তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
সিরাজগঞ্জে বেকারদের চাকরির লক্ষ্যে জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ টি এস্টেট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জাকারিয়া, সম্পাদক আমিনুর বিস্ফোরক আইনের মামলায় বরগুনার সাবেক চেয়ারম্যান আটক রাজধানীতে নিষিদ্ধ আ.লীগের ২৬ নেতাকর্মী গ্রেফতার পিরোজপুরে মাদক ও চুরির বিরুদ্ধে মানববন্ধন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে ঢাকায় নিরাপত্তা জোরদার বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক আরিফ হাসনাতের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আশুলিয়ায় ধর্ষককে গ্রেফতারের দাবী জানিয়ে মানব বন্ধন পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা তৈরিতে গণমাধ্যমের ভূমিকা শতকোটি টাকার সরকারি জমি সানভিউ টাওয়ার্সের দখলে ঝিনাইগাতীর স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে এমসিজিএল’র অর্থায়ন বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত ​সিরাজগঞ্জে মহাসড়কের পাশে পড়ে ছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ জিয়াউলের বিচার বিলম্বের চেষ্টা চলছে : চিফ প্রসিকিউটর ঝরা বকুল-এ মনিরা হয়ে হৃদয় ছুঁয়েছেন সুনেরাহ জনসেবার রাজনীতি থেকে মেয়র ভাবনায় সাইদুর রহমান বাচ্চু আন্তর্জাতিক অর্থনীতি অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশের ৫ শিক্ষার্থী সাকিব আল হাসান গ্রেফতার কেশবপুরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির উদ্বোধন ঢাকাসহ ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ গণপূর্ত প্রকৌশলী ফয়সাল হালিমের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ বাকেরগঞ্জে একই রাতে ৫ বাড়িতে চুরি ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেফতার ভোলাহাটে গুজবের ঘটনায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত ১; আহত ১২: গ্রেফতার আতঙ্কে স্থানীয়রা গ্রামছাড়া! মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ইনুর রায় ৩০ জুন ফেসবুকে আলেমের বিরুদ্ধে বাপ-ছেলের অপপ্রচার খারিজ বাতিলের ২ দিন পরই নতুন খতিয়ান সিরাজগঞ্জে একাত্তর টেলিভিশনের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন দ্বিতীয় রাউন্ডে মুখোমুখি হতে পারে আর্জেন্টিনা ও কেপ ভার্দে রামগড় বিজিবি পরিচালিত কম্পিউটার ও সেলাই প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র বিতরন মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী দেশজুড়ে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস চলন্ত বাইকে ইটের আঘাতে আহত তরুণের মৃত্যু মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খুলে দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম জয়ের স্বাদ পেল মিশর মালয়েশিয়াকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সাভারে বজ্রপাতে ক্ষেতের মালিকসহ তিন কৃষকের মৃত্যু রামগড় ৪৩ বিজিবির উদ্যোগে মানবিক সহায়তা প্রদান যমুনার তীরে বাঁধ ভাঙন আতঙ্কে নদীপাড়ের বাসিন্দারা পাহাড়ি এলাকায় বিদ্যালয়ের সংস্কার এবং শিক্ষা উপকরণ, ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ পরিবেশ রক্ষায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগ, ৩ হাজার ৬০০ গাছের চারা বিতরণ ১ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হলে বাঁচবে ৩০৪ কোটি টাকা আলুবোখারা চাষে সফলতা অর্জন রামগড় কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের কেশবপুরে ড. সুকুমার রায়ের স্বরণে শিক্ষাবৃত্তি চালু বগুড়ার সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসককে সন্মননা স্মারক প্রদান ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ক্যারাম একক রানার্সআপ ও দ্বৈত খেলায় চ্যাম্পিয়ন মমিনুর রশীদ শাইন জাতীয় কবি দর্শন ছড়িয়ে দিতে ‘নজরুল বর্ষ’ পালনের সিদ্ধান্ত বিদেশি শিক্ষার্থীদের শর্ট-টার্ম গ্র্যাজুয়েট ভিসা দিচ্ছে নিউজিল্যান্ড ৪৩ বছর বয়সে মা হচ্ছেন হলিউড অভিনেত্রী অ্যান হ্যাথাওয়ে মালয়েশিয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আদ্‌-দ্বীনের প্রতি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সংহতি, দ্রুত চালুর দাবি‎

পিলার ও কয়েন চক্রের হোতা আহাদুল ইসলাম দুলাল ও আব্দুল মনসুরের প্রতারণা

পিলার ও কয়েন চক্রের হোতা আহাদুল ইসলাম দুলাল ও আব্দুল মনসুরের প্রতারণা
পাঠক সংখ্যা
638

