তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
যুদ্ধ বন্ধে যে তিন শর্ত দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে মির্জা আব্বাস জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর হাফিজ ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল গোয়েন্দা প্রতিবেদন উপেক্ষা বিটিভির প্রধান প্রকৌশলী হওয়ার দৌড়ে মনিরুল! কাজ শেষ না হতেই বিল পরিশোধ গণপূর্তের প্রকৌশলী ফয়জুলের আদালতের রায় না মেনে নদী দখল করে দেশবন্ধু সিমেন্ট ফ্যাক্টরির কার্যক্রম দেশে আবারও সংসদীয় রাজনীতির সূচনা হলো প্রধানমন্ত্রী ফের রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী হতে চান আওয়ামী দোসর উজ্জ্বল মল্লিক স্পিকারের চেয়ার শূন্য রেখেই বসলো সংসদের প্রথম অধিবেশন বিড়াল হত্যায় একজনের জেল মিয়া নুরুদ্দিন অপু মাননীয় হুইপের একান্ত সচিব নির্বাচিত হলেন জয়নাল আবেদীন হাসনাত আবদুল্লাহর লাইভে উন্নয়ন পরিকল্পনা রাষ্ট্রপতির সংসদে ভাষণ দেওয়ার অধিকার নেই সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন দেওয়াল চাপা পড়ে দুই শিশুর মৃত্যু শিবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবি অভিযানে ভারতীয় মাদকসহ আটক ১ ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস পালনে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন কমিউনিটি এডুকেশন ওয়াচ গ্ৰুপের সদস্যদের কারিগরি ও কৌশলগত প্রশিক্ষণ যশোর অভিযান চালিয়ে ককটেলসহ আটক ১ খুলনায় ৫ হাজার ২৭৫ উপকারভোগীদের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শহীদ নগরে পথচারীদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে রামগড়ে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীর আর্তনাদে জেগে উঠছে কঠিন প্রশ্ন ইরানের ২ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া নকলায় রমজান উপলক্ষে ফুড প্যাকেট বিতরণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা কোটি টাকা ঘুষ দাবি প্রসিকিউটরের, অডিও ফাঁস জুলাই আন্দোলনে ডিসি মাসুদের দায়িত্বশীল ভূমিকা ঈদের দিনে টিভিতে শাকিব খানেরই সাত সিনেমা আইন মানতে গিয়েই মামলার আসামি ব্যাংক ম্যানেজার প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সম্ভাব্য একাদশ সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি’র চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল গৃহবধুকে মুখ বেঁধে খালে ফেলে হত্যা চেষ্টা ফুটপাত দখলে নিয়ে চলছে চাঁদাবাজি খুলনা নগরীতে ধুলোর রাজত্ব: যত্রতত্র বালু-মাটিতে বিপন্ন জনজীবন আগামী মাসের মধ্যে কৃষক কার্ড দিতে সক্ষম হবো ইনশাআল্লাহ: প্রধানমন্ত্রী কে হচ্ছেন নতুন স্পিকার জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস রামগড়ে পালিত ২৬ সে মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত জ্বালানি সংকটের চাপ পণ্য সরবরাহে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা ১৫ বছর খেতে পারেনি বিএনপি, এখন খাবে’ চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‍্যাব-৫ অভিযানে মাদকসহ আটক ৩ সাংবাদিক তরিক শিবলীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট: ধরাছোঁয়ার বাইরে আসামিরা অনিয়মের প্রমাণ থাকলেও বহাল তবিয়তে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের এমডি দৈনিক সময় বার্তার ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ঈদের ছুটি বাতিল করল এনবিআর, নতুন নির্দেশনা কালীগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত ঝিনাইগাতীতে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার মনিটরিং ৪৭টি মাথার খু'লি ও ক'ঙ্কাল সহ ৪ জনকে আ'ট'ক করেছে পুলিশ কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ অনুদান ঘোষণা

মব-সন্ত্রাসে দশ মাসে নিহত শতাধিক

পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার॥

স্বৈরাচার হাসিনা পালানোর পর দেশে মব সহিংসতা ও গণপিটুনিতে মৃত্যুর ঘটনা আগের চেয়ে বেড়েছে। চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে এ ধরনের ঘটনায় ১৪০ জন নিহত হয়েছে, যা অন্যান্য বছরের তুলনায় সর্বোচ্চ। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত এক যুগে এ ধরনের ঘটনায় সহস্রাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত গত ১০ মাসে মব সহিংসতা ও গণপিটুনির অন্তত ২৫৬টি ঘটনায় ১৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আহত হয়েছে অন্তত ২৩১ জন। এ পরিসংখ্যান আগের দুই বছরকে ছাড়িয়ে গেছে। মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২০২৩ সালে এ ধরনের ঘটনায় ৫১ জনের মৃত্যু হয়। ২০২৪ সালে এমন ঘটনায় মৃত্যু ১২৮ জনে পৌঁছায়।

