তারিখ লোড হচ্ছে...

একটি প্ল্যাটফর্ম, একাধিক সেবা-রংপুর ডায়েরির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: মির্জা ফখরুলেই আস্থা বিএনপি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল দুইশর আগেই অস্ট্রেলিয়াকে অলআউট করল বাংলাদেশ অপসাংবাদিকতার ভিড়ে বিবেকের সংকট: আমার অভিজ্ঞতার নির্মম সত্য আরাফাত রহমান কোকোর কবরে স্বেচ্ছাসেবক দলের শ্রদ্ধা ডিসি-এসপি পদায়নের নামে কোটি টাকার প্রতারণা, টার্গেট সরকারি কর্মকর্তারা ফেঁসে গেলেন প্রকৌশলী বদরুল আলম খান বিশেষ অভিযানে ৮ গ্রাম হেরোইন ও ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ নারায়ণগঞ্জে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ‎ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পি এসের কক্ষে বসাকে কেন্দ্র করে পিয়ন সুমনকে শোকজ সুশৃঙ্খল সড়ক ও মোটরযান ব্যবস্থাপনায় ন্যায্যতার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ... পাবনায় প্রতারণা মামলা: যশোরের মামুন হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা কুমিল্লা দাউদকান্দি থানার সাফল্যের মুকুটে নতুন পালক, শ্রেষ্ঠ ওসি পলাশ বাড়ছে বৃষ্টির প্রবণতা, বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বর্ষণের শঙ্কা বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দল ঘোষণা জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে : প্রধানমন্ত্রী সাবেক নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ’র ঘনিষ্ঠ সহচর দুর্নীতিবাজ সাইদুর কি আইনের উর্ধ্বে? সালমান-শাবনূরের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন প্রয়াত অভিনেতার মা   ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস ইরানের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ পদে বড় রদবদল রাজধানীতে ডিএমপি নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪ গোল্ডেন শু’র মালিক আবারও হ্যারি কেইন দেশের বাজারে আবারও বাড়ল সোনার দাম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন : জাতীয় সংসদে প্রস্তুতিমূলক সভা রামগড়ে মোবাইল কোর্টের অভিযানে বাল্যবিবাহ বন্ধ ও জরিমানা সুনামগঞ্জের নবীনগর এলাকায় পুলিশের অভিযানে ভারতীয় মদসহ ২ জন আটক গোয়েন্দা সংস্থার পদক্ষেপ জরুরী সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে আমলা ও গুপ্ত সিন্ডিকেটের নানামুখি চক্রান্ত: কাশিয়ানীতে একযোগে আওয়ামী লীগের ১০ নেতার পদত্যাগ জামিনে মুক্তি পাওয়াদের বরণ করতে গিয়ে ফুলের মালাসহ আ.লীগের ৪ নেতাকর্মী আটক সৌদিতে আরবে সোফা কারখানায় অগ্নিকান্ডে নাটোরে নলডাঙ্গার ৩ প্রবাসী নিহত  বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম ৩১২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করেনি কক্সবাজার দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশনের নির্বাচন ২৮ আগস্ট সৌদি আরবে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১০ বাংলাদেশি নিহত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়, চুরির অপবাদ দিয়ে শ্লীলতাহানি পাবনায় ব্যাংক হামলার পর সাংবাদিক নির্যাতন, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত লোকমান মেম্বারের বিরুদ্ধে একের পর এক... কপ-৩১: প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নের পথে, তুরস্কে জলবায়ু কূটনীতির নতুন পরীক্ষা ফায়ার সার্ভিস এর অবৈধ নিয়োগ ও বদলী বানিজ্য সহ হত্যা মামলার অভিযুক্ত আসামী এবং ওয়ার হাউস থেকে দূর্নীত... জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেফতার ডন, পানির নিচের গ্যাস পাইপে লিকেজ, নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুরে সরবরাহ বন্ধ সাতক্ষীরা ছাত্রদলের উপর হামলা,জেলা সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের কঠোর হুশিয়ারি ‎সুশৃঙ্খল সড়ক ও মোটরযান ব্যবস্থাপনায় ন্যায্যতার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমে সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ সুনামগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ৮১ সদস্য বিশিষ্ঠ পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন সাতক্ষীরায় রাস্তা উদ্বোধন ও বৃক্ষরোপণ করলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব খাগড়াছড়িতে প্রমিলা কাপ ফুটবল ও ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন যে জাল থেকে রেহাই পাচ্ছে না জল জীবনের কেউ-নলডাঙ্গায় প্রসাশনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে পোনা মাছ নিধনের মহো... বৃষ্টির মৌসুম এলেই রাজধানী ঢাকা যেন এক পরিচিত দুর্ভোগের নগরী সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নে সরকারকে ৩ মাসের আল্টিমেটাম

বৈশ্বিক তাপমাত্রাবৃদ্ধিতে মরুকরণের ঝুঁকিতে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়া

পাঠক সংখ্যা
638

নিজস্ব প্রতিবেদক:
জলবায়ু পরিবর্তনের ধারাবাহিক অভিঘাতে পৃথিবীর ওপর চাপ বাড়ছে প্রতিনিয়ত। গাছপালা, মাটি, পানি ও মানুষের পরম্পরাগত সহাবস্থানে নেমে এসেছে নৈরাজ্য। দিন দিন গরমকাল দীর্ঘতর হচ্ছে, বৃষ্টির মৌসুমের আচরণ পাল্টে যাচ্ছে, আর এই পরিবর্তনের অনিবার্য পরিণতি হিসেবে দেখা দিচ্ছে মরুকরণ। বিশ্বের শুষ্ক অঞ্চলগুলো ক্রমেই রুক্ষ, অনুর্বর ভূমিতে রূপ নিচ্ছে।

গবেষণা বলছে, বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় সাত ভাগ শুষ্ক ভূমি মরুকরণের শিকার, যার পরিমাণ প্রায় পৃথিবীর এক চতুর্থাংশ ভূমির সমান। অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার, ভূগর্ভস্থ পানি নিঃশেষকরণ, বন উজাড়, অপ্রয়োজনীয় চাষাবাদ এবং অতিরিক্ত খনিজ আহরণের ফলে এসব ভূমি উৎপাদন ক্ষমতা হারাচ্ছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক। একদিকে প্রতিবেশী দেশের একতরফা পানি প্রত্যাহার, অন্যদিকে খরা, অল্প বৃষ্টিপাত ও অপ্রত্যাশিত আবহাওয়ার কারণে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল দ্রুত শুষ্ক এলাকায় রূপ নিচ্ছে। বিশেষ করে পদ্মা ও গঙ্গা অববাহিকার অঞ্চলগুলোতে পানির অভাবে জমি চাষের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। উত্তরাঞ্চলের নদ-নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে এই সব অঞ্চল মরু ভূমিতে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা প্রবল।

বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষকরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বিগত শতকে প্রায় এক ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি বেড়েছে। বর্তমান হারে তাপমাত্রা বাড়তে থাকলে ২০৫০ সালের মধ্যে আরও দেড় ডিগ্রি বাড়তে পারে। এর প্রভাবে হিমবাহ গলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে বাংলাদেশসহ উপকূলীয় দেশগুলো তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে। একই সাথে মরুকরণের ফলে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা ফসলহীন ও পানিশূন্য হয়ে পড়বে।

জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৯২ সালে পরিবেশ রক্ষায় একটি আন্তর্জাতিক সনদ গৃহীত হয়। সেই সনদের আওতায় মরুকরণ প্রতিরোধে বৈশ্বিক কর্মসূচি নেওয়া হলেও, বাস্তবতায় অধিকাংশ উন্নয়নশীল দেশ এখনও প্রয়োজনীয় সহায়তা থেকে বঞ্চিত। ফলে স্থানীয় জনগণ, বিশেষ করে কৃষিজীবীরা টিকে থাকার সংগ্রামে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
বাংলাদেশের পরিবেশবিদরা বলছেন, এখনই পরিকল্পিত ভূমি ব্যবহার, বৃক্ষরোপণ, জলাধার সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সুষম ব্যবহার নিশ্চিত করা না গেলে আগামী এক দশকের মধ্যেই বাংলাদেশে খাদ্য ও পানির সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

বিশ্বে বহু এলাকা ইতোমধ্যেই মরুকরণে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। আফ্রিকার সাহারা অঞ্চল, মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তীর্ণ অঞ্চল, দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অংশ, এমনকি ভারতের রাজস্থান ইতোমধ্যে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। বাংলাদেশও সেই পথেই হাঁটছেÑ যদি না এখনই যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
পরিবেশবিদদের মতে, টেকসই কৃষি, পানিসংরক্ষণ, বিকল্প শক্তি ব্যবহার এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিই হতে পারে এই ভয়াবহ সংকট প্রতিরোধের একমাত্র পথ। মরুকরণের গতিরোধ না করা গেলে পৃথিবীর খাদ্য ভাণ্ডার এক সময় রিক্ত হয়ে পড়বে, যা মানবসভ্যতার জন্য চরম হুমকি।

তাপমাত্রাবৃদ্ধিতে মরুকরণের ঝুঁকিতে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়া

