তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা সৌদি পৌঁছেছেন ৫৫ হাজার ৬৯৩ বাংলাদেশি হজযাত্রী আরব আমিরাতের উপকূলে জাহাজ আটক নেওয়া হচ্ছে ইরানে দেশে ভোটার সংখ্যা বাড়ল ৬ লাখ ২৮ হাজার ৫৭ জন বিনিয়োগ বাড়াতে চীনকে আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে যেসব মুসলিম দেশ বনানীতে দুটি বিদেশি পিস্তল-ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি গ্রেফতার স্থানীয় সরকার নির্বাচনের রোডম্যাপ তৈরি করছে ইসি নদীর বাঁধ ভেঙে প্লাবিত ২০ গ্রাম সন্ধ্যার মধ্যে সাত অঞ্চলে ঝড়ের আভাস কর পরিশোধে সচেতন হলেই এগোবে নগর উন্নয়ন শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে দিপু মনিসহ তিনজনকে গ্রেফতার এসএসসি-এইচএসসির সূচি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন শিক্ষামন্ত্রী ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিনের টিকিট বিক্রি চলছে বাংলাদেশকে জ্বালানি সহযোগিতা বাড়াতে ওয়াশিংটন অঙ্গীকারবদ্ধ রামগড় বিজিবির মানবিক সহায়তা প্রদান নাটোরের লালপুরে র‍্যাবের উপর হামলার ঘটনায় আটক- ১ সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে ডিসির প্রেস ব্রিফিং বর্জন ​চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিজিবির অভিযান ৪টি ভারতীয় গরু জব্দ​ চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহানন্দা সেতুর টোল প্রত্যাহারের দাবিতে ডিসি অফিস ঘেরাও আসলাম চৌধুরীর ফলাফল ঘোষণা ও শপথ প্রশ্নে আদেশ বৃহস্পতিবার পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় ফেরি-লঞ্চ চলাচল বন্ধ শান্তার ফাইল পার করতে রাজউকের ‘গোপন মিশন’ কোরবানি ঈদকে ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামারিরা জাতীয় পার্টি সংসদ নির্বাচনে ব্যয় করেছে ৫ লাখ টাকা নাটোরে পেঁপে চাষের আধুনিক পদ্ধতি বিষয়ক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন ঢাকা-৭-এর গ্যাস সংকট নিরসনে তিতাস কার্যালয়ে বৈঠক শিরোপা জয়ের অপেক্ষা আরো দীর্ঘ হলো রোনালদোর ইসরায়েলের গুপ্তচরকে ফাঁসিতে ঝোলাল ইরান অনুমোদন পেলো পদ্মা ব্যারাজ শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিচার শুরু ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা ‎মোংলার চিলা ইউনিয়ন পরিষদে জেলেদের মাঝে ৮০ কেজি করে চাল বিতরণ সম্পন্ন‎ তালতলীতে অপমৃত্যুর নাটক ভেঙে হত্যা মামলা,এজাহারের নির্দেশ বরগুনায় মারপিটে স্মৃতিশক্তি হারান এক নারী বিএনপি নেতার ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল শেরপুরের নকলায় খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন নাটোরে অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে অভিযান দীঘিনালায় আঙুর চাষে নতুন সম্ভাবনার উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত ভোলাহাটে গ্রামপুলিশ নজরুল অবসরে! ওসি দিলেন সম্বর্ধনা! ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ পোলিও টিকা দিল চীন ভোলাহাটে বসতবাড়ীর ৪টি ঘরে আগুন সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু আজ ​পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাক্টরসহ আটক ঢাকায় বজ্রবৃষ্টির আভাস ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু আজ ঈদ উপলক্ষে দোকান-শপিংমল খোলার নতুন সময় নির্ধারণ ঈদে ট্রেনের টিকিট বিক্রি নিয়ে রেলওয়ের জরুরি বার্তা বিশ্বরেকর্ড হাতছাড়া করলেন শান্ত

এস আলমের পেটে জনতা ব্যাংকের ২ হাজার কোটি টাকা

এস আলমের পেটে জনতা ব্যাংকের ২ হাজার কোটি টাকা
পাঠক সংখ্যা
638

নিজস্ব প্রতিবেদক :

দেশের ব্যাংকিং নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ক্ষমতার জোর ও জালিয়াতির মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংক থেকে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা বের করে নিয়েছে বিতর্কিত শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপ। ভুয়া নথিপত্র তৈরি, জামানত হিসেবে রাখা সম্পত্তির অবিশ্বাস্য অতিমূল্যায়ন এবং নিজস্ব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে টাকা ঘোরাঘুরি—এমন নানা জোচ্চুরিতে এই বিশাল অংকের টাকা মেরে দেওয়া হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় জনতা ব্যাংকের শীর্ষ নীতিনির্ধারক থেকে শুরু করে শাখা পর্যায়ের কর্মকর্তারা সরাসরি সহায়তা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অবিশ্বাস্য এই জালিয়াতির ঘটনায় এস আলম গ্রুপের কর্ণধার সাইফুল আলম মাসুদ, তার তিন ভাই, পরিবারের সদস্য এবং জনতা ব্যাংকের সাবেক দুই চেয়ারম্যান ও এমডিসহ মোট ৩৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
৭ ডিসেম্বর দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১–এ সংস্থাটির উপপরিচালক মো. সিরাজুল হক বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এজাহারে মোট ১ হাজার ৯৬৩ কোটি ৫৪ লাখ ৬১ হাজার ৫৫৯ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০ ও ১০৯ ধারা, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