আসক ও এইচআরএসএসের তথ্য মতে, গত ১২ বছর ১০ মাসে বাংলাদেশে গণপিটুনিতে নিহত হয়েছে এক হাজার ১৩ জন। এক যুগের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশের আটটি বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গণপিটুনিতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে ঢাকা বিভাগে।

আসকের তথ্য মতে, দেশে গত ১২ বছরে গণপিটুনিতে কমপক্ষে ৮৭৩ জনকে হত্যা করা হয়েছে। এর কোনোটিতে ছেলেধরা বা ডাকাত সন্দেহে, আবার কোনো কোনো ঘটনায় চোর সন্দেহেও পিটিয়ে মেরে ফেলার ঘটনা ঘটেছে।

বেশির ভাগ ঘটনায় হত্যা মামলা হলেও শাস্তি হওয়ার সংখ্যা খুব কম। এইচআরএসএস বলছে, মব সহিংসতা ও গণপিটুনিতে নিহতের সংখ্যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ‘বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি জানুয়ারি-অক্টোবর ২০২৫’ শীর্ষক এইচআরএসএসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১০ মাসে মব সহিংসতা ও গণপিটুনির ঘটনায় ১৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত ২৩১ জন। সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার, রাজনৈতিক কর্মী থেকে শুরু করে চোর, ডাকাত, ছিনতাইকারীরা এই সহিংসতার শিকার হয়েছে।

এইচআরএসএসের নির্বাহী পরিচালক ইজাজুল ইসলাম বলেন, ‘দিন দিন মব ভায়োলেন্স বেড়ে যাচ্ছে। অক্টোবর পর্যন্ত আমরা প্রতিবেদন দিয়েছি। আমরা দেখতে পাচ্ছি, নভেম্বরে মব ও গণপিটুনির ঘটনা ঘটছে।’ তিনি বলেন, মব ভায়োলেন্স দূর করতে সরকারের সদিচ্ছাটা জরুরি। এ ছাড়া কেউ হত্যাকাণ্ড ঘটালে তার কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে, সেটির যথাযথ প্রয়োগ করলে মব সন্ত্রাস কমে আসবে। রাজনৈতিক দলেরও এ বিষয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

বিশ্লেষকরা এর জন্য সরকারের দৃঢ় অবস্থানের অভাব, রাজনৈতিক দলগুলোর ঔদাসীন্য এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কার্যকর ভূমিকার অভাবকে দায়ী করছেন। এখনই মব সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে দিন দিন তা আরো বাড়বে বলে মনে করছেন তাঁরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব মব ও গণপিটুনির ক্ষেত্রে কখনো বিগত সরকারের কর্মী-সমর্থক সন্দেহে, কখনো বা ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে মব সন্ত্রাস করা হচ্ছে। আবার কখনো চুরির সন্দেহে এসব গণপিটুনির ঘটনা ঘটছে।

মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মুনতাসীর মারুফ বলেন, অনভিপ্রেত ও আকস্মিক সহিংসতা ব্যক্তির জন্য এক বিপর্যয়কর অভিজ্ঞতা। এ রকম অভিজ্ঞতা মানুষের চিন্তাজগেক প্রবলভাবে নাড়া দেয়, মনে চাপ সৃষ্টি করে। অনেকের ক্ষেত্রে এই প্রতিক্রিয়া তীব্র হয়ে দৈনন্দিন জীবনযাপনকে ব্যাহত করে এবং ব্যক্তির শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য, সামগ্রিক সুস্থতা ও কল্যাণে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিশেষত কোমলমতি শিশুদের মনে এ ধরনের ঘটনায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ে সবচেয়ে বেশি।

