তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
পাথরঘাটায় জবাই করা হরিণসহ শিকারি আটক অতীতের কোন সরকার গণমাধ্যমকে শক্তিশালী হিসেবে গড়ে তুলেনি : বিএমএসএফ ঝিনাইগাতীতে অদম্য নারী পুরস্কার পেল নাসরিন বেগম শ্রীমঙ্গলে জগদ্বন্ধু আশ্রম পরিদর্শনে ভারতের সহকারী হাইকমিশনার বনলতা ল্যান্ডমার্কে কোটি টাকার অনিয়ম : শেয়ার দখল থেকে গ্রাহকের অর্থের হিসাবহীনতা ! তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ টাকায় কি মাপা হয় সন্তানের ভালোবাসা বাবা মায়ের পক্ষপাতিত্ব ও সামাজিক অবক্ষয় ৫ মার্চ পর্যন্ত কাতার-দুবাইসহ বিমানের সব ফ্লাইট বাতিল রাজধানীসহ দেশের ৭ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস পদত্যাগ করলেন দুদক চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার  বরগুনার খাকদোন নদীর পড়ে ৬২৮ মিটার রিং বেড়িবাঁধ উদ্বোধন শ্রমিকদের বেতন পরিশোধে বিশেষ ঋণ দেবে ব্যাংক রাজনগরে যুবক খুনের ঘটনায় গ্রেফতার-৩ দেশে ফিরেছেন জাহের আলভীর সেই প্রেমিকা অভিনেত্রী তিথি অনিয়ম দুর্নীতির তালিকায় মৌলভীবাজারের ৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শেরপুরে ১৮ মাস রাস্তার কাজ বন্ধ থাকায় জনদূর্ভোগ চরমে দলীয় কার্যালয়ে আগুন, প্রতিবাদে নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ ৪৬ বছর পর এশিয়ান কাপ খেলছে বাংলাদেশ কানাডায় ঢাকা ওয়াসার এমডির স্ত্রীর নামে বাড়ি হুড়োহুড়ি করে দুবাই ছাড়ছেন ধনীরা দুদক কমিশন কি বিদায় নিচ্ছে? কণ্ঠস্বর ভেঙে যাওয়া বা গলা ব্যথা কখন তা ক্যান্সারের সংকেত বাড়তে পারে ঈদের ছুটি সব ধরনের ভিসার মেয়াদ এক মাস বাড়ালো কাতার সরকারি মহিলা কলেজ-এর আয়োজনে ইফতার অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতীতে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে মোবাইল কোর্টের অভিযান সীমান্তে ডিএনসির অভিযানে ইয়াবাসহ নারী আটক ০১ পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানকে জাতীয়তাবাদী তৃণমুল দলের ফুলের শুভেচ্ছা গণভোট অধ্যাদেশ ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ কেনো অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল নকলা পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে এমপি ফাহিম চৌধুরীর মতবিনিময় সভা অর্থমন্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে মির্জা ফখরুল আমতলীতে বিএনপি কার্যালয়ে ব্যানার টানিয়ে দখলচেষ্টা ভাঙারির দোকানে মিললো ৮ হাজার নতুন পাঠ্যবই যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ ইরান সরকারের হাতে নয়, বিপ্লবী গার্ডের কাছে জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়া শিশু কিশোর মেলার সাধারণ সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত আটককৃত চাঁদাবাজকে ছেড়ে দিলো পুলিশ শেরপুরে ডায়াবেটিক সমিতির আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় ১০ গরু জব্দ দুর্গম পাহাড়ে সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারতে এম নাসের রহমান এমপি বরগুনায় পৌর মেয়র পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছাত্রদলের সভাপতি সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি: গণধোলাই, আটক ১ সীমান্তে ডিএনসি’র অভিযানে হেরোইনসহ আটক ১ কাতারে বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কতা জারি ভোটের ফলাফল নিয়ে আইনি চ্যালেঞ্জ, হাইকোর্টে বিএনপির ৪ প্রার্থী ইকরার আত্মহত্যার পর আলভীকে নিয়ে ধোঁয়াশা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে কে কার মুখোমুখি রাজধানীতে ট্রাকচাপায় কিশোরের মৃত্যু বাংলাদেশসহ কিছু দেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে নতুন বার্তা নারীদের জন্য বিশেষ বাস চালু করতে চায় সরকার

মোয়াজ্জেম’র বিরুদ্ধে ১১শ কর্মকর্তাকে পোস্টিং বাণিজ্য , ঘুষ গ্রহনের অভিযোগ

পাঠক সংখ্যা
638

বিশেষ প্রতিনিধি:
স্বৈরাচার হাসিনা সরকার বিদায় হয়েছে আজ ১৫ মাস তারপরেও চরম অস্থিরতা চলছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)এ। ঘুষ, দুর্নীতি, নীতিমালা বহির্ভূত বদলি বাণিজ্য, দায়িত্ব ও কর্তব্যে অবহেলা সব মিলিয়ে সংস্থাটি বর্তমানে চরম ভাবমূর্তি সংকটে। বেশিরভাগ দক্ষ ও সৎ কর্মকর্তাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে সীমাহীন অস্থিরতা। সবচেয়ে বিতর্কিত অবস্থানে রয়েছেন এনবিআর নতুন প্রশাসনে সদস্য হিসেবে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ফ্যাসিবাদের দোসর ১৫ ব্যাচের কর্মকর্তার মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন। তিনি গত ৩ জুলাই এই পদে যোগদান করার পর নীতিমালা বহির্ভূত বদলী নিয়োগ চালিয়ে কর্মরত কর্মকর্তাদের মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি পৃথক বদলী আদেশে এ পর্যন্ত প্রায় ১১শ কর্মকর্তাকে বদলি নিয়োগ করেছেন। প্রায় অর্ধশত কোটি টাকা এই বদলি খাত থেকে আয় করারও অভিযোগ উঠেছে ঐ সদস্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে। এআরও, আরও, এসি, ডিসি, জেসি, কমিশনার পর্যায়ের বেশিরভাগ কর্মকর্তাকেই বদলি করা হয়েছে। মোটা অংকের বিনিময়ে লোভনীয় পোস্টিং আবার চাহিদা মোতাবেক ঘুষ দিতে না পারায় ডাম্পিং পোস্টিং নিয়েও কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে এনবিআর’র সার্বিক কর্মকান্ডে স্থবিরতা নেমে এসেছে। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বদলি বাণিজ্য করে অর্ধশত কোটি টাকা গ্রহণের বিষয়টি এখন ওপেন সিক্রেট। এহেন ঘুষ কেলেঙ্কারির বিষয়টি জানাজানি হলে সম্প্রতি প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা রায়হান মেহেবুব সহ শাখার সৎ কর্মকর্তারা মোয়াজ্জেমের সাথে দায়িত্ব পালনে অপারগতা জানালে ৩৩ ব্যাচের ঐ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়। এ নিয়েও কর্মকর্তাদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। সূত্রমতে এআরও সারোয়ার হোসেন, আবু বকর সিদ্দিক, শাহ মোহাম্মদ আশিকুর রহমান, আজিজ প্রসাদ রুদ্র, মো: আবুল বাশার, সানাউল হক, বাবুল সিংহ, আ: কাদের সানাউল্লাহ, শামীম হোসেন, বনজ কান্তি রায়, আবু হোসেন, শারমিন জাহান, শাহজাহান কবির, কপিল দেব গোস্বামী, প্রভৃতি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে ২০-২৫ লাখ টাকা ঘুষের মাধ্যমে বদলী নীতিমালা লংঘন করে বদলি বাণিজ্য করা হয়েছে। অনুরূপ আরও পদের কর্মকর্তাদের লোভনীয় পদে নিয়োগ দিতে ২৫-৩০ লাখ, এসিদের ৩০-৫০ লাখ, ডিসিদের ৪০-৫০ লাখ, জেসিদের ৫০-৬০ লাখ ও কমিশনার পদে রদবদলে লোভনীয় কর্মস্থলে পোস্টিং দিতে ৩-৫ কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের ঘটনা ঘটেছে।

