তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
শেরপুর হাতির ভয়ে কাঁচা ধান কাটছেন কৃষকেরা সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সভা বটিয়াঘাটায় বিদ্যালয় সংস্কারে শুভঙ্করের ফাঁকি গ্রামের সঙ্গে কেউ বিয়ের সম্পর্ক করতে চায় না বলে অভিযোগ এলজিআইডি অফিসে কর্মকর্তা অনুপস্থিত, সেবায় স্থবিরতা জেলা প্রশাসনের অনুমতিতে বাজারে এলো সুমিষ্ট আম বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পরে প্রাণ হারালেন স্কুল শিক্ষিকা, আহত ২ ৮ দিনেও মেলেনি খোঁজ, নিখোঁজ মাসুমকে ফিরিয়ে দিতে আহ্বান পরিবারের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট, দুর্ভোগে যাত্রীরা কুরবানির পশুর হাটে চাঁদাবাজি চলবে না: প্রতিমন্ত্রীর যমুনা অয়েলের বাঘাবাড়ি ডিপো ইনচার্জ সাদেকীনের নেতৃত্বে অনিয়মই যেখানে নিয়ম কালিহাতীতে এমপির নাম ভাঙ্গিয়ে চলছে বালুখেকোদের দৌরাত্ম্য শেরপুরে কৃষ্ণচূড়া ফুলে সেজেছে গ্রীষ্মের প্রকৃতি নারায়ণগঞ্জে অভিযানে হামলা, র‍্যাবের ৩ সদস্যকে কুপিয়ে জখম কেশবপুরে পুলিশের অভিযানে ১৭ আসামি গ্রেফতার টি-টোয়েন্টিতে শ্রীলঙ্কাকে পেছনে ফেলে অষ্টম স্থানে বাংলাদেশ শেরপুরে সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকারের দাবিতে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় গুলিবিদ্ধ যুবক, ঢাকায় নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সেও গুলি বিদ্যুৎ নিয়ে যে সুখবর দিল পিডিবি সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা বকেয়া পরিশোধ ছাড়াই ঋণ পারবেন চামড়া ব্যবসায়ীরা বুধবার দেশে ফিরতে পারে বৃষ্টির মরদেহ আবারও ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছের রিমান্ডে চীনা নাগরিক পরিচয়ে বিয়ে করতে টাঙ্গাইলে ২ যুবক পরিচালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, অন্তঃসত্ত্বা ১২ বছরের শিশু পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় যেই আসুক বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে প্রভাব পড়বে না বৃষ্টির দিনে মন ভালো করার উপায় নারী ফুটবলারদের যৌন হয়রানি দায়ে, পাঁচ বছর নিষিদ্ধ ফুটবল কর্মকর্তা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে, আসামি ছিনতাই ট্রাম্পের প্রস্তাবে সাড়া দিলে কী ঘটবে, খতিয়ে দেখছে দক্ষিণ কোরিয়া নাটোরে পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে মৃত্যুকালীন ভাতা বিতরণ চলতি বছরের শেষ দিকে শুরু স্থানীয় নির্বাচন সুন্দরবনে পর্যটকদের ওপর হামলা ও ডাকাতির চেষ্টা, আটক ২ হাদি হত্যা মামলা, পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ফের পিছিয়েছে অর্থবছরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসানিক সার বিতরণ শ্যামনগরে অপহরণের ৩ দিন পর পশু চিকিৎসক উদ্ধার : আটক ৩ হামের টিকা কেন দেওয়া হয়নি, তা খতিয়ে দেখা হবে উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন সাব্বির সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে ইউপি সদস্য লাঞ্ছিত কোরিয়ান ইপিজেডে গাছ কাটা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত পুলিশ সদস্য শিক্ষার্থীদের জন্য আসছে পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক বাস তিন শিক্ষার্থীকে জুতার মালা পরিয়ে ঘোরালেন প্রধান শিক্ষক পথচারী নিহত, ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দিল জনতা দেশের বাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম কেরালায় মুসলিম তরুণীর বিজয়, নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন আজ দুপুরের মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা ঐতিহাসিক শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড দিবস আজ ঈদে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির সূচি প্রকাশ বিদ্যালয়ের ছাদ থেকে পড়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু ঝিনাইগাতীতে ধান কাটার কৃষকদের সুন্দর দৃশ্য

সালমান-আনিসুলের বিরুদ্ধে শুনানি করছে রাষ্ট্রপক্ষ

সালমান-আনিসুলের বিরুদ্ধে শুনানি করছে রাষ্ট্রপক্ষ
পাঠক সংখ্যা
638

ডেস্ক রিপোর্টঃ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কারফিউ দিয়ে ছাত্র-জনতাকে হত্যার উসকানির অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি করছেন রাষ্ট্রপক্ষ।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারিক প্যানেল শুনানি শুরু হয়।

এর আগে, ট্রাইব্যুনালে সালমান ও আনিসুলকে হাজির করা হয়। ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন গত ৪ ডিসেম্বর এ মামলায় তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে। পরে অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।

অভিযোগে বলা হয়, জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় ফোনালাপ করেন আনিসুল ও সালমান। সে ফোনালাপের একপর্যায়ে তারা কারফিউ চলাকালে আন্দোলনকারীদের শেষ করে দিতে হবে বলে উল্লেখ করেন। তাদের এ বক্তব্যের পর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছাত্র-জনতাকে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করা হয়। তাদের এ বক্তব্য হত্যাকাণ্ডে উসকানি হিসেবে কাজ করেছে বলে অভিযোগ প্রসিকিউশনের।

এছাড়া, গণভবনে শেখ হাসিনার সাথে ব্যবসায়ীদের বৈঠকের আয়োজন করে হত্যাকাণ্ডে উসকানি দেয়াসহ সুনির্দিষ্ট ৫টি অভিযোগ আনা হয় তাদের বিরুদ্ধে। অপরদিকে, ট্রাইব্যুনাল-২ এ চানখারপুলে ৬ জনকে হত্যা মামলার আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

শসার বাম্পার ফলনেও চিন্তার ভাজ কৃষকের কপালে

মাসুদ মিয়া ,তারাকান্দা প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দায় শসার বাম্পার ফলনে কৃষকের খুশি হওয়ার কথা থাকলেও অনেকটা চিন্তার ভাজ তাদের কপালে। এবার শসার বাজারদর ঠিক থাকলে উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে শসা বিক্রি করে লাভের মুখ দেখার আশা করেছিলেন চাষীরা। কিন্তু উৎপাদন বেশি হওয়ায় ও চাহিদা কম থাকায় কৃষকের আশায় অনেকটা ভাটা পড়েছে।   পবিত্র রমজান মাসের শুরুতে শসার ব্যাপক চাহিদা থাকার কারণে চাষিরা ব্যাপক লাভের মুখ দেখলেও এখন অনেকটা লসের মুখ দেখতে হচ্ছে বলে জানান শসা চাষীরা । রমজানের শুরুতে শসার বাজার দর ছিল প্রতিমণ ১৬শ থেকে ২ হাজার টাকা। রমজানের কিছুদিন পর থেকে এখন পর্যন্ত তা অনেকটা নেমে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা মন চলছে। পাইকারি বাজারে প্রকারভেদে চার থেকে পাঁচ টাকা কেজি ধরে বিক্রি হচ্ছে শসা।   তারাকান্দা উপজেলার বালিখা,কামারিয়া

আরও পড়ুন
language Change