মানবাধিকারকর্মীদের মতে, গত বছর গণ-অভ্যুত্থানের পর পুলিশের মনোবল ভেঙে পড়ায় কোনো কোনো ক্ষেত্রে পুলিশ দায়িত্ব পালন করতে ভয় পাচ্ছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে তারা কালক্ষেপণ করছে, যথাযথভাবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। তাই অনেকেই সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে এবং মানুষের মধ্যে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম বলেন, ‘আমরা মনে করি, মব সন্ত্রাস আগের চেয়ে কমেছে। সেটা যাতে আরো কমানো যায়, সে চেষ্টা করছে পুলিশ।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে-পরে গণপিটুনির সংখ্যা বেড়েছে। ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে-পরে গণপিটুনির হার ছিল ভয়াবহ। আসকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালে নিহত হয় ১২৮ জন। নির্বাচনের বছর মারা যায় ১২৭ জন। নির্বাচনের পরের বছর ২০১৫ সালে ১৩৫ জন নিহত হয়। ২০১৬ সাল থেকে গণপিটুনির সংখ্যা কমতে শুরু করে। সে বছর হত্যা কমে ৫১ জনে নেমে আসে। ২০১৭ সালে ছিল ৫০ জন। নির্বাচনের বছর ২০১৮ সালে তা ৩৯ জনে নেমে আসে। পরের বছর ২০১৯ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে ৬৫ জনে পৌঁছায়। ২০২০ সালে ছিল ৩৫ জন, ২০২১ সালে ২৮ জন ও ২০২২ সালে ৩৬ জন হত্যার শিকার হয়। ২০২৪ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২০২৩ সালে হত্যার সংখ্যা আগের দুই বছরের তুলনায় বেড়ে ৫১ জনে পৌঁছায়। ২০২৪ সালে শতক পেরিয়ে ১২৮ জন হত্যার শিকার হয়।

সপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো.  ইসলাম বলেন, ‘এখন দেশে কোনো জনপ্রতিনিধি নেই, পুলিশের ওপর সরকারেরও নিয়ন্ত্রণ আছে কি না সন্দেহ। এই সুযোগে স্বার্থান্বেষী মহল মব সন্ত্রাস করে যাচ্ছে। সরকারপ্রধান যদি কোনো গোষ্ঠীর সরকার বলে প্রচার করেন, তাহলে সেই গোষ্ঠীও মব সন্ত্রাস করতে ভয় পায় না।’ এই আইনজীবীর মতে, আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এ সমস্যা কমবে না। বরং সরকার উদ্যোগী না হলে সামনের দিনগুলোতে আরো বাড়বে।

সম্প্রতি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে গরু চুরি করে পালানোর সময় গণপিটুনিতে শামিম মিয়া নামের এক যুবক নিহত হন। আহত হন আরো সাতজন। নিহত শামিম (৪২) গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ফুলারপাড় গ্রামের মুন্নু মিয়ার ছেলে।

গত বছর সেপ্টেম্বরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে তোফাজ্জল নামের এক যুবক গণপিটুনিতে নিহত হন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমেদকে গণপিটুনির ঘটনা ব্যাপক আলোচিত ছিল। একই বছর ৭ সেপ্টেম্বর রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আব্দুল্লাহ আল মাসুদ গণপিটুনিতে নিহত হন। ২০১৯ সালের ২০ জুলাই সকালে বাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে তাসলিমা বেগম রেণু নামের এক নারীকে গণপিটুনি দেওয়ার ঘটনা বেশ আলোচিত হলেও এখন পর্যন্ত ওই হত্যা মামলার নিষ্পত্তি হয়নি।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৩ অবৈধ বসতবাড়ি

গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৩ অবৈধ বসতবাড়ি

মিজানুর রহমানঃ শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় বনভূমি রক্ষায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে বন বিভাগ। উপজেলার রাংটিয়া রেঞ্জাধীন গজনী বিটের গান্ধীগাঁও মৌজায় অবৈধভাবে গড়ে তোলা তিনটি বসতবাড়ি উচ্ছেদ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। রাংটিয়া রেঞ্জের আওতায় চলমান জবরদখল উচ্ছেদ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিক্রমা: বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গজনী বনের সংরক্ষিত এলাকায় একদল প্রভাবশালী ও ভূমিদস্যু চক্র দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ঘরবাড়ি নির্মাণ করে আসছিল। বুধবার বিকেলের অভিযানে বন বিভাগের জমিতে অবৈধভাবে স্থাপিত তিনটি বসতবাড়ি সম্পূর্ণরূপে গুঁড়িয়ে দিয়ে জমিটি দখলমুক্ত করা হয়। নেতৃত্বে যারা ছিলেন: উচ্ছেদ অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী বন সংরক্ষক তানভীর আহমেদ। অভিযানে আরও অংশগ্রহণ করেন ফরেস্ট রেঞ্জার মো. সুমন মিয়া ও মো. তহিদুল ইসলাম, ফরেস্টার সালেহীন নেওয়াজ ও

আরও পড়ুন
language Change