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

গত কয়েক বছরে দেশের প্রভাবশালী ও অর্থনৈতিকভাবে সক্ষম মানুষদের লক্ষ্য করে একটি জটিল প্রতারণা চক্র সক্রিয় হয়েছে। অনুসন্ধানে এবং ভুক্তভোগীদের সাক্ষাৎকারে জানা যায়, আহাদুল ইসলাম দুলাল ওরফে এইচএম দুলাল খান (চান্দু) এবং আব্দুল মনসুর ওরফে ইব্রাহিম মুসা এই চক্রের মূলহোতা। তারা কথিত প্রাচীন সীমানা পিলার এবং শতবর্ষী কয়েন ব্যবহার করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়েছেন।

ভুক্তভোগীদের মধ্যে অন্যতম নাদের খান। তিনি জানান, এই প্রতারক চক্রের হাতে তার প্রায় ৮ কোটি ২০ লক্ষ টাকা চলে গেছে। নাদের খানের মতো শিক্ষিত ও অভিজ্ঞ মানুষও ফাঁদে পড়েছেন, যা প্রমাণ করে প্রতারকরা কতটা কৌশলীভাবে মানুষের আস্থা অর্জন করতেন।

নাদের খানসহ ভুক্তভোগীদের মধ্যে রয়েছেন মোঃ শাহ আলম, মামুন খন্দকার, রসনা বেগম, আসলাম চৌধুরী এবং মালিক সাহেবসহ আরও অনেকে।

ভুক্তভোগীরা জানান, আহাদুল ইসলাম দুলাল ওরফে এইচএম দুলাল খান (চান্দু) এবং আব্দুল মনসুর ওরফে ইব্রাহিম মুসা প্রাথমিকভাবে নিজেদের পরিচয় দিতেন সাবেক সরকারি কর্মকর্তা, প্রত্নতত্ত্ব গবেষক বা আন্তর্জাতিক কালেক্টরের স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে। তাদের ভাষা, নথি দেখানোর ধরন এবং পরিচয় প্রদানের কৌশল এতটাই প্রামাণ্য মনে হতো যে, অনেকেই প্রথম থেকেই সতর্ক হওয়া ছাড়াই তাদের কথায় বিশ্বাস করতেন।

চক্রটি প্রথমে ছোট অঙ্কের অর্থ নিয়ে আস্থা তৈরি করত। এরপর বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে বড় অঙ্কের অর্থ দাবি করত। ‘বিদেশি ক্রেতা আসছে’, ‘সরকারি ছাড়পত্র মিলেছে’ বা ‘চূড়ান্ত ডিল সম্পন্ন করতে হবে’-এই ধরনের কথা বলে ভুক্তভোগীদের সন্দেহ কমানো হতো।

প্রতারণার আরেকটি প্রধান হাতিয়ার ছিল কথিত প্রাচীন সীমানা পিলার। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এই পিলারগুলোর বেশিরভাগই সাধারণ পাথর বা আধুনিকভাবে তৈরি স্তম্ভ। কখনো ব্রিটিশ আমলের সীমান্ত পিলার হিসেবে, কখনো আরও প্রাচীন কোনো রাজ্যের নিদর্শন হিসেবে দেখানো হতো। বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে দেখানো হতো পুরোনো মানচিত্রের কপি, হলদে কাগজে ছাপানো নথি এবং ভুয়া সিলমোহর।

প্রাচীন কয়েনকে আরেকটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হতো। মুঘল, সুলতানি বা অন্যান্য প্রাচীন যুগের স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা দেখিয়ে বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করা হতো। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আধুনিক প্রযুক্তিতে এই ধরনের কয়েনকে কৃত্রিমভাবে পুরনো দেখানো খুবই সহজ। এসিড ট্রিটমেন্ট, ঘষামাজা এবং নকল খোদাইয়ের মাধ্যমে সাধারণ ধাতুকেও শতবর্ষী মুদ্রার রূপ দেওয়া সম্ভব।

ভুক্তভোগীরা বলেন, এই প্রতারণা শুধু আর্থিক ক্ষতির বিষয় নয়; এটি দেশের আইন, সামাজিক আস্থা এবং ঐতিহ্যের ওপরও বড় প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে প্রভাবশালী ব্যক্তি বা সরকারি অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এই ফাঁদে পড়লে সাধারণ মানুষের ঝুঁকি আরও বাড়ে।

আইনশৃঙ্খলা বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রত্নসম্পদ সংরক্ষণ আইন থাকলেও সাধারণ মানুষের সচেতনতা খুব কম। কোন বস্তু বৈধভাবে কেনাবেচা করা যায় এবং কোনটি রাষ্ট্রীয় সম্পদ তা স্পষ্ট না হওয়ায় প্রতারকরা সুযোগ নেয়। ইতিহাস ও ঐতিহ্যের আবরণ প্রতারণাকে আড়াল করে, আর দ্রুত লাভের প্রলোভন মানুষকে ফাঁদে ফেলে।

ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, সামাজিক সম্মান বজায় রাখার কারণে তারা প্রতারণার পর অভিযোগ করতে পারেননি। কিন্তু তাদের অভিজ্ঞতা থেকে স্পষ্ট যে আহাদুল ইসলাম দুলাল ওরফে এইচএম দুলাল খান (চান্দু) এবং আব্দুল মনসুর ওরফে ইব্রাহিম মুসা দেশের বহু মানুষের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে এবং নতুন শিকার তৈরি করছে।

আহাদুল ইসলাম দুলাল ওরফে এইচএম দুলাল খান (চান্দু) এর বিরুদ্ধে দুইটি প্রতারণার মামলা রয়েছে। একটি মামলা মিরপুর মডেল থানায়, এফআইআর নং-৬, তারিখ ৬ নভেম্বর ২০১২, দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৪২০/৪৬৫/৪৬৬/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/৪০৬/৩৪ ধারায় দায়ের করা হয় এবং তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর মামলা নারায়ণগঞ্জ সদর থানায়, এফআইআর নং-১১, তারিখ ১০ জুন ২০০৮, দণ্ডবিধি ৪২০ ও ৪০৬ ধারায় এজাহারভুক্ত।

সূত্রে জানা যায়, আহাদুল ইসলাম দুলাল ওরফে এইচএম দুলাল খান (চান্দু) এবং আব্দুল মনসুর ওরফে ইব্রাহিম মুসা বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে তারা নিজেদের বিভিন্ন নাম ব্যবহার করে। এই দুই ব্যক্তি মিলিতভাবে কথিত প্রাচীন পিলার ও কয়েনের প্রতারণার সিন্ডিকেট পরিচালনা করেছেন।

ভুক্তভোগীরা বলেন, প্রতারণার ধরন অত্যন্ত জটিল। প্রথমে আস্থা তৈরি করা হয়, তারপর ছোট অঙ্কের অর্থ নেওয়া হয়। ধাপে ধাপে বড় অঙ্কের টাকা নেওয়া হয় এবং শেষ পর্যন্ত যোগাযোগ বন্ধ করা হয়। আইনগত জটিলতার গল্প দেখিয়ে ভুক্তভোগীদের নিরাপদ মনে করানো হতো। এই প্রক্রিয়ার কারণে টাকা ফেরত পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে গেছে।

নাদের খান সহ অন্যান্য ভুক্তভোগীরা জানান, এই চক্র থেকে তারা বিপুল অর্থ হারিয়েছেন। নাদের খানের ক্ষেত্রে ক্ষতি প্রায় ৮কোটি ২০লক্ষ টাকা। এই তথ্য দেখায়, প্রতারণার পরিধি কেবল সামান্য নয়, বরং কোটি কোটি টাকা নিয়ে চক্রটি সক্রিয় ছিল।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সতর্কতা ও সচেতনতা ছাড়া এমন প্রতারণা রোধ করা সম্ভব নয়। জনগণকে সচেতন করা, সামাজিক সম্মান ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দিকে নজর রাখা এবং প্রত্নসম্পদের বৈধতা যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ভুক্তভোগীরা আশা করছেন, তাদের মতো আর কেউ দ্রুত লাভের প্রলোভনে ফাঁদে পড়বে না। তারা মনে করেন, সতর্কতা ও সচেতনতা প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পেতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

মৌসুমী ফল যেভাবে সর্দি, কাশির উপশম করে

সামসুন নাহার স্মৃতি ॥ এখন বসন্তকাল। ঋতু পরিবর্তনের এ সময় ঘরে ঘরে ঠান্ডা, সর্দি, কাশি, জ্বর দেখা দেয়। বসন্তকালের আবহাওয়া যতই মিষ্টি হোক না কেন, এ সময় অনেকেরই বিভিন্ন ধরনের সংক্রামক রোগ দেখা দিতে পারে। যেমন- চিকেন পক্স, গুটিবসন্ত কিংবা সর্দি-কাশি, ঠান্ডা, জ্বর ইত্যাদি। সংক্রমিত রোগকে প্রতিরোধ করতে হলে দৈনিক খাদ্য তালিকায় চাই পর্যাপ্ত পরিমাণ মৌসুমি ফল ও বিভিন্ন রঙের শাকসবজি। বিশেষ করে ভিটামিন ‘সি’যুক্ত মৌসুমি ফল ও নানা রঙের শাকসবজি সমৃদ্ধ খাদ্যতালিকা তৈরি করতে হবে সবার জন্য। দেশীয় মৌসুমি ফল খাওয়ার সু-অভ্যাসটি গড়ে তুলতে হবে পরিবারের ছোট-বড় সদস্যদের। রোগ প্রতিরোধ বাড়ানোর জন্য খেতে পারি আমরা দেশীয় মৌসুমি ফল, যেমন-পেয়ারা, আমড়া, কামরাঙ্গা, বাউকুল, বরই ইত্যাদি। এছাড়া মালটা, কমলা, আনার, নাশপাতি, ড্রাগন, আঙুর ফল খাওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া ভিটামিন ‘সি’র

আরও পড়ুন
language Change