এস আলমের পারিবারিক সিন্ডিকেট :

মামলায় এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের সঙ্গে আসামি হয়েছেন তার তিন ভাই—গ্লোবাল ট্রেডিং কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রাশেদুল আলম, এস আলম ট্রেডিংয়ের পরিচালক মো. ওসমান গনি এবং সোনালী ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. শহিদুল আলম। এ ছাড়া ওসমান গনির স্ত্রী ফারজানা বেগমও মামলার দ্বিতীয় আসামি। জালিয়াতিতে সহায়তা করা নিরীক্ষা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিদের মধ্যে এনএন ইন্সপেকশন সার্ভিসেসের ম্যানেজিং পার্টনার খন্দকার রবিউল হক, কমোডিটি ইন্সপেকশন সার্ভিসেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খন্দকার জহিরুল হক এবং গ্লোবাল ট্রেডিং কর্পোরেশনের পরিচালক আবদুস ছবুরকে আসামির তালিকায় রাখা হয়েছে।

ব্যাংক কর্মকর্তাদের জালিয়াতির মহোৎসব:

মামলার এজাহারে জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তাদের জালিয়াতির বিশদ বিবরণ দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা কীভাবে ধাপে ধাপে এই অনিয়মে জড়িয়েছেন, তা উঠে এসেছে। আসামিদের তালিকায় রয়েছেন জনতা ব্যাংকের সাবেক দুই চেয়ারম্যান ড. জামাল উদ্দিন আহমেদ ও ড. এস এম মাহফুজুর রহমান। এ ছাড়া সাবেক পরিচালকদের মধ্যে খন্দকার সাবেরা ইসলাম, মো. আবুল কাশেম, অজিত কুমার পাল, কে এম সামছুল আলম, মো. আসাদ উল্লাহ, জিয়াউদ্দিন আহমেদ, ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ, মো. আব্দুল মজিদ ও বেগম রুবীনা আমীনকে আসামি করা হয়েছে। ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. আব্দুছ ছালাম আজাদ, সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুল জব্বার, মো. ইসমাইল হোসেন, মো. তাজুল ইসলাম ও শেখ মো. জামিনুর রহমানও মামলার আসামি।

মাঠ পর্যায় ও প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে আসামি হয়েছেন চট্টগ্রাম সাধারণ বীমা ভবন করপোরেট শাখার সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক মো. সিরাজুল করিম মজুমদার ও মো. আবুল মনসুর, আগ্রাবাদ বিভাগীয় কার্যালয়ের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মো. কামরুল আহছান ও মো. আশরাফুল আলম। ঢাকা প্রধান কার্যালয়ের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মো. মাসফিউল বারী, এস এম আব্দুল ওয়াদুদ, মো. শামীম আলম কোরেশী, মো. মিজানুর রহমান, মো. কামরুজ্জামান খান এবং সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক মো. শহীদুল হকের নামও এজাহারে রয়েছে।

নিজের পকেটেই টাকার লেনদেন:

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় জালিয়াতি হয়েছে অর্থের গন্তব্য নিয়ে। এলটিআর (লোন এগেইনস্ট ট্রাস্ট রিসিপ্ট) বা বিশ্বাসী ঋণের শর্ত অনুযায়ী, নিজস্ব প্রতিষ্ঠান থেকে পণ্য আমদানি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কিন্তু এস আলম গ্রুপ এই শর্ত লঙ্ঘন করে নিজেদের এক প্রতিষ্ঠান থেকে আরেক প্রতিষ্ঠানের নামে পণ্য আমদানির নাটক সাজিয়েছে। ব্যাংকের কর্মকর্তারা বিষয়টি জেনেও নীরব ছিলেন। প্রথম ৯টি লোকাল এলসির মধ্যে ৪টির পেমেন্ট মেসার্স সোনালী ট্রেডার্সের অনুকূলে এবং ৫টির পেমেন্ট এস আলম ট্রেডিং কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেডের অনুকূলে পে-অর্ডারের মাধ্যমে পাঠানো হয়। এই দুটি প্রতিষ্ঠানই এস আলম গ্রুপভুক্ত। অর্থাৎ, ব্যাংকের টাকা পে-অর্ডারের মাধ্যমে ঘুরেফিরে এস আলম পরিবারের পকেটেই স্থানান্তর করা হয়েছে।

বন্ধকি সম্পত্তিতে আকাশ-কুসুম মূল্য :

