তারিখ লোড হচ্ছে...

ভুয়া ওষুধের তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিককে পুঁতে ফেলার হুমকি স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দেশব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিতের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন: আগামীকাল দেশব্যাপী স্বেচ্ছাসেবক দলের মিলাদ ও দোয়া মাহফিল সিন্ডিকেটের নেপথ্যে ‘মিস্টার ৫%’: গণপূর্তের আবুল খায়েরের দুর্নীতি ও সম্পদের পাহাড় একটি প্ল্যাটফর্ম, একাধিক সেবা-রংপুর ডায়েরির ব্যতিক্রমী উদ্যোগ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: মির্জা ফখরুলেই আস্থা বিএনপি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল দুইশর আগেই অস্ট্রেলিয়াকে অলআউট করল বাংলাদেশ অপসাংবাদিকতার ভিড়ে বিবেকের সংকট: আমার অভিজ্ঞতার নির্মম সত্য আরাফাত রহমান কোকোর কবরে স্বেচ্ছাসেবক দলের শ্রদ্ধা ডিসি-এসপি পদায়নের নামে কোটি টাকার প্রতারণা, টার্গেট সরকারি কর্মকর্তারা ফেঁসে গেলেন প্রকৌশলী বদরুল আলম খান বিশেষ অভিযানে ৮ গ্রাম হেরোইন ও ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ নারায়ণগঞ্জে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ‎ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পি এসের কক্ষে বসাকে কেন্দ্র করে পিয়ন সুমনকে শোকজ সুশৃঙ্খল সড়ক ও মোটরযান ব্যবস্থাপনায় ন্যায্যতার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ... পাবনায় প্রতারণা মামলা: যশোরের মামুন হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা কুমিল্লা দাউদকান্দি থানার সাফল্যের মুকুটে নতুন পালক, শ্রেষ্ঠ ওসি পলাশ বাড়ছে বৃষ্টির প্রবণতা, বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বর্ষণের শঙ্কা বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দল ঘোষণা জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে : প্রধানমন্ত্রী সাবেক নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ’র ঘনিষ্ঠ সহচর দুর্নীতিবাজ সাইদুর কি আইনের উর্ধ্বে? সালমান-শাবনূরের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন প্রয়াত অভিনেতার মা   ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস ইরানের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ পদে বড় রদবদল রাজধানীতে ডিএমপি নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪ গোল্ডেন শু’র মালিক আবারও হ্যারি কেইন দেশের বাজারে আবারও বাড়ল সোনার দাম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন : জাতীয় সংসদে প্রস্তুতিমূলক সভা রামগড়ে মোবাইল কোর্টের অভিযানে বাল্যবিবাহ বন্ধ ও জরিমানা সুনামগঞ্জের নবীনগর এলাকায় পুলিশের অভিযানে ভারতীয় মদসহ ২ জন আটক গোয়েন্দা সংস্থার পদক্ষেপ জরুরী সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে আমলা ও গুপ্ত সিন্ডিকেটের নানামুখি চক্রান্ত: কাশিয়ানীতে একযোগে আওয়ামী লীগের ১০ নেতার পদত্যাগ জামিনে মুক্তি পাওয়াদের বরণ করতে গিয়ে ফুলের মালাসহ আ.লীগের ৪ নেতাকর্মী আটক সৌদিতে আরবে সোফা কারখানায় অগ্নিকান্ডে নাটোরে নলডাঙ্গার ৩ প্রবাসী নিহত  বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম ৩১২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করেনি কক্সবাজার দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশনের নির্বাচন ২৮ আগস্ট সৌদি আরবে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১০ বাংলাদেশি নিহত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়, চুরির অপবাদ দিয়ে শ্লীলতাহানি পাবনায় ব্যাংক হামলার পর সাংবাদিক নির্যাতন, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত লোকমান মেম্বারের বিরুদ্ধে একের পর এক... কপ-৩১: প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নের পথে, তুরস্কে জলবায়ু কূটনীতির নতুন পরীক্ষা ফায়ার সার্ভিস এর অবৈধ নিয়োগ ও বদলী বানিজ্য সহ হত্যা মামলার অভিযুক্ত আসামী এবং ওয়ার হাউস থেকে দূর্নীত... জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেফতার ডন, পানির নিচের গ্যাস পাইপে লিকেজ, নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুরে সরবরাহ বন্ধ সাতক্ষীরা ছাত্রদলের উপর হামলা,জেলা সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের কঠোর হুশিয়ারি ‎সুশৃঙ্খল সড়ক ও মোটরযান ব্যবস্থাপনায় ন্যায্যতার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমে সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ সুনামগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ৮১ সদস্য বিশিষ্ঠ পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন

৩৫ বছর পরে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলো হত্যা মামলা

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার॥
১৯৮৯ সাল। স্বৈরাচারী এরশাদের জমানার শেষ সময়। এই বছরের ১৫ই আগস্ট অস্ত্রের ঝনঝনাতিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। ছাত্রশিবিরের সাথে ছাত্রদল এবং অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের রক্তাক্ত সংঘর্ষে ছাত্রদলের যুগ্ম-সম্পাদক কবীর নিহত হন, অর্ধশত আহত। এই খবরে সারা দেশে তোলপাড় ওঠে। সিন্ডিকেট বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে, ছাত্রশিবিরের ২২ জনকে বহিস্কার করে। ইসলমী ছাত্রশিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

১৯৮৯ সাল। স্বৈরাচারী এরশাদের জমানার শেষ সময়। এই বছরের ১৫ই আগস্ট অস্ত্রের ঝনঝনাতিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। ছাত্রশিবিরের সাথে ছাত্রদল এবং অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের রক্তাক্ত সংঘর্ষে ছাত্রদলের যুগ্ম-সম্পাদক কবীর নিহত হন, অর্ধশত আহত। এই খবরে সারা দেশে তোলপাড় ওঠে। সিন্ডিকেট বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে, ছাত্রশিবিরের ২২ জনকে বহিস্কার করে। ইসলমী ছাত্রশিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

৩৫ বছর পরে হঠাৎ করে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলো ইকবাল হত্যা মামলা

ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়, সংঘর্ষে প্রায় ৪০ জন ছাত্র হতাহত হন। এদের মধ্যে ছাত্রদল নেতা কবিরকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। পরে কবির চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন ২৬ আগস্ট। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সবক’টি ছাত্র সংগঠন ঐক্যবদ্ধ হয়ে শিবিরের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। হত্যার প্রতিবাদে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নিন্দা করে কঠোর বিবৃতি দেন। শহীদ কবিরের নামে বিশ্ববিদ্যালয়ে “কবীর চত্তর” নির্মাণ করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ৯০ পরবর্তীতে জামায়াত বিএনপির সাথে আপোষ করলে ওই হত্যা মামলায় অভিযুক্তরা খালাস পান। ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকায় জনপ্রশাসনের অতিরিক্ত সচিব এপিডি এরফানুল হকও অন্যান্য ২১ জন শিবির কর্মীর সাথে বহিস্কৃত হয়েছিলেন। পরে পাসকোর্সে গ্রাজুয়েশন করে তিনি বিসিএস পরীক্ষা দেন। প্রশাসন ক্যাডারের ১৮তম ব্যাচে নিয়োগ পান।

মো. এরফানুল হককে গত ৯ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এপিডি পদ থেকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে বদলি করা হয়। এই বদলীর পর পরই জামায়াতের পক্ষে থেকে নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। অতিরিক্ত সচিব এপিডি পদে পদায়ন পাওয়া কর্মকর্তা ফিরোজ সরকারের যোগদান ঠেকাতে কিছু স্থানীয় পত্রিকায় মিথ্যা-বানোয়াট প্রোপাগান্ডা ছড়ানো শুরু হয়েছে। জনপ্রশাসনে অতিরিক্ত সচিব এপিডি হিসেবে ফিরোজ সরকারের পদায়ন হওয়ার পর থেকে জামায়াতপন্থি আমলারা সচিবালয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্থানে তাদের রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠকে করছেন বলে গোয়েন্দা সূত্র নিশ্চিত করেছে।

আজ শনিবার জামায়াতের প্রভাবশালী আইনজীবী শিশির মনির সাক্ষাৎ করেছেন বিদায়ী এপিডি এরফানের সাথে। তিনি তাকে বলেছেন, চার্জ না দিতে। তারা ঠেকিয়ে দিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবেন। তার মানে, জনপ্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদায়ন নিয়ে জামায়াতে ইসলামী অল-আউটে নেমে পড়েছে। ক্যাবিনেট সচিবও এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত। ক্যাবিনেট সচিব শেখ রশিদ কেবল জামায়াতের রোকনই নন, দলটির অতিরিক্ত মহাসচিবের ভূমিকায় নেমেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রভাবশালী ৮২ ব্যাচের মোখলেস-কাণ্ডের সঙ্গে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এপিডি মো. এরফানুল হক জড়িত থাকার কারণে গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের পর গত ৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাতে তাকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে বদলি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। এপিডি এরফানকে সরানোর পরে এই বদলি আটকানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে জামায়াত। কেননা এই এরফান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামী ছাত্র শিবিরের ক্যাডার ছিলেন।

