তারিখ লোড হচ্ছে...

তাহিরপুরের এক ব্যবসায়ীর মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে মোটা অংকের চাদা দাবি নবাবগঞ্জ পার্ক ও খেলার মাঠ সংস্কারের দাবিতে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা প্রায় ৩ যুগেও পাকা হয়নি উত্তর দাড়িয়ারপাড়ের প্রধান সড়ক, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ গলায় দড়ি প্যাঁচানো যুবদল নেতার মরদেহ ডোবায়, দুই চাচাতো ভাই পলাতক মুক্তিযুদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি শাহজাদপুরে সংবাদ সংগ্রহকালে ‘সবুজ বাংলাদেশ পত্রিকার সাংবাদিকের মোবাইল ছিনতাই ও প্রাণনাশের হুমকি জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে কাশিয়ানীতে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত উত্তরায় বেনামি ক্লাবের রফিকের জমজমাট জুয়ার আসর, যথারীতি নিরব প্রশাসন উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে কবির কে পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর খুরুশকুল ইউনিয়নের অকুতোভয় সৈনিক মরহুম আমির হামজার ১৬তম মৃত্যু... খুলনায় ৭১ পরিবারের জমি দখল, চাঁদাবাজি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন: ৫ বসতবাড়িতে তালা নোয়াখালীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে পিপ্তল ঠেকিয়ে চাঁদাবাজি, গ্রেফতার -১ পাঁচ আগস্টের দুই বছর: অর্জনের স্বীকৃতি, অপূর্ণতার প্রশ্ন পূবাইলে সাংবাদিকের পৈত্রিক জমি আওয়ামীলীগ নেতার দখলে নেয়ার অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানের অস্বাভাবিক সম্পদের পাহাড় পপুলার লাইফের গ্রাহকরা দাবির টাকা পাচ্ছে না ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের ফের সংঘর্ষ, পুলিশ মোতায়েন ‎ঢাকা জেলা সিএনজি মেট্রো করার মিথ‍্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রায় ১০ কোটি টাকা দুর্নীতি সিলেট রেঞ্জের মধ্যে শ্রেষ্ট অফিসার হিসেবে সম্মাননাপত্র গ্রহন করেন দিরাই থানার ওসি মোঃ আমিনুল ইসলাম বাড়ির পাশেই পৌরসভার ময়লার স্তূপ, মানবেতর জীবন ব্র্যাক আবাসনের বাসিন্দাদের আইনি ব্যবস্থার হুশিয়ারিতে উল্টো গণক্ষোভ মুন্সিগঞ্জে উপ-সহকারী প্রকৌশলীর সহযোগিতায় কাজ শেষ না করেই বিল উত্তোলনের অভিযোগ রাজউকের মোবাইল কোর্ট নিয়ে প্রশ্ন: অথরাইজড অফিসার সাইদা ইসলামের বিরুদ্ধে দায়সারা অভিযান ও অনিয়মের ... কেশবপুরে প্রধান শিক্ষকের বদলির দাবিতে মানববন্ধন রামগড়ে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর আটক দুপুরে প্রথম বৈঠকে বসছে সংবিধান সংশোধন কমিটি গলাচিপায় র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উদযাপন নদী খননের নামে ১৩৪ কোটি আত্মসাৎ, তবুও বহাল তবিয়তে বিআইডব্লিউটিএ’র সাইদুর রহমান রাশিয়া-ইউক্রেনে ভয়াবহ পাল্টাপাল্টি হামলা, প্রাণ গেল ২২ জনের সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্সে আগুন মাইক্রোপ্লাস্টিক শরীরে প্রবেশ করলে কী হয়? বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম সেপ্টেম্বরে ১০ দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লাইফ সাপোর্টে এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প কদমতলী থানা অধীনস্থ রায়েরবাগে ১২ বছরের মাদ্রাসা ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু ‎ নোয়াখালীতে পুকুর থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার সিলেটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে নাসীরুদ্দীন ও সার্জিসের কটুক্তির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জের বিক্ষ... এমপি মিলনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: দীর্ঘদিন পর চালু হলো কালীগঞ্জ-গুলিস্তান KTL বাস সার্ভিস রামুতে নূর ডেন্টাল পয়েন্ট নিয়ে প্রশ্ন,বিএসসি (ডেন্টাল) ডিগ্রি দিয়ে রুট ক্যানাল-সার্জারির অভিযোগ ব্রেন টিউমার সারেনি ইলিয়াস কাঞ্চনের, তবুও কেন দেশে ফেরা হাইকোর্টে জামিন পেলেন অভিনেতা জাহের আলভীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বদলি বাণিজ্যের অভিযোগ: আলোচনায় সহকারী পরিচালক ডা. শফিউল আজম রাজউকের নির্দেশ অমান্য করে নির্মাণে আল-আকসা-৩ ভবন কর্তৃপক্ষ নলডাঙ্গায় দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরা সদর এসিল্যান্ড অফিসে সেবার মান বৃদ্ধি-খুশি সেবা প্রত্যাশিরা বৃষ্টির পানি আর চোখের জল-একই ঘরে অসহায় বৃদ্ধ দম্পতির জীবনযুদ্ধ মোংলায় প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষর জাল করে তদবির বাণিজ্য, গ্রেফতার ১ পানছড়িতে বিজিবির উদ্যোগে জনকল্যাণমূলক সামগ্রী বিতরণ সুন্দরবন রক্ষায় ৪ হাজার কোটি টাকা দেবে জাতিসংঘ নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন জোরদারে আইওএমের আরও সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

