জাহিদ হোসেন ॥
ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়ে সরকারের কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তিতাস গ্যাসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী, ঠিকাদার ও দালালচক্রের যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধ বাণিজ্য চললেও কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় তা দিন দিন বিস্তৃত হচ্ছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন ঠিকাদার রফিক।অনুসন্ধানে জানা যায়, দিনে প্রশাসন ও তিতাস গ্যাসের অভিযানে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হলেও রাতের আঁধারে পুনরায় সংযোগ দেওয়া হচ্ছে। এতে কলকারখানা, ওয়াশ প্লান্ট, টেম্পারিং ভাট্টি ও আবাসিক ভবনগুলো নির্বিঘ্নে অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার করছে। কেরানীগঞ্জ তিতাস অফিসসংলগ্ন মডেল টাউন হাউজিং এলাকায় এক হাজারের বেশি অবৈধ সংযোগের তথ্য মিলেছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার সন্তান এবং জুলাই যোদ্ধা মো. সুমন বলেন, কেরানীগঞ্জে শত শত অবৈধ ওয়াশ কারখানা ও টেম্পারিং ভাট্টি রয়েছে। একটি কারখানায় যে পরিমাণ গ্যাস ব্যবহার হয়, তা দিয়ে প্রায় তিন হাজার আবাসিক বাড়ির চুলা জ্বালানো সম্ভব। এসব অবৈধ সংযোগ বন্ধ না করলে অচিরেই এলাকায় ভয়াবহ গ্যাস সংকট দেখা দেবে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট মাসে কোটি টাকা আদায় করছে, যার ফলে তিতাস গ্যাস প্রতিবছর শত কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রাহকরা জানান, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তারা অবৈধ সংযোগ নিয়ে মাসিক টাকা দালালদের মাধ্যমে পরিশোধ করছেন।
এ বিষয়ে ঠিকাদার রফিকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে কেরানীগঞ্জ তিতাস গ্যাস অফিসের ডিজিএম মো. জিয়া জানান, অবৈধ সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: কে এম মাসুদুর রহমান, সম্পাদক ও প্রকাশক: মোহাম্মদ মাসুদ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: ২১/১ নয়াপল্টন (মসজিদ গলি),ঢাকা - ১০০০।
✆ ০১৫১১৯৬৩২৯৪, ০১৬১১৯৬৩২৯৪ 📧dailysobujbangladesh@gmail.com.
কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক সবুজ বাংলাদেশ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত