তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
ইরান ও লেবাননের পাশে থাকার ঘোষণা চীনের হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু ওসমান হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ১৬ বার জনগণের টাকা পাচার হতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের শিশু ধর্ষণের আসামি মুনিরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড মামলা ও সিন্ডিকেটের ফাঁদে ঢাকার ১২৩ পরিত্যক্ত সরকারি বাড়ি, বেহাত হাজার কোটি টাকা জিয়া শিশু কিশোর মেলা, গাজীপুর মহানগর কমিটি ঘোষণা ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ বিদ্যুৎতের তার চুরি করতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু ​চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবির অভিযানে সিরাপ ও ইয়াবাসহ আটক ২ কামারখন্দে সাড়ে ৩ হাজার ফুট পতাকা টাঙিয়ে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের চমক বিশ্বম্ভরপুরের ফতেপুরে মাদক থেকে যুবসমাজকে রক্ষায় মানববন্ধন ট্রাকচাপায় ট্রাফিক পুলিশ নিহত বুড়িচংয়ে কিশোর গ্যাংয়ের দুই সদস্য আটক মাদক সেবন ও অশ্লীল কর্মকাণ্ডে জড়িত ৪ জনের কারাদণ্ড ভাগনেকে বিয়ে করলেন মামী, দেশে ফিরে আত্মহত্যা প্রবাসী স্বামী চট্টগ্রাম-জামালপুরের শিল্পপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে ওপিসিডব্লিউ পরিদর্শক দল বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করে নতুন ইতিহাস গড়লেন মেসি মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গলের পথে প্রধানমন্ত্রী সাব রেজিস্টার মাইকেলের হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ ২০ বছরেও পাকা হয়নি ইটের রাস্তা, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ বটিয়াঘাটায় সুধী সমাবেশ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ, পুলিশের কঠোর আশ্বাস শ্রীমঙ্গলে ৮ বছর বয়সী শিশুকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ পিরোজপুরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী আজাদের অভিনব টেন্ডার বাণিজ্যের অভিযোগ রেল যোগাযোগের আওতায় যুক্ত হচ্ছে আরও ১০ জেলা ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে ময়লা অপসারণে ব্যাপক উদ্যোগ-সফিউদ্দিন আহম্মেদ সেন্টু বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে বৃক্ষ রোপন অনুষ্ঠিত গণমাধ্যম স্বাধীন থাকলে ক্ষমতা জবাবদিহিতার মুখোমুখি থাকবে: তথ্যমন্ত্রী পানি উন্নয়ন বোর্ডের হিসাব সহকারী মনির হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগ ৭ হাজার কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়: আপিল শুনানি ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মুলতবি বাংলা টিভির সামাদুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় ডাব পাড়ার প্রলোভনে ডেকে নিয়ে ১০ বছরের শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ ইথিওপিয়ায় বাস দুর্ঘটনায় নিহত ৩১ সিরাজগঞ্জে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৫ সদস্য আটক সমতায় শেষ হল ইরান-নিউজিল্যান্ডের রোমাঞ্চকর লড়াই মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে স্বাগত জানিয়ে শেখ বোরহান উদ্দিন রেকর্ড পতনের পর আবারও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম আদ্-দ্বীনের নির্বাহী পরিচালকের পদত্যাগ সৌদি আরবে হিজরি নববর্ষ শুরু শিক্ষার ৪ স্তম্ভে আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে: ববি হাজ্জাজ ভারতে প্রবেশ না করে দেশে ফেরা নিয়ে মুখ খুললেন ডা. জাহেদ উর রহমান মহাখালী-তেজগাঁও সড়ক অবরোধ বুধবার মৌলভীবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী , চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি রংপুরের ঐতিহ্যবাহী হাঁড়িভাঙ্গা আমের আনুষ্ঠানিক বাজারজাতকরণ শুরু বরগুনায় পুলিশ সার্ভিস ডেস্ক সেবা বিষয়ে সচেতনতা সভা রাজধানীর তিন বাস টার্মিনাল স্থানান্তরে নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় ৩৩ লক্ষ টাকা মূল্যের ফেন্সিডিল ও ভারতীয় ঔষধ জব্দ সাতক্ষীরা উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশের টাকা মালিকদের নিকট হস্তান্তর

মিরপুর বিআরটিএ কর্মকর্তা ও কর্মচারীর ছত্রছায়ায় চলে দূর্নীতি

পাঠক সংখ্যা
638

রাহিমা আক্তার মুক্তাঃ

রাজধানীর মিরপুর বিআরটিএ অফিসে দালালদের পাশাপাশি নিরাপত্তা দ্বায়ীক্তে নিয়োজিত আনসার কমান্ডার রুহুল আমিন ও সহকারী কমান্ডার (এপিসি) মিনারুল. সহ তার সদস্য বাহিনীরা অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। দালালদের নিয়ন্ত্রন করে দালালদের কাছ থেকে মাসে ২ থেকে আড়াই লাখ টাকা হাতিয়ে নেন পিসি রুহুল আমিন। এবং নিজস্ব আনসার সদস্যদের দিয়ে বিভিন্ন ধরনে গাড়ীর কাগজ – পত্র ঠিক করার মাধ্যমে সদস্যদের কাজ থেকে প্রতিদিন ১০ /১২ হাজার করে নিয়ে থাকেন বলে তাদের অভিযোগ। নাম না প্রকাশে শর্তে একজন দালাল বলেন, আমরা ৮০থেকে ৯০ জন মিলে এখানে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কাজ করি। এই কাজের বিনিময়ে আনসার কমান্ডারকে মাসে ২ থেকে আড়াই লাখ টাকা দিতে হয়। এই টাকা গুলো আনসারের এপিসি মিনারুল কাছে দিতে হয়। মিনারুল আমাদেরকে বলেন আমি পরে কমান্ডার রুহুল আমিন স্যারের কাছে টাকা গুলো পৌছিয়ে দেই । টাকা না দিলে আমাদেরকে ভেতরে ঢুকতে বা কাজ করতে দেয় না। টাকা দিলে আবার কাজ করতে দেয়। তিনি আরও বলেন, আমাদের কাজের পাশাপাশি আনসার সদস্যরাও এইসব কাজে জড়িত। ৩০ জন আনসার সদস্য এখানে রয়েছে। এমনকি সাবেক আনসার সদস্যরা এখানে এসে কাজ করে। তারা হলেন, মো.রিপন হোসেন, নাজমুল, খিতিশ, প্রীতম, সবুজ শেখ, আহসান, আরমানসহ আরো অনেক সদস্যরা বিআরটিএ’র কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে একে পর এক কাজ করে যাচ্ছে। তাদের জন্য আমরা বেশী একটা কাজ করতে পারি না। তার পরও আনসার কমান্ডারকে সপ্তাহ হিসেবে বা মাস হিসেবে টাকা দিতে হচ্ছে। কাজ হক বা না হক টাকা পরিশোধ করতেই হবে। মোটরসাইকেলের ডিজিটাল প্লেট নম্বর লাগাতে হাজারীবাগের কামাল হোসেন বিআরটিএতে আসেন। কামাল হোসেন পেশায় একজন পাঠাও চালক। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা দাউদকান্দীতে সপ্তাহ ধরে তিনি ডিজিটাল প্লেট লাগাতে আসছেন কিন্তু তার সময়ের সঙ্গে মিল হচ্ছে না। যার কারণে তিনি বারবার আচ্ছেন আর ফেরত যাচ্ছেন। এই প্রতিবেদকের কাছে তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিআরটিএ অফিসে সেবা পেতে ভোগান্তিতে পড়তে হয়, বাধ্য হয়ে নিতে হয় দালাল বা আনসার সদস্যদের সহযোগিতা। কামাল হোসেন নম্বর প্লেট নেওয়ার উদ্দেশে অনেক সময় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন। নয়টা থেকে তিনটা পর্যন্ত সরকারি অফিস খোলা থাকায় হাজারীবাগ থেকে যেতে একটু দেরি হয় তার। যেতে না যেতেই মিরপুর বিআরটিএর সামনে দীর্ঘ লাইনে পড়তে হয়। দালাল না ধরেই তিনি নিয়ম অনুযায়ী নম্বর প্লেট লাগাতে চান যার কারণে তিনি পড়েন বিভিন্ন ভোগান্তিতে।লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর তিনটার আগেই ডিজিটাল প্লেট নম্বর দেওয়া বন্ধ করে বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ। কামালের অভিযোগ, অনেক সময় আনসার সদস্যরা লাইনের মানুষের কাছ থেকে টাকা খেয়ে অনেক মানুষের সিরিয়াল এগিয়ে দেয় এবং ডিজিটাল প্লেট নম্বর লাগিয়ে দেয়। পরে তারা বলে আজ অফিস শেষ এবং যারা লাগাবেন তারা চলে গেছেন। এর পর কামালের মতো অনেকেই এমন ভোগান্তির শিকার হয়ে তাদের মূলবান সময় নষ্ট করে। বুধবার সকালে মিরপুর বিআরটিএ অফিসের বাইরে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার সময় কথা হয় কামাল হোসেনসহ অনেকের সঙ্গে। এ সময় ভুক্তভুগী মেহেদী হাসান, নয়ন, মাসুদ, ও জামান একই অভিযোগ করেন।ভুক্তভুগীদের অভিযোগ, একদিকে আসতে হয় অনেক দূর থেকে, রাস্তায় থাকে যানজট শুক্রবার ও শনিবার বন্ধ হওয়ায় কর্মসংস্থানের পাশাপাশি ডিজিটাল নম্বর প্লেট লাগাতে হচ্ছে মোটরসাইকেলে। বিআরটিএ অফিসে পর্যাপ্ত লোকবল থাকার পরেও দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোগান্তির শিকার হতে হয়।এ সময় কামাল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, পরপর বেশ কয়েকদিন লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও সময় মতো ডিজিটাল নম্বর প্লেট লাগাতে পারিনি। একদিকে থাকে পেটের চিন্তা অন্যদিকে ডিজিটাল নম্বর লাগাতে হবে, অন্যথায় ট্রাফিক পুলিশ বিভিন্নভাবে হয়রানি করবে এবং মামলা দেবে। এক সপ্তাহ যদি এভাবেই সময় যায় তাহলে পেটের চিন্তা করব না ডিজিটাল নম্বর প্লেট লাগাব?শুধু কামাল নয়, এমন অনেক ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ডিজিটাল নম্বর প্লেট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, এবং ট্যাক্সটোকের নিতে পড়তে হয় বিভিন্ন ভোগান্তিতে। দালাল ধরলে এ সব আগেই সুন্দর মতো এবং সঠিক সময়ে পাওয়া যায়। নিয়ম অনুযায়ী এ সব সেবা নিতে গেলে সময় ও কর্ম দুইটোই নষ্ট হচ্ছে। বিআরটিএ অফিসে গেলে দালালের খপ্পরে পড়তে হয় এবং নানা ধরনের জটিলতায় পড়তে হচ্ছে অনেকের।কথা হয় পেশাদার বাস ড্রাইভিং লাইসেন্সধারী মো. আজগর আলীর সঙ্গে। আজগরের গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ি জেলার সদর থানায়। নিজের ড্রাইভিং লাইসেন্সে নবায়ন করতে ২০২০ সালে আবেদন করেন। অনেক কষ্ট করে তিনি ২০২২ সালের ১০ মে লাইসেন্স হাতে পান। তার লাইসেন্সে এ নাম ভুল হয়েছে যা ঠিক করতে এই টেবিল ওই টেবিল করে সময় নষ্ট করতে হচ্ছে তাকে। নিয়ম অনুযায়ী তিনি কোনো সেবা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন।পেশাদার ট্রাক চালক জাবেদুল ইসলাম বলেন, বিআরটিএ-এর অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দালাল এবং আনসারদের মধ্যে যোগসাজশের কারণে সেবাগ্রহীতাদের এ সব ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।ভোক্তভুগীরা বলছেন, দালাল ছাড়া লাইসেন্স পাওয়ার চেষ্টা করাটাও যেন এক ধরনের পাপ। বিআরটি এর সেবা পেতে ভোগান্তিতে পড়ে নিতে হয় দালালের সহযোগিতা। দালাল আর টাকা ছাড়া এখানে কোনো কাজ হয় না।মোহাম্মদপুর থেকে বিআরটিএ অফিসে ড্রাইভিং লাইসেন্স ডেলিভারি নিতে এসেছেন মোহাম্মাদ আব্দুল্লাহ। তিনি প্রায় তিন ৪ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর নিয়ম অনুযায়ী লাইসেন্স হাতে পান। তিনি অভিযোগ করে বলেন, অনেকেই টাকা দিয়ে আগেই নিয়েছেন।তিনি বলেন, আর কত কষ্ট দেবে বিআরটিএ। আমাদের সেবামুখী মানুষদের। রাস্তার গাড়ির কাগজ পত্র ঠিক না থাকলে পুলিশ হয়রানি করে। আর বিআরটিএ কাগজ সঠিক সময়ে না দিয়ে আরেক ভোগান্তিতে ফেলে।এদিকে দালাল, টাউট ও প্রতারক হতে সাবধান’। এমন সতর্কবার্তা সম্বলিত সাইনবোর্ড চোখে পড়বে রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ সড়ক পবিরবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) গেট দিয়ে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গেই। শুধু প্রবেশ ফটকেই নয়, এমন সতর্কবার্তা লেখা আরও অনেকগুলো সাইনবোর্ড সাঁটানো আছে মিরপুর বিআরটিএ এর বিভিন্ন ভবনের দেয়ালে দেয়ালে। কিন্তু এই সতর্কবার্তাকে ছাপিয়ে, বলা যায় বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দালালদের দৌরাত্ম্যই পুরো বিআরটিএ জুড়ে।অবশ্য দালালরা বলছে, বিআরটিএ-এর লোকজনের সহযোগিতায় তারা বিআরটিএ-তে দালালির কাজ করছেন। এজন্য তাদের খুশিও করতে হয়। দালালদের উপস্থিতি এতটাই বেশি যে, সেবা নিতে যাওয়া মানুষরা তাদের হাতেই জিম্মি। সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ না করে পালিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে বলে অভিযোগ ভোগান্তি ও প্রতারণার শিকার লোকজনের। দেখা যায় দালালি করার অভিযোগে এক পাঁচ জনকে আটক করে রেখেছে বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ। বিআরটিএ অফিসের মধ্যে গারতখানায় তাদের আটক করে রাখা হয়। এসময় আটক এক দালাল (হাবিব) বলেন, বিআরটিএ-এর যারা আমাদের ধরেছেন আমরা তো তাদেরই ঘুষ দিয়েই দালালি করি। টাকা একটু কম দিলেই তারা আমাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযান চালান।এক প্রশ্নের জবাবে আটক হওয়া আরেক দালাল মিনহাজ বলেন, টাকা দিলেই একটু পরে ছেড়ে দেবে আমাদের। তিনি বলেন, তবে শুনেছি গতকাল ১০ দালাল ধরার পরে তাদের আদালতে পাঠিয়েছে। আজ আমাদের ছেড়ে দেবে বলে জানতে পেরেছি । তিনি বলেন, দয়া করে আমাদের ছবি তুলবেন না।এ সব বিষয়ে জানতে চাইলে মিরপুর বিআরটিএ অফিসে কর্মরত সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘সাধারণ মানুষের অভিযোগগুলো পুরোপুরি সঠিক না। ভেতরে আমাদের কোনো অসঙ্গতি নেই। নিয়ম অনুযায়ী সবাই ড্রাইভিং লাইসেন্স, নম্বর প্লেট বা অন্যন্য কাগজ পত্র ডেলিভারি হয়।তিনি আরও বলেন, আটক পাঁচ জন দালালের বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারছি না। আনসার কমান্ডার ও ম্যাজিস্ট্রেট ভালো বলতে পারবেন। আপনাদের কাছে কোনো অভিযোগ থাকলে আমাদের হেড অফিসে বা এখানে বলতে পারেন।জানতে জাইলে মিরপুর বিআরটিএ অফিসে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার কমান্ডার রুহুল আমিন বলেন, বেশ কয়েকজন দালাল আটক রয়েছে যাচাই-বাচাই চলছে। বিস্তারিত আমাদের ম্যাজিস্ট্রেট স্যার ভালো বলতে পারবেন।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

শিবালয়ে গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার: মানিকগঞ্জের শিবালয়ে নুরজাহান বেগম (৩২) নামে এক গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার বোয়ালিপাড়া চক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বুধবার (২০ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিবালয় থানার ওসি আল মামুন। নিহত নুরজাহান বেগম উপজেলার শিবালয় ইউনিয়নের ইখলাস শেখের (৪০) স্ত্রী। স্থানীয়রা জানান, দেড় দশক আগে ইখলাস শেখের সঙ্গে নুরজাহানের বিয়ে হয়। তার স্বামী পেশায় একজন গাছ ব্যবসায়ী। তাদের তিন সন্তান রয়েছে। এ বিষয়ে শিবালয় থানার ওসি আল মামুন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। সবা:স:সু-১৪৬/২৪

আরও পড়ুন
language Change