এনবিআর সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন হচ্ছেন আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া ও বিমানবন্দর থানা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ফাতেমা জামান সাথীর খুবই ঘনিষ্ঠজন পরিচয়ে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বেপরোয়া ক্ষমতাসিন হয়ে পড়েন। ঐ সময়ে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদেরও তিনি থোরাই কেয়ার করতেন। ঘুষ দুর্নীতির মাধ্যমে অবীধভাবে হাতিয়ে নিয়েছেন শক শত কোটি টাকা। ’বিসিএস (শুল্ক ও আবগারী) দপ্তরের ১৫ ব্যাচের কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম চাকুরীকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে অন্যায় সুবিধা দিয়ে সহকর্মীদের নিকট মুনাফিকি করে ঘুষ গ্রহন করেন। তিনি বাইরে সততার লেবাস দেখান কিন্তু অবৈধ অর্থ লেনদেন হতে বিরত থাকেননি। তার বিরুদ্ধে আমেরিকায় অর্থ পাচার, পাবনায় অবস্থিত ইউনিভার্সেল গ্রুপের কাছে ১১ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহন, ঢাকা কাস্টমস কমিশনার থাকাকালে ব্যাপক দুর্নীতির প্রমান এবং যশোরের কমিশনার থাকাকালে অবৈধ সিগারেট বাণিজ্য হতে শত শত কোটি টাকা অবৈধ অর্থ উপার্জনের সত্যতা রযেছে।

মোয়াজ্জেমের ছেলে আমেরিকার John Hopskin University তে সেমিস্টার প্রতি ৩৫,০০০ ডলার প্রদান করে পড়ালেখা করে। মোয়াজ্জেম হুন্ডির মাধ্যমে এই টাকা আমেরিকায় প্রদান করেন। ছেলে রাগীব মোয়াজ্জেমের এই লেখাপড়ার খরচ কোন মাধ্যমে বিদেশে প্রেরন করেছেন তার কোনো বৈধ উৎস নেই। আমেরিকার বাল্টিমোরে সম্প্রতি একটি বাড়ী ক্রয় করেছেন ছেলে ও ছেলে বৌ আদিবা গাল্ফারের নামে। বিষয়টি কাস্টমস ডিপার্টমেন্টের সবাই জানে।