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রশাসনে নিরপক্ষতা ফিরে আনতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোখলেস উর রহমানকে অপসারণের পরে নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রেষণ (এপিডি) অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব পদে ১৭ বিসিএসের কর্মকর্তা খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. ফিরোজ সরকারকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি একজন সৎ, দক্ষ এবং মেধাবী কর্মকর্তা হিসাবে পরিচিত। একই সঙ্গে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রেষণ (এপিডি) অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. এরফানুল হককে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে বদলি করা হয়েছে।

এর আগে নানা অনিয়ম, অদক্ষতার কারণে গত ২১ সেপ্টেম্বর চুক্তিতে থাকা সিনিয়র সচিব ড. মোখলেস উর রহমানকে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য পদে বদলি করা হয়। নতুন পদায়ন নিয়ে নীতিনির্ধারকদের মধ্যে মতৈক্য না হওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ এ মন্ত্রণালয়ে এখনও সচিব পদায়ন করা সম্ভব হয়নি। ফলে সচিবালয় থেকে শুরু করে মাঠ প্রশাসনে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। মূলতঃ নতুন সচিব নিয়ে সরকারের ভেতরে যেমন টানাপোড়েন চলছে, তেমনি নির্বাচনে অংশগ্রহণেচ্ছুক বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্য চলছে প্রতিযোগিতা।

জনপ্রশাসন সচিব পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে সরকারের ভেতরে দ্বিধা ও টানাপোড়েন চলছে তিন সপ্তাহ। এ বিষয়ে বিএনপিপন্থি সরকারি কর্মকর্তারা নিক্রিয় রয়েছেন। এ সুযোগটি কাজে লাগিয়ে জামায়াতপন্থি কর্মকর্তারা নিজেদের পছন্দের সচিব বসাতে তৎপর হয়ে উঠেছেন। এমনকি তাদের দলের সর্বোচ্চ নেতারা তাদের পছন্দের কর্মকর্তাকে বসাতে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন। তাদের প্রবল চাপের কারণে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ অর্থাৎ সরকার সিদ্ধান্ত নিতে অনেকটাই সময়ক্ষেপণের কৌশল নিয়েছে বলে জানা গেছে।

গত ১৪ মাসে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ওপর প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে সচিব, অধিদপ্তবের মহাপরিচালক পদসহ মাঠ প্রশাসনের ডিসি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদ বাগিয়ে নিয়েছে জামায়াতপন্থিরা। অন্যদিকে বিএনপি’র বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মাঠে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে তারা। বিএনপি মাঠ সামালাতে ব্যস্ত থাকায় সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রশাসন, ব্যাংকসহ বিভিন্ন অফিস দখলও নিয়েছে জামায়াত। আবার চট্টগ্রাম এলাকার এক প্রভাবশালী উপদেষ্টা জামায়াতের পছন্দের কর্মকর্তাদের পদায়নের জন্য মাঠে নেমেছেন জোরেসোরে। তবে শেষ পর্যন্ত কে হচ্ছেন জনপ্রশাসন সচিব সেটিই এখন প্রশাসনের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

পাইপলাইনের লিকেজ না সারায় গ্যাসের তীব্র সংকট

পাইপলাইনের লিকেজ না সারায় গ্যাসের তীব্র সংকট

ডেস্ক রিপোর্ট: নোঙরের আঘাতে তুরাগ নদীর নিচে স্থাপিত গ্যাস পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর মেরামতকালে পাইপে পানি ঢুকে পড়ায় রাজধানীতে গ্যাসের সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। শীতকালীন গ্যাস সংকটের মধ্যেই নতুন এ সমস্যায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা।তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানায়, মালবাহী ট্রলারের নোঙরের আঘাতে আমিনবাজার এলাকায় তুরাগ নদীর তলদেশে অবস্থিত বিতরণ গ্যাস পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বুধবার থেকে গ্যাসের চাপ কমিয়ে মেরামতকাজ শুরু করা হয়। শুক্রবার তিতাস গ্যাস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সমস্যার সমাধানে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সাময়িক অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। পাইপলাইন লিকেজের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে গাবতলী থেকে আসাদগেট, মোহাম্মদপুর, বসিলা, লালমাটিয়া, ধানমন্ডি ও আশপাশের এলাকাগুলোতে। বুধবার থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ কমে যায়। ছুটির দিনে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ায় দুর্ভোগ বেড়েছে। মোহাম্মদপুরের স্থানীয় বাসিন্দা

আরও পড়ুন
language Change