাঠামো সূর্যের তাপ শোষণ করে দিনে গরম এবং রাতে গরম বাতাস সৃষ্টি করে চলেছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উষ্ণতা শরীরের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। ডিহাইড্রেশন, হিটস্ট্রোক, ত্বকের রোগ, হৃদযন্ত্রের জটিলতা ও মানসিক অস্থিরতা বাড়ছে গরমের কারণে। গর্ভবতী নারী ও শিশুদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরও বেশি।

পরিবেশবিদদের ভাষায়, “এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে, যদি আমরা এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিই।” তারা মনে করেন, উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে সবুজায়ন, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার, শিল্প বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ ও গণসচেতনতা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই।

এখন সময়, মানুষের জীবনধারা বদলানো। প্রয়োজন প্রকৃতিনির্ভর চিন্তা ও আচরণ। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রকৃতির গুরুত্বকে ফিরিয়ে আনা দরকার। ঘরে-বাইরে গাছ লাগানো, ইট-পাথরের পরিবর্তে খোলা জায়গা সংরক্ষণ, প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে শীতলতা বজায় রাখা এসব ছোট ছোট পরিবর্তন এনে দিতে পারে বড় স্বস্তি।

আমরা যদি এখনই না জাগি, তবে ভবিষ্যতের প্রজন্মকে রেখে যাব এক বিষাক্ত ও অস্বস্তিকর পৃথিবী। তাই জীবন, প্রকৃতি ও ভবিষ্যতের জন্য- আজ থেকেই শুরু হোক আমাদের সচেতনতা, আচরণ ও সিদ্ধান্তের পরিবর্তন।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

ঘুষ ও দুর্নীতির আখড়া বিআইএসএফ

ঘুষ ও দুর্নীতির আখড়া বিআইএসএফ

জান্নাত আশা ॥ স্বৈরাচার হাসিনার আমলে দেশে অরাজকতার কারনে পালালেও তার দোসররা বসে সেই অপর্কম করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত তেমনী ভাবে ঘুষ, অনিয়ম, দুর্নীতি আর উৎপাদিত পণ্য পাচার করছে ইনসুলেটর ও স্যানিটারিওয়্যার উৎপাদনকারী দেশের একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইনসুলেটর অ্যান্ড স্যানিটারিওয়্যার ফ্যাক্টরি লিমিটেড (বিআইএসএফ)। বছরের পর বছর ধরে এমন অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সফলতার মুখ দেখছে না প্রতিষ্ঠানটি। অথচ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করতে প্রতিবছর অর্থায়ন করছে শিল্প মন্ত্রণালয়। রহস্যজনকভাবে অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপও নেই শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান বিসিআইসি। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ ইনসুলেটর অ্যান্ড স্যানিটারিওয়্যার ফ্যাক্টরি লিমিটেডের সহকারী ব্যবস্থাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন। ঘুষের টাকা গুনে নেয়ার পরই তিনি ফাইলের দিকে নজর দেন। প্রতিষ্ঠানটিতে উৎপাদিত পণ্য পাচারের অভিযোগও রয়েছে। শুরুতেই প্রকাশ্য দিবালোকে সিরামিক পণ্য পাচারের চিত্র ধরা পড়ে সময় সংবাদের

আরও পড়ুন
language Change