তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের ডিএমডির বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা,ও অধিকার বাস্তবায়ন জরুরি শ্রীমঙ্গলে উদযাপিত হচ্ছে ১৭১তম সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস ‎চাটখিলে পুলিশের অভিযানে জুয়া চক্রের মূল হোতাসহ গ্রেফতার ১০ রাজউক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নারী সাংবাদিকদের সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ নলডাঙ্গায় দুর্বৃত্তের হামলায় আহত আওয়ামী লীগ নেতা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ নলডাঙ্গা পৌরসভার কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা বৃষ্টি হলেই হাঁটু সমান কাদা, চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী চাঁদপাই স্কুলে জলবায়ু ও পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতামূলক কর্মসুচি পালন রাজবাড়ীতে গৃহবধূ নির্যাতন অভিযোগের নতুন মোড় দেশের ১১ ভাগ মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে: মির্জা ফখরুল প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে বিবিএ ওরিয়েন্টেশন ও বার্ষিক পিকনিক অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বন্দরে ১৯৮ কোটি টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স পেল চসিক ম্যাচ শেষে স্টেডিয়াম পরিষ্কার করলেন জাপানি সমর্থকরা সিন্ধু নদীর পানিবণ্টন ইস্যুতে ভারতের প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি পাকিস্তান কাতারে নিহত পাঁচ প্রবাসীর মরদেহ পৌঁছাল সিলেটে শপথ নিতে পারবেন না আসলাম চৌধুরী: আপিল বিভাগ পরিবেশ রক্ষায় লংগদুতে ৩ হাজার ৫০০ গাছের চারা বিতরণ সুনামগঞ্জ পৌরসভার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাজেট ঘোষণা ব্র্যাকের মতামতের অপেক্ষায় জমি বিরোধ সিরাজগঞ্জে ২০১২ সালের মাদক মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন কালীগঞ্জে তিন কর্মসূচি: ভিক্ষুক পুনর্বাসন, কৃষি প্রণোদনা বিতরণ ও শিশুশ্রমবিরোধী র‍্যালি সাতক্ষীরা দিবা নৈশ ডিগ্রী কলেজের সামনে অবৈধ স্থাপনার দাবিতে মানববন্ধন ভুজপুরে ভুল বোঝাবুঝির জেরে মাদ্রাসায় অতর্কিত হামলা ভুয়া তথ্য ও অপপ্রচার রোধে রাঙামাটিতে জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা রাঙ্গামাটিতে জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত বর্ষার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ সড়কে সওজের সংস্কার অভিযান ফরিদপুর ভাঙ্গা ব্লেড দিয়ে স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে দিলেন স্ত্রী রাউজানে জেঠাতো ভাইয়ের গাছের টুকরোর আঘাতে চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যু চরপাড়া মোহাম্মাদিয়া দাখিল মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি মাছ ধরার জালে ধরা পড়ল ৮ ফুটের বার্মিজ অজগর আর্জেন্টিনা ভক্ত আজাদ মেম্বারের শেষ ঠিকানা কারাগার সাতক্ষীরায় ৭৩ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করলো বিজিবি পাওনা টাকা আদায়ে অটোরিকশা চালককে বেঁধে নির্যাতন দেশের অর্থনীতিকে তিন ধাপে সাজাতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী ৪৭তম বিসিএসে ২ হাজারের বেশি ক্যাডার পদ শূন্য হামলা বন্ধ করে আলোচনায় বসতে রাজি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সচিবালয়ের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে, সাংবাদিকতার আড়ালে ‘গুপ্তচরবৃত্তির’ চাঞ্চল্যকর অভিযোগ ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রসারিত হচ্ছে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি গোসাইরহাটে সিএনজি ও অটোরিকশায় বেপরোয়া চাঁদাবাজি, অতিষ্ঠ চালকেরা দেশজুড়ে বজ্রবৃষ্টি ও ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই গ্রুপ পর্বের ঝড় শেষে নকআউটে নতুন সমীকরণ গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নকল নবীশ গিয়াসের বিরুদ্ধে অভিযোগ মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অভিযোগের পাহাড় কাদির ও সহকারী হারিসের বিরুদ্ধে আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের বিরুদ্ধে ঋণ, অনিয়ম, প্রশাসনিক ধীরগতির অভিযোগ কফিশপে টেবিল পরিষ্কার করতেন, এখন তিনি বলিউড তারকা অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতে সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি জরুরি ইতালিতে ট্রিপল মার্ডার: এখনো মা জানেন না তার একমাত্র ছেলে বেঁচে নেই

