তারিখ লোড হচ্ছে...

ই-পেপার

শিরোনাম
বিআইডব্লিউটিএতে সাইদুর রহমানের হরিলুট রেল জংশনের দাবিতে সিরাজগঞ্জে বিশাল মানববন্ধন চাটখিলে নববধূর রহস্যজনক মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা মোংলায় কবি রুদ্রের মুত্যুবার্ষীকি পালিত হচ্ছে শ্রীবরদীতে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ, সার ও চারা বিতরণ রামগড়ের মেধাবী তরুণ ফারহান পেলেন রাশিয়ায় ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ মুখ ঢেকে কথা বলায় ‘লাল কার্ড’, ইতিহাস গড়লেন আলমিরন পেনশনে বড় সুখবর: ৫ বছর চাকরিতেই সুবিধা, সর্বোচ্চ হার ৯০ শতাংশ বেনজীরকে দেশে ফেরাতে প্রত্যর্পণ আবেদন পাঠিয়েছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিয়ের সাজে বুবলী বটিয়াঘাটায় জাল ও ভুয়া দলিলের মাধ্যমে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ আমরা ট্যুরিজমের একটা মাস্টার প্ল্যান করছি, এই মাস্টার প্ল্যানে সিলেটও আছে: পর্যটনমন্ত্রী যাত্রী ছাউনিতে মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর সন্তান প্রসব, পিতৃপরিচয় নিয়ে প্রশ্ন পুরোনো ভিডিও ও ছবি দিয়ে নোয়াখালীতে মিছিলের অপপ্রচার, আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ মোংলায় ব্রাজিল সমর্থকদের বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল ও মটর শোভাযাত্রা নোয়াখালীতে পুকুরে পানি সেচের মোটরের তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু বদিয়ার রহমানের নিরাপত্তা ও হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন সীমান্তে রামগড় বিজিবির অভিযানে চৌদ্দ কেজি গাঁজা জব্দ নোয়াখালীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৭০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক বটিয়াঘাটা তেতুঁলতলার ত্রাস ২২ মামলার আসামি ইমরান হাওলাদার গ্রেফতার সুন্দরবনে নিরাপত্তা নিশ্চিতে কোস্ট গার্ড মহা পরিচালকের কঠোর হুঁশিয়ারি মাদক, জুয়া ও সীমান্তে অপরাধ দমনে রামগড় বিজিবির মাসিক নিরাপত্তা সমন্বয় সভা প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার তীব্র চাপ, সিদ্ধান্তে অনড় স্টারমার মসজিদে এসি চুরির চেষ্টার অভিযোগে দুই যুবক আটক শীর্ষ সন্ত্রাসী ‌‘কাইল্লা পলাশ’ মারা গেছেন শিশুদের শিক্ষা-স্বাস্থ্যে বিনিয়োগই জাতি গঠনের মূল: প্রধানমন্ত্রী দেশে খাদ্যশস্যের মজুত ২০ লাখ ৬০ হাজার টন ছাড়িয়েছে পতেঙ্গায় সী-বার্ড হোটেলের খাবার খেয়ে অসুস্থ ৪ পর্যটক অপহৃত শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, গ্রেফতার ৫ ব্রাজিল দলের অনুশীলনে ফিরলেন নেইমার এসএসএফের ফায়ারিং রেঞ্জে নিশানা পরীক্ষা করলেন প্রধানমন্ত্রী রংপুরে পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার ওপর হামলা প্রশাসনের অভিযানের পরও গভীর রাতে ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার মহোৎসব রংপুর সদরে ফল মেলা ও পাটনার কংগ্রেসের উদ্বোধন সব বোর্ডে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হবে: শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে নকলায় স্কুল ড্রেস ও ব্যাগ বিতরণ ফাইল আটকে কমিশন বাণিজ্য গণপূর্তের প্রকৌশলী শরিফুলের যমুনা রেলওয়ে সেতু প্রকল্পে হাজার কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তে দুদক পানি নিষ্কাশনের জন্য কাটা বাঁধই এখন দুর্ভোগের কারণ জয়মনি গ্রামে মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন দুর্ভোগে বাসিন্দারা সংবাদ প্রকাশের জেরে সাপ্তাহিক ‘তদন্ত রিপোর্ট’-এর সম্পাদক ও নির্বাহী সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা চাকরিতে প্রক্সি সিন্ডিকেটের নেপথ্যে জনস্বাস্থ্যের আনোয়ার ও কাস্টমসের সিপাহী আজিজ! অভিযোগের পাহাড়, তবুও নীরব রাজউক: ‘অপ্রতিরোধ্য’ দুর্নীতির জালে আবুল কালাম আজাদ উত্তরা ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মাকসুদুর আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানীর অভিযোগ সিরাজগঞ্জে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ কমিটির উদ্যোগে মিছিল ‎ সিরাজগঞ্জে সেতুর নিচ থেকে মরদেহ উদ্ধার নলডাঙ্গার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হলেন-মনিরুল ইসলাম ডাবলু বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরিতে ৬৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান জ্বালানি সিন্ডিকেটের প্রভাবে সচিব সাইফুল ইসলাম বহাল তবিয়তে

