তারিখ লোড হচ্ছে...

বেনাপোলে ব্যবসায়ীর বাড়ি ভাঙচুর, প্রাণনাশের হুমকি থানায় অভিযোগ টানা ৩ দিন ১২ ঘণ্টা করে গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগে যা বলছেন বলিউড তারকারা জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা মাদকাসক্ত ছেলের ছুরিকাঘাতে মা-বাবা খুন, পুত্র আটক এলএনজি সরবরাহ কমায় তিতাস এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রিফাতের চাঁদাবাজি ও সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ ইরানে মার্কিন হামলায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার কুয়েতের রাজনীতির মাঠে এক নক্ষত্র নাদিম চৌধুরী রাঙামাটিতে ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, আটক বাবা-মা  চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদকে ফ্যাসিস্ট মুক্ত করা হয়েছে; খাগড়াছড়িতে পিসিএনপি'র চেয়ারম্যান হামিদ রানা ইয়ামিন হত্যা: সাবেক এমপি সাইফুলসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল সতীর্থদের বিশেষ উপহার দিয়েছেন মেসি, কি ছিল সেই ব্যাগে? হামলার শিকার সাংবাদিক রাজু হামিদ: জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি ঢাকা প্রেসক্লাবের এসএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা বর্ণাঢ্য আয়োজনে ছোটদের পত্রিকা কানামাছির ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ফিঙ্গারপ্রিন্টে কাজ হচ্ছে না, যাচাই হবে আইরিশ সাতক্ষীরা তালার ধানদিয়ায় রাস্তা নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন  রাজশাহীর কাটাখালীতে ২০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক এমপি নজরুলের একের পর এক বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর ভিডিও বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘ছোটদের পত্রিকা কানামাছি'র ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী মতামত, অনুমান কিংবা অ্যাক্টিভিজম দিয়ে সাংবাদিকতা হয় না: তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিক শফিকের মুক্তির দাবিতে তেজগাঁও কলেজ সাংবাদিক সমিতির মানববন্ধন অনুসন্ধানী সাংবাদিক শফিকের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে গেন্ডারিয়া থানা রিপোর্টার ক্লাবের মানববন্ধন বরগুনায় জনদুর্ভোগ কমাতে নিজস্ব অর্থায়নে সাংবাদিক নেতার সেতু সংস্কার বাগেরহাটে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে আইনজীবী নিহত নিহত ৪৩ সাংবাদিকের হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি বিপিজেএফের নলডাঙ্গায় মাদক মামলায় ভ্রাম্যমাণ আদালাতের অভিযান মতিঝিল মেট্রো স্টেশনের নিচ থেকে বোমা উদ্ধার রামগড় বিজিবির মাসিক নিরাপত্তা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত শাপলা চত্বর হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু ২৭ জুলাই কালীগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ওকৃষি উন্নয়নের প্রণোদনা বিতরণ  কালীগঞ্জের শিশু ফারজানা হত্যার প্রধান আসামি আল মামুনকে আটক  চাঁদপুরের রামচন্দ্রপুরে ডাকাতিয়ার ভাঙ্গন আতঙ্ক চট্টগ্রামে সাংবাদিক আসিফ কে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ পদত্যাগের পর সাহাবুদ্দিনের পুরোনো বক্তব্য ভাইরাল কেশবপুরে নিষিদ্ধ মাগুর চাষ‌: ব্যবসায়ীকে জরিমানা সংসদ অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবে সেপ্টেম্বরে: আইনমন্ত্রী সাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে নেলসন ম্যান্ডেলা শান্তি পুরস্কার দীঘিনালায় জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীল সমাবেশ অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জের মাছ লুট,ইজারাদারকে হত্যার হুমকিতে সংবাদ সম্মেলন গুজবে সাতক্ষীরার পাম্পে তেল কেনার ভিড়, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার দাবি প্রশাসনের ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি পাবে বাংলাদেশ মিথ্যা মামলায় সাংবাদিক শফিকের গ্রেফতারের প্রতিবাদে চট্টগ্রামে সিআরএর মানববন্ধন স্বাস্থ্যে দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য, নেতৃত্বে সচিব কামরুজ্জামান সাংবাদিক হাফিজুর রহমান শফিকের মুক্তির দাবিতে কদমতলী থানা প্রেসক্লাবের মানববন্ধন ফরিদপুরে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে শওকতকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ইশরাক হোসেনকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন প্রচারের অভিযোগে প্রতিবাদ