ঋণের বিপরীতে জামানত বা বন্ধকি সম্পত্তি মূল্যায়নের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের কারচুপির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, মর্টগেজ নেওয়ার সময় ব্যাংক কর্মকর্তারা সম্পত্তির বাজারমূল্য দেখিয়েছিলেন ৪২৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা। অথচ দুদকের অনুরোধে গঠিত পুনঃমূল্যায়ন কমিটির প্রতিবেদনে বর্তমানে সেই সম্পত্তির বাজারমূল্য পাওয়া গেছে মাত্র ২৪৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। ব্যাংক কর্মকর্তারা অসৎ উদ্দেশ্যে অতিমূল্যায়ন করে এবং প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম জামানত নিয়ে হাজার কোটি টাকার ঋণ ছাড় করেছেন।

জনতা ব্যাংক কর্মকর্তাদের কারসাজি :

জনতা ব্যাংকের সাধারণ বীমা ভবন করপোরেট শাখার কর্মকর্তারা জালিয়াতির প্রাথমিক ভিত্তি গড়ে দেন। ২০১০ সাল থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ফান্ডেড ও নন-ফান্ডেড উভয় প্রকার দায়ে সীমাতিরিক্ত ঋণ সৃষ্টি করা হয়। ব্যাংকিং নিয়ম অনুযায়ী জাহাজি দলিল হস্তান্তরের আগে নির্ধারিত মার্জিন আদায়ের নির্দেশনা থাকলেও, শাখা কর্মকর্তারা কোনো মার্জিন ছাড়াই এলটিআর দায় সৃষ্টি করেন। প্রতিটি এলটিআর-এর বিপরীতে পৃথক চার্জ ডকুমেন্ট, ট্রাস্ট রিসিপ্ট কিংবা চেক গ্রহণ করা হয়নি। এমনকি গ্রাহকের গুদামে রক্ষিত পণ্যের ঝুঁকির বিপরীতে বীমা করার নির্দেশনা থাকলেও তা করা হয়নি। শাখা ব্যবস্থাপক ও বিভাগীয় প্রধানরা ঋণ নবায়নের সময় জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে ভুয়া সুপারিশ প্রধান কার্যালয়ে পাঠিয়েছেন।

বোর্ড ও ক্রেডিট কমিটির ‘অন্ধ’ অনুমোদন:

ঋণ নবায়ন ও বর্ধিতকরণের সময় প্রধান কার্যালয়ের ক্রেডিট কমিটি এবং পরিচালনা পর্ষদ গুরুতর অনিয়ম করেছে। ২০১৯ এবং ২০২২ সালে ঋণের সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব যখন বোর্ডে ওঠে, তখন বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী, সেই পর্যবেক্ষণগুলোর ব্যাখ্যা বা জবাব শাখা থেকে পাওয়ার পরই ঋণ অনুমোদন হওয়ার কথা। কিন্তু জনতা ব্যাংকের তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদ ও ক্রেডিট কমিটি শাখার জবাবের অপেক্ষা না করে, পরস্পর যোগসাজশে তড়িঘড়ি করে ঋণ অনুমোদন দেয়। এজাহারে বলা হয়েছে, পরিচালনা পর্ষদ যদি যথাযথ যাচাই-বাছাই করত এবং প্রস্তাবটি নাকচ করত, তবে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের সুযোগ সৃষ্টি হতো না।

তদন্তে মিলতে পারে আরও নাম:

দুদকের অনুসন্ধানে প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে, ২০১০ সালের ১৪ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত সুদ-আসলে মোট ১ হাজার ৯৬৩ কোটি ৫৪ লাখ ৬১ হাজার ৫৫৯ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এর মধ্যে সিসি (হাইপো) হিসাবে ২৫৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা, ৯টি এলটিআর হিসাবে ২৩৮ কোটি ২৯ লাখ টাকা এবং ৫২টি পিএডি হিসাবে ১ হাজার ৪৭০ কোটি ৪৫ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, তদন্তকালে এই জালিয়াতির সঙ্গে অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

পবিপ্রবির নতুন রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ইকতিয়ার।

মুন্নি বেগম, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।   পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) নতুন রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কৃষি সম্প্রসারণ ও গ্রামীণ উন্নয়ণ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ইকতিয়ার উদ্দিন। রেজিস্ট্রারের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা প্রফেসর আবদুল লতিফ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। নবনিযুক্ত রেজিস্ট্রার পবিপ্রবির বিএনপিপন্থি সংগঠন সাদা দলের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইউট্যাব) যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নতুন রেজিস্ট্রারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম। দায়িত্ব গ্রহণ করে রেজিস্ট্রার ড. মো. ইকতিয়ার উদ্দিন এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষক, শিক্ষার্থী,কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে বৈষম্যবিরোধী চেতনা বাস্তবায়নে কাজ করবেন। এসময় পবিপ্রবিকে আরও গতিশীল ও অগ্রগামী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। উল্লেখ্য, নবনিযুক্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড.মো. ইকতিয়ার উদ্দিন ২০০২ সালে বাংলাদেশ

আরও পড়ুন
language Change