জামায়াতপন্থিদের দাপট প্রশাসনে

জামায়াতপন্থিদের দাপট প্রশাসনে
পাঠক সংখ্যা
638

স্টাফ রিপোর্টার॥
ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে মারাত্মকভাবে দলীয়করণ করা হয়েছিল প্রশাসন। অভিযোগ ছিল দক্ষ ও পেশাদারিত্বের পরিবর্তে দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চূড়ান্ত হতো পদোন্নতি। তবে দলনিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দলীয় পরিচয়ের বাইরে সৎ ও যোগ্য কর্মকর্তারা পদোন্নতি ও পদায়ন পাবেন এমনটাই প্রত্যাশা ছিল বঞ্চিতদের। কিন্তু এখনও দলীয় পরিচয় মূল প্রভাবক হিসেবে কাজ করছে এমন অভিযোগ তাদের। জুলাই আন্দোলনের পর জামায়াতপন্থিদের দাপট উল্লেযোগ্য। এমনকি ফ্যাসিস্ট সরকারের বিতর্কিত ও জামায়াতপন্থি আমলারা কৌশলে বিএনপিপন্থি আমলাদেরও কোণঠাসা করে রাখার চেষ্টা করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

জনপ্রশাসন থেকে শুরু করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিচার বিভাগ সব জায়গায়ই জামায়াতপন্থিদের জয়জয়কার। শুধু তাই নয়, দীর্ঘদিন বিদেশে থাকা জামায়াত সমর্থক অনেককেও দেশে এনে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ দফতরের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়েছে।

নিয়োগ বঞ্চিতদের অভিযোগ, একাধিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ ও বিভিন্ন সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলা হয়েছে প্রশাসনে পন্থি বলে কিছু নেই।

জানা যায়, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ দখলে নিতে তৎপর হন বিএনপি ও জামায়াতপন্থি কর্মকর্তারা। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, ফ্যাসিস্ট আমলা এবং জামায়াত ও সরকার সমর্থক একটি গ্রুপের রোষানলে পড়ে বিএনপিপন্থি বঞ্চিত কর্মকর্তারা পদোন্নতি ও ভালো পদায়ন পাচ্ছেন না। তাদের অভিযোগ, বিগত সরকার আমলে জামায়াতপন্থি কর্মকর্তাদের অনেকেই আওয়ামীপন্থি সেজে প্রশাসনে দাপটের সঙ্গে ছিলেন। তারা এখনও দাপটের সঙ্গেই রয়েছেন। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে সময়মতো পদোন্নতি ও ভালো পদায়ন পেয়েছেন এমন অনেক কর্মকর্তা বর্তমান সরকারের আমলেও হয়েছেন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

প্রশাসনে এমন বেশ কয়েকজন সচিব রয়েছেন, যারা আওয়ামী লীগ আমলে খুব প্রভাবশালী কর্মকর্তা ছিলেন। বর্তমান সরকারের আমলেও তাদের প্রভাব কমেনি। এমনকি আওয়ামী লীগ আমলে মন্ত্রীর পিএস ছিলেন এমন কর্মকর্তারা বর্তমান সরকারের উপদেষ্টার পিএস হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

