তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
রামগড় ৪৩ বিজিবির উদ্যোগে মানবিক সহায়তা প্রদান যমুনার তীরে বাঁধ ভাঙন আতঙ্কে নদীপাড়ের বাসিন্দারা পাহাড়ি এলাকায় বিদ্যালয়ের সংস্কার এবং শিক্ষা উপকরণ, ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ পরিবেশ রক্ষায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগ, ৩ হাজার ৬০০ গাছের চারা বিতরণ ১ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হলে বাঁচবে ৩০৪ কোটি টাকা আলুবোখারা চাষে সফলতা অর্জন রামগড় কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের কেশবপুরে ড. সুকুমার রায়ের স্বরণে শিক্ষাবৃত্তি চালু বগুড়ার সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসককে সন্মননা স্মারক প্রদান ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ক্যারাম একক রানার্সআপ ও দ্বৈত খেলায় চ্যাম্পিয়ন মমিনুর রশীদ শাইন জাতীয় কবি দর্শন ছড়িয়ে দিতে ‘নজরুল বর্ষ’ পালনের সিদ্ধান্ত বিদেশি শিক্ষার্থীদের শর্ট-টার্ম গ্র্যাজুয়েট ভিসা দিচ্ছে নিউজিল্যান্ড ৪৩ বছর বয়সে মা হচ্ছেন হলিউড অভিনেত্রী অ্যান হ্যাথাওয়ে মালয়েশিয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আদ্‌-দ্বীনের প্রতি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সংহতি, দ্রুত চালুর দাবি‎ ইমারত পরিদর্শক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম পিয়ালের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও অর্থ আদায়ের অভিযোগ মাদ্রাসার আড়ালে রাস্তা দখলের মহোৎসব, আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ ইরানকেই জয়ী মনে করছে ইসরায়েলি ব্যাংক নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প অর্থায়নে নজর দিচ্ছি: অর্থমন্ত্রী দুর্নীতির মামলায় মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ৪ দিনের রিমান্ডে ১১ বলে ফিফটি করে সূর্যবংশীর বিশ্বরেকর্ড বিধি ভেঙে আরএমও পদায়ন থেকে 'এম উদ্দিন' ছদ্মনামের টেস্ট সিন্ডিকেট দুর্নীতি, সন্ত্রাস মুক্ত ও বৈষম্যহীন আদর্শ সমাজ গড়তে মেম্বার পদপার্থী আশরাফুল ইসলাম নিঃস্বার্থ ভালোবাসার অন্য নাম বাবা: আজ বিশ্ব বাবা দিবস অভিযোগের পাহাড়েও নিশ্চুপ রাজউক: জোন-৫/১-এর মোবাইল কোর্টে অনিয়ম, নেপথ্যে মেহরাব হোসেন জাতীয় চা দিবস-২০২৬: বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সম্মাননা পেল দেশের চা বাগান ও প্রতিষ্ঠান পুকুরে ডুবে দুই বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু যমুনা অয়েলে আওয়ামী পন্থী দেলোয়ার সিন্ডিকেট রংপুর সাহিত্য একাডেমির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে ‎আমি আগামী দিনে নলডাঙ্গার মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করে দিব - হুইপ দুলু ১৪ বছর পর ভোটযুদ্ধ: চাটখিল দলিল লেখক সমিতির নেতৃত্বে ওমর-স্বপন স্বাস্থ্যকর্মী ও মিডওয়াইফদের সুখবর দিল সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী উত্তাল সাগর থেকে ফিরছে জেলেরা,লোকসানের শঙ্কা ‎আশুলিয়ায় বিধবার জমি দখলে নেওয়ার অভিযোগ ইউএনও শাহীদুল ইসলামের বিরুদ্ধে, ব্যাপক দুর্নীতি'র অভিযোগ বিআইডব্লিউটিএতে সাইদুর রহমানের হরিলুট রেল জংশনের দাবিতে সিরাজগঞ্জে বিশাল মানববন্ধন চাটখিলে নববধূর রহস্যজনক মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা মোংলায় কবি রুদ্রের মুত্যুবার্ষীকি পালিত হচ্ছে শ্রীবরদীতে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ, সার ও চারা বিতরণ রামগড়ের মেধাবী তরুণ ফারহান পেলেন রাশিয়ায় ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ মুখ ঢেকে কথা বলায় ‘লাল কার্ড’, ইতিহাস গড়লেন আলমিরন পেনশনে বড় সুখবর: ৫ বছর চাকরিতেই সুবিধা, সর্বোচ্চ হার ৯০ শতাংশ বেনজীরকে দেশে ফেরাতে প্রত্যর্পণ আবেদন পাঠিয়েছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিয়ের সাজে বুবলী বটিয়াঘাটায় জাল ও ভুয়া দলিলের মাধ্যমে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ আমরা ট্যুরিজমের একটা মাস্টার প্ল্যান করছি, এই মাস্টার প্ল্যানে সিলেটও আছে: পর্যটনমন্ত্রী যাত্রী ছাউনিতে মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর সন্তান প্রসব, পিতৃপরিচয় নিয়ে প্রশ্ন পুরোনো ভিডিও ও ছবি দিয়ে নোয়াখালীতে মিছিলের অপপ্রচার, আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ মোংলায় ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল ও মটর শোভাযাত্রা

দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারানোর দুঃসহ বেদনার দিন ১৪ ই ডিসেম্বর

দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারানোর দুঃসহ বেদনার দিন ১৪ ই ডিসেম্বর
পাঠক সংখ্যা
638

সবুজ বাংলাদেশ ডেস্কঃ

শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসের সবচেয়ে মর্মন্তুদ দিন। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বিজয়ের ঊষালগ্নে দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হারানোর দুঃসহ বেদনার দিন।

নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিসংগ্রামের শেষলগ্নে পুরো দেশের মানুষ যখন চূড়ান্ত বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে, ঠিক তখনই এ দেশীয় নরঘাতক রাজাকার, আলবদর, আলশামস ও শান্তি কমিটির সদস্যরা মেতে ওঠে বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞে। বিজয়ের চূড়ান্ত মুহূর্তে বাঙালিকে মেধাশূন্য করার এ নৃশংস নিধনযজ্ঞ সেদিন গোটা জাতিসহ পুরো বিশ্বকেই হতবিহ্বল করে দিয়েছিল।

পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাত্র দু’দিন আগে ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর রাতের অন্ধকারে ঘাতক চক্র কেবল ঢাকা শহরেই প্রায় দেড়শ বুদ্ধিজীবী ও বিভিন্ন পেশার কৃতী মানুষকে চোখ বেঁধে নিয়ে যায় অজ্ঞাত স্থানে। সান্ধ্য আইনের মধ্যে সেই রাতে তালিকা ধরে ধরে শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী, শিল্পী-সাহিত্যিক, সংস্কৃতিসেবী ও পদস্থ সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাদের ঘর থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে হত্যা করে ফেলে রাখা হয় নিস্তব্ধ ভূতুড়ে অন্ধকারে।

পরদিন সকালে ঢাকার মিরপুরের ডোবা-নালা ও রায়েরবাজার ইটখোলাতে বিক্ষিপ্তভাবে পড়ে থাকতে দেখা যায় অনেক নিথর দেহ। কারও শরীর বুলেটবিদ্ধ, কারও অমানুষিক নির্যাতনে ক্ষতবিক্ষত। হাত পেছনে বেঁধে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে নাড়িভুঁড়িও বের করে ফেলা হয়েছে অনেকের। স্বাধীনতার ঊষালগ্নে উন্মুখ মানুষ স্বজন হারানোর সেই কালরাত্রির কথা জানতে পেরে শিউরে উঠেছিল। স্থবির হয়ে গিয়েছিল সবকিছু।

হত্যার পূর্বে যে তাঁদেরকে নির্যাতন করা হয়েছিল, সে তথ্যও বের হয়ে আসে। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে জাতীয়ভাবে প্রকাশিত বুদ্ধিজীবী দিবসের সংকলন, পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সাময়িকী নিউজ উইকের সাংবাদিক নিকোলাস টমালিনের রচিত নিবন্ধ থেকে জানা যায় যে নিহত শহীদ বুদ্ধিজীবীর সংখ্যা মোট ১ হাজার ৭০ জন।