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে সন্তুষ্ট নই : মির্জা ফখরুল

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে সন্তুষ্ট নই মির্জা ফখরুল
পাঠক সংখ্যা
638

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দেশের মানুষ নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে আমি সন্তুষ্ট নই। যে হারে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে হত্যা করা হচ্ছে, বিশেষ করে আমাদের দলের কয়েকজন নেতাকে খুন করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছি। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। আমরা আশা করব, সরকার এ বিষয়ে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে এবং নির্বাচনের সময় এসব ঘটনা যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে জন্য আরও সক্রিয় ভূমিকা নেবে।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও শহরের কালিবাড়ির নিজ বাড়িতে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, তারেক রহমান যে সফরটি করছেন, সেটিকে তার ব্যক্তিগত সফরই বলা যায়। তিনি তার নিজের জেলা বগুড়ায় যাবেন। সেখান থেকে রংপুরে জুলাই শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করবেন। এরপর তিনি দিনাজপুরে যাবেন তার নানীর কবর জিয়ারত করতে। তারপর ঠাকুরগাঁওয়ে যাবেন, সেখানে কয়েকজন শহিদ রয়েছেন, তাদের মধ্যে একজন শহিদের কবর জিয়ারত করবেন। এরপর বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে একটি গণদোয়ায় অংশ নেবেন। বলা যেতে পারে, এটি তার একটি ব্যক্তিগত শুভেচ্ছা সফর। একই সঙ্গে তার দায়িত্ব রয়েছে গণঅভ্যুত্থানে আমাদের যে সব শহিদ হয়েছেন, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো। সেটাই তিনি জানাবেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি যখন দেশে আসেন, তখন ঢাকায় লক্ষ লক্ষ মানুষ তাকে সংবর্ধনা জানাতে জমায়েত হয়েছিল। এখন তিনি জেলাগুলোতে আসছেন, এতে স্বাভাবিকভাবেই নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত হবেন। আমাদের অন্যান্য ছাত্র সংগঠনগুলো বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কাজ করার সুযোগ পায়নি এবং বিশেষ করে আমাদের ছাত্রদলকে সেখানে ঢুকতেই দেওয়া হয়নি। যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্র সংগঠনগুলো তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেনি। আর যে বিষয়টি আমি জোর দিয়ে বলতে চাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনে কখনোই কোনোদিন প্রভাব ফেলেনি। আশা করি, এবারও ফেলবে না।

তিনি আরও বলেন, আপনারা জানেন, গণভোটে আমরা নিজেরাই একই দিনে গণভোট এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচন চেয়েছিলাম। সেভাবেই হয়েছে। আর সংসদের যে সংস্কারগুলো নিয়ে গণভোট হচ্ছে, সেই সংস্কারগুলো তো আমার-আপনার বহু আগের দাবি। ২০১৬ ও ২০২৩ সালে ৩১ দফার মাধ্যমে আমরা জাতির সামনে প্রস্তাব তুলে ধরেছিলাম। সুতরাং সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। সেখানে না বলার কোনো কারণ দেখছি না।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

ইসরায়েল-হিজবুল্লাহর যুদ্ধবিরতিতে যা বলল যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য

স্টাফ  রিপোর্টার:  ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যকার যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) ইসরায়েলি মন্ত্রিসভায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুমোদিত হওয়ার পর পরই পৃথক বিবৃতিতে একে স্বাগত জানায় ইসরায়েলের ঘনিষ্ট দুই মিত্র দেশ। খবর আল জাজিরার। বুধবার (২৮ নভেম্বর) থেকে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার এ যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। এর মধ্যদিয়ে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান এক রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটতে যাচ্ছে বলে আশা করা হচ্ছে। এই যুদ্ধবিরতিকে ‘সুসংবাদ’ বলে অভিহিত করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, এই চুক্তির উদ্দেশ্য ‘শত্রুতা স্থায়ীভাবে বন্ধ’ করা। আগামী ৬০ দিনের মধ্যে লেবানিজ সেনাবাহিনী ‘তাদের নিজস্ব অঞ্চলের’ নিয়ন্ত্রণ নেবে। সেইসঙ্গে একটা প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারিও দিয়ে রেখেছেন বাইডেন। তিনি বলেছেন, চুক্তিটি ভঙ্গ হলে ইসরায়েল তার ‘আত্মরক্ষার’ অধিকার চর্চা করবে। এদিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার

আরও পড়ুন
language Change