রাজধানীতে নামেই ফুটপাত, হাঁটার উপায় নেই

পাঠক সংখ্যা
638

ফুটপাতের ওপর কোথাও গাছ, কোথাও আবার বিদ্যুত বা টেলিফোনের খুঁটি, সুইচ বক্স। কোথাও ফুটপাতজুড়ে বসেছে ফুটব্রিজের খুঁটি, সিঁড়ি। আছে পুলিশ বক্সও। বিভিন্ন বিপনী বিতানের সামনে ফুটপাতের দখল নিয়েছে যানবাহন। আর হকাররাতো আছেই।

স্টাফ রিপোর্টার॥
ক্ষমতাচুত্য আ্ওয়ামী সরকার বিদায় নেয়া আজ প্রায় দেড় বছর পেরিয়ে গেছে তার মধ্য আগের চেয়ে ২০ লাখ অটোরিক্সা ও ২০ লাখ মানুষ ফুটপাত দখল করে ব্যবসা বানিজ্য শুরু করেছে, রাজনৈতিক সরকারের আমলে পুলিশ বাদাপ্রদান করলেও বর্তমানে তা আর হচ্ছে না, কোন ধরনের ভিআইপি ব্যাক্তি সড়ক দিয়ে গেলে সামান্য সময়ের জন্য সড়ক পরিস্কার করা হয়। নগরবিদরা মনে করেন রাজধানী ঢাকার বেশিরভাগ ফুটপাতের নকশায় ত্রুটি আছে। ফলে দখল না হওয়া যেটকু ফুটপাত খোলা আছে, তাও অনেক ক্ষেত্রে পথচারীদের চলার উপযোগী নয়। অথচ ফুটপাত পথচারীবান্ধব হলে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমে যেত।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় ২৯২ কিলোমিটার ফুটপাত রয়েছে, উত্তর সিটিতে আছে ২২৩ কিলোমিটার। অভিজাত এলাকার সামান্য অংশ বাদ দিলে পুরো শহরের অধিকাংশ ফুটপাতের অবস্থাই মোটামুটি এক। মহাখালীর সরকারি তিতুমীর কলেজের সামনে ফুটব্রিজের খুঁটি ও সিড়ি করা হয়েছে ফুটপাতের ওপর। তাতে পুরো ফুটপাতই দখল হয়ে গেছে। একটু ফাঁকা জায়গা দিয়ে একজন পথচারী কোনোমতে যেতে পারেন। তবে সে জায়গাটি ছিন্নমূল মানুষের প্রাকৃতিক কাজ সারার জায়গা হয়ে গেছে। সব সময় নোংরা থাকে বলে পথচারীরা সেদিক আর মাড়ান না। মহাখালীর আমতলী থেকে গুলশানের দিকে যেতে দুপাশের ফুটপাতে অনেক জায়গায় ভাঙা, কোথাও দখল করে রাখা হয়েছে দোকানের জিনিসপত্র রেখে।
সেতু ভবন থেকে আমতলী সিগন্যাল পর্যন্ত সড়কের একপাশে ফুটপাত অপ্রশস্ত। দুজন পথচারী পাশাপাশি হাঁটতে কষ্ট হয়। মহাখালী রেলক্রসিং থেকে আমতলী হয়ে কাকলী পর্যন্ত গেলে দেখা যায় ফুটপাতের বিভিন্ন অংশে থাই অ্যালুমিনিয়ামের দোকানের জিনিসপত্র রেখে কাজ করা হচ্ছে। কয়েকটি মেরামত কারখানার মোটরসাইকেলও রাখা হয় ফুটপাতে। গুলিস্তান পার্কের দক্ষিণ পাশের সড়কে ফুটপাত বলে কিছু নেই। সড়কের একপাশ ভাঙাচোরা, সেখানে বিভিন্ন পরিবহনের কাউন্টার করা হয়েছে। সার্জেন্ট আহাদ পুলিশ বক্সের কাছে নতুন ফুটপাত করেছে ডিএসসিসি। প্রশস্ত এ ফুটপাতের একটি অংশে আবার যাত্রী ছাউনি করা হয়েছে। ছাউনির একপাশে একটি টিকেট কাউন্টার ফুটপাতের পুরোটাই খেয়ে ফেলেছে। বুয়েটের দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিটিউটের (এআরআই) হিসাবে, সারাদেশে দুর্ঘটনায় নিহতের ৪৩ শতাংশিই পথচারী। আর ঢাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে পথচারীর সংখ্যা ৪৭ শতাংশ। ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ-ডব্লিউবিবি ট্রাস্টের প্রোগ্রাম ম্যানেজার বলেন, বাংলাদেশে কর্তাব্যক্তিরা ফুটপাতকে যাতায়াতের মাধ্যম হিসেবে গণ্য করেন না বলেই সেদিকে নজর দেওয়া হয় না।
সবার আগে যদি পথচারী গুরুত্ব পায়, তাহলে সবকিছু চেইঞ্জ হয়ে যাবে। বিভিন্ন নীতিমালায় পথচারীদের জন্য অনেক কিছু করার কথা বলা আছে। কিন্তু সেইসব নীতিমালার ধারেকাছে আমরা নাই। কোনো প্রজেক্ট নাই, ধারাবাহিক কোনো কাজ নাই। তিনি আরো বলেন, যোগাযোগ খাতের উন্নয়নে হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে, অথচ পাঁচশো কোটি টাকা হলেই পথচারীদের চলাচল নিশ্চিত করা যায়। সেটা করা হচ্ছে না।

