তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি সরকার গ্রহণ করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগে গণপূর্তের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মতিউর রহমানের অনিয়ম নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল এক মানবিক শিক্ষকের জীবন বাঁচাতে সাহায্যের আকুল আবেদন বাংলাদেশ কৃষি উদ্যোক্তা ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন সুন্দরবনে জলদস্যুদের কাছে জিম্মি থাকা ৬ জেলে উদ্ধার দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধে শহীদ জিয়ার আদর্শের বাস্তবায়ন চায় জনগণ যমুনা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় কোটি টাকা উপর টোল আদায় মায়ের স্মৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় মনোয়ার হাসান জীবনের ইফতার মাহফিল ডিভিশনাল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন বিডিজেএ'র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা নূরে মদিনা মসজিদে সাউথ লন্ডন ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তা প্রদান বটিয়াঘাটায় উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল রোগীদের চিকিৎসায অর্থসহ ঈদসামগ্রী বিতরণ করলেন হাজী সারওয়ার জাহান মাষ্টার দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর অভিযানে ১৩৮ টুকরা অবৈধ কাঠ জব্দ করনেশন রোড ব্যবসায়ী মালিক সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল আইনজীবী হিসেবে সাংবাদিক এসএম বিপ্লব হোসেনের পথচলা শুরু সাফল্যের শিখরে রামগড়ের কৃতি সন্তান সিআইডি প্রধান শেরপুরের নকলায় ১২ ভিক্ষুককে ভেড়া উপহার নিজ মাথায় মাটি টেনে খাল পুঃন খননের উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর পাইকগাছায় উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ স্টিকার লাগিয়ে দাম জালিয়াতি: খিলগাঁওয়ের ‘কান্ট্রি বয় লাইফস্টাইল’-এ ভোক্তা ঠকানোর মহোৎসব! ফায়ার সার্ভিসে দুর্নীতির ছায়া: ডিজির খামখেয়ালি সিন্ডিকেট প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপ ছুটির প্রথমদিনে কমলাপুর স্টেশনে উপচে পড়া ভিড় ‎নিউ কলোনি জামে মসজিদে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বিক্রিত জমিতে ঘর নির্মাণ, জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা দুর্নীতিমুক্ত শেরপুর জেলা পরিষদ গঠন করতে চাই ঝিনাইগাতীতে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে থানায় জিডি হাজার মাসের চেয়েও সেরা রাত: আজ পবিত্র লাইলাতুল কদর মৌলভীবাজারের কাটাগাং খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন মোংলার চিলা বৈদ্যমারীতে যুবকের আত্মহনন দারিদ্র্য বিমোচনে যাকাতের ভূমিকা অপরিসীম খুলনায় যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা পুলিশ সুপারের ছবি ব্যবহার করে ঈদের চাঁদা আদায় র‍্যাবের ডিজি হলেন হাবীব, এসবিপ্রধান নুরুল আমিন, সিআইডিপ্রধান মোসলেহ খুলনা মফস্বল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ কুয়াকাটায় সরকারি খাস জমির গাছ কেটে বিক্রি বরগুনায় বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের দোয়া ও ইফতার পার্টি হামলার পর দুবাই বিমানবন্দরে ফ্লাইট বন্ধ ৫০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় কঠোর নির্দেশনা খেপুপাড়া বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অশ্লীল ছবি ভাইরাল খুলনায় অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ রাজউকে ঘুষ-দুর্নীতি-অনিয়ম সিরিজ জয়ের পর বড় সুখবর পেল বাংলাদেশ সুন্দরবন অগ্নিনির্বাপণ রোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা শুটিংয়ে জেরিনকে অন্তর্বাস পরতে বাধ্য করা হয়েছিল এবার চীনের দ্বারস্থ হলেন ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রীর পিএস পরিচয় দেওয়া প্রতারক আটক খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে দিনাজপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস পালিত

চ্যাট জিপিটি কি আমাদের মেধার বিকাশকে কেড়ে নিচ্ছে?