উদাহরণ হিসেবে তারা বলেন, সাবেক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী স. ম. রেজাউল করিমের একান্ত সচিব আবু নঈম মোহাম্মদ আবদুছ ছবুর সরকার পরিবর্তনের পরও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টার পিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি যুগ্ম সচিব পদোন্নতি পাওয়ার পরও উপদেষ্টার কার্যালয়ে দায়িত্ব পালন করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা।

তারা বলেন, তার মতো সাবেক মন্ত্রীদের পিএসরা এখনও ভালো ভালো পদে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্তর্বর্তী সরকার আমলেও আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী ও জামায়াতপন্থিদের একই কায়দায় উপসচিব থেকে শুরু করে সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে। অথচ বিগত সরকার আমলে বারবার পদোন্নতি বঞ্চিত হয়েছেন এমন অনেক কর্মকর্তা কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন।

সচিবালয়ের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বহাল তবিয়তে আছেন আওয়ামীপন্থি কর্মকর্তারা। যেসব ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা হয়েছে তাদের মধ্যে দাপট রয়েছে জামায়াতপন্থিদের। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ। বর্তমানে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আবদুর রশীদ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব মো. মোখলেস উর রহমানকে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনিসহ প্রায় একশ জনকে চুক্তিতে নিয়োগ দিয়ে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। অভিযোগ এর মধ্যে জামায়াতপন্থিদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া এক ডজন সুবিধাভোগী কর্মকর্তাকে সচিব হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। বিগত সরকারের সময় নিয়োগ পাওয়া সচিবদের অনেকে এখনও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও বিভাগে বহাল রয়েছেন। অথচ রাজনৈতিক কারণে যেসব মেধাবী কর্মকর্তা পদোন্নতি বঞ্চিত হয়েছিলেন তাদের অধিকাংশের ভাগ্যে গত এক বছরেও ভালো পদায়ন জোটেনি। হাতেগোনা কয়েকজন সচিব পদোন্নতি পেলেও তারা রয়েছেন অপেক্ষাকৃত গুরুত্বহীন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে। এ কারণে দল নিরপেক্ষ ও মেধাবী কর্মকর্তাদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে। তারা বলছেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে যোগ্যতা ও মেধার অগ্রভাগে থাকলেও রাজনৈতিক কারণ দেখিয়ে যাদের পদোন্নতি বঞ্চিত এবং বছরের পর বছর ধরে ওএসডি হিসেবে রাখা হয়েছিল দল নিরপেক্ষ সরকার আমলেও তাদের অনেকেই বঞ্চিত রয়েছেন। নতুন করে আরেকটি দলের অনুসারীরা পদোন্নতি ও ভালো পদায়ন পাচ্ছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সচিব জানান, বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জামায়াতের কব্জায়। এ রকম বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দফতরসহ সরকারি বিভিন্ন বিভাগে তাদের লোকদের দাপট চলছে। বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব বানানো হয়েছে। দীর্ঘদিন বিদেশে থাকা জামায়াতের লোককেও দেশে এনে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ দফতরের শীর্ষ পদে বসানো হয়েছে। সম্প্রতি সুইডেন থেকে একজনকে এনে একটি সরকারি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে বসানো হয়েছে। এ ছাড়া পরিবেশ অধিদফতরেও বসানো হয়েছে একজনকে। ঢাকা বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলার ডিসি বানানো হয়েছে। এ ছাড়া মাঠ প্রশাসনেরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন করা হয়েছে।

