তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
১৬ মাসে ৫২২ শিশু হত্যা, নিরাপত্তাহীনতায় শৈশব জাতিসংঘ শান্তিরক্ষাকে নৈতিক দায়িত্ব মনে করে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দৈনিক ইনকিলাবের পক্ষ থেকে সংসদ সদস্য মোঃ মাহমুদুল হক রুবেলকে ফুলেল সংবর্ধনা তিন নায়িকায় সঙ্গে রোমান্সে মেতেছেন শাকিব ‎দেড়মাসেও সন্ধান মিলেনি ১৩ বছরের শিশু তাহমিদার হতাশায় ভুগছেন পরিবার ৮ম শ্রেণির অনলাইন রেজিস্ট্রেশন স্থগিতের নির্দেশ রামিসা হত্যার বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ চাঁপাইনবাবগঞ্জে গৃহশিক্ষিকা হত্যা মামলায় নারীসহ চারজন গ্রেফতার সুন্দরবনের কুখ্যাত বনদস্যু ছোট-সুমন বাহিনীর আত্মসমর্পণ সোনামসজিদে বিজিবি’র অভিযান ১৮৫ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ উদ্ধার ঝিনাইগাতীতে পাহাড়ি ঢলে নদীর বাঁধ তলিয়ে বসতবাড়িতে পানি প্রবেশ করছে ৭৯তম বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশ দেশের প্রয়োজনে মাঠে ছিল, এখন ব্যারাকে ফিরছে সেনাসদস্যরা রক্তপাতহীন স্থানীয় সরকার নির্বাচন দিতে চাই: সিইসি দেশে যে অপকর্ম হচ্ছে, সেগুলো জামায়াত করছে: শামসুজ্জামান দুদু নতুন রূপে আসছে বাংলাদেশি পাসপোর্ট ২৭ বছর ধরে ৭৬ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ক্লাস নেওয়া শিক্ষক আর নেই প্রেস কাউন্সিলের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ গ্রহণ করলেন শেরপুরের মো: রিয়াজ ড. ইউনূস সরকারের কর্মকাণ্ডের তদন্ত চেয়ে রিট খারিজ ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হচ্ছেন নাঈমুল ইসলাম ফরিদপুরী‎ শিশু-কিশোরদের প্রতিভা বিকাশে উজ্জ্বল প্ল্যাটফর্ম নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস রক্তদান ও রক্তযোগান সম্পন্ন :স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আলোর সন্ধানে ঝিনাইগাতী (আসঝি) কেশবপুরে কবি ও নাট্যকারের বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি ২৪ ঘণ্টায় হরমুজ পাড়ি দিল ২৬ জাহাজ কেশবপুরে নিরাপদ দুগ্ধ উৎপাদন ও পরিবহন সংরক্ষণ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ধর্ষণ ও হত্যার উৎসবে মেতে উঠেছে দেশ,‎নিরব প্রশাসন ও সরকার পাঁচ বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস কমিশন বাণিজ্য ও টেন্ডার নিয়ন্ত্রণে আশরাফুজ্জামান সিন্ডিকেটের অভিযোগ রামিসা হত্যা: এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ আইনমন্ত্রীর সুপ্রিম কোর্টের পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল ঢাকায় রয়েছে আজ যেসব কর্মসূচি বিজ্ঞাপন বাণিজ্যের ৫ কোটি টাকা নিয়ে উধাও স্বপ্ন'র মিলু! বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক আজ ৩ দফা কমার পর বাড়ল সোনার দাম কমনওয়েলথ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বাংলাদেশ ঈদের ফিরতি ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু আজ ​ঝিলিমে অবৈধভাবে ব্যাটারি পুড়িয়ে সীসা তৈরি ১ লাখ টাকা জরিমানা​ বরিশাল গণপূর্তের প্রকৌশলী মানিক লাল দাসের কোটি টাকার টেন্ডার বাণিজ্য সাংবাদিক তুহিন হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণে নতুন গতি;আলামত জব্দের সাক্ষ্যগ্রহণ সুন্দরবনে বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনীর হাতে ট্রলারসহ ১২ জেলে অপহরণ বোনকে কেন্দ্র করে প্রেমের পাল্টাপাল্টি প্রস্তাব, বন্ধুকে গলা কেটে হত্যা করলো আরেক বন্ধু ‎ধানমন্ডিতে হত্যা মামলার আসামির প্রকাশ্যে চলচলে জনসাধারণের ক্ষোভ‎ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন প্রধানমন্ত্রীর বরগুনায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ- উদ্বোধন হাম ও উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু সিরাজগঞ্জে ব্যবসায়ীর গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট ওমরাহ কবে শুরু জানাল সৌদি সরকার অধ্যাপক ডক্টর দিপু সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে হীনষড়যন্ত্র ও হত্যার হুমকিতে নিন্দা প্রকাশ জীবন এত কঠিন হবে প্রত্যাশা করিনি