পাঠক সংখ্যা
638

ডঃ তারনিমা ওয়ারদা আন্দালিব ও দাউদ ইব্রাহিম হাসান ॥

আজ আমরা এমন এক মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছি, যেখানে আমাদের মস্তিষ্কের ভেতরের নিভৃত কোণে থাকা সৃজনশীলতার ঝর্ণাধারা শুকিয়ে যেতে বসেছে। এটি কোনো কাল্পনিক উপন্যাসের গল্প নয়, এটি আমাদের চিরচেনা মাতৃভূমি বাংলাদেশের বর্তমান এবং ভবিষ্যতের এক কঠিন বাস্তবতা। ২০১৫ সালে যখন প্রযুক্তির ঢেউ কেবল আমাদের উপকূলে আছড়ে পড়ছিল, আমরা স্বপ্নে বিভোর ছিলাম এক উজ্জ্বল ভবিষ্যতের। কিন্তু চ্যাট জিপিটির মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার হঠাৎ আগমন সেই স্বপ্নকে যেন এক কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলে দিয়েছে।
আমাদের শিক্ষার্থীরা, যাদের চোখে ছিল নতুন কিছু আবিষ্কারের আলো, আজ তারা নিজেদের ব্রেইনকে তুচ্ছ মনে করতে শুরু করেছে। ভাবুন একবার, যে মস্তিষ্ক এই অত্যাশ্চর্য চ্যাট জিপিটি তৈরি করেছে, সেই মস্তিষ্ককেই তারা এখন তুচ্ছ জিনিস ভাবছে! এটি যেন অনেকটা সেই কারিগরের মতো, যে নিজের হাতে তৈরি সুন্দর ভাস্কর্যটির কদর না করে অন্য কারো তৈরি একটি খেলনার দিকে ছুটে চলেছে।
দেশের শিক্ষাবিদদের সম্মিলিত মতামত থেকে উঠে আসা সাউথ এশিয়ান এডুকেশন রিভিউ, ২০২৪ এর পর্যবেক্ষণ বলছে, অতিরিক্ত এআই নির্ভরতার কারণে শিক্ষার্থীদের স্বকীয় সৃজনশীলতা (Uniqueness) প্রায় ২৫% পর্যন্ত কমে যাওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। আগে একটি অ্যাসাইনমেন্ট লিখতে একজন শিক্ষার্থীকে রাত জাগতে হতো, বই ঘাঁটতে হতো, নিজের যুক্তি দিয়ে শব্দ সাজাতে হতো; কিন্তু এখন? একটি মাত্র প্রম্পটে সব হাজির।
বাংলাদেশ শিক্ষা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিইআরআই) এর ২০২৪ সালের জরিপে দেখা গেছে, চ্যাট জিপিটি-এর সহায়তায় অ্যাসাইনমেন্ট করা শিক্ষার্থীদের প্রায় ৪৮% এর মধ্যে এখন পরীক্ষা ও কুইজেও সহায়তার প্রবণতা বেড়েছে। শুধু তাই নয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক পর্যবেক্ষণ রিপোর্ট, ২০২৪ প্রকাশ করেছে যে এই নির্ভরতা শিক্ষার্থীদের লেখার মান ও যুক্তিপ্রয়োগের সক্ষমতা প্রায় ৩৫% কমিয়ে দিচ্ছে। তারা জানে না যে, তাদের এই অলসতা কেবল অ্যাসাইনমেন্টের নম্বর কমাবে না, বরং ভবিষ্যতের পেশাগত জীবনেও এক বিরাট শূন্যতা তৈরি করবে।