শিবির নেতা ইউসুফের গ্রাসে গণপূতের্র ইএম কারখানা বিভাগ!

পাঠক সংখ্যা
638

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ
গণপূর্ত অধিদপ্তরের ইএম কারখানা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর আশ্রয় প্রশ্রয়ে চলছে ভয়াবহ দুর্নীতি। কেউ কাজ শেষ করেও বিল পাচ্ছেনা আবার কেউ কাজ না করেও পুরো বরাদ্দ আত্মসাৎ করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে শিবিরের তুখোড় নেতা এই নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ বর্তমানে গণপূর্ত ই/এম বিভাগের দুর্নীতির খাদক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।

প্রকৌশলী ইউসুফ আগে নির্দিষ্ট পরিমাণে কমিশন গ্রহণ করলেও বর্তমানে কাজ না করে পুরো টাকা নিজের পকেটে ভরছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ১৭ লাখ টাকার দরপত্রের বিপরীতে কোন প্রকার কাজ না করেই পুরো টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে আত্মসাৎ করেছে এই প্রকৌশলী সহ তার নিজস্ব সিন্ডিকেট।

সিন্ডিকেটের অন্যতম প্রকৌশলী ইউসুফ ও এসও মিজান এবং এসডিই আসিফ। ইউসুফের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানা যায়, চুয়েটে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময় তিনি সরাসরি শিবিরের নেতা ছিলে। এছাড়া বর্তমান কর্মস্থল সংসদের ইএম কারখানা বিভাগে ৭০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে ঢুকেছেন। প্রকৌশলী ইউসুফের ঘুষ ও কমিশনের অত্যাচারে ঠিকাদার এবং স্টাফ সবাই দিশেহারা হয়ে পড়লেও তিনি প্রধান প্রকৌশলীর আস্থাভাজন হওয়ায় এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের উপায় নাই তাদের। বিহারি কাওসার নামের এক ঠিকাদারকে বিভিন্ন লাইসেন্সে কাজ দিয়ে সিন্ডিকেট গঠন করেছেন এই ইউসুফ।
এই বিহারি কাওসার মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের আটকে পড়া পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত একজন বাংলাদেশী। আওয়ামী বিরোধী এই ঠিকাদারের সাথে মিলে ইউসুফ একত্রে সিন্ডিকেট ব্যবসা করেন। গণপূর্ত ইএম কারখানা বিভাগের একাধিক ঠিকাদারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ইউসুফ ঠিকমতো অফিসে করেন না, কখনও বিআইসিসিতে, কখনো আসাদগেট আড়ংয়ে আবার কখনো বিভিন্ন হোটেলে গিয়ে ঠিকাদারের কাছ থেকে কমিশনের অ্যাডভান্স টাকা নেন। শুধু টাকা নেয়ার জন্য বাইরে বাইরে গিয়ে টাকা কালেকশন করে যে কারনে সঠিক সময় মত অফিস করে না তিনি।