জলবায়ু পরিবর্তনের ধারাবাহিক অভিঘাতে পৃথিবীর ওপর চাপ বাড়ছে প্রতিনিয়ত। গাছপালা, মাটি, পানি ও মানুষের পরম্পরাগত সহাবস্থানে নেমে এসেছে নৈরাজ্য। দিন দিন গরমকাল দীর্ঘতর হচ্ছে, বৃষ্টির মৌসুমের আচরণ পাল্টে যাচ্ছে, আর এই পরিবর্তনের অনিবার্য পরিণতি হিসেবে দেখা দিচ্ছে মরুকরণ। বিশ্বের শুষ্ক অঞ্চলগুলো ক্রমেই রুক্ষ, অনুর্বর ভূমিতে রূপ নিচ্ছে।গবেষণা বলছে, বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় সাত ভাগ শুষ্ক ভূমি মরুকরণের শিকার, যার পরিমাণ প্রায় পৃথিবীর এক চতুর্থাংশ ভূমির সমান। অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার, ভূগর্ভস্থ পানি নিঃশেষকরণ, বন উজাড়, অপ্রয়োজনীয় চাষাবাদ এবং অতিরিক্ত খনিজ আহরণের ফলে এসব ভূমি উৎপাদন ক্ষমতা হারাচ্ছে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক। একদিকে প্রতিবেশী দেশের একতরফা পানি প্রত্যাহার, অন্যদিকে খরা, অল্প বৃষ্টিপাত ও অপ্রত্যাশিত আবহাওয়ার কারণে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল দ্রুত শুষ্ক এলাকায় রূপ নিচ্ছে। বিশেষ করে পদ্মা ও গঙ্গা অববাহিকার অঞ্চলগুলোতে পানির অভাবে জমি চাষের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। উত্তরাঞ্চলের নদ-নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে এই সব অঞ্চল মরু ভূমিতে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা প্রবল।
বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষকরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বিগত শতকে প্রায় এক ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি বেড়েছে। বর্তমান হারে তাপমাত্রা বাড়তে থাকলে ২০৫০ সালের মধ্যে আরও দেড় ডিগ্রি বাড়তে পারে। এর প্রভাবে হিমবাহ গলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে বাংলাদেশসহ উপকূলীয় দেশগুলো তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে। একই সাথে মরুকরণের ফলে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা ফসলহীন ও পানিশূন্য হয়ে পড়বে।

জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৯২ সালে পরিবেশ রক্ষায় একটি আন্তর্জাতিক সনদ গৃহীত হয়। সেই সনদের আওতায় মরুকরণ প্রতিরোধে বৈশ্বিক কর্মসূচি নেওয়া হলেও, বাস্তবতায় অধিকাংশ উন্নয়নশীল দেশ এখনও প্রয়োজনীয় সহায়তা থেকে বঞ্চিত। ফলে স্থানীয় জনগণ, বিশেষ করে কৃষিজীবীরা টিকে থাকার সংগ্রামে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
বাংলাদেশের পরিবেশবিদরা বলছেন, এখনই পরিকল্পিত ভূমি ব্যবহার, বৃক্ষরোপণ, জলাধার সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সুষম ব্যবহার নিশ্চিত করা না গেলে আগামী এক দশকের মধ্যেই বাংলাদেশে খাদ্য ও পানির সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

বিশ্বে বহু এলাকা ইতোমধ্যেই মরুকরণে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। আফ্রিকার সাহারা অঞ্চল, মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তীর্ণ অঞ্চল, দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অংশ, এমনকি ভারতের রাজস্থান ইতোমধ্যে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। বাংলাদেশও সেই পথেই হাঁটছেÑ যদি না এখনই যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।পরিবেশবিদদের মতে, টেকসই কৃষি, পানিসংরক্ষণ, বিকল্প শক্তি ব্যবহার এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিই হতে পারে এই ভয়াবহ সংকট প্রতিরোধের একমাত্র পথ। মরুকরণের গতিরোধ না করা গেলে পৃথিবীর খাদ্য ভাণ্ডার এক সময় রিক্ত হয়ে পড়বে, যা মানবসভ্যতার জন্য চরম হুমকি।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

বায়োফার্মা পেলো ইনস্টিটিউশনাল অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড”

মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতে সেরা শিল্প ওষুধ প্রতিষ্ঠান হিসেবে বায়োফার্মা পরিবার পেয়েছে প্রথম পুরস্কার “ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি এন্ড কোয়ালিটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড” এবং “ইনস্টিটিউশনাল অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড”। উক্ত অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তিতে বায়োফার্মা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. লকিয়ত উল্যা-কে অভিবাদন জানিয়েছেন পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ। ছবিতে উপস্থিত বায়োগ্রুপের সম্মানিত চেয়ারম্যান ডা. শাহাবুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. আনোয়ারুল আজিম, সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর. ডা. এন. এ. কামরুল আহসান, বায়োপ্রপার্টিজের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডা. আলী আশরাফ খান, ডিরেক্টর ডা. ফজলুর রহমান মজুমদার, ডিরেক্টর ডা. জহির উদ্দিন মাহমুদ, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ডা. তৌহিদ আল বেরুনি।

আরও পড়ুন
language Change