তারা জানান, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদফতর, শিক্ষা বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রে বেশিরভাগই নিয়োগ পেয়েছেন জামায়াতপন্থিরা। সোশ্যাল মিডিয়ায়ও এ নিয়ে অনেক বিতর্ক হয়েছে। এ নিয়ে বিএনপিপন্থি ও দল নিরপেক্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করলেও প্রকাশ্যে কিছু বলতে পারছেন না।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, প্রশাসন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দফতরে বিএনপিপন্থি কর্মকর্তাদের সরিয়ে আওয়ামী লীগ বা জামায়াতপন্থিদের বসানো হচ্ছে। বিএনপিপন্থি কর্মকর্তাদের পরিকল্পিতভাবে উপেক্ষা করা শুরু হয়েছে, যার লক্ষ্য হলো বিএনপির প্রভাব দূর করা। বিএনপি-সমর্থিত কর্মকর্তাদের বাদ দেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত অথবা অন্তত জামায়াতে ইসলামীর অনুগতদের পদ দেওয়া হচ্ছে। এই ধারা এখন থানা, আদালত এবং সচিবালয়ের সব স্তরে ছড়িয়ে পড়েছে। বিএনপি-নির্মূলের এই পদক্ষেপ শুরু হয়েছে।

সাবেক সিনিয়র সচিব আবু আলম শহীদ খান বলেন, চাকরিতে প্রবেশ করার সময় কেউ কোনো রাজনৈতিক দলের অনুগত হয়ে যোগদান করে না। তারা যোগ্যতা অর্জন করে সরকারি চাকরিতে যোগদান করে। তবে বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক সরকারগুলো গণকর্মচারীদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে পদোন্নতি ও ভালো পদায়ন দিয়েছে। এতে প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা লাভবান হওয়ায় সরকার পরিবর্তনের পর তাদের আগের সরকারের দোসর মনে করা হয়। গনর্পত মন্ত্রনালয়ের সচিব নজরুল ইসলাম সরাসরি জামাতের আর উনার বেয়াইও একটি মন্ত্রনালয়ের সচিব।

তিনি বলেন, ১৭ লাখ গণকর্মচারীর মধ্যে সবাই তো রাজনৈতিক দলের পক্ষে থাকে না। অনেকেই নিরপেক্ষ রয়েছেন। তার মতে প্রশাসন ক্যাডার কর্মকর্তাদের সঙ্গে রাজনৈতিক সরকারগুলোর একটি ভালো সম্পর্ক থাকে। সেটি এখনও রয়েছে। স্বাধীন প্রশাসন ব্যবস্থা, স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা এবং স্বাধীন পুলিশ ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করতে পারলে এ সমস্যা থাকবে না। সেটি বর্তমান সরকারের করার সুযোগ রয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র বলেন, জামায়াতপন্থি কর্মকর্তারা পদোন্নতি পাচ্ছেন আর বিএনপিপন্থিদের দেওয়া হচ্ছে না এমন অভিযোগ সঠিক নয়। এখানে কোনো পন্থি বলে কিছু নেই। সবাই সরকারের কর্মকর্তা ও কর্মচারী। সার্ভিসে থেকে দলবাজি কিংবা পক্ষপাতিত্ব করার সুযোগ নেই। অতীতে যারা দলবাজি করেছেন, এখন তাদের পরিণতি দেখে অন্যদেরও শিক্ষা নেওয়া উচিত।

Facebook
X
LinkedIn
Threads
WhatsApp
Telegram
Email

Leave a Comment

আইনজীবী সাইফুল হত্যার প্রধান আসামি চন্দন গ্রেপ্তার

স্টাফ রিপোর্টার:  চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলার প্রধান আসামি চন্দন বর্মনকে (৩৮) কিশোরগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার চন্দন বর্মন চট্টগ্রামের বান্ডেল রোডের সেবক কলোনির ধারী বর্মনের ছেলে। গত বুধবার রাত ১১টা ৪০ মিনিটে কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলস্টেশন থেকে চন্দনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. আল-আমিন হোসাইন। তিনি জানান, ভৈরবের ওসি শাহীন মিয়ার নেতৃত্বে চন্দনকে স্টেশন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওসি শাহীন মিয়া জানান, ইতোমধ্যে চন্দনকে নেওয়ার জন্য চট্টগ্রাম পুলিশ ভৈরবে এসেছে। এর আগে গত ২৫ নভেম্বর রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। পরে ২৬ নভেম্বর তাকে চট্টগ্রামের আদালতে তোলা হয়। আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে

আরও পড়ুন
language Change