অফিসের ফাইল ড্রাইভার দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যান। এ সকল কারণে ঠিকাদারবৃন্দ সময়মতো বিল পাচ্ছে না। বিল না পাওয়ায় কাজে বিলম্ব হচ্ছে। আর তার ফলে সরকারের কোটি কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। বিআরটিসি প্রকল্পে ৫% ঘুষ না দিলে বিল দেন না ইউসুফ।

বিআইএম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পে ঠিকাদারদের থেকে ১০% অ্যাডভান্স টাকা নিয়ে দরপত্র আহ্বান এবং অতিরিক্ত ৫% টাকা না দিলে কার্যাদেশ প্রদানে গড়িমসি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে মো. ইউসুফ এর বিরুদ্ধে। সাবেক শিবিরের নেতা প্রকৌশলী ইউসুফ এর খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, বিগত দিনে ইউসুফের দুর্নীতির আমলনামা বিস্তর “নাজমা এন্টার প্রাইজ” এর ২০১৪ সালের একটি তামাদি হওয়া বিলের টাকা ৫০% ভাগাভাগি করে বিল প্রদান করেন। ১৪ লাখ টাকার ঐ বিল দিয়ে নিজেই নিয়েছেন ৭ লাখ টাকা।
আবার জাতীয় বিজ্ঞান জাদুঘরের নবনির্মিত ভবনের সেন্ট্রাল এসির পরিচালন বাবদ ১৭ লাখ টাকার কাজ না করিয়ে এস ও মিজানের সাথে মিলে ৫০% টাকা নিয়ে বিল দিয়ে দেন নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ। এভাবেই সরকারি অর্থ লোপাটে নামছে ইউসুফ। শিবির নেতা হওয়ায় দেশপ্রেম এর পরিবর্তে দেশ ধ্বংসে লিপ্ত এই ইউসুফ জামাতের এখন বড় অর্থদাতা।

সম্প্রতি গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে তার এই শিবির সংযোগের এবং তার পরিবারের জামায়াতি ইসলামী কানেকশনের তথ্য বেরিয়ে আসছে বলে বিশ্বস্থ সূত্রে জানা যায়। তার অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারী এবং ঠিকাদার সকলেই তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান, কিন্তু তার নির্লজ্জ আচরণের কারণে কেউ তার সামনে মুখ খুলতে চায় না।

নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ এর স্বেচ্ছাচারিতায় অতিষ্ঠরা বলেন, প্রকৌশলী ইউসুফের সীমাহীন দূর্নীতি ও সেচ্ছাচারিতায় ঠিকাদার ও কর্মচারীগণ মনে করেন সচিব মহোদয় ব্যতীত অন্য কেউ তার গ্রাস থেকে আমাদের বাঁচাতে পারবে না। কারণ, তিনি প্রধান প্রকৌশলীর ঘনিষ্ঠদের একজন। এই বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ এর সঙ্গে তার অফিস কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোন এবং খুদে বার্তা পাঠালেও তিনি ফিরতি কোন সদুত্তর দেননি।

শিবির নেতা ইউসুফের গ্রাসে গণপূতের্র ইএম কারখানা বিভাগ!
গণপূর্ত অধিদপ্তরের ইএম কারখানা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর আশ্রয় প্রশ্রয়ে চলছে ভয়াবহ দুর্নীতি। কেউ কাজ শেষ করেও বিল পাচ্ছেনা আবার কেউ কাজ না করেও পুরো বরাদ্দ আত্মসাৎ করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে শিবিরের তুখোড় নেতা এই নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ বর্তমানে গণপূর্ত ই/এম বিভাগের দুর্নীতির খাদক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।