একটি বেসরকারি সংস্থার সাম্প্রতিক সমীক্ষা অনুসারে, বাংলাদেশের ৯৫% শিক্ষার্থী এআই-কে কেবল ‘কপি-পেস্ট’ টুল হিসেবে দেখছে, যা তাদের অনুসন্ধিৎসু মনকে অবরুদ্ধ করে দিয়েছে।
শিক্ষার আঙিনা পেরিয়ে যখন এই প্রজন্ম কর্মজীবনে পা রাখবে, তখন তারা দেখবে সেখানেও এক কঠিন প্রতিযোগিতা। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম (WEF) এর ২০২৩ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, সাংবাদিকতা, কোডিং এবং কপিরাইটিং-এর মতো ১০টি পেশা চ্যাট জিপিটির কারণে ঝুঁকিতে পড়েছে, যা বাংলাদেশেও প্রযোজ্য। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (BASIS) এর পর্যবেক্ষণে জানা গেছে, দক্ষ কোডারদের সমস্যা বিশ্লেষণের সক্ষমতা ২০-৩০% পর্যন্ত কমে যেতে পারে, যদি তারা প্রতিনিয়ত এই প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে। কারণ তারা সমস্যার মূল কারণ না খুঁজে, দ্রুত সমাধানে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে।
বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ (আইসিটি) এর নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাংলাদেশে এখনও পর্যন্ত AI-এর ব্যবহার নিয়ে কোনো শক্তিশালী নীতিমালা বা আইন তৈরি হয়নি। এই নীতিগত শূন্যতার সুযোগ নিয়ে কিছু অসাধু চক্র অনৈতিক কাজেও লিপ্ত হচ্ছে। ইউরোপিয়ান ডেটা প্রটেকশন বোর্ডের নির্দেশিকা অনুসারে, বিশ্বব্যাপী এই প্রযুক্তির বিরুদ্ধে গোপনীয়তা অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে, যা বাংলাদেশেও তথ্যের সুরক্ষার ক্ষেত্রে এক নতুন সংকট তৈরি করতে পারে। ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি এজেন্সির রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ সালে AI-ভিত্তিক ফিশিং এবং স্ক্যামিং প্রচেষ্টা ৪ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই প্রযুক্তি যেমন আমাদের দ্রুত কাজ করার সুযোগ এনে দিয়েছে, তেমনি আমাদের সামাজিক জীবনে আস্থা ও নৈতিকতার এক বিশাল ফাটল সৃষ্টি করেছে।
আমরা যদি এখনই সতর্ক না হই, তবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কী হতে পারে, তার একটি সম্ভাব্য পরিসংখ্যানগত চিত্র আমাদের মনে এক গভীর বেদনা তৈরি করতে পারে। এই পরিসংখ্যানগুলি বাংলাদেশের বর্তমান প্রবণতা এবং আন্তর্জাতিক গতি-প্রকৃতির ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে:
বছর-মূল চ্যালেঞ্জ/ক্ষেত্র-সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব (শতকরা হার)- ব্যাখ্যা ও বাস্তবিকতা :
২০২৫- শিক্ষা ও চৌর্যবৃত্তি বৃদ্ধি-শিক্ষার্থীদের ৪০% চৌর্যবৃত্তির জন্য এআই ব্যবহার করবে। এশিয়ান ইউনিভার্সিটি নেটওয়ার্ক শিক্ষা পূর্বাভাস বলছে, কার্যকর এআই-শনাক্তকরণ পদ্ধতির অভাবের কারণে অসদুপায় অবলম্বনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়বে।
২০৩০- কর্মক্ষম জনশক্তির অদক্ষতা- ৩০% কর্মীর মৌলিক সমস্যা সমাধানের দক্ষতা হ্রাস। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এর অনুমান অনুযায়ী, AI দ্বারা স্বয়ংক্রিয় হয়ে যাওয়া কাজে নিযুক্ত কর্মীদের নতুন দক্ষতা অর্জনে ব্যর্থতা, যা বেকারত্বের হার বাড়াতে পারে।
২০৩৫- গবেষণা ও উদ্ভাবন স্থবিরতা- উচ্চশিক্ষায় নিজস্ব গবেষণা প্রজেক্টের মান ৫০% হ্রাস।
এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (ADB) ফিউচার রিপোর্ট বলছে, শিক্ষার্থীরা কেবল এআই থেকে তথ্য নিয়ে গবেষণা করায় মৌলিক উদ্ভাবন কম হবে।
২০৪০- মানসিক বিকাশ ও নির্ভরশীলতা- ৭০% যুবসমাজ জটিল সিদ্ধান্তের জন্য এআই-এর ওপর অতি-নির্ভরশীল হবে।
ইউনিসেফ (UNICEF) যুব প্রযুক্তি পর্যবেক্ষণ ইঙ্গিত দিচ্ছে, নিজের বিচারবুদ্ধি প্রয়োগের ক্ষমতা লোপ পাওয়ায় তারা বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দুর্বল হয়ে পড়বে।