বাঙালি জাতির দীর্ঘ মুক্তিসংগ্রামে এই বুদ্ধিজীবীরা মেধা, মনন ও লেখার মাধ্যমে স্বাধীনতার সংগঠকদের প্রেরণা জুগিয়েছেন। দেখিয়েছেন মুক্তির পথ। গোটা জাতিকে উদ্দীপ্ত করেছেন অধিকার আদায়ের সংগ্রামে। স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম যেন কিছুতেই সহ্য হচ্ছিল না স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের।

১৪ ডিসেম্বরকে বুদ্ধিজীবীদের নিধনযজ্ঞের দিন হিসেবে স্মরণ করা হলেও মূলত ১০ ডিসেম্বর ইতিহাসের এ ঘৃণ্যতম অপকর্মের সূচনা হয়। সপ্তাহজুড়ে এদের তালিকায় একে একে উঠে আসে বুদ্ধিদীপ্ত সাহসী মানুষের নাম। মূলত ১০ ডিসেম্বর থেকেই রাতের আঁধারে তালিকাভুক্ত বুদ্ধিজীবীদের বাসা থেকে চোখ বেঁধে রায়েরবাজার ও মিরপুর বধ্যভূমিতে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে ঢাকার মিরপুরে প্রথম শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়। ১৯৯১ সালে ঢাকার রায়েরবাজারে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নামে আরেকটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ শুরু হয়, যা ১৯৯৯ সালের ১৪ই ডিসেম্বর উদ্বোধন করা হয়।

প্রতি বছর ১৪ ডিসেম্বর শোকের আবহে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়। দেশের সর্বত্র জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। ওড়ে শোকের প্রতীক কালো পতাকা। দেশব্যাপী বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠন শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা, গান, আবৃত্তি, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী, স্বেচ্ছায় রক্তদান, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে এদিন সর্বপ্রথম রাষ্ট্র প্রধান মো. সাহাবুদ্দিন এবং এরপর সরকার প্রধান মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এরপর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টার নেতৃত্বে শহীদ বুদ্ধিজীবী পরিবারের সদস্যরা এবং যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা সকালে মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ এবং রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এরপর সর্বস্তরের মানুষ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।

বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলো দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে এদিন বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করে। সংবাদপত্রগুলো প্রকাশ করে বিশেষ নিবন্ধ। জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সব মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা করা হয়।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

একান্ত সাক্ষাৎকারে মাহবুবুর রহমান শাহীন

একান্ত সাক্ষাৎকারে মাহবুবুর রহমান শাহীন

মো: আলমগীর হোসেন পলাশ ॥ প্রশ্ন ১: সর্বাধিক ভোট পেয়ে উপ–মহাসচিব নির্বাচিত হলেন— অনুভূতিটা কেমন? মাহবুবুর রহমান শাহীন: এই দায়িত্ব পাওয়া আমার জন্য সম্মানের, আবার একইসাথে বড় একটি দায়িত্বের বোঝা। ৭০ ভোটের ঐতিহাসিক সমর্থন শুধু আমার প্রতি আস্থা নয়—এটি দেশের ক্রীড়াব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার প্রতি মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন। আমি এই আস্থাকে শক্তি হিসেবে নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে চাই। প্রশ্ন ২: উপ–মহাসচিব হিসেবে আপনার প্রথম ১০০ দিনের কাজের অগ্রাধিকার কী? শাহীন: আমার তিনটি তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার— ১. ফেডারেশন ও বিওএ–এর সমন্বয় শক্তিশালী করা ২. অলিম্পিক প্রস্তুতি ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন ৩. ট্যালেন্ট ডেভেলপমেন্টকে জাতীয় পর্যায়ে একীভূত করা প্রথম ১০০ দিনে কাঠামোগত পরিবর্তনের ভিত্তি দাঁড় করাতে চাই, যাতে দীর্ঘমেয়াদে দেশ উপকৃত হয়। প্রশ্ন ৩: এই দায়িত্ব পেতে চাঁদপুরের ভূমিকা কতটুকু? শাহীন: চাঁদপুর আমার শক্তি। এ জেলার

আরও পড়ুন
language Change