প্রকৌশলী ইউসুফ আগে নির্দিষ্ট পরিমাণে কমিশন গ্রহণ করলেও বর্তমানে কাজ না করে পুরো টাকা নিজের পকেটে ভরছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ১৭ লাখ টাকার দরপত্রের বিপরীতে কোন প্রকার কাজ না করেই পুরো টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে আত্মসাৎ করেছে এই প্রকৌশলী সহ তার নিজস্ব সিন্ডিকেট।

সিন্ডিকেটের অন্যতম প্রকৌশলী ইউসুফ ও এসও মিজান এবং এসডিই আসিফ। ইউসুফের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানা যায়, চুয়েটে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময় তিনি সরাসরি শিবিরের নেতা ছিলে। এছাড়া বর্তমান কর্মস্থল সংসদের ইএম কারখানা বিভাগে ৭০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে ঢুকেছেন। প্রকৌশলী ইউসুফের ঘুষ ও কমিশনের অত্যাচারে ঠিকাদার এবং স্টাফ সবাই দিশেহারা হয়ে পড়লেও তিনি প্রধান প্রকৌশলীর আস্থাভাজন হওয়ায় এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের উপায় নাই তাদের। বিহারি কাওসার নামের এক ঠিকাদারকে বিভিন্ন লাইসেন্সে কাজ দিয়ে সিন্ডিকেট গঠন করেছেন এই ইউসুফ।
এই বিহারি কাওসার মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের আটকে পড়া পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত একজন বাংলাদেশী। আওয়ামী বিরোধী এই ঠিকাদারের সাথে মিলে ইউসুফ একত্রে সিন্ডিকেট ব্যবসা করেন। গণপূর্ত ইএম কারখানা বিভাগের একাধিক ঠিকাদারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ইউসুফ ঠিকমতো অফিসে করেন না, কখনও বিআইসিসিতে, কখনো আসাদগেট আড়ংয়ে আবার কখনো বিভিন্ন হোটেলে গিয়ে ঠিকাদারের কাছ থেকে কমিশনের অ্যাডভান্স টাকা নেন। শুধু টাকা নেয়ার জন্য বাইরে বাইরে গিয়ে টাকা কালেকশন করে যে কারনে সঠিক সময় মত অফিস করে না তিনি।

অফিসের ফাইল ড্রাইভার দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যান। এ সকল কারণে ঠিকাদারবৃন্দ সময়মতো বিল পাচ্ছে না। বিল না পাওয়ায় কাজে বিলম্ব হচ্ছে। আর তার ফলে সরকারের কোটি কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। বিআরটিসি প্রকল্পে ৫% ঘুষ না দিলে বিল দেন না ইউসুফ।

বিআইএম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পে ঠিকাদারদের থেকে ১০% অ্যাডভান্স টাকা নিয়ে দরপত্র আহ্বান এবং অতিরিক্ত ৫% টাকা না দিলে কার্যাদেশ প্রদানে গড়িমসি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে মো. ইউসুফ এর বিরুদ্ধে। সাবেক শিবিরের নেতা প্রকৌশলী ইউসুফ এর খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, বিগত দিনে ইউসুফের দুর্নীতির আমলনামা বিস্তর “নাজমা এন্টার প্রাইজ” এর ২০১৪ সালের একটি তামাদি হওয়া বিলের টাকা ৫০% ভাগাভাগি করে বিল প্রদান করেন। ১৪ লাখ টাকার ঐ বিল দিয়ে নিজেই নিয়েছেন ৭ লাখ টাকা।
আবার জাতীয় বিজ্ঞান জাদুঘরের নবনির্মিত ভবনের সেন্ট্রাল এসির পরিচালন বাবদ ১৭ লাখ টাকার কাজ না করিয়ে এস ও মিজানের সাথে মিলে ৫০% টাকা নিয়ে বিল দিয়ে দেন নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ। এভাবেই সরকারি অর্থ লোপাটে নামছে ইউসুফ। শিবির নেতা হওয়ায় দেশপ্রেম এর পরিবর্তে দেশ ধ্বংসে লিপ্ত এই ইউসুফ জামাতের এখন বড় অর্থদাতা।