আমাদের ফুটপাত পথচারীবান্ধব তো নয়ই, বরং পথচারী বিরুদ্ধ পরিবেশ গড়ে তোলা হয়েছে। পথচারীরা চরমভাবে উপেক্ষিত হচ্ছে। বুয়েটের সহযোগী অধ্যাপক বলেন, রাজধানীতে সড়কে নিহতদের একটি বড় অংশ রাস্তায় চলতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হন। ফুটপাত ব্যবহারের উপযোগী না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে অনেকেই পথ চলেন রাস্তার পাশ দিয়ে। ফুটপাতগুলো পথচারীবান্ধব হলে এ ধরনের দুর্ঘটনা কমে যেত। আমরা বিভিন্ন সময়ে বলেছি যে ফুটপাতে রেলিং দিয়ে দেওয়া হোক, যেন লোকজন যেখানে সেখানে ফুটপাত থেকে রাস্তায় নামতে না পারে। দুই এক জায়গায় আমরা সেটা দেখলেও শহরের বেশিরভাগ প্রধান সড়কে তা হয়নি।
অবশ্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের দাবি, ঢাকার ফুটপাত এখন আগের চেয়ে বেশি পথচারীবান্ধব। ফুটপাতে লোকজনের চলাচলও এখন বেশি। তিনি বলেন, “গুলিস্তান, মতিঝিল, নিউ মার্কেটসহ বিভিন্ন এলাকার ফুটপাতের হকার উঠিয়ে দিয়েছি। আমরা চেষ্টা করছি শতভাগ দখলমুক্ত করতে। বাকি সমস্যাগুলো দীর্ঘদিনের। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের খুঁটি বা বক্সগুলো সরিয়ে কোথায় রাখা যায়, সেই প্রশ্নের সুরাহা এখনও করা যায়নি। অন্য কোথাও যে দেব, সে জায়গা রাখা হয়নি। চেষ্টা করছি পুলিশের বক্সগুলো ফুটপাত থেকে সরিয়ে সড়ক বিভাজকের ওপর দিতে। যেখানে যাত্রী ছাউনি আছে সেখানে বাসের কাউন্টার রাখতে হবে। আমাদের কাছে বিকল্প নেই। যা আছে সেগুলোর মধ্যেই আমাদের ম্যানেজ করতে হচ্ছে। এতে পথচারীদের অবাধ চলাচল কিছুটা বাধাগ্রস্থ হচ্ছে, তাতে কোনো সন্দেহ নাই।