উল্লেখ্য গত এপ্রিল মাসে এনবিআর বিলুপ্ত করে “রাজস্ব নীতি” ও “রাজস্ব ব্যবস্থাপনা” নামে দুটি নতুন বিভাগ গঠনের অধ্যাদেশ জারি হয়। এরপর থেকেই সংস্থার ভেতরে অস্থিরতা দেখা দেয়। অধ্যাদেশ বাতিল ও চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবিতে কর্মকর্তারা “সিবিএ স্টাইলে” ধর্মঘট, কলম বিরতি ও “মার্চ টু এনবিআর” কর্মসূচি পালন করেন। এই আন্দোলনের সময় নির্দিষ্ট কিছু সেবা ছাড়া প্রায় সব কার্যক্রম বন্ধ ছিল। মে ও জুনে বাজেট প্রণয়ন ও রাজস্ব আদায়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়েও তারা অচলাবস্থা তৈরি করেন। কেউ কেউ প্রকাশ্যে বদলির আদেশ ছিঁড়ে ফেলেন—যা এনবিআরের ইতিহাসে নজিরবিহীন।
সংস্থার ভাবমূর্তি সংকটে একাধিক ঘটনায় এনবিআরের ভেতরে গভীর অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। কর্মকর্তাদের একটি অংশ বলছেন, এই অনিয়মই সংস্থার ভাবমূর্তিকে নিচে নামিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সদস্য বলেন, “এটা অস্বীকারের উপায় নেই, এনবিআর ভাবমূর্তি সংকটে আছে। কিছু কর্মকর্তার কারণে পুরো সংস্থাটিই এখন দুর্নীতির প্রতীক মনে হচ্ছে।” একজন কমিশনার বলেন, “এখানে অধিকাংশ কর্মকর্তাই কোনো না কোনোভাবে আর্থিক অনিয়মে জড়িত। পার্থক্য শুধু কে ধরা পড়ছে আর কে পড়ছে না।” একজন দ্বিতীয় সচিবের ভাষায়, “এখন এনবিআরে কাজ করি এই পরিচয় দেওয়াটাই অনেক সময় লজ্জার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ”তবে এনবিআর বলছে, অনলাইনভিত্তিক কার্যক্রম চালুর মাধ্যমে দুর্নীতি কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি করবর্ষ থেকে ই-রিটার্ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আয়কর ও ভ্যাট অডিটও অনলাইন প্রক্রিয়ায় হচ্ছে। ভ্যাট রিফান্ড ও আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত নথিপত্রও ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডোর মাধ্যমে অনলাইনে দাখিল করা যাচ্ছে। কর্তৃপক্ষের আশা, সব কার্যক্রম ডিজিটাল হলে ঘুষ, অনিয়ম ও হয়রানি কমে যাবে এবং ব্যবসায়ীরা স্বস্তি পাবেন।

নিজ আয়কর রিটার্নে অসত্য তথ্য প্রদানকারী এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান দুর্নীতিবাজ সদস্য (শুল্ক ও ভ্যাট প্রশাসন) মোয়াজ্জেম ২জনই স্বৈরাচারের দোসর হওয়ায় হাজারো অভিযোগ উত্থাপন হওয়া সত্বেও চেয়ারম্যান সাহেব বিষয় সমূহ ওভারলুক করে থাকেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন  কমিশনার জানান।

এনবিআর সদস্য প্রশাসন মোয়াজ্জেমের এহেন ঘুষ বানিজ্যের ফলে প্রশাসনে চলমান অস্থিরতা নিরসনে ভুক্তভোগী কর্মকর্তাগন  প্রধান উপদেষ্টা ও অর্থ উপদেষ্টার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

আগামী বছর ২৩ কোটি মানুষের জন্য ৫১.৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন

আগামী বছর প্রায় ৭০টি দেশে বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ২৩ কোটি মানুষকে সাহায্য করার জন্য রেকর্ড ৫১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানানো হয় যা এই বছরের তুলনায় ২৫ শতাংশ বেশি। এই সত্যটি প্রতিফলিত করে যে, ২০২২ সালের তুলনায় মোট প্রয়োজনের সংখ্যা ৬৫ মিলিয়ন বেশি। জাতিসংঘ এবং অংশীদার সংস্থাগুলো উল্লেখ করেছে যা ‘আশঙ্কাজনকভাবে উচ্চ’। জাতিসংঘের শীর্ষ জরুরি ত্রাণ কর্মকর্তা মার্টিন গ্রিফিথস বলেছেন, প্রয়োজনগুলো ‘আশঙ্কাজনকভাবে বেশি’। তিনি সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে, খুব সম্ভবত এই বছরের জরুরী পরিস্থিতি ২০২৩ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। গ্রিফিথ বলেন, ‘প্রয়োজন বাড়ছে কারণ আমরা ইউক্রেনের যুদ্ধে, কোভিড এবং জলবায়ু দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।’ তিনি বলেছিলেন, ‘আমি ভয় করি যে ২০২৩ এই সমস্ত প্রবণতার কারণ হতে চলেছে এবং সেই কারণেই আমরা আশা করি ২০২৩

আরও পড়ুন
language Change