সম্প্রতি গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে তার এই শিবির সংযোগের এবং তার পরিবারের জামায়াতি ইসলামী কানেকশনের তথ্য বেরিয়ে আসছে বলে বিশ্বস্থ সূত্রে জানা যায়। তার অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারী এবং ঠিকাদার সকলেই তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান, কিন্তু তার নির্লজ্জ আচরণের কারণে কেউ তার সামনে মুখ খুলতে চায় না।

নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ এর স্বেচ্ছাচারিতায় অতিষ্ঠরা বলেন, প্রকৌশলী ইউসুফের সীমাহীন দূর্নীতি ও সেচ্ছাচারিতায় ঠিকাদার ও কর্মচারীগণ মনে করেন সচিব মহোদয় ব্যতীত অন্য কেউ তার গ্রাস থেকে আমাদের বাঁচাতে পারবে না। কারণ, তিনি প্রধান প্রকৌশলীর ঘনিষ্ঠদের একজন। এই বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ এর সঙ্গে তার অফিস কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোন এবং খুদে বার্তা পাঠালেও তিনি ফিরতি কোন সদুত্তর দেননি।

শিবির নেতা ইউসুফের গ্রাসে গণপূতের্র ইএম কারখানা বিভাগ!
গণপূর্ত অধিদপ্তরের ইএম কারখানা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর আশ্রয় প্রশ্রয়ে চলছে ভয়াবহ দুর্নীতি। কেউ কাজ শেষ করেও বিল পাচ্ছেনা আবার কেউ কাজ না করেও পুরো বরাদ্দ আত্মসাৎ করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে শিবিরের তুখোড় নেতা এই নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ বর্তমানে গণপূর্ত ই/এম বিভাগের দুর্নীতির খাদক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।

প্রকৌশলী ইউসুফ আগে নির্দিষ্ট পরিমাণে কমিশন গ্রহণ করলেও বর্তমানে কাজ না করে পুরো টাকা নিজের পকেটে ভরছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ১৭ লাখ টাকার দরপত্রের বিপরীতে কোন প্রকার কাজ না করেই পুরো টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে আত্মসাৎ করেছে এই প্রকৌশলী সহ তার নিজস্ব সিন্ডিকেট।

সিন্ডিকেটের অন্যতম প্রকৌশলী ইউসুফ ও এসও মিজান এবং এসডিই আসিফ। ইউসুফের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানা যায়, চুয়েটে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময় তিনি সরাসরি শিবিরের নেতা ছিলে। এছাড়া বর্তমান কর্মস্থল সংসদের ইএম কারখানা বিভাগে ৭০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে ঢুকেছেন। প্রকৌশলী ইউসুফের ঘুষ ও কমিশনের অত্যাচারে ঠিকাদার এবং স্টাফ সবাই দিশেহারা হয়ে পড়লেও তিনি প্রধান প্রকৌশলীর আস্থাভাজন হওয়ায় এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের উপায় নাই তাদের। বিহারি কাওসার নামের এক ঠিকাদারকে বিভিন্ন লাইসেন্সে কাজ দিয়ে সিন্ডিকেট গঠন করেছেন এই ইউসুফ।
এই বিহারি কাওসার মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের আটকে পড়া পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত একজন বাংলাদেশী। আওয়ামী বিরোধী এই ঠিকাদারের সাথে মিলে ইউসুফ একত্রে সিন্ডিকেট ব্যবসা করেন। গণপূর্ত ইএম কারখানা বিভাগের একাধিক ঠিকাদারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ইউসুফ ঠিকমতো অফিসে করেন না, কখনও বিআইসিসিতে, কখনো আসাদগেট আড়ংয়ে আবার কখনো বিভিন্ন হোটেলে গিয়ে ঠিকাদারের কাছ থেকে কমিশনের অ্যাডভান্স টাকা নেন। শুধু টাকা নেয়ার জন্য বাইরে বাইরে গিয়ে টাকা কালেকশন করে যে কারনে সঠিক সময় মত অফিস করে না তিনি।