নীলক্ষেত-মানিক মিয়া এভিনিউ: প্রতি পদে বাধা:
ঢাকার ফুটপাতের চিত্র কেমন তা রাজধানীর যে কোনো একটি সড়কের পাশের ফুটপাত ধরে হাঁটলেই বোঝা যায়। সোমবার বিকেলে নীলক্ষেত মোড় থেকে মিরপুর সড়কের মানিক মিয়া এভিনিউ সিগন্যাল পর্যন্ত ফুটপাত ধরে হেঁটে যাওয়ার সময় দেখা গেছে অব্যবস্থাপনার চিত্র। নীলক্ষেত চৌরাস্তা থেকে নিউ মার্কেট যেতে ফুটপাতের ওপর দেখা গেল অনেকগুলো মোটরসাইকেল রাখা। নিউ মার্কেটের দুই নম্বর গেইট থেকে ফুটব্রিজ পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় দোকানপাট। যেখানে হকার নেই সেখানে ফুটপাত এবড়োখেবড়ো, কোথাও কংক্রিটের ব্লক উঠে গেছে। ঢাকা কলেজের সামনে ফুটপাতে দেখা গেছে বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের দুটি সুইচবক্স। সেখানে ফুটপাতের অনেকটা এলাকা ভাঙা। টিচার্স ট্রেইনিং কলেজের সামনের ফুটপাতে ফুলের টবসহ নানা সামগ্রী নিয়ে বসেছেন হকাররা।
সড়কের ওই অংশে কথা হয় জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি-নায়েমের কর্মীর সঙ্গে। তিনি বলেন, ফুটপাত উন্মুক্ত থাকলে পথচারীদের সড়কে নামতে হত না। আমি যদি ফুটপাতে ঠিকমত হাঁটতে পারি তাহলে কেন রাস্তায় যানবাহনের মাঝখানে নামব। কেন নিজেকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেব। বাস্তবতা হল, আমাদের ফুটপাত মোটেও পথচারীদের জন্য নেই। হয়তো দখল হয়ে গেছে, নয়তো চলাচলের উপযোগী নেই। ধানমন্ডি এক নম্বর সড়কের কাছে গিয়ে ফুটপাত নেই হয়ে গেছে। সেখানে একটি স্থায়ী পুলিশ বক্স। আড়ংয়ের সামনের ফুটপাতের বেশিরভাগ দখল করে নিয়েছে ফুটব্রিজ, নামফলক। এখানে বেশকিছু অস্থায়ী দোকানও আছে। ২ নম্বর সড়ক পার হয়ে সিটি কলেজের সামনের ফুটপাতে উঠতে হলে অনেকগুলো রিকশার বাধা ডিঙাতে হবে। হারুন আই হাসপাতালের সামনের ফুটপাতেও বিভিন্ন ব্যক্তিগত যানবাহন জড়ো হয়ে থাকে। ধানমন্ডি ৫ নম্বর সড়কের মাথায় কথা হয় বিশ্ববিদ্যারয় শিক্ষার্থী সরিফ আহমেদ এর সঙ্গে। তিনি বলেন, কলাবাগান থেকে সিটি কলেজ পর্যন্ত যেরকম যানজট থাকে, তাতে হেঁটে আাসই ভালো। কিন্তু ফুটপাতের যা পরিস্থিতি, তাতে নির্বিঘ্নে কারও পক্ষে হেঁটে আসা সম্ভব না। মালিবাগ মোড় থেকে মৌচাক র্মাকেটের আশে পাশে একি অবস্থা ফুটপাত দখল করে আছে হকাররা ।

রয়েল প্লাজা, মেহের প্লাজা, ফাতেমা আর্কেড হয়ে ধানমন্ডি প্লাজা পর্যন্ত প্রতিটি বিপনি বিতানের সামনের ফুটপাত প্রশস্ত। কিন্তু তাতে পথচারীরা হাঁটতে পারেন না। প্রতিটি মার্কেটের সামনের ফুটপাতের দখল নিয়েছে বিভিন্ন যানবাহন। এর মধ্যে সংসদ সদস্যের স্টিকার লাগানো গাড়িও দেখা গেল। ছয় নম্বর সড়ক পার হয়ে ওপাশের ফুটপাতে সরাসরি ওঠা যায় না। ফুটপাত বরাবর স্টিলের বেড়া দিয়ে দেওয়ায় কিছুটা ঘুরে ফুটপাতে উঠতে হয়। ধানমন্ডি ক্লাবের সামনের ফুটপাতে কোনো দখলদার নেই। নয় নম্বর সড়কের কাছে ফুটপাতে দুটি লোহা বিপজ্জনক ভাবে মাথা বের করে আছে। অন্ধকারে চলতে গিয়ে সেখানে দুর্ঘটনা ঘটাই স্বাভাবিক।

কলাবাগান সিগন্যালে ফুটপাতের ওপর একটি পুলিশ বক্স, কাছেই ফুটব্রিজের সিঁড়ি। কলাবাগান শিশু পার্কের সামনে ফুটপাত ঘেঁষেই ডিএসসিসির বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্র। সেখানে ফুটপাতের ওপর ময়লাবাহী ভ্যান, আবর্জনার বস্তা স্তুপ করে রাখা হয়েছে। সেখান থেকে ৩২ নম্বর সড়কের প্রান্ত পর্যন্ত ফুটপাতে কয়েকটি গাছ, খুঁটি চলাচলে বাধা দেয়।
মেট্রো শপিং মলের সামনে ফুটপাতের একাংশ জুড়ে ফুটব্রিজের সিঁড়ি করা হয়েছে। পাশেই পুলিশ বক্স। রাসেল স্কয়ার থেকে ধানমন্ডি ২৭ নম্বর পর্যন্ত ফুটপাতে কোনো দখলদার নেই। তবে ফুটপাত সড়ক থেকে অনেক উঁচুতে। কিছুদুর গিয়ে নামতে-উঠতে হয়। সেখানে চলতি পথের এক যাত্রী বললেন, আসলে যারা এগুলোর দায়িত্বে, তাদের তো আর আমাদের মত রাস্তায় হাঁটতে হয় না। তাই আমাদের কষ্টটাও তারা বুঝতে চান না। প্রতিবন্ধীদের জন্য সবাই কত ভালো ভালো কথা বলে। এই রাস্তয় এই ফুটপাতে তারা কীভাবে চলবে তা কেউ ভাবে?

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

প্রকাশক ওসমান গনি’র নেতৃত্বে সৃজনশীল প্রকাশক ঐক্য পরিষদ

প্রকাশক ওসমান গনি’র নেতৃত্বে সৃজনশীল প্রকাশক ঐক্য পরিষদ

– শামীম রহমান : আগামীকাল ৪ ডিসেম্বর ২০২১, বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি কার্যনির্বাহী পরিষদের পরিচালক পদে নির্বাচন (২০২১-২০২৩) অনুষ্ঠিত হবে। করােনায় বিপর্যস্ত ও মৃতপ্রায় প্রকাশনা জগতের অগ্রগতি, উন্নয়ন এবং একুশ শতকের উপযােগী আধুনিক প্রকাশনাশিল্প বিনির্মাণের অঙ্গীকারে সৃজনশীল প্রকাশক ঐক্য পরিষদ কাজ করে যাচ্ছে। সৃজনশীল প্রকাশক ঐক্য পরিষদ-এর প্যানেল লিডার ও সাবেক সভাপতি ওসমান গনি বলেন, আমাদের প্যানেল নির্বাচনে জয়যুক্ত হলে প্রকাশক সমিতির মাধ্যমে আমার প্রথম কাজ হবে প্রকাশকদেরকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা। সরকারের বিভিন্ন প্রজেক্ট রয়েছে, যেমন- গ্রন্থকেন্দ্র, পাবলিক লাইব্রেরি ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন- এগুলোর চলমান প্রজেক্টের বাইরেও সরকারের সহায়তায় আমরা ১০০ কোটি টাকার প্রজেক্ট তৈরি করে দিবো সকল প্রকাশকদের জন্য। উপজেলা পর্যায়ে সরকারের বিভিন্ন কমপ্লেক্স তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে- আমরা প্রতি উপজেলায় বই কেনার ব্যবস্থা করবো। সম্মানিত সৃজনশীল প্রকাশকবৃন্দ,

আরও পড়ুন
language Change