২০২৫ সালের মধ্যে আমাদের দেশের ৪০% শিক্ষার্থী তাদের একাডেমিক কাজে পুরোপুরি এআই নির্ভর হয়ে পড়তে পারে, যদি না শিক্ষাব্যবস্থায় কঠোরতা আনা হয়। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) এর অনুমান অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০% কর্মীর মৌলিক দক্ষতা কমে যেতে পারে, যা দেশের ICT রফতানি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (ADB) ফিউচার রিপোর্ট অনুসারে, ২০৩৫ সালের দিকে উচ্চশিক্ষায় নিজস্ব গবেষণা প্রজেক্টের মান ৫০% কমে যেতে পারে। ইউনিসেফ (UNICEF) যুব প্রযুক্তি পর্যবেক্ষণ বলছে, ২০৪০ সালে এসে আমাদের ৭০% যুবসমাজ ছোট থেকে বড় সব ধরনের সিদ্ধান্তের জন্য এই প্রযুক্তির ওপর অতি-নির্ভরশীল হয়ে পড়বে। এই পরিসংখ্যানগুলি কেবল সংখ্যা নয়, এটি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের হৃদয়ের কান্না।

চ্যাট জিপিটি একটি অস্ত্র হতে পারে, কিন্তু সেই অস্ত্র দিয়ে আমরা কী করব—সেটি আমাদেরই সিদ্ধান্ত। আমরা কি এই অস্ত্র দিয়ে নিজেদের মেধার ভিত্তিমূল কেটে ফেলব, নাকি এটিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করব? বাংলাদেশ শিক্ষক প্রশিক্ষণ অধিদপ্তর (এনটিআরসিএ) এর রিপোর্ট পর্যালোচনা করে জানা যায়, দেশের ৯০% এরও বেশি শিক্ষক এখনও এই বিষয়ে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ পাননি। আমাদের সন্তানদের শেখাতে হবে, মেধা তুচ্ছ নয়, বরং এই মেধা দিয়েই তারা বিশ্বকে জয় করতে পারে।
হে তরুণ! তোমার মস্তিষ্কের কোষে যে কোটি কোটি সম্ভাবনা লুকিয়ে আছে, সে তো কোনো যন্ত্রের দাসত্ব করার জন্য নয়! এই মায়াবী আলোকের প্রতিধ্বনি নয়, তোমার নিজের চিন্তার বজ্রনির্ঘোষে পৃথিবী কাঁপাও! যন্ত্রের হাতে তোমার মেধার চাবি তুলে দিও না; জাগো, ওঠো, এবং প্রমাণ করো, মানুষই যন্ত্রের স্রষ্টা—যন্ত্র নয় মানুষের! তোমার মৌলিক চিন্তাই তোমার জন্মগত অধিকার!

লেখক॥
ডঃ তারনিমা ওয়ারদা আন্দালিব, বর্তমানে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক।
দাউদ ইব্রাহিম হাসান, ছাত্র জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

দীর্ঘদিন পর গাজায় হাজারো ফিলিস্তিনির একসঙ্গে জুমার নামাজ আদায়

ডেস্ক রিপোর্ট : দীর্ঘ যুদ্ধবিরতির পর প্রথমবারের মতো গাজার মসজিদগুলোতে একসঙ্গে ধ্বনিত হলো আজানের সুর, এবং ক্ষতবিক্ষত, ধ্বংসস্তূপে ঘেরা শহর জুড়ে হাজারো ফিলিস্তিনি  শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) জুমার নামাজে অংশ নিয়েছেন।গাজা উপত্যকার ধ্বংসপ্রাপ্ত ও অর্ধভাঙা অসংখ্য মসজিদে শুক্রবার দুপুরে একসঙ্গে তাকবির ধ্বনী (আল্লাহু আকবার) ভেসে আসে। গাজা নগরীর ঐতিহাসিক সাইয়্যেদ হাসেম মসজিদে নামাজ পড়ার পর স্থানীয় বাসিন্দা গালিদ আল নিমরা আবেগঘন কণ্ঠে বলেন,  দুই বছরের বিচ্ছিন্নতার পর একসঙ্গে নামাজ পড়ার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস শহরের আলবানী মসজিদের ভগ্নাবশেষেও শুক্রবার শত শত ফিলিস্তিনি নামাজ পড়েন। দেওয়াল ভেঙে পড়া, ছাদ ধসে যাওয়া সেই মসজিদে এক ইমাম লাউডস্পিকারে খুতবা দেন, আর উপস্থিতরা চোখ মুছে দোয়ায় মগ্ন হন। ২২ বছর বয়সী সালিম আল-ফাররা বলেন,  আমরা আশা করি  গাজার সবকিছু

আরও পড়ুন
language Change