অফিসের ফাইল ড্রাইভার দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যান। এ সকল কারণে ঠিকাদারবৃন্দ সময়মতো বিল পাচ্ছে না। বিল না পাওয়ায় কাজে বিলম্ব হচ্ছে। আর তার ফলে সরকারের কোটি কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। বিআরটিসি প্রকল্পে ৫% ঘুষ না দিলে বিল দেন না ইউসুফ।

বিআইএম শক্তিশালীকরণ প্রকল্পে ঠিকাদারদের থেকে ১০% অ্যাডভান্স টাকা নিয়ে দরপত্র আহ্বান এবং অতিরিক্ত ৫% টাকা না দিলে কার্যাদেশ প্রদানে গড়িমসি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে মো. ইউসুফ এর বিরুদ্ধে। সাবেক শিবিরের নেতা প্রকৌশলী ইউসুফ এর খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, বিগত দিনে ইউসুফের দুর্নীতির আমলনামা বিস্তর “নাজমা এন্টার প্রাইজ” এর ২০১৪ সালের একটি তামাদি হওয়া বিলের টাকা ৫০% ভাগাভাগি করে বিল প্রদান করেন। ১৪ লাখ টাকার ঐ বিল দিয়ে নিজেই নিয়েছেন ৭ লাখ টাকা।
আবার জাতীয় বিজ্ঞান জাদুঘরের নবনির্মিত ভবনের সেন্ট্রাল এসির পরিচালন বাবদ ১৭ লাখ টাকার কাজ না করিয়ে এস ও মিজানের সাথে মিলে ৫০% টাকা নিয়ে বিল দিয়ে দেন নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ। এভাবেই সরকারি অর্থ লোপাটে নামছে ইউসুফ। শিবির নেতা হওয়ায় দেশপ্রেম এর পরিবর্তে দেশ ধ্বংসে লিপ্ত এই ইউসুফ জামাতের এখন বড় অর্থদাতা।

সম্প্রতি গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে তার এই শিবির সংযোগের এবং তার পরিবারের জামায়াতি ইসলামী কানেকশনের তথ্য বেরিয়ে আসছে বলে বিশ্বস্থ সূত্রে জানা যায়। তার অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারী এবং ঠিকাদার সকলেই তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান, কিন্তু তার নির্লজ্জ আচরণের কারণে কেউ তার সামনে মুখ খুলতে চায় না।

নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ এর স্বেচ্ছাচারিতায় অতিষ্ঠরা বলেন, প্রকৌশলী ইউসুফের সীমাহীন দূর্নীতি ও সেচ্ছাচারিতায় ঠিকাদার ও কর্মচারীগণ মনে করেন সচিব মহোদয় ব্যতীত অন্য কেউ তার গ্রাস থেকে আমাদের বাঁচাতে পারবে না। কারণ, তিনি প্রধান প্রকৌশলীর ঘনিষ্ঠদের একজন। এই বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী ইউসুফ এর সঙ্গে তার অফিস কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোন এবং খুদে বার্তা পাঠালেও তিনি ফিরতি কোন সদুত্তর দেননি।

 

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

সিরাজগঞ্জে জেলা যুবদলের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল

মো. জুয়েল হোসেন, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ অপপ্রচার, শিষ্টাচারবহির্ভূত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের রাজনীতির বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জেলা যুবদল। আজ মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে পৌর ভাসানী মিলনায়তন থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বাজার স্টেশনের পৌর মুক্তমঞ্চে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। মিছিল পূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু। সিরাজগঞ্জ জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল আমিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মুরাদুজ্জামান মুরাদের পরিচালনায় সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নাজমুল হাসান তালুকদার রানা, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ভিপি শামীম খান, সাফি ভুইয়া এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ সুইট প্রমুখ। বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে পৌর,

আরও পড়ুন
language Change