এপিএস ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের দুর্নীতিতে আটকে আছে মেডিকেল টেকনোলোজিস্টের নিয়োগ

পাঠক সংখ্যা
638

সবুজ বাংলাদেশ ডেস্ক॥
গত বছরের মার্চে দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর স্বাস্থ্যখাতে লোকবলের অপ্রতূলতা সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিলো। বিশেষ করে মেডিকেল টেকনোলোজিস্ট ও টেকনিশিয়ানের অপ্রতূলতায় মহাসংকট সৃষ্টি হলো। করোনা মোকাবেলায় শুরুতেই প্রয়োজন হয় ব্যাপকহারে করোনা টেস্ট। কিন্তু টেস্ট যারা করবে সেই টেকনোলোজিস্ট ও টেকনিশিয়ানের নিয়োগ হচ্ছিলো না দীর্ঘদিন। ফলে এমনিতেই লোকবলের ঘাটতি ছিলো। করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর এই পদের লোকবলের আরো মারাত্মক ঘাটতি দেখা দিলো। তাৎক্ষণিকভাবে এতো লোকবলের প্রয়োজন হলো যে, সরকার বাধ্য হলো বাইরে থেকে চুক্তিতে লোকবল এনে কাজ করাতে। পরবর্তীতে এক পর্যায়ে সেই চুক্তির লোকবলকে কোনো পরীক্ষা ছাড়াই সরাসরি সরকারি চাকরিতে নিয়োগের সিদ্ধান্ত হলো। কিন্তু সেই নিয়োগ নিয়ে ব্যাপক ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উঠে। এ ব্যাপারে প্রমাণও পাওয়া যায়। আন্দোলন-সংগ্রাম চলতে থাকে। এই পর্যায়ে সরকার নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে জরুরিভিত্তিতে লোক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়। মেডিকেল টেকনোলোজিস্ট ৮৮৯ জন এবং মেডিকেল টেকনিশিয়ান ১৮০০ জন নিয়োগের জরুরি অনুমোদন দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অথচ সেই জরুরি নিয়োগ দীর্ঘ সোয়া এক বছরেও শেষ করা যায়নি। মৌখিক পরীক্ষার চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়ে আটকে আছে গত প্রায় ৬ মাস ধরে।
নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক দুর্নীতির-জালিয়াতির অভিযোগ উঠে। খোদ নিয়োগ কমিটিরই দু’জন সদস্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন সুনিদিষ্ট তথ্যপ্রমাণসহ। নিয়োগ কমিটির সদস্যরা দুর্নীতি-জালিয়াতির অভিযোগ তোলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বাধ্য হয় তদন্ত কমিটি গঠন করতে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নাজমুল হক খান এর নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় গত ১৩ এপ্রিল। ওই তদন্ত কমিটিকে ৫ কর্মদিবসের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হলেও ইতিমধ্যে প্রায় ৫ মাস অতিক্রম হতে চলেছে এখন পর্যন্ত কমিটি রিপোর্ট জমা দেয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাবেক এপিএস আরিফুর রহমান এবং অধিদফতরের পরিচালক (প্রশাসন) শেখ মোহাম্মদ হাসান ইমামকে দুর্নীতির দায় থেকে বাঁচানোর জন্য তদন্ত কমিটির ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। কিন্তু এপিএস আরিফ এবং পরিচালক (প্রশাসন) কে দুর্নীতির দায় থেকে ছাড় দেয়া একেবারেই অসম্ভব ব্যাপার। আর এ কারণেই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা যাচ্ছে না। নিয়োগ কমিটির সদস্যসচিব, উপপরিচালক (প্রশাসন) আবুল হাশেম শেখ এর অভিযোগ তদন্ত করতে গেলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শ্রীনিবাস দেবনাথকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে এবং তার কললিস্ট খতিয়ে দেখতে হবে। কারণ, তিনিই ডা. হাশেমের সঙ্গে সাক্ষাত করে তাকে কোটি টাকা ঘুষ এবং পদোন্নতির অফার করেছিলেন। এমনকি এপিএস আরিফের সঙ্গেও কথা বলিয়ে এসব অফার কনফার্ম করে দিয়েছিলেন। এখন শ্রীনিবাসকে টান দেয়া হলে এপিএস আরিফ নিঃসন্দেহেই ফেঁসে যাবেন। অন্যদিকে উপসচিব শারমিন আক্তারের লিখিত অভিযোগটি ছিলো নিয়োগ পরীক্ষার খাতা পরিবর্তন বা জাল-জালিয়াতি নিয়ে। এটি তদন্ত করতে গেলে পরিচালক (প্রশাসন) হাসান ইমাম নিশ্চিতভাবেই ফেঁসে যাবেন। কারণ তিনি নিয়োগ কমিটির সভাপতি, শুরুতে তাকেই জবাব দিতে হবে, নিয়োগ পরীক্ষার খাতা কীভাবে পরিবর্তন হলো, কীভাবে এতো ভয়াবহ জাল-জালিয়াতি হলো। যদিও পরিস্থিতি বেগতিক দেখে হাসান ইমাম নিজের দায় এড়ানোর জন্য পরবর্তীতে গণমাধ্যমে নানা কথা বলেছেন। তিনি উল্টো ডিজির ওপর এসবের দায় চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছেন, যদিও ডিজি অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিজে তৈরি করেননি, হাতে নিয়ে দেখেননি, লিখিত পরীক্ষার খাতার ধারেকাছেও যাননি, কারো জন্য তদবিরও করেননি অর্থাৎ নিয়োগ সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নন। বরং এটা স্পষ্ট যে, নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করতে ডিজি বার বার বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়ার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু নিয়োগ কমিটির সভাপতি হাসান ইমাম এবং নেপথ্যের গডফাদার এপিএস আরিফ সিন্ডিকেটের লাগামহীন দুর্নীতিপ্রবণতার কারণে তার ওই সব ভালো চেষ্টাগুলো সফল হয়নি।
উল্লেখ্য, নিয়োগ কমিটির সদস্যসচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের উপপরিচালক (প্রশাসন) ডা. আবুল হাশেম শেখ এবং তার আগে নিয়োগ কমিটির আরেক সদস্য, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শারমিন আক্তার জাহান লিখিত অভিযোগ দেন এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার দুর্নীতির ব্যাপারে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টেকনোলজিস্ট ও টেকনিশিয়ান নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় অনিয়মের বিষয়ে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব ও নিয়োগ কমিটির সদস্য শারমিন আক্তার জাহান স্বাস্থ্যসেবা সচিবকে চিঠি দেন গত ১৬ ফেব্রুয়ারি। শারমিন আক্তার জাহান লিখেন, লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র অত্যন্ত কঠিন ছিল। কঠিন প্রশ্নেও উত্তীর্ণদের বেশির ভাগ অনেক ভালো নম্বর পান। কিছু খাতা খুলে দেখা যায়, মুক্তার মতো হরফে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত লেখা, যেখানে কলম ধরার কোনো সুযোগ নেই। এত নম্বর পাওয়া খুবই অপ্রাসঙ্গিক ছিল।
চিঠিতে শারমিন আক্তার আরও উল্লেখ করেন, মৌখিক পরীক্ষা শুরু হলে দেখা যায়, যাঁরা অনেক নম্বর পেয়েছেন, তাঁরা মৌখিক পরীক্ষার কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে পারছেন না। যাঁরা ৪০ থেকে ৫৯ পর্যন্ত নম্বর পেয়েছেন, তাঁরা অনেক ভালো মৌখিক পরীক্ষা দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরেছেন, পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা করে নেওয়া হয়েছে।
অধিদপ্তরের উপপরিচালক (প্রশাসন) পদে নতুন নিয়োগ পাওয়া ডা. আবুল হাশেম শেখ গত ৮ মার্চ স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবকে একটি চিঠি দিয়ে তাঁকে ঘুষের প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। তখন স্বাস্থ্যসচিবের দায়িত্বে ছিলেন আবদুল মান্নান। চিঠিতে ডা. আবুল হাশেম লিখেছেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (পরিকল্পনা অধিশাখা) শ্রীনিবাস দেবনাথ গত ১ মার্চ তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যান। তখনই তিনি ঘুষের প্রস্তাব দেন।
ডা. হাশেম আরও লেখেন, ‘তিনি (শ্রীনিবাস) বললেন শুক্রবারে আপনাকে এক কোটি টাকা দেব, কোথায় দেখা করব? আমি জিজ্ঞেস করলাম, কী জন্য আমাকে এত টাকা দেবেন? তিনি জানালেন, আমরা যে তালিকা দেব, তাঁদেরকে ভাইভা বোর্ডে পাস করিয়ে দিতে হবে। তাঁরা লিখিত পরীক্ষায় ভালো করেছেন।’
সেদিনের সাক্ষাৎকালে উপসচিব শ্রীনিবাস উপপরিচালক ডা. হাশেমকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) পদে পদোন্নতির লোভ দেখান বলেও উল্লেখ করা হয় চিঠিতে। এতে ডা. হাশেম আরও লেখেন, কথা বলার সময় শ্রীনিবাসের মুঠোফোনে একটি ফোন আসে। শ্রীনিবাস ফোনটি তাঁকে দিয়ে বলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এপিএস কথা বলবেন। তখন আরিফুর নামে একজন বলেন (ডা. হাশেমকে), তিনি যেভাবে বলেছেন সে অনুযায়ী কাজ করতে হবে।
অথচ এখন এপিএস আরিফ এবং পরিচালক (প্রশাসন) হাসান ইমামকে দুর্নীতির দায় থেকে বাঁচিয়ে দেয়ার জন্য জোর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এ কারণে তদন্ত কমিটিও রিপোর্ট জমা দিতে পারছে না। যার ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়াও আটকে রয়েছে।

সূত্রঃ (সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজে ৩০ আগস্ট ২০২১ প্রকাশিত)

 

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মাহফুজ ও আসিফ

উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মাহফুজ ও আসিফ

ডেস্ক রিপোর্টঃ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে থাকা দুই ছাত্র প্রতিনিধি আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মাহফুজ আলম পদত্যাগ করেছেন। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করে তারা পদত্যাগপত্র জমা দেন বলে সরকারের দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছেন। জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ। মাহফুজ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং আসিফ মাহমুদ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এতদিন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য প্রধান উপদেষ্টাসহ ২৩ জন ছিলেন। তাদের মধ্যে দুজন ছাত্র প্রতিনিধি পদত্যাগ করলেন। সরকারের দায়িত্বশীল

